a
ফাইল ছবি
পাকিস্তানের অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার মোহাম্মদ হাফিজকে নিয়েই বিশ্বকাপের জন্য স্কোয়াড ঘোষণা করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। অভিজ্ঞ দুই তারকা ব্যাটসম্যান শোয়েব মালিক এবং সাবেক চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জয়ী অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদের ও যায়গা হয়নি ঘোষিত এই স্কোয়াডে।
আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী স্কোয়াডে ৩ জনকে রিজার্ভ রাখা হয়েছে । চমকের বিষয় স্কোয়াডে যায়গা করে নিয়েছেন সাবেক ক্রিকেটার মঈন খানের ছেলে আজম খান। আরেক অভিজ্ঞ টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান ফখর জামানের যায়গা হয়েছে রিজার্ভ বেঞ্চে। বাবর আজমের নেতৃত্বাধীন দলের সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছেন স্পিনার শাদাব খানকে ।
গতকাল সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এই স্কোয়াড ঘোষণা করে পিসিবি। ঘোষিত স্কোয়াডটি বিশ্বকাপ ছাড়াও নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সিরিজে খেলবে। আগামী ২৪ অক্টোবর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে হাই ভোল্টেজ ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে পাকিস্তান। বিশ্বকাপের মঞ্চে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতকে কখনও হারাতে পারেনি দলটি। তবে এবার ভারতকে হারিয়েই বাবর আজমরা বিশ্বকাপ ক্যাম্পেইন শুরু করবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন দলের প্রধান নির্বাচক মোহাম্মদ ওয়াসিম।
একনজরে পাকিস্তানের বিশ্বকাপ স্কোয়াড:
বাবর আজম (অধিনায়ক), আসিফ আলী, খুশদিল শাহ, মোহাম্মদ হাফিজ, সোহাইব মাকসুদ, আজম খান, মোহাম্মদ রিজওয়ান, ইমাদ ওয়াসিম, মোহাম্মদ নাওয়াজ, মোহাম্মদ ওয়াসিম, শাদাব খান, হারিস রউফ, হাসান আলী, মোহাম্মদ হাসনাইন, শাহীন শাহ আফ্রিদি।
রিজার্ভ খেলোয়াড় : ফখর জামান, শাওনেওয়াজ দহনি, উসমান কাদির।
ফাইল ফটো:
লিটন দাস-নাজমুল শান্ত এবং পেসার রুবেল হোসেনের তোপে দারুণ ব্যাটিংয়ে কুইন্সটাউনে বড় ব্যবধানে হেরেছে তামিম ইকবাল একাদশ। ওয়ানডে সিরিজের আগে নিজেদের মধ্যে খেলা এই প্রস্তুতি ম্যাচে শুরুতে ব্যাট করে তামিমরা তোলেন ২৩৩ রান। জবাবে ৯ উইকেটের জয় পায় শান্ত একাদশ।
মঙ্গলবার জন ডেভিস ওভালে শুরুতে ব্যাট করে সৌম্য সরকার ২৮ রান, নাঈম শেখরা ১২ রান সেট হয়ে ফিরে যান। ভরসা দেওয়া মাহমুদুল্লাহ রিয়াদও আউট হন সেট হয়ে। তিনি করেন ৩৫ রান। তবে মোহাম্মদ মিঠুন একপাশ দিয়ে খেলে যাচ্ছিলেন। তার ব্যাট থেকে আসে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ হার না মানা ৬৬ রান।
নিউজিল্যান্ডের বেঞ্জি চুলহান খেলেন অপরাজিত ৪৬ রানের ইনিংস। তরুণ ডানহাতি অফ স্পিন অলরাউন্ডার শেখ মাহেদি হাসান করেন ৩৬ রান। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে তামিমের একাদশ তোলে ওই রান।
নাজমুল শান্তর একাদশ জবাব দিতে নেমে উড়ন্ত শুরু করে । অধিনায়ক শান্তর ব্যাট থেকে আসে ৪০ রান। অন্যদের সুযোগ দিতে মাঠ ছেড়ে উঠে যান তিনি। লিটন দাস ৫৯ রান করে মাঠ ছাড়েন। অপরাজিত থাকেন মুশফিকুর রহিম ৫৪ রান করে। মেহেদি মিরাজও ফিফটি রান করে। তিনি পুরোপুরি ৫০ রান করে মাঠ ছাড়েন। পেস অলরাউন্ডার সাইফউদ্দিন করেন ১৬ রান।
রুবেল হোসেন দারুণ বোলিং করেন নাজমুল একাদশের হয়ে। দলের সিনিয়র এই পেসার ৪২ রানে নেন ৪ উইকেট। অন্য উইকেটটি নেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। তামিম একাদশের হয়ে একমাত্র উইকেটটি পান দলের বাঁ-হাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান।
তামিম একাদশ: তামিম ইকবাল, নাঈম শেখ, সৌম্য সরকার, মোহাম্মদ মিঠুন, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, শেখ মাহেদি হাসান, নাসুম আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, আল আমিন হোসেন এবং নিউজিল্যান্ডের এক ব্যাটসম্যান ও বোলার।
নাজমুল একাদশ: লিটন দাস, নাজমুল শান্ত, আফিফ হোসেন, মুশফিকুর রহিম, মেহেদি মিরাজ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, শরিফুল ইসলাম, হাসান মাহমুদ, রুবেল হোসেন এবং নিউজিল্যান্ডের তিন ক্রিকেটার।
সারাদেশের ন্যায় ঝিনাইদহে শুরু হয়েছে ১ সপ্তাহের লকডাউন। সকাল থেকেই বন্ধ রয়েছে স্থানীয় ও দুরপাল্লার সকল প্রকার গণপরিবহন। বন্ধ রাখা হয়েছে ঔষধ, খাদ্যের দোকান ব্যতিত সকল দোকান-পাট।
সোমবার সকাল থেকে লকডাউন কার্যকরে মাঠে রয়েছে পুলিশ।
জেলার বিভিন্ন উপজেলাসহ জেলা শহরের পোস্ট অফিস মোড়, আরাপপুর, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন স্থানে পুলিশের চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।
সরকারের ১৮ দফা নির্দেশনা কার্যকর ও সর্বস্তরের মানুষকে সচেতন করতে সকালে পুলিশের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়।
পুলিশ সুপার মুনতাসিরুল ইসলাম নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল আবুল বাশার, ডিবি ওসি আনোয়ার হোসেন, সদর থানার ওসি মোঃ মিজানুর রহমানসহ জেলা পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়।
এ সময় লকডাউনে অযথা শহরে ঘোরাঘুরি না করতে ও জরুরী প্রয়োজনে বাইরে বের হওয়া মানুষকে স্বাস্থ্য বিধি মানতে নানা পরামর্শ দেন।