a ঢাকা মেডিকেলে ছেলেকে মৃত ঘোষণা, মা-বাবাকে পেটালেন আনসার সদস্যরা
ঢাকা শনিবার, ১৫ ভাদ্র ১৪৩২, ৩০ আগষ্ট, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

ঢাকা মেডিকেলে ছেলেকে মৃত ঘোষণা, মা-বাবাকে পেটালেন আনসার সদস্যরা


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বুধবার, ২৪ মার্চ, ২০২১, ১০:৩৩
ঢাকা মেডিকেলে ছেলেকে মৃত ঘোষণা, মা-বাবাকে পেটালেন আনসার সদস্যরা

ফাইল ফটো: লিপি আক্তার

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ছেলেকে মৃত ঘোষণার পর বাবা-মা অন্যত্র সরিয়ে নিচেত চাইলে বাধা হয়ে দাঁড়ায় আনসার সদস্যরা। বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে মা লিপি আক্তারকে এবং বাবা লিটন মিয়া মারধর করেন আনসার সদস্যরা। মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) রাতে ঢামেকের জরুরি বিভাগের ভেতরে এ ঘটনাটি ঘটে। আহত লিপিকে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা স্থানান্তর করা হয়েছে।

শিশুটির বাবা মো. লিটন মিয়া বলেন, ‘হাসপাতালের ২০৪ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি ছিল তার ছেলে আমির হামজা। সন্ধ্যার দিকে চিকিৎসকরা আমার ছেলেকে মৃত ঘোষণা করেন। কিন্তু ছেলের মৃত্যুর বিষয়টি বিশ্বাস হয়নি। এ সময় আমি আমির হামজাকে চিকিৎসার জন্য অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি। 

জরুরি বিভাগের গেট দিয়ে বের হতেই আনসার সদস্যরা বাধা দেন এবং চার দিকের গেট আটকে দেন। এ সময় এনিয়ে তাদের সঙ্গে আমার কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে কয়েকজন আনসার সদস্য আমার স্ত্রী লিপিকে তাদের কাছে থাকা অস্ত্র দিয়ে আঘাত করাসহ কিল-ঘুষি মারেন। এমন পরিস্থিতিতে আমি ছাড়াতে গেলে আমাকেও মারধর করেন আনসার সদস্যরা।

আহত লিপি আক্তার বলেন, আমার ছেলেকে আমি নিয়ে যাবো, আনসার সদস্যরা কেন বাধা দেবে? এটা বলাতে তারা আমাকে মারধর করেছেন। আমার স্বামী ছাড়াতে গেলে তাকেও মারধর করা হয়। আমি এর বিচার চাই।

জরুরি বিভাগে থাকা কয়েকজন রোগীর স্বজন জানান, একজন নারীর গায়ে হাত তুলেছেন আনসার সদস্যরা। এটা কখনোই মেনে নেওয়া যায় না। একে তো তার ছেলে মারা গেছে, এতে তার মাথা ঠিক থাকার কথা না। মা-তো পাগলামী করতেই পারেন। তাই বলে একজন নারীর গায়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার লোকজন এভাবে হাত দেবে!

মৃত শিশুর বাবা মো. লিটন মিয়া আরও জানান, তাদের বাসা তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল কুনিপাড়া এলাকায়। তার একমাত্র ছেলে আমিরহামজা গত ১৯ মার্চ সকালের দিকে পূর্ব নাখালপাড়া এলাকায় একটি কারখানার টিনের ছাদে তার ঘুড়ি আনেত যায়। সেখানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিচে পরে যায়। এতে তার মাথায় আঘাত পায়। সেই দিনই তাকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।

ঢামেক হাসপাতালের আনসার কমান্ডার (পিসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, জরুরি বিভাগের মৃত শিশুর স্বজনদের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। যদি কোনো আনসার সদস্যদের বিরুদ্ধে নারীকে মারধর করার প্রমাণ মেলে, তবে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  

ঢামেক পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক বলেন, শুধু আনসার সদস্য কেন? অন্য কেউ-ই কোনো নারীর গায়ে হাত দিতে পারেন না। এ রকম ঘটনা ঘটে থাকলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, এরইমধ্যে বিষয়টি নিয়ে পুলিশকে ​ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

স্বাস্থ্যশিক্ষার ফাইল গায়েবে ৬ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক:
সোমবার, ০১ নভেম্বর, ২০২১, ০৯:০৯
স্বাস্থ্যশিক্ষার ফাইল গায়েবে ৬ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ

ফাইল ছবি

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যশিক্ষা বিভাগের ১৭টি ফাইল গায়েব হয়ে যাওয়ায় তোলপাড় চলছে। এ ঘটনায় এখন কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে সাপ বেরিয়ে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। কেননা এ ধরনের ঘটনা এবারই প্রথম নয়- এর আগেও একবার একই কায়দায় ফাইল চুরি হলেও সে ঘটনাও ধামাচাপা দেয়া হয়েছে। তবে এবার নড়ে চড়ে বসেছেন স্বাস্থ্য সচিব আলী নূর।

তিনি কঠোর মনোভাব নিয়ে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের কঠোর শাস্তির কথা বলেছেন। সচিব জানিয়েছেন- ফাইল গায়েব হয়ে যাওয়ার ঘটনায় ‘কেউই সন্দেহের উর্ধে নন। এরই মধ্যে ওই শাখার তৃতীয় এবং চতুর্থ শ্রেণীর ৬ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে গেছে সিআইডি। রবিবার বেলা ১২টার দিকে সচিবালয় থেকে তাদের নিয়ে যাওয়া হয়। সিআইডির পাশাপাশি আরও কয়েকটি গোয়েন্দা সংস্থাও এ ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে সক্রিয় হয়েছে।

জানা গেছে, এ ঘটনায় সচিবালয়ে তদন্ত শুরু করেছে সিআইডির ক্রাইম সিনের সদস্যরা। তদন্তের জন্য সচিবালয়ে এসেছিলেন সিআইডির বিশেষ সুপার মোঃ কামরুজ্জামান। তিনি জানান, যেহেতু একটা জিডি হয়েছে। সেটার বিষয়ে প্রাথমিক তদন্তের জন্য খোঁজখবর নিতে আমরা এসেছি। কিছু তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়েছে।

এদিন ক্রাইম সিনের সদস্যরা সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের নিচতলায় অতিরিক্ত সচিব মোঃ শাহাদাত হোসাইন ও যুগ্ম সচিব কাজী আনোয়ার হোসেনের কক্ষে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করেন। এ সময় তারা সবার আঙ্গুলের ছাপ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চেক করেন। অন্তত ১৩ জনের আঙ্গুলের ছাপ নেয়া হয়।

এদিকে সিআইডি সূত্র জানিয়েছে, তাদের দফতরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যে ৬ জনকে ডেকে আনা হয়েছে তারা হলেন- জোসেফ, আয়শা, বাদল, বারী, মিন্টু ও ফয়সাল। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ওই কক্ষের ছয়জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দুপুর সোয়া ১টার দিকে একটি মাইক্রোবাসে করে সিআইডি কার্যালয়ে নেয়া হয়। জানা গেছে, তদন্তকারীদের সাধারণ কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়েই তারা অসংলগ্ন কথা বার্তা বলছেন। কিছু প্রশ্নের জবাবে তারা রহস্যজনকভাবে নীরব থাকে। এদের আরও ব্যাপক জেরা করার প্রয়োজনে গ্রেফতার করা হতে পারে।

রবিবার ফাইল গায়েব হয়ে যাওয়ার ঘটনায় কেউই সন্দেহের উর্ধে নন বলে জানিয়েছেন বিভাগটির সচিব মোঃ আলী নূর। তিনি সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, আমি নথি হারানোর বিষয়টি বৃহস্পতিবার জানতে পেরেছি। জানার পর পুলিশকে জানিয়েছি। পরে সিআইডিকে বিষয়টি টেকওভার করতে বলেছি।

এ ঘটনায় তদন্ত কমিটির একজন সদস্য বাড়ানো হয়েছে উল্লেখ করে আলী নূর বলেন, শুক্রবার রাতে অতিরিক্ত সচিব মোঃ শাহ্ আলমকে প্রধান করে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য দুই সদস্য ছিলেন চিকিৎসা শিক্ষা বিভাগের যুগ্ম সচিব মোঃ আহসান কবীর এবং উপ-সচিব আবদুল কাদের। কমিটিতে বিভাগের উপসচিব মল্লিকা খাতুনকে যুক্ত করা হয়েছে। কবেনাগাদ প্রতিবেদন পাওয়া যেতে পারে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, কমিটিকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আশা করছি এই সপ্তাহের মধ্যেই রিপোর্ট পাব।

এ ঘটনায় কাউকে সন্দেহ করছেন কিনা, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মোঃ আলী নূর বলেন, আমরা কেউই সন্দেহের উর্ধে নই। সিআইডিকে বলা হয়েছে, আপনাদের যাকে যাকে মনে হয়, জিজ্ঞাসাবাদ করেন। কারও কোন আপত্তি থাকবে না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সচিব আলী নূর গতকাল সন্ধ্যায় গনমাধ্যমকে বলেন, সিআইডি আমাদের অনুমতি নিয়েই ৬ জনকে নিয়ে গেছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজনেই নিয়ে গেছে। আমরা চাই এ ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন করা হোক।

জানা গেছে, ফাইল চুরির ঘটনা এবারই প্রথম নয়। মাত্র দেড় মাস আগেও একই শাখা থেকে ফাইল গায়েব হয়েছিল। তবে সেই ঘটনার এখনও কোন সুরাহা হয়নি। বরং ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। মাস দেড়েক আগে ওই একই শাখা থেকেই ফাইল গায়েব হয়ে গিয়েছিল। সেই ফাইলটি ছিল রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ সংক্রান্ত। ফাইল গায়েব হওয়ার পর তিন দিনের ভেতরে ফাইল খুঁজে দেয়ার জন্য আয়েশা সিদ্দিকাকে চিঠি দেয়া হয়। কিন্তু তিনি চিঠির জবাব দেননি। পরে তাকে শো-কজ করা হয়। আয়েশা সিদ্দিকা বর্তমানে অন্তঃসত্ত্বা। সে সময় চিঠির জবাবে তিনি বেশিরভাগই তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানান। তখন তিনি জানিয়েছেন, এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। এরপর নিয়ম অনুযায়ী, সে জবাব সন্তোষজনক না হওয়াতে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রশাসনিক শাখায় অভিযোগ পাঠিয়ে দেয়া হফ। পরে তার শরীরের অবস্থা বিবেচনা ও সন্তানের ওপর কোন প্রভাব পড়ে কিনা চিন্তা করে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

একই ঘটনায় অতিরিক্ত সচিব মোঃ শাহাদাৎ হোসাইন গণমাধ্যমকে বলেন, ফাইল গায়েব হওয়ার ঘটনায় জিডি করা হয়েছে শাহবাগ থানায়। সিআইডি, এনএসআই এসেছে। এখন তো আমাদের আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া আর কোন পথ নেই। তারা আমাদের সবার মোবাইল নম্বর নিয়েছে। আগামীকাল থেকে এর হদিস বের করার চেষ্টা করা হবে। রবিবারে সব স্টাফরা আসার পর পুলিশসহ সবাই তদন্ত করবে।

নথি গায়েবের ঘটনাকে ভয়াবহতা উল্লেখ করে শাহাদাত হোসেন বলেছেন, এটা অনেক ভয়াবহ একটা ব্যাপার, কারণ নথি তো একটা ডকুমেন্ট। এটা সরকারী ডকুমেন্ট। এই সরকারী ডকুমেন্ট নাই এটা তো বারবার ঘটতে পারে। এ ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে, পুনরাবৃত্তি না হয় এবং এর একটা সমাধান যেন হয়, সে জন্য যেভাবে যা করার আমরা করছি। সূত্র: জনকন্ঠ

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে তিক্ততা সৃষ্টির চেষ্টা করছে কিছু গোষ্ঠী: পররাষ্ট্রমন্ত্রী


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ০৯:২৮
যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে তিক্ততা সৃষ্টির চেষ্টা করছে কিছু গোষ্ঠী: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত মধুর। তবে কিছু গোষ্ঠী তিক্ততা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে, বাংলাদেশ নিয়ে মিথ্যাচার করছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন।

স্থানীয় সময় সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের বাঙালি অধ্যুষিত জ্যাকসন হাইটসে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন, যুক্তরাষ্ট্র শাখা আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আমাদের অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। আমরা যে নীতি ও মূল্যবোধে বিশ্বাস করি, যুক্তরাষ্ট্র সেই নীতি ও মূল্যবোধে বিশ্বাস করে। বাংলাদেশ হচ্ছে সেই দেশ যেখানে গণতন্ত্রের জন্য আমরা লড়াই সংগ্রাম করেছি। আমরা জনগণের ভোটে জয়লাভ করলেও ১৯৭১ সালে আমাদের সরকার গঠন করতে দেয় নাই। বরং আমাদের উপর গণহত্যা চালানো হয়েছিল। তখন বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।

ড. মোমেন বলেন, আমরা স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলাম গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। এজন্য স্বাধীনতা যুদ্ধে আমাদের ত্রিশ লক্ষ মানুষের প্রাণ দিতে হয়েছে। পৃথিবীর কোথাও গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য এতো অল্প সময়ে এতো মানুষ আত্মত্যাগ করেনি। আমরা পৃথিবীর মধ্যে একমাত্র জাতি যারা গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য এতো বড় ত্যাগ স্বীকার করেছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র গণতন্ত্রে ও মানবাধিকারে বিশ্বাস করে। তাই যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আমাদের মতের, চিন্তার মিল আছে। নীতিগতভাবে আমাদের দু'দেশের মধ্যে মিল রয়েছে। তবে তাদের কোনো কোনো ব্যক্তি বিশেষ হয়তো আমাদের উন্নয়ন পছন্দ করছেন না, তাদের ব্যাপারে সজাগ থাকতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

কেউ বাংলাদেশ নিয়ে মিথ্যাচার করলে তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করতে দলমত নির্বিশেষে প্রবাসী বাংলাদেশিদের রুখে দাঁড়াতে আহ্বান জানান তিনি। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - অপরাধ