a
ফাইল ছবি
লকডাউনে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া রাস্তায় বের হওয়ায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সরকার। এর মধ্যে লকডাউনের প্রথমদিন কেমন হচ্ছে, তা দেখতে অকারণে বাইরে বের হওয়ার অপরাধে রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে শতাধিক ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
গণমাধ্যমকে এ খবর নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর বিভাগের উপ কমিশনার (ডিসি) আ স ম মাহাতাব উদ্দিন। তিনি বলেন, আমাদের প্রতিটি থানার পুলিশ সদস্যরা মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়া ঘরের বাইরে ঘুরাঘুরির অপরাধে শতাধিক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
ডিসি আরও জানান, কিছু যানবাহন আটকানো হয়েছে। সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত মিরপুর, গাবতলী, টেকনিক্যাল, শাহআলী, পল্লবী, মিরপুর, কাফরুলসহ বিভিন্ন এলাকায় দু’জন ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ফাইল ছবি
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের অফিসিয়াল গাড়ি থেকে জ্বালানি তেল চুরি করে বিক্রি করা হচ্ছিলো। তিনটি দোকানে গোপনে তেল বিক্রি হতো। ৫০টি গাড়ি থেকে মাসে প্রায় ১৮ হাজার তেল চুরি হয়েছে। এই চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- আবু কালাম (৫৬), সুমন (৪০), বাবু (২১), শাহিন (১৯)। তাদের কাছ থেকে প্রায় ৬০০ লিটার অকটেন ও পেট্রোল উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তারা বলেছেন, তেল বিক্রির সঙ্গে গাড়িচালকসহ সংশ্লিষ্টরাও জড়িত। চক্রটি প্রতিদিন অন্তত ৫০টি সরকারি গাড়ি থেকে তিন থেকে চার লিটার করে তেল সংগ্রহ করত। এভাবে একটি দোকানেই সরকারি গাড়ি থেকে চুরি করা প্রায় ২০০ লিটার তেল কিনতো। একটি দোকানে ছয় হাজার লিটার এবং তিনটি দোকানে ১৮ হাজার লিটার তেল বিক্রি হয়েছে।
বুধবার বিকেলে নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) এইচ এম আজিমুল হক বলেন, আমাদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য ছিল আগারগাঁওয়ে বিজ্ঞান প্রযুক্তি জাদুঘরের সামনে কয়েকটি দোকান সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের অফিসিয়াল গাড়ির জ্বালানি তেল চুরি করে বিক্রি হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে আজ দুপুরে তেজগাঁও জোনের এসি মাহমুদ খানের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে তিনটি দোকান থেকে প্রায় ৬০০ লিটার অকটেন ও পেট্রোল উদ্ধার করা হয় এ সময় ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে ডিসি এইচ এম আজিমুল হক বলেন, প্রতি লিটার অকটেন ১০০ টাকায় কিন খোলা বাজারে ১২৮ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি করত। প্রতি লিটার পেট্রোল ১১০ টাকায় কিনে খোলা বাজারে ১৩০ টাকায় এবং প্রতি লিটার ডিজেল ১০০ টাকায় কিনে খোলা বাজারে ১০৮ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি করে আসছিল চক্রটি। সূত্র: কালের কন্ঠ
ফাইল ফটো: বক্তব্য রাখছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপুমনি
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাঁচ থেকে ছয় লাখ নারী অসম্মানিত, লাঞ্ছিত, ধর্ষিত, বিধবা বা নানাভাবে হয়রানি ও অপমানের শিকার হয়েছেন।
আর এসব লাঞ্ছণাকারী রাজাকার, আলবদর, আল শামসদের ১৯৭৫ সালের পর এদেশের রাজনীতিতে পুনর্বাসিত করা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসানো হয়েছে, তাদের গাড়িতে পতাকা ওড়ানো হয়েছে। তারা ক্ষমতায় বসে দেশকে জঙ্গিবাদে পরিণত করেছে। নারীর অবমাননাকারীরা পূনরায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ফিরে এলে দেশে আবারও জঙ্গিবাদ ফিরে আসবে।
সোমবার ( ৮ মার্চ ) জাতীয় প্রেস ক্লাব আয়োজিত ‘মুক্তিযুদ্ধে নারী’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি নাসিমুন আরা হক মিনু, প্রেস ক্লাবের প্রবীণ নারী সদস্য মাহমুদা চৌধুরী এবং নারী নেত্রী কাজী সুফিয়া আখতার।
ডা. দীপু মনি আরও বলেন, ধর্ষক বিচারের রায়ে শাস্তি পায়। আর যে নারী ধর্ষণের শিকার হন তার জন্য প্রতিদিনই মৃত্যুদণ্ড। সারাটা জীবন তাকে অস্পৃশ্য ভাবা হয়। এটা পুরোপুরি মানসিকতার ব্যাপার। আমরা ভাষা দিয়ে কীভাবে একজন নারীকে দাবিয়ে রাখি। যখন কেউ ধর্ষণের শিকার হয় আমরা বলি সম্ভ্রমহানি হয়েছে। আমাকে কুকুর কামড় দিলে তো সম্ভ্রমহানি হয় না। একটা পুরুষ ধর্ষণ করলে একটা নারীর কীভাবে সম্ভ্রমহানি হয়? সম্ভ্রমহানি তো সেই পুরুষের হওয়ার কথা। আমরা কেন ধর্ষককে সম্ভ্রমহারা পুরুষ বলি না?’
সভাপতির বক্তব্যে ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, বীরাঙ্গনাদের অনেকেই অবজ্ঞার চোখে দেখা হয়। তাই সমাজের মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন আনতে হবে। তিনি পাঠ্যসূচিতে নারী মুক্তিযোদ্ধাদের কাহিনী অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি নারী মুক্তিযোদ্ধাদের জীবন কাহিনী নিয়ে চলচ্চিত্র, ডকুমেন্টারি নির্মাণের সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।