ঢাকা বৃহস্পতিবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ১৯ মে, ২০২২
Mukto Sangbad Protidin

করোনায় অনন্তযাত্রায় পাড়ি জমালেন ইন্দ্রমোহন রাজবংশী- মেসবা খান


নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার, ০৮ এপ্রিল, ২০২১, ১০:১৩
করোনায় অনন্তযাত্রায় পাড়ি জমালেন ইন্দ্রমোহন রাজবংশী- মেসবা খান
সঙ্গীতশিল্পী ইন্দ্রমোহন রাজবংশী

করোনার নির্মম ছোবলে অনন্তযাত্রায় পাড়ি জমালেন একুশে পদকপ্রাপ্ত সঙ্গীতশিল্পী ইন্দ্রমোহন রাজবংশী। বুধবার ৭ এপ্রিল সকাল প্রায় ১০টার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। 

ইন্দ্রমোহন রাজবংশীর জন্ম রাজধানী ঢাকা শহরে। তার পরিবারের পাঁচ পুরুষ সঙ্গীতের সঙ্গে জড়িত। সঙ্গীত কলেজে লোকসঙ্গীত বিভাগের প্রধান হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। 
তিনি ছিলেন বাংলাদেশ লোকসংস্কৃতি পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা। ১৯৫৭ সালে ছোটদের আসরে গান করতে শুরু করেন তিনি।

১৯৬৭ সালে 'চেনা অচেনা' চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে প্লেব্যাক শিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে তার। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন বন্ধে নাম-পরিচয় গোপন করে পাকিস্তানিদের দোভাষী হিসেবে কাজ করেছেন কিছুদিন।পরবর্তীতে সেখান থেকে চলে এসে মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণা দিতে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে কণ্ঠযোদ্ধা হিসেবে অংশগ্রহণ করেন রাজবংশী।

ভাওয়াইয়া, ভাটিয়ালী, জারি, সারি, মুর্শিদি ইত্যাদি গানের পাশাপাশি রবীন্দ্রসঙ্গীতশিল্পী হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত তিনি। দেশের সঙ্গীতাঙ্গণে অসামান্য অবদানের জন্য ২০১৮ সালে সঙ্গীত বিভাগে একুশে পদক লাভ করেন খ্যাতিমান এই সঙ্গীতশিল্পী। 

চলচ্চিত্র, বেতার ও টেলিভিশনে অনেক গান গেয়েছেন তিনি। গান গাওয়ার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে লোকগান সংগ্রহ করতেন ইন্দ্রমোহন রাজবংশী। দেশের সহস্রাধিক কবির লেখা কয়েক লাখ গান সংগ্রহ করেছেন তিনি। তার স্ত্রীর নাম দীপ্তি রাজবংশী, পুত্র রবীন রাজবংশীও লোকগানের সঙ্গে জড়িত। দেশবরেণ্য এই কণ্ঠযোদ্ধার প্রতি রইল অন্তিম শ্রদ্ধা। 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

আজ বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শনিবার, ১২ জুন, ২০২১, ১২:৩৮
আজ বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস

ফাইল ছবি

আজ বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস। ‘প্রজন্মের জন্য নিরাপত্তা ও সুস্বাস্থ্য’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আজ পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস’।

বাংলাদেশে ১৮ বছরের কম বয়সী ছেলে মেয়েদের শিশু বলা হয়। শিশু শ্রম বাংলাদেশের আইনে যেমন গর্হিতকাজ তেমনি বিশ্বের অন্যান্য দেশের কাছে শিশুশ্রম নিষিদ্ধ। প্রতিবছর ১২ জুন বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৮০টি দেশে আন্তর্জাতিক শিশু শ্রম দিবস পালিত হয়।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আইএলও, সেইভ দ্যা চিলড্রেন, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরাম এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন-এর সহযোগিতায় শিশুশ্রম প্রতিরোধে গণসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক আলোচনাসভা, সারা দেশে পোস্টারিং এবং লিফলেট বিতরণসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয় এই দিবসকে ঘিরে । এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ দেশে প্রায় ৩৪ লাখের ও বেশি শিশু কাজে জড়িত তাদের ভিতর প্রায় ১৭ লাখই শিশু বাকিরা অনুমোদনযোগ্য।

১৯৫৯ সালে জাতিসংঘে শিশু অধিকার সনদ ঘোষণা করা হয়। বাংলাদেশ এই সনদে স্বাক্ষর করে। বর্তমান আইনে ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত শিশু হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। শিশু অধিকার সনদে ৫৪টি ধারা এবং ১৩৭টি উপ-ধারা আছে। এই উপ-ধারাগুলোতে বলা হয়েছে, শিশুদের ক্ষেত্রে কোন ধরনের বৈষম্য করা যাবে না। ২০০৬ সালের বাংলাদেশ শ্রম আইনের ১ থেকে ১৪ এবং ১৯৭৫ সালের শিশু আইনে বলা হয়েছে, শূন্য থেকে ১৬ বছরের শিশুদের ভারী কাজ করানো যাবে না।

আজকের শিশু আগামীদিনের কর্ণধার, তাই শিশুদেরকে যোগ্য করে গড়ে তুলতে হলে শিশু শ্রমপ্রতিরোধ করতে হবে এ জন্য এগিয়ে আসতে হবে সমাজের সচেতন নাগরিকদের। যেখানে শিশুদের হাতে থাকার কথা খাতা কলম সেখানে শিশুদের হাতে ভারীযন্ত্রপাতির ভার কখনো কাম্য নয় আমাদের সমাজ থেকে।

শিশুশ্রম নিরসনে নিরলস ভাবে যারা কাজ করে যাচ্ছেন তাদের প্রচেষ্টা সফল করতে আমাদের সকলের এগিয়ে আসা একান্ত কর্তব্য। শিশুরা হলো নিস্পাপ ফুলের মতন তাদেরকে দিয়ে ইটভাটা, ইটভাঙা, হোটেলে কাজ করানো, বাসের হেল্পার, লেগুনার হেল্পার হিসেবে কাজ করানোর মত ঝুকি বন্ধ করতে হবে তাহলে অতি শীগ্রই আমরা পাবো একটি সুন্দর সমাজ। 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আবারও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানো হয়েছে


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শুক্রবার, ৩০ জুলাই, ২০২১, ১২:১৭
আবারও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানো হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

মহামরি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রনে না আসায় দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তাই আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং এবতেদায়ি ও কওমি মাদরাসা বন্ধ থাকবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবুল খায়ের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারাদেশের করোনা পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ায় এবং কঠোর লকডাউন কার্যকর থাকায়  শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্য-সুরক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এবং কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির সঙ্গে পরামর্শক্রমে দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং এবতেদায়ি ও কওমি মাদরাসাসমূহের চলমান ছুটি আগামী ৩১ আগস্ট ২০২১ তারিখ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা শনাক্ত হওয়ার পর থেকেই সংক্রমণ রোধ করতে বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। এরপর থেকে দফায় দফায় তা বাড়ানো হয়।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook