a প্রধানমন্ত্রী আজ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন
ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ পৌষ ১৪৩২, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

প্রধানমন্ত্রী আজ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২১, ০১:০৬
প্রধানমন্ত্রী আজ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

আজ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৪২৮ নববর্ষ উপলক্ষে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় এ ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর সময় গত ২৫ মার্চ সর্বশেষ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আগামীকাল বুধবার (১৪ এপ্রিল) বাংলা ১৪২৮ সালের প্রথম দিন, পহেলা বৈশাখ।

তবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় বাংলা নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে এক সপ্তাহের ‘কঠোর লকডাউন’ শুরু হচ্ছে দেশে। ফলে গতবারের ন্যায় এবারও নতুন বর্ষ উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা পালন করা হবে না।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বাংলাদেশ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ‘নীতি’ ইস্যুতে পিটার হাসের পদত্যাগ


খোরশেদ আলম, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ১৮ জুন, ২০২৪, ১২:৪৩
বাংলাদেশ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি ইস্যুতে পিটার হাসের পদত্যাগ

ফাইল ছবি: যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস

 

ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে তার পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের নীতির প্রতিবাদে তিনি পদত্যাগ করেছেন।

একজন বাংলাদেশী কূটনীতিক দ্য মিরর এশিয়া (টিএমএ) কে জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লুর ‘বাংলাদেশ নীতি’র প্রতিক্রিয়ায় তিনি পদত্যাগ করেছেন।

গত ৭ জানুয়ারি, বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনের আগে পিটার হাস বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে খোলামেলা বক্তব্য দিয়েছিলেন। এই সময় জোরপূর্বক গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’ এর একটি অনুষ্ঠানে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দ্বারা তিনি  আক্রান্ত হয়েছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে।

কিন্তু ডিসেম্বরে পরিস্থিতি বদলে যায়। তখন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ নিয়ে তার ‘নীতি’ পরিবর্তন করে। সূত্রের খবর, যুক্তরাষ্ট্র ইন্দো-প্যাসিফিকে তার ঘনিষ্ঠ মিত্র ভারতের বিরক্তির কারণ হতে চায়নি। ফলস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের গণতন্ত্র সংস্কার নিয়ে তার কর্মকাণ্ডে লাগাম টানে।

শাসক দল আওয়ামী লীগ নির্বাচনে কারচুপি করেছে এমন অভিযোগ উঠলেও বাংলাদেশ কিংবা কোনো ব্যক্তির ওপর যুক্তরাষ্ট্র উল্লেখযোগ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেনি। যুক্তরাষ্ট্রের এই নীতি পরিবর্তনের কারণে কিছু ভারতীয় কূটনীতিকের ঠাট্টা এবং সমালোচনার শিকার হন পিটার ডি হাস।

দ্য মিরর এশিয়ার খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশি নীতি পরিবর্তনের কারণে দেশটির কূটনীতিকদের পদত্যাগের ঘটনা নতুন নয়। উদাহরণস্বরূপ, মার্চ মাসে ইউক্রেন সম্পর্কিত আমেরিকান নীতির প্রতিবাদে রাজনীতি বিষয়ক মার্কিন আন্ডার সেক্রেটারি ভিক্টোরিয়া নুল্যান্ড তার পদ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে পদত্যাগ করেন। গত এপ্রিলে ইসরায়েলের প্রতি মার্কিন নীতির প্রতিবাদে পদত্যাগ করা পররাষ্ট্র দপ্তরের সাবেক আরব ভাষার মুখপাত্র হালা হারারিট আরেকটি উদাহরণ। কংগ্রেসের শুনানি শেষে শিগগিরই ঢাকায় নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দেওয়া হবে। সূত্র : দ্য মিরর এশিয়া

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ট্রাম্প ইসরায়েলের বিরোধিতা সত্ত্বেও সৌদিকে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান দিচ্ছে


আরাফাত, বিশেষ প্রতিনিধি
মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫, ০৫:৫২
ট্রাম্প ইসরায়েলের বিরোধিতা সত্ত্বেও সৌদিকে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান দিচ্ছে

ছবি সংগৃহীত

 

নিউজ ডেস্ক: ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত সৌদি আরবকে এফ-৩৫ স্টেলথ যুদ্ধবিমান বিক্রি করার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে রয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক ভারসাম্যে নতুন মাত্রায় যুক্ত হবে।

ট্রাম্প প্রেসিডেন্টের ভাষ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবকে বশে আনতে এ ধরনের শক্তিশালী বিমান বিক্রি একটি কৌশলগত চাল এবং তাদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করার একটি অংশ।

তবে এই উদ্যোগে এক বড় বাধা আসে — ইসরায়েলের “গুণগত সামরিক সুবিধা” (Qualitative Military Edge, QME)। আমেরিকা পুরনো রাজনৈতিক দায়িত্ব হিসেবে নিশ্চিত করে ইসরায়েলকে বলেছে যে ইসরায়েল তার প্রতিবেশীদের তুলনায় প্রযুক্তিগতভাবে সব সময় এগিয়ে থাকবে, যা তাদের নিজস্ব নিরাপত্তার একটি মূল ভিত্তি।

অনেক বিশ্লেষক বলছেন, সৌদিকে এফ-৩৫ দেওয়া হলে ইসরায়েলের এই কৌশলগত অগ্রাধার্য হুমকির মুখে পড়তে পারে।

ইসরায়েলের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, ট্রাম্প প্রশাসন এই বিক্রয়কে সৌদির সঙ্গে স্বীকৃতি ও স্বাভাবিকীকরণের প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত করুক। বিশেষ করে তারা চায় যে সৌদি আরব যদি ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয় — যেমন আব্রাহাম অ্যাকর্ডস — তাহলে এফ-৩৫ বিক্রয় অনুমোদন করুক।

তারা যুক্তি দেয় যে শুধুমাত্র অস্ত্র বিক্রি করা হলে এটি “বিরূপ ফল” হতে পারে এবং একটি কূটনৈতিকভাবে এটি ইসরায়েল যেন হুমকির মধ্যে না পড়ে।

আরেকটি বড় উদ্বেগ হলো প্রযুক্তির দিক: পেন্টাগন এবং গোয়েন্দা মহল সতর্ক করেছেন যে, অত্যাধুনিক এফ-৩৫ প্রযুক্তি সৌদির সঙ্গে গভীর সম্পর্ক এবং তাদের বৈদেশিক অংশীদারিত্বের কারণে চীনের হাতেও পড়তে পারে।

এমন উদ্বেগ অন্যবারও এসেছে, যখন মধ্যপ্রাচ্য দেশগুলোর জন্য স্টেলথ বিমান বিক্রির প্রতিপাদ্য ছিল — কারণ ফাইভ্থ জেনারেশন বিপ্লবী সেন্সর, স্টিলথ এবং নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি রয়েছে।


ট্রাম্পের এই দাবি কূটনৈতিকভাবেও বড় তাৎপর্য বহন করে: তিনি সৌদিকে এফ-৩৫ বিক্রি করার বিনিময়ে ইসরায়েলের সঙ্গে স্বাভাবিকীকরণের এক পথ তৈরি করার পরিকল্পনা করছেন বলে কিছু বিশ্লেষক দেখছেন।

ট্রাম্প একাধিক বার ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তিনি সৌদি-ইস্রায়েল নর্মালাইজেশনকে উৎসাহিত করতে চান, এবং এফ-৩৫ বিক্রয় তার সেই কূটনীতি পরিকল্পনার একটি অংশ হতে পারে।

সৌদি আরবের দৃষ্টিকোণ থেকেও এটি মর্যাদাপূর্ণ এবং শক্তিশালী অবস্থান গড়ার সুযোগ। তারা স্বাধীনভাবে অত্যাধুনিক ও স্টেলথ প্রযুক্তি পায় এবং এফ-৩৫-এর মাধ্যমে তাদের এয়ার ফোর্স সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। এটি তাদের কৌশলগত প্রতিযোগিতায় — বিশেষ করে ইরান ও অন্য প্রতিবেশী শক্তিগুলোর সঙ্গে — বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে, সৌদির স্বীকৃতি ও নর্মালাইজেশনের ইস্যু তাদের ফিলিস্তিনি অবস্থানের সঙ্গে জড়িত। সৌদি আরব দীর্ঘকাল ধরে আরব শান্তি পরিকল্পনা (Arab Peace Initiative) জোর দিয়েছে, যেখানে তারা বলে যে ইস্রায়েলকে স্বীকৃতি দেবে শুধুমাত্র যদি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের দিকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়।

এমন স্বীকৃতি এবং রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি না পেলে, ইসরায়েল চুক্তিতে আরও কড়া শর্ত আরোপ করতে পারে — যেমন এমন এলাকা যেখানে বিমান স্থাপিত হতে পারবে না বা সীমাবদ্ধ সংখ্যক বিমান বিক্রি।

আন্তর্জাতিক দৃষ্টিকোণ থেকেও এফ-৩৫ বিক্রয় মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা এবং প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণ দৃষ্টিকোণ থেকে সুগভীর প্রশ্ন তোলে। একদিকে, এটি মার্কিন-সৌদি সম্পর্ককে আরও ঘনিষ্ঠ করে এবং সৌদির প্রতিরক্ষা সক্ষমতা শক্তিশালী করতে পারে; অন্যদিকে, এটি ইসরায়েলের নিরাপত্তা উদ্বেগ, অঞ্চলীয় শীতলীকরণ এবং সেন্সর-স্টিলথ প্রযুক্তি লিকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে।

সবমিলিয়ে, ট্রাম্পের এফ-৩৫ বিক্রয় পরিকল্পনা কেবল একটি সামরিক চুক্তি নয়, বরং এটি মধ্যপ্রাচ্যের কূটনীতি, নিরাপত্তা ভারসাম্য এবং শক্তি ভবিষ্যতের একটি প্রতীকী চেয়ে বেশি: এটি একটি কৌশলগত বাজি, যেখানে অস্ত্র বিক্রয়, সম্পর্ক স্বীকৃতি এবং প্রযুক্তিগত নিয়ন্ত্রণ একসাথে যুক্ত হচ্ছেতেই। তবে প্রক্রিয়াটি কতটা সফল হবে, তা এখনও ওপেন প্রশ্ন — বিশেষ করে যদি কংগ্রেসের বাধা, ইসরায়েলের চাহিদা এবং প্রযুক্তি লিকের ঝুঁকিগুলো প্রকট হয়ে ওঠে। সূত্রঃ আল জাজিরা

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - জাতীয়