a দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকা শনিবার, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৪ মার্চ, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বুধবার, ১৪ জুলাই, ২০২১, ০৩:৫০
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা

সংগৃহীত ছবি

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে । সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।  

এ ব্যাপারে আবহাওয়াবিদরা বলছেন যে, এদিন সকাল থেকেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের মেঘলা আকাশ দেখা যাচ্ছে। এর সঙ্গে ছিটেফোঁটা ও হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে রোদের দেখাও মিলতে পারে। 
 
সারাদেশের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আরো বলা হয়েছে- দেশের ময়মনসিংহ,রংপুর, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। এছাড়া রাজশাহী ও পাবনা জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া দাবদাহ প্রশমিত হতে পারে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

যমুনার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বৃহস্পতিবার, ০৪ আগষ্ট, ২০২২, ০৮:২০
যমুনার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

ফাইল ছবি

পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণের কারণে গত ৫ দিন যাবত যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পড়ছে। ২৪ ঘণ্টায় সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে ১৫ সে.মি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৭৪ সে.মি নীচ দিয়ে এবং কাজিপুর পয়েন্টে ১১ সেমি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৬৫ সে.মি নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

অব্যাহত পানি বৃদ্ধির ফলে কাজিপুর, সদর, বেলকুচি শাহজাদপুর ও চৌহালী উপজেলার চরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এতে শাকসব্জি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আমন আবাদ ব্যাহত হচ্ছে। বসতভিটায় পানি না উঠলেও বসতভিটার চারপাশে পানি থৈ-থৈ করছে। কোথাও কোথাও রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।

এছাড়ও পানি বৃদ্ধির ফলে যমুনার অরক্ষিত তীরবর্তী মানুষ ভাঙ্গন আতঙ্কে দিন পার করছে। গত কয়েকদিনে অন্তত শতাধিক বসতভিটাসহ ফসলি জমি বিলীন হয়ে গেছে। বসতভিটা হারানো পরিবারগুলো খোলা আকাশের নীচে মানবেতর জীবযাপন করছে। কৃষকেরা ভরা আমন মৌসুমে আবাদ করতে না পারায় চরম ক্ষতির মধ্যে পড়ছে। চারণভূমি তলিয়ে যাওয়া গো-খাদ্যেরও সংকট দেখা দিচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলাম জানান, পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণের কারণে যমুনায় পানি বাড়তে শুরু করেছে। আরো ২/১ দিন পানি বেড়ে বিপদসীমার কাছাকাছি বা উপরে যেতে পারে। তবে বন্যার কোনো আশংকা নেই। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ভয়ঙ্কর ডেল্টা ধরন শরীরে ঢুকেই অনেক ‘কপি’ তৈরি করে: সিএনএন


স্বাস্থ্য ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ২৬ জুলাই, ২০২১, ১০:২০
ভয়ঙ্কর ডেল্টা ধরন শরীরে ঢুকেই অনেক ‘কপি’ তৈরি করে: সিএনএন

সংগৃহীত ছবি

বিশ্বব্যাপী তোলপাড় করা করোনাভাইরাসে ডেল্টা ধরন দেশে দেশে কেন লাফিয়ে বাড়ছে- তার কারণ অনুসন্ধান করে সিএনএন অনলাইন জানিয়েছে, এই ধরনটি মানুষের শরীরে ঢুকেই নিজের বহুসংখ্যক ‘কপি’ তৈরি করে ফেলে। ফলে এটি ছড়িয়ে পড়ার ক্ষেত্রে বিদ্যুৎগতি সঞ্চার করে। 

গতকাল প্রকাশ করা প্রতিবেদনে বলা হয়, ডেল্টা করোনার একটি উচ্চ সংক্রামক ধরন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলেছে, গত বছরের শেষদিকে যুক্তরাজ্যে প্রথম শনাক্ত হয় করোনার আলফা ধরন। এই ধরনকে অতি সংক্রামক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। কিন্তু আলফার চেয়ে ডেল্টা ৫৫ শতাংশ দ্রুত ছড়ায়। ২০২০ সালের শেষদিকে ভারতে প্রথম করোনার ডেল্টা ধরন শনাক্ত হয়। একে শুরুর দিকে করোনার ভারতীয় ধরন বলা হতো। পরে ডব্লিউএইচওর পক্ষ থেকে এই ধরনের নতুন নাম দেওয়া হয় ‘ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট’। ধরনটির বৈজ্ঞানিক নাম (বি.১.৬১৭)। 

গত মে মাসে করোনার ডেল্টা ধরনকে ‘উদ্বেগজনক ধরন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে ডব্লিউএইচও। ভারতে করোনার ডেল্টা ধরন শনাক্তের পর তা দ্রুত দেশটিতে ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে ভারতে করোনার ডেল্টা ধরন প্রাধান্যশীল হয়ে ওঠে। ডেল্টা ধরনের কারণেই ভারতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মারাত্মক আকার ধারণ করে। সংক্রমণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে দেশটি। এতে ভারতের স্বাস্থ্যব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়ে। পরে করোনার ডেল্টা ধরন যুক্তরাজ্যে শনাক্ত হয়।

এরপর একের পর এক দেশে ডেল্টা ধরন শনাক্ত হওয়ার খবর আসতে থাকে।ডব্লিউএইচও বলছে, বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ১০০টি দেশে করোনার ‘ডেল্টা’ ধরন শনাক্ত হয়েছে। ডব্লিউএইচও সতর্ক করে বলেছে, বিশ্বে ডেল্টার সংক্রমণ দ্রুত বাড়ছে। ফলে করোনার এই ধরন অন্যসব ধরনকে দ্রুত ছাপিয়ে যেতে পারে। এভাবে শিগগিরই বিশ্বে ডেল্টা করোনার আধিপত্যশীল ধরন হয়ে উঠতে পারে।

ব্রাউন ইউনিভার্সিটির স্কুল অব পাবলিক হেলথের ডিন আশীষ ঝা বলেন, করোনা মহামারী শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসের যত সংস্করণ শনাক্ত হয়েছে, তার মধ্যে ডেল্টা সবচেয়ে সংক্রামক। তিনি বলেন, ‘এটা (ডেল্টা) সত্যিই খুব সংক্রামক।’

যুক্তরাষ্ট্রে গত মার্চে প্রথম করোনার ডেল্টা ধরন শনাক্ত হয়। জুলাইয়ের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রে শনাক্ত রোগীদের অর্ধেকের বেশি ছিলেন ডেল্টায় সংক্রমিত। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) জানায়, এখন এই হার ৮৩-তে পৌঁছে গেছে। সিডিসির পরিচালক রচেল ওয়ালেনস্কি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে করোনার ডেল্টার সংক্রমণ বৃদ্ধির এই হার নাটকীয়। যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যের সব কটিতেই করোনার ডেল্টা ধরন পাওয়া গেছে। তাহলে প্রশ্ন জাগে, করোনার এই ধরন এত দ্রুত কীভাবে ছড়াচ্ছে?

একটি গবেষণা ইঙ্গিত দিয়েছে যে, করোনার অন্যসব ধরনের চেয়ে এই ডেল্টা ধরন মানুষের মধ্যে দ্রুতগতিতে সংক্রমণ ছড়িয়ে থাকতে পারে। কারণ, ধরনটি মানুষের শরীরে দ্রুত হারে নিজের অনেক ‘কপি’ করতে পারে।

চীনের বিজ্ঞানীরা ডেল্টায় সংক্রমিত রোগীদের নিয়ে গবেষণা করেছেন। এ ক্ষেত্রে তারা মহামারীর শুরুর দিকে আক্রান্ত রোগীদের সঙ্গে ডেল্টায় সংক্রমিত রোগীদের তুলনা করেছেন। তারা দেখতে পেয়েছেন যে, ডেল্টায় সংক্রমিত রোগীদের শরীরে ভাইরাসের উপস্থিতি অনেক বেশি। তুলনামূলক বিচারে এই পরিমাণ ১ হাজার ২৬০ গুণ বেশি।

ব্রাউন ইউনিভার্সিটির স্কুল অব পাবলিক হেলথের ডিন আশীষ ঝা বলেন, যারা ডেল্টা ধরনে সংক্রমিত হচ্ছেন, তাদের শরীরে ভাইরাসের পরিমাণ অনেক বেশি। শরীরে ভাইরাস প্রবেশের খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তা অনেক বেড়ে যাচ্ছে। এই সময়টা পাঁচ বা সাত মিনিট। তা ছাড়া এই ধরনে সংক্রমিত হতে আক্রান্ত ব্যক্তির ছয় ফুট দূরত্বের মধ্যেও কাউকে আসতে হবে না। যারা টিকা নেননি, তারাই বেশি ডেল্টায় সংক্রমিত হচ্ছেন বলে জানান আশীষ ঝা। তিনি আরও বলেন, ডেল্টা থেকে লোকজন সহজেই সংক্রমিত হচ্ছেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - সারাদেশ