a
ফাইল ছবি
সএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রথম দিন ১৯ হাজার ৩৫৯ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। আর পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের জন্য ২৪ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসিতে প্রথম দিনে বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিলে কোরআন মজিদ বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি ভোকেশনাল ও দাখিল ভোকেশনালে বাংলা-২ বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
৯টি সাধারণ ধারার শিক্ষা বোর্ডের অধীন ২ হাজার ২৬৪টি কেন্দ্রে বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৪ লাখ ১৮ হাজার ২৯২ জন। সূত্র: ইত্তেফাক
সংগৃহীত ছবি
আগামী ২৩ আগস্টের মধ্যে চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের প্রথম ধাপের অ্যাসাইনমেন্ট মূল্যায়ন মনিটরিং করে পাঠাতে আঞ্চলিক পরিচালকদের নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর।
মাউশি’র মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন উইং এর পরিচালক প্রফেসর মোঃ আমির হোসেন স্বাক্ষরিত ৫ আগস্ট বৃহষ্পতিবার জারি করা অ্যাসাইনমেন্ট সংক্রান্ত অফিস আদেশে এই নির্দেশনা দেয়া হয়।
এতে বলা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের আওতাধীন সকল আঞ্চলিক পরিচালকরা তাদের নিজ অঞ্চলভূক্ত থানা বা উপজেলার সকল সরকারি ও বেসরকারি কলেজের প্রথম দুই সপ্তাহের শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট জমাদানের মোট সংখ্যা উপজেলা ও জেলা ভিত্তিক এবং নিজ অঞ্চলের তথ্যসার-সংক্ষেপ সংযুক্ত ছক অনুযায়ী তা প্রস্তুত করবেন।
উল্লেখিত সময়ে এসব তথ্য-উপাত্ত মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন উইং এর ই-মেইল- assignment.mew@gmail.com এ পাঠাতে হবে।
নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, ২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য পূনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচির আলোকে প্রণয়নকৃত অ্যাসাইনমেন্ট প্রথম ধাপে দুই সপ্তাহের জন্য গত ২৬ জুলাই মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের কলেজ ও প্রশাসন শাখা হতে মাউশি’র ওয়েবসাইটে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।
এর আলোকে অধ্যক্ষদের নেতৃত্বে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে একটি করে পরীবিক্ষণ টিম গঠন করে অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরীবিক্ষণ করারও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, মাউশি অধিদফতর হতে পাঠানো বিজ্ঞপ্তির নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে এব্ং কভিড-১৯ মহামারির কারণে স্বাস্থ্যবিধিকে কোনোভাবেই উপেক্ষা না করারও অনুরোধ জানানো হয়।
সংগৃহীত ছবি
নারী উদ্যোক্তারা যাতে কম সুদে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করতে পারেন, সে জন্য ঋণের সুদহার কমিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। শুধু নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ দিতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে দশমিক ৫ শতাংশ সুদে টাকা নিতে পারবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। আর সেই টাকা গ্রাহকদের দিতে হবে ৫ শতাংশ সুদে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘স্মল এন্টারপ্রাইজ খাতে পুনঃ অর্থায়ন স্কিম’–এর আওতায় এ সুবিধা চালু করা হয়েছে।
আগামী ২০২৪ সালের মধ্যে এসএমই খাতের ঋণের কমপক্ষে ১৫ শতাংশ নারী উদ্যোক্তাদের দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ জন্য দফায় দফায় এ স্কিমের সুদহার কমানো হয়েছে। আজ বুধবার ব্যাংক বন্ধের দিনে আবারও এই স্কিমের সুদহার কমিয়ে নতুন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ দিতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে দশমিক ৫ শতাংশ সুদে টাকা নিতে পারবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। আর সেই টাকা গ্রাহকদের দিতে হবে ৫ শতাংশ সুদে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ব্যাংকের এসএমই খাতের ঋণের ১৫ শতাংশ নারী উদ্যোক্তার মধ্যে বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। একইভাবে নারী উদ্যোক্তাদের স্মল এন্টারপ্রাইজ খাতে পুনঃ অর্থায়ন স্কিমের আওতায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পুনঃ অর্থায়নসুবিধা দেওয়া হয়।
পরবর্তীকালে করোনা মহামারির কারণে নারী উদ্যোক্তাদের কাছে ঋণসুবিধা সহজে পৌঁছে দিতে সুদের হার ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে ৩ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ পুনর্নির্ধারণ করা হয়। আজ সেটি আবারও পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় এ স্কিমের আওতায় পুনঃ অর্থায়নের সুদহার ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হলো।
ব্যাংকাররা বলছেন, প্রয়োজনীয় নথিপত্রের অভাবে নারী উদ্যোক্তারা কম সুদের ঋণ পাচ্ছেন না। আর উদ্যোক্তারা বলছেন, ব্যাংকাররা নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ দিতে আগ্রহী নন। এ কারণে নারী উদ্যোক্তাদের মধ্যে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় ব্যাংকঋণ পৌঁছাচ্ছে না। সূত্র: প্রথম আলো