a
ফাইল ছবি
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) ভর্তি কার্যক্রমে অনলাইন প্রাথমিক আবেদনের সময় বৃদ্ধি সম্পর্কিত জরুরি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। গত ১৪ আগস্ট শনিবার স্নাতক ভর্তি পরিচালনা মূল কমিটির সদস্য প্রফেসর ড. মোঃ নাসির উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানাে যাচ্ছে যে, বৈশ্বিক মহামারি পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) ভর্তি কার্যক্রমে অনলাইন প্রাথমিক আবেদনের সময় ১৮ আগস্ট ২০২১ তারিখ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হলাে। নিম্নে উল্লিখিত বর্ধিত সময়সূচি অনুযায়ী আগ্রহী প্রার্থীদের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট (www.nu.ac.bd/admissions) থেকে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে এবং প্রাথমিক আবেদন ফি বাবদ ২৫০/- (দুইশত পঞ্চাশ) টাকা কলেজ কর্তৃক নির্ধারিত মােবাইল ব্যাকিং এর মাধ্যমে ১৯ আগস্ট ২০২১ তারিখের মধ্যে অবশ্যই জমা দিতে হবে।
এছাড়া ১৯/০৭/২০২১ তারিখে প্রকাশিত মূল বিজ্ঞপ্তির অন্যান্য শর্তাবলী অপরিবর্তিত থাকবে। এ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাস ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখ থেকে শুরু হবে। ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট (www.nu.ac.bd/admissions) এর Prospectus (Honours) /Important Notice অপশন থেকে জানা যাবে। বি:দ্র: সংশ্লিষ্ট সকলকে কোভিড-১৯ মহামারি সম্পর্কিত সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে এ ভর্তি কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে।
২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রমে অনলাইন প্রাথমিক আবেদনের বর্ধিত সময়সূচি করণীয়, অনলাইনে প্রাথমিক আবেদন ফরম পূরণ ও এর প্রিন্ট/পিডিএফ কপি সংগ্রহের সর্বশেষ তারিখঃ ১৮/০৮/২০২১ ,প্রার্থীদের প্রাথমিক আবেদন ফি বাবদ ২৫০/- (দুইশত পঞ্চাশ) টাকা সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃক নির্ধারিত মােবাইল ব্যাকিং এর মাধ্যমে জমা দেয়ার সর্বশেষ তারিখ: ১৯/০৮/২০২১, কলেজ কর্তৃক অনলাইনে প্রাথমিক আবেদন ফরম নিশ্চয়ন করার সর্বশেষ তারিখ: ২১/০৮/২০২১
ফাইল ছবি
করোনা মহামারি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
গত ৯ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী খন্দকার হাসান শাহরিয়ার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সচিবসহ ছয়জনকে এ নোটিশ পাঠিয়েছেন।
নোটিশে সাতদিনের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত বাতিল করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও প্রচার করার অনুরোধ করা হয়েছে। অন্যথায় এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
ফাইল ছবি
আরো বড় পরিসরে টিকাদান কর্মসূচি চালানোর জন্য করোনা টিকার পূর্ণাঙ্গ অনুমোদন দেওয়া হলে এবং এখনো বাকি থাকা ৮ থেকে ৯ কোটি নাগরিককে টিকার আওতায় আনা গেলে, আগামী বছরের শুরুর দিকেই যুক্তরাষ্ট্র করোনা মহামারি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে পারবে বলে আশা করছেন দেশটির শীর্ষ সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ অ্যান্থনি ফাউচি।
রয়টার্সের বরাতে জানা যায়, ফাইজার-বায়োএনটেকের তৈরি করোনা ভাইরাসের টিকা যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ কর্তৃপক্ষের (এফডিএ) পূর্ণাঙ্গ অনুমোদন পাওয়ার পরদিন মঙ্গলবার কয়েকটি টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাত্কারে ফাউচির এমন বক্তব্য এসেছে।
ফাইজারের টিকা পূর্ণাঙ্গ অনুমোদন পাওয়ায় এখন আরো বেশিসংখ্যক মানুষকে টিকার আওতায় আনার সুযোগ তৈরি হলো। মডার্না আর জনসন অ্যান্ড জনসনের করোনা টিকাও শিগিগরই পূর্ণাঙ্গ অনুমোদন পেয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আসছে হেমন্তে শিশুদের টিকা দেওয়ার অনুমতিও হয়তো মিলে যাবে।
এনবিসি নিউজের ‘টুডে’ অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাত্কারে ফাউচি বলেন, ‘যে ৮ বা ৯ কোটি মানুষ এখনো টিকার বাইরে রয়েছেন, যারা টিকা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না বা সুযোগ পাচ্ছেন না, তাদের বড় অংশকে যদি আমরা টিকা দিয়ে ফেলতে পারি, আমার বিশ্বাস, শেষ পর্যন্ত আমরা আশার আলো দেখতে পাব। আমরা এ পরিস্থিতি বদলে দিতে পারব।’ স্বাস্থ্য বিষয়ে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের শীর্ষ উপদেষ্টা ফাউচি যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজজেস-এর প্রধান।
এমএসএনবিসিকে তিনি বলেছেন, মডার্না আর জনসন অ্যান্ড জনসনের কোভিড টিকা তুলনামূলক কম সময়ের মধ্যেই এফডিএর পূর্ণাঙ্গ অনুমোদন পেয়ে যাবে বলে তার ধারণা। হয়তো কয়েক সপ্তাহ বা এক মাসের মধ্যেই সেটা হয়ে যাবে। বছরের শেষে ছুটির মওসুম শুরু হয়ে যাওয়ার আগেই কম বয়সিদের জন্য ফাইজার আর মডার্নার টিকা দেওয়ার অনুমোদন মিলে যাবে বলে মনে করছেন ফাউচি।