a
ফাইল ছবি
করোনার (কোভিড-১৯) প্রকোপের বিদ্যমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে দেশের মাধ্যমিক (৬ষ্ঠ থেকে ৯ম) শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম সাময়িক স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ স্থগিত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
শুক্রবার এ সংক্রান্ত এক আদেশ জারি করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)। এর আগে গত ১১ এপ্রিল পর্যন্ত অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছিল।
গতকালের আদেশে বলা হয়েছে, ‘দেশে করোনাভাইরাস মহামারির বিদ্যমান পরিস্থিতিতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট প্রদান কার্যক্রম সাময়িক স্থগিত করা হলো।’
ফাইল ছবি
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হচ্ছে- এমন তথ্য সঠিক নয় বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শনিবার (১৫ জানুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, সরকার এই মুহূর্তে শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়া নিশ্চিত করার বিষয়ে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ সংক্রান্ত কোনো রকমের গুজবে কান না দিতে এবং আগাম তথ্য দেওয়া থেকে বিরত থাকার জন্য সবাইকে অনুরোধ করা হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আবুল খায়ের জানান, করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার নিয়মিত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। করোনা সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের আবার সভা অনুষ্ঠিত হবে। তারপর এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
ফাইল ছবি
আটক প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক শামসুজ্জামান শামসের বাসায় গিয়ে তার পরিবারকে সহমর্মিতা জানিয়েছেন পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা।
শুক্রবার বিকালে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের আহ্বায়ক প্রফেসর ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন ও সদস্য সচিব সাংবাদিক কাদের গনি চৌধুরীর নেতৃত্বে পেশাজীবীদের একটি প্রতিনিধি দল শামসুজ্জামানের বাসায় যান।
তারা শামসুজ্জামানের মা করিমন নেসার সঙ্গে দেখা করে পরিবারের সদস্যদের সার্বিক খোঁজখবর নেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- পেশাজীবী নেতা প্রফেসর ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, অধ্যাপক ড. শামসুল আলম সেলিম, অধ্যাপক ড. কামরুল আহসান, অধ্যাপক ড. নুরুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিকুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার ফখরুল আলম, ইঞ্জিনিয়ার রুহুল আলম আকন্দ, ইঞ্জিনিয়ার সাখাওয়াত হোসেন, বিপ্লবউজ্জামান বিপ্লব। উপস্থিত পেশাজীবী নেতাদের পেয়ে শামসুজ্জামানের মা কান্নায় ভেঙে পড়েন।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, আমার ছেলের কী অপরাধ? তাকে কেন এভাবে ধরে নিয়ে গেল? শামসকে বললে সে নিজেই থানায় চলে যেত। ৩৫ ঘণ্টা তো আমরা তার খোঁজই পাইনি! তাহলে কি সত্য লেখা যাবে না? ছেলেকে অনেকবার বলেছি, বাবা লেখালেখি ছেড়ে দাও। আমার শামস বলতো, মা আমি তো অসত্য লেখি না। সত্য লিখার জন্য যদি আঘাত আসে আসুক, তারপরও লিখে যাব।
বুক চাপড়াতে চাপড়াতে করিমন নেসা বলেন, আমি আমার এক সন্তানকে হারিয়েছি। আরেক সন্তানকে হারাতে চাই না। আপনারা আমার সন্তানকে এনে দিন।
শামসের মুক্তির জন্য দেশের বিভিন্ন সংগঠন ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বিবৃতি দেওয়ায় তিনি কৃতজ্ঞতা জানান।
এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে গণমাধ্যম কর্মীদের শঙ্কা ও ভয়ের মধ্যে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। তাই তারা এখন সত্য তুলে ধরতে পারছেন না। তাদের এখন সেলফসেন্সরশিপ করতে হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারের সমালোচনা করলে রোষানলের শিকার হয়ে বন্ধ করা হচ্ছে বিভিন্ন পত্রিকা ও অনলাইন। সাংবাদিকরা খুন হচ্ছেন, বিচার পান না।
তিনি বলেন, বর্তমান ফ্যাসিস্ট সরকারের অধীনে গণমাধ্যমের যে স্বাধীনতা নেই শামসের গ্রেফতার এবং দৈনিক দিনকাল বন্ধের মাধ্যমে তা আবারো প্রমাণিত হলো। সূত্র: যুগান্তর