a শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ক্লাস শুরু ২২ ফেব্রুয়ারি: শিক্ষামন্ত্রী
ঢাকা সোমবার, ২৯ পৌষ ১৪৩২, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ক্লাস শুরু ২২ ফেব্রুয়ারি: শিক্ষামন্ত্রী


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বৃহস্পতিবার, ১৭ ফেরুয়ারী, ২০২২, ১২:২৩
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ক্লাস শুরু ২২ ফেব্রুয়ারি: শিক্ষামন্ত্রী

ফাইল ছবি: শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হবে। তবে, প্রাথমিকে ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হবে না। মহামারী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ যত কমতে থাকবে ক্লাসের সংখ্যা বাড়তে থাকবে বলে জানান।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সংক্রান্ত বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী এ ঘোষণা দিয়েছেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রাথমিকে ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হবে না। এ বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত জানানো হবে। দুই সপ্তাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

স্নাতক ভর্তি পরীক্ষার সিলেবাসের বিষয়েও তিনি বলেন, ‘গুচ্ছ পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা নিতে রাজি হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ও বলেছে, তারাও সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ভর্তি পরীক্ষা নিতে রাজি আছে। আশা করি, অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষাও সংক্ষিপ্ত সিলেবাসেই হবে।’

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন জাবির সাবেক উপাচার্য


এম.এস প্রতিদিন ডেস্ক:
শনিবার, ২১ আগষ্ট, ২০২১, ০৮:০৪
করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন জাবির সাবেক উপাচার্য

ফাইল ছবি

করোনায় আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমান (৭৪)(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না লিল্লাজি রাজিউন)। গত শুক্রবার (২০ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

অধ্যাপক খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমানের মৃত্যুর তথ্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন তার মেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক তাসমিনা রহমান। অধ্যাপক তাসমিনা রহমান জানান, পারিবারিক সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে তার বাবাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

গত ০৪ আগস্ট করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন অধ্যাপক খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমান। পরবর্তীকালে অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিউ) স্থানান্তর করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের গুণী এ অধ্যাপক ২০০৪ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ চার বছর জাবির উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেন। এদিকে অধ্যাপক খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমানের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারে। সাবেক এই উপাচার্যের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম।

শোকবার্তায় অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম বলেন, "জাবির শিক্ষা, গবেষণা এবং সম্প্রসারণে অধ্যাপক খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমানের অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে"। এদিকে খন্দকার মুস্তাহিদুরের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশসহ বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com

আরও পড়ুন

তুলসী গ্যাবার্ডের বক্তব্য আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ: অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী


সাইফুল আলম, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ২৬ মার্চ, ২০২৫, ০৯:৩২
তুলসী গ্যাবার্ডের বক্তব্য আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ: অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা:  তুলসী গ্যাবার্ডের বক্তব্য আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ। তুলসী গ্যাবার্ড বলেছে, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতিত হচ্ছে। কিন্তু কোথায় নির্যাতিত হচ্ছে, কে নির্যাতিত হচ্ছে তিনি তা বলেননি। তাকে সেটি স্পষ্ট করতে হবে। গণশক্তি সভা কর্তৃক আয়োজিত ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ও তুলসি গ্যাবার্ড  শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী  অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ও দেশীয় ষড়যন্ত্রের শিকার। বাংলাদেশের পিঠ এখন দেওয়ালে ঠেকে গেছে। এজন্য বাংলাদেশকে বিচক্ষণতার পরিচয় দিতে হবে।

অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বলেন, ভারত মনে করে চীনকে কব্জা করতে হলে আগে বাংলাদেশকে কব্জা করতে হবে। কারণ বাংলাদেশকে কব্জা করতে না পারলে ভারত কখনো চীনকে কব্জা করতে পারবে না।

অপরদিকে ভারতের যেই বৃহৎ উদ্দেশ্য ইন্ডিয়ান ওশান নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে না। সেজন্য ভারত এদেশে এমন একটা সরকার প্রতিষ্ঠা করতে চায়, যেই সরকার ভারতের এজেন্ডা বাস্তবায়নে সহায়ক সরকার হবে, আর ইতিপূর্বে তাদের ইচ্ছানুযায়ী সবচেয়ে বেশি ভারতের স্বার্থে কাজ করছে আওয়ামী সরকার।

পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনা, এদেশের উপর দিয়ে ভারতকে করিডোর দিয়েছে। এই করিডোর ভারতের আগারতলা থেকে আমাদের চট্রগ্রাম পর্যন্ত রেল সংযোগ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে আগারতলা থেকে আখাউড়া পর্যন্ত কাজ শেষও হয়ে গেছে। হাসিনা পালিয়ে না গেলে এতোদিনে চট্রগ্রাম পর্যন্ত রেল সংযোগের কাজ শেষ হতো এবং ভারত নিজেদের ভূখন্ডের মতো করে আমাদের ভূমি ব্যবহার করতো। এটি মূলত ভারতের সেভেন সিস্টার্স রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করবে। আমাদের গামের্ন্টস ও অন্যান্য ইন্ডাস্ট্রির উপর ভারতের নজর রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই সেক্টর ভারত দখল করে নিতে চায়। আগামীতে ভারতের সহায়ক সরকার যাতে এদেশে প্রতিষ্ঠা না হয় সেদিকে সকল রাজনৈতিক দল ও দেশের সচেতন নাগরিকদের সজাগ থাকতে তিনি আহ্বান জানান।

জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন গণশক্তি সভার সভাপতি সাংবাদিক সাদেক রহমান। প্রফেসর ডক্টর দেওয়ান সাজ্জাদের সঞ্চালনায় সেমিনারে প্রবন্ধ পাঠ করেন সাংবাদিক, কলামিস্ট  হাবিবুর রহমান পলাশ। হাবিবুর রহমান পলাশ তার প্রবন্ধে বলেন তুলসী গ্যাবার্ড এর এই বক্তব্য অনেকটা প্রিয়া সাহার কথার পুনরাবৃত্তি। যিনি যুক্তরাষ্ট্র সফরে ২০১৯ সালে ট্রাম্পের হাত ধরে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন হচ্ছে বলে অপপ্রচার করেন। এবং ট্রাম্পকে সহায়তা করার অনুরোধ জানান।

প্রিয়া সাহা আর তুলসী গ্যাবার্ড এর বক্তব্যে যে যুগসূত্র আছে তা বলা বাহুল্য। তুলসী গ্যাবার্ডের মন্তব্য নির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ বা অভিযোগের ভিত্তিতে করা হয়নি। এটি একটি গোটা দেশকে অন্যায়ভাবে, ভুলভাবে উপস্থাপন করে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর বিশিষ্ট আইনজীবী ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, ৫ আগস্ট আমাদের দ্বিতীয় স্বাধীনতা অর্জন হয়েছে বলা হয়। এই স্বাধীনতা মূলত আওয়ামী লীগের হাত থেকে নয় ভারতের হাত থেকে অর্জিত হয়েছে। ভারত তাদের সহায়ক সরকার হিসেবে আওয়ামী লীগকে চিরস্থায়ী সরকার করার ষড়যন্ত্র করেছে এবং সেই ষড়যন্ত্রে এখনো লিপ্ত রয়েছে। তারা এদেশে আওয়ামী লীগের পুনবার্সনে নানামূখী চক্রান্তের সাথে জড়িত।

বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের হাত থেকে ভূখন্ডের স্বাধীনতা লাভ করে আর ২০২৪ সালে ভারতের হাত থেকে আধিপাত্যবাদ মুক্তের স্বাধীনতা লাভ করেছে। তবে পাকিস্তান পরাজিত হয়ে সরে গেলেও ভারত পরাজিত হয়ে সরে না গিয়ে বাংলাদেশ নিয়ে আন্তর্জাতিক এবং বাংলাদেশে ভারতীয় দোসরদের মাধ্যমে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তারা যে কোন মূল্যে এদেশে ভারতে সহায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা করতে চায়। সেজন্য তিনি রাজনৈতিক দলগুলোকে জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট আইনজীবী এডভোকেট শাহ মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, ড. মোঃ হুমায়ুন কবির, বিশিষ্ট কলামিস্ট ক্যাপ্টেন অব. জাহাঙ্গীর আলম জাতীয় নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল আহাদ নূর, গণ মুক্তিযোটের কো চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন, অধ্যাপক মেহেদী হাসান, বিশিষ্ট গবেষক আলাউদ্দিন কামরুল,বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী রুহুল আমিন  প্রমূখ।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - শিক্ষা