a
ফাইল ছবি
দেশে দীর্ঘ দেড় বছর পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষগুলো আগে থেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। তবে তা পালন না করতে পারায় আজিমপুর গভর্নমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ওই অধ্যক্ষের নেতৃত্বে গঠিত মনিটরিং কমিটির সদস্য শিক্ষকদেরও সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
আজ রোববার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি স্কুল পরিদর্শনে গিয়ে তাদের সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দেন।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সবার সচেতনতা একরকম নয়। যারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে যাবেন, তাদের একটু সচেতন থাকতে হবে। স্কুলের প্রতিটা আনাচে-কানাচে খুঁজে দেখতে হবে। কোথাও যেন ময়লা না থাকে। যতটা ভালো পারা যায়, আমরা চেষ্টা করছি।
শিক্ষামন্ত্রী সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘বিষয়টি মনিটরিংয়ের জন্য প্রত্যেক জেলায় একটি কন্ট্রোল রুম করা হয়েছে। পরে এর নম্বরগুলো প্রচার করা হবে। যে কেউ এসব নম্বরে ফোন করে যদি জানান, যে কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যে কোনও রকম সমস্যা আছে, আমরা তা সমাধানে ব্যবস্থা নেবো।’
ফাইল ছবি
করোনা ভাইরাসজনিত স্বাস্থ্যঝুকির কথা চিন্তা করে একে একে পিছিয়ে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন সেশনের ভর্তি পরীক্ষা। এবার ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে পূর্বের সিদ্ধান্তেই অটল রইলো জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষা পূর্বে সাধারণ নিয়মেই অনুষ্ঠিত হবে। ভর্তি পরীক্ষার আবেদন আগামী ২০ জুন আরম্ভ হয়ে শেষ হবে ৩১ জুলাই।
গতকাল ১৮ মে বুধবার বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ভর্তি পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব ও ডেপুটি রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) আবু হাসান এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, গতকাল মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি পরিচালনা কমিটির ষষ্ঠ সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর পূর্বে গত ২৯ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ভর্তি পরিচালনা কমিটির পঞ্চম সভায় দুই ধাপে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থী বাছাই করার পদ্ধতির কথা বিবেচনা করা হয়েছিল। তখন প্রাথমিক ধাপে জিপিএর ভিত্তিতে সব মিলিয়ে ১ লাখ ৮ হাজার জনকে বাছাই করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। দ্বিতীয় ধাপে যাদের বাছাই করা হবে তাদের ভিতর থেকে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির সিদ্ধান্ত হয়েছিল। পাশাপাশি আবেদন ফরমের দামও বৃদ্ধি করা হয়েছিল। বিভিন্ন অনুষদ ও ইনস্টিটিউটের ফরমের দাম ৪০০ ও ৬০০ টাকা থেকে যথাক্রমে ৭৫৫ ও ১ হাজার ১৫৫ টাকা করা হয়েছিল।
গৃহীত এসব সিদ্ধান্ত নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছিল। তারই পরিপ্রেক্ষিত গত ১ মে ভর্তি পরিচালনা কমিটির জরুরি সভা আহ্বান করা হয়। সেদিন রাতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছিল, ভর্তি পরীক্ষাসংশ্লিষ্ট বিষয়ের সিদ্ধান্ত ঈদুল ফিতরের ছুটির পর ১৮ মের সভায় চূড়ান্ত করা হবে। সে মোতাবেক গতকালের সভা হয়।
আবু হাসান বলেন, এখন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যায়ে জিপিএ রেজাল্টের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী যাচাই বাছাই করে দুই ধাপে ভর্তি আবেদনের বিষয়টি আর থাকছে না। তবে শিক্ষার্থীদের দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ বহাল থাকছে। কিন্তু পরবর্তী বছরেও এই সিদ্ধান্তই ঠিক থাকবে কি না, এ নিয়ে সভায় কোনো কথা হয়নি। তিনি আরও বলেন, এ বছর ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ফি বৃদ্ধি করা হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কমিটির সর্বসম্মত অনুযায়ী ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনের যোগ্যতা হিসেবে শিক্ষার্থীদের থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ আগের তুলনায় কিছুটা বাড়তি চেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কমিটি ।
ভর্তি পরীক্ষার তারিখ আবেদন করার পর কিংবা আগামী মিটিংয়ে জানিয়ে দেওয়া হবে।
ছবি: এম.এস.প্রতিদিন
সদরঘাটের সাথে পরিচিত নন এমন লোক বাংলাদেশে হয়ত খুজেই পাওয়া যাবে না। সদরঘাট হলো দক্ষিণবঙ্গগামী সকল মানুষের জন্য নদীপথে ঢাকা ত্যাগের প্রধান ফটক। ২২টি জেলার মানুষের কাছে প্রধান চলাচল মাধ্যম সদরঘাট। পূর্বে সদরঘাটের নাম শুনলেই চোখে ভেসে আসতো এদিক সেদিক ময়লার ভাগাড় কিন্তু বর্তমান সদরঘাটের চিত্র দেখে অনেকেই বিশ্বাস করতে পারবে না তারা কোথায় চলে এসেছে।
বাংলাদেশ সরকারের নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় বিআইডব্লিউটিআইর সাবেক যুগ্ম পরিচালক একেএম আরিফ উদ্দিনের প্রচেষ্টায় ২০১৯ সালে দখলদারদের থেকে সদরঘাটের বিভিন্ন যায়গা উদ্ধার করে গ্রিন সদরঘাট করা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছিলেন তার সেই পদক্ষেপ আজ মানুষের সামনে দৃশ্যমান।
বর্তমানে দেশের এই নদী বন্দরকে সর্বদা পর্যবেক্ষণ করার জন্য ৩২টি পয়েন্টে সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। যেকোনো সময় যাত্রী সেবা দিতে চালু করা হয়েছে হটলাইন নম্বর। দখলি স্থান উদ্ধার করে সেখানে লাগানো হয়েছে নানা ধরনের গাছ, ঝাউ গাছ, বট গাছ, কৃষ্ণচূড়া গাছ উল্লেখযোগ্যভাবে সৌন্দর্য বাড়িয়ে তুলছে। একেবারে লালকুঠি ঘাট থেকে পশ্চিমের সীমানা পর্যন্ত রাস্তার পাশে ড্রামের ভিতর লাগানো হয়েছে ঝাউ গাছ এছাড়া লালকুঠি ঘাট থেকে প্রধান ফটক পর্যন্ত ইট দিয়ে গোলা করে মাটি উচু করে বট গাছ লাগানো হয়েছে। যা টার্মিনালের সামনের সড়কের শৃঙ্খলা বজায়ে রাখতে সহায়তা করে।
টার্মিনালের সামনেই রয়েছে পাবলিক টয়লেটের ব্যবস্থা যা খুব প্রয়োজন ছিল এমন গুরুত্বপূর্ণ যায়গায়। প্রধান ফটক থেকে শুরু করে আহসান মঞ্জিল পর্যন্ত প্রত্যেক গেট দিয়ে ঢুকার সময়ই মন কেড়ে নিবে বাহারি ফুলের সৌন্দর্য্যে।
বর্তমানে যাত্রীর চাপ হালকা করতে বিভিন্ন অঞ্চলের ঘাট আলাদা করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ, পূর্বে সদরঘাটে পন্টুন সংখ্যা ছিল মাত্র ১৩টি উচ্ছেদ অভিযানের পর পন্টুনের সংখ্যা এখন ৩০টি। ঘাটে কমেছে কুলি ও দালালদের দৌরাত্ব।