a
ছবি সংগৃহীত: এইচএসসি'র ফলাফল বাতিলের দাবিতে ছাত্রদের ঢাকা শিক্ষা বোর্ড ঘেরাও
সদ্য প্রকাশিত উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফল বাতিলের দাবিতে ঢাকা শিক্ষাবোর্ড ঘেরাও করেছে একদল শিক্ষার্থী। আজ রোববার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে বকশিবাজারে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ডের মূল ফটক আটকে তারা ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছেন।
দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কয়েক শ’ শিক্ষার্থী ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের মূল ফটকে অবস্থান অবস্থান গ্রহণ করেন। এরপর পৌনে ২টার দিকে তারা শিক্ষা বোর্ডের মূল ফটকের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন।
শিক্ষার্থীরা জানান, বাতিল ছয়টি পরীক্ষা যে পদ্ধতিতে ম্যাপিং করে ফলাফল তৈরি করা হয়েছে, তাতে চরম বৈষম্য তৈরি করা হয়েছে। সিলেট মাদরাসা বোর্ডের মাত্র তিনটি পরীক্ষা হয়েছে। কিন্তু তাদের সাবজেক্ট ম্যাপিং করায় রেজাল্ট ভালো হয়েছে। অথচ আমরা ভালো পরীক্ষা দিয়েও ফেল করেছি। এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে আমাদের আজকের এই অবস্থান।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর তপন কুমার সরকার সাংবাদিকদের বলেন, একদল শিক্ষার্থী পরীক্ষার ফল বাতিলের দাবিতে আন্দোলন করছে জেনেছি। তাদের সাথে কথা বলেছি, আশা করি একটা সমাধান হবে।
এ ব্যাপারে পুলিশ পরিদর্শক রেজাউল বলেন, তাদের সরিয়ে দেয়ার ব্যাপারে আমাদের কোনো নির্দেশনা নেই। ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যানের সাথে আমরা সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে চলছি। বিষয়টি তিনি সমাধান করবেন বলে জানিয়েছেন। সূত্র: নয়াদিগন্ত
ফাইল ছবি
করোনাভাইরাস সংক্রমণ থেকে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার জন্য প্রাথমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আগামী ২২ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
আজ রোববার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ছুটি চলাকালে নিজেদের ও অন্যদের করোনাভাইরাস সংক্রমণ থেকে সুরক্ষার লক্ষে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বাড়িতে অবস্থান করবে। পাশাপাশি অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয় গত ২৫ মার্চ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান আগামী ঈদুল ফিতরের পরে ২৩ মে থেকে শুরু হবে।
ফাইল ছবি
রাজ্যে শেষ হয়েছে ভোটগ্রহণ পর্ব। এইবার পুরো রাজ্য তাঁকিয়ে আছে ২ মে’র দিকে। এদিকে শুক্রবার দলীয় কর্মীদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক সারলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তাদেরকে একাধিক পরামর্শ দিলেন তৃণমূল নেত্রী।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা দলীয় কর্মীদের বললেন, ‘ভোট গণনার শুরু থেকেই শেষ পর্যন্ত সেই কেন্দ্রে থাকতে হবে, কোনও অবস্থাতেই গণনাস্থল ছেড়ে বেরিয়ে আসা যাবে না, টেবিল আঁকড়ে শেষ পর্যন্ত থাকতে হবে।’ ভোট গণনা কেন্দ্রে অন্য দলের কারও কাছ থেকে কোনও রকম খাবার না নেওয়ারও কথা বলেন তিনি।
আজ শুক্রবার বেলা ৩ টার আগে কালীঘাটে শুরু হওয়া বৈঠকে সেই কথা মাথায় রেখেই দলীয় প্রার্থী ও এজেন্টদের উদ্দেশ্যে কড়া বার্তা দিয়ে তৃণমূল নেত্রী বলেন, ‘কোনও অবস্থাতেই গণনা কেন্দ্র ছেড়ে যাবেন না’। এদিনের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরও বলেন, একাধিক সংবাদমাধ্যমের সাথে বোঝাপড়া হয়েছে গেরুয়া শিবিরের (BJP)।
তাই ভোট গণনার শুরু থেকেই হয়ত এটা দেখা যাবে যে, বিজেপি এগিয়ে। মমতা বলেন,চিন্তার কোনও বিষয় নেই। দিনের শেষে তৃণমূলই জিতবে। তাঁর কথায়, ভোট গণনা কেন্দ্র ছেড়ে যাওয়া মানে ময়দান ছেড়ে দেওয়া। মমতা জোর দিয়ে বলেন, ‘নিশ্চিত যে আমাদের প্রচুর আসন আসবে।’