a যে ঘটনায় কলকাতা ছেড়ে পালিয়েছিল উত্তম কুমার
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ পৌষ ১৪৩২, ০১ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

যে ঘটনায় কলকাতা ছেড়ে পালিয়েছিল উত্তম কুমার


বিনোদন ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৫:০০
যে ঘটনায় কলকাতা ছেড়ে পালিয়েছিল উত্তম কুমার

ফাইল ছবি

উত্তম কুমার নায়ক তো নয়, ছিলেন তিনি মহানায়ক। সুদর্শন চেহারা আর অভিনয় নৈপুণ্যের মাধ্যমে জয় করেছিলেন কোটি কোটি মানুষের হৃদয়। তাইতো যুগ যুগ পেরিয়েও এখনো তিনি সবার স্বপ্নের নায়ক হয়েই আছেন।

আজ ৩ সেপ্টেম্বর উত্তম কুমারের জন্মদিন। বিশেষ এই দিনটিতে তার সম্পর্কে একটি অজানা ঘটনা জানাতে চাই।

উত্তম কুমারের ক্যারিয়ারের শুরুটা মোটেও সুখকর ছিলোনা। বলা হতো ফ্লপ মাস্টার। টানা ৭টি ফ্লপ সিনেমার পর তার উত্থান হয়। এরপর রচিত হয় এক ইতিহাস। ষাটের দশকের শেষ ভাগে তার একের পর এক সিনেমা সফল হয়। সত্তরের দশকেই তিনি মহানায়ক খ্যাতি পেয়ে যান।

সত্তর দশকের শুরুতে কলকাতায় শুরু হয় নকশাল আন্দোলন। একদিন নিউ থিয়েটারস স্টুডিওর মেকআপ রুমে বসে ছিলেন উত্তম কুমার। তখনই কয়েকজন ব্যক্তি অস্ত্রসহ হানা দেয় সেখানে। তার কপালে বন্দুক ঠেকিয়ে জোরালো হুমকি। মুহূর্তেই ভয়ে কুপোকাত উত্তম। প্রাণনাশের হুমকি দিয়েই তারা চলে যায়।

কিন্তু ওই ঘটনায় উত্তম কুমার এতোটাই ভয় পেয়েছিলেন যে, কলকাতা ছেড়েই পালিয়ে যান। দ্রুত নিজের চুল ছোট করে উঠে পড়েন মুম্বাইয়ের ট্রেনে। যাতে কেউ চিনতে না পারে। চলে যান মুম্বাই। সেখানে গিয়ে ওঠেন অভিনেতা অভি ভট্টাচার্যের বাড়িতে। মাস খানেক ওই বাড়িতে থাকার পর উত্তম যান অভিনেতা বিশ্বজিত্‍ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে।
 
উত্তম প্রায় ঠিক করে ফেলেছিলেন, আর কলকাতায় ফিরবেন না। একদিন তো বিশ্বজিতকে বলেই ফেলেন, ‘চল, তুই আর আমি মিলে এখান থেকেই বাংলা সিনেমা বানাব।’ অবশ্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর বন্ধু-সহকর্মীদের আশ্বাসে ফিরে যান কলকাতায়।

১৯৮০ সালে উত্তম কুমার শুটিং করছিলেন ‘ওগো বধূ সুন্দরী’ সিনেমার। শুটিং চলাকালীন স্ট্রোক করেন। তাকে ভেলভিউ ক্লিনিকে ভর্তি করানো হয়। চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন। কিন্তু ১৬ ঘণ্টা চিকিৎসাধীন থাকার পর ২৪ জুলাই না ফেরার দেশে চলে যান উত্তম কুমার।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

ভারতের শান্তি নিকেতনে সার্ক কালচারাল সোসাইটির সভা অনুষ্ঠিত


কলকাতা থেকে সুদর্শন হালদার
মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:১৪
ভারতের শান্তি নিকেতনে সার্ক কালচারাল সোসাইটির সভা অনুষ্ঠিত

ছবি: সুদর্শন হালদার কর্তৃক কলকাতা থেকে পাঠানো ছবি

কলকাতা থেকে সুদর্সাশন হালদার: সার্ক কালচারাল সোসাইটির পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলা ইউনিটের পরিচালনায় ও বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত ভবনের সহযোগিতায়  ১৪ ই ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হল আন্তর্জাতিক সেমিনার ও আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। 

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের সার্ক কালচারাল সোসাইটির সভাপতি  ডক্টর অমলকান্তি রায়, রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর দীপক রায়, বিশ্বভারতীর উপাচার্য প্রফেসর প্রবির কুমার ঘোষ, ভারত সরকারের কৃষি বিভাগের ডেপুটি সেক্রেটারি ও সংগীত শিল্পী শ্রী রাজেশ সাহা, সার্ক কালচারাল সোসাইটির কার্যকরি সদস্য যথাক্রমে শ্রী সুদর্শন হালদার, কবি পাঞ্চালী সিনহা , অধ্যাপক গৌতম সরকার এবং  বিশিষ্ট ব্যক্তিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ও আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন।

২০ জন অধ্যাপক ও গবেষক সেমিনারে পেপার পাঠ করেন। সমগ্র অনুষ্ঠান সার্ক কালচারাল সোসাইটির বীরভূম জেলা কমিটির পক্ষে অহ্বায়ক অধ্যাপক সুভাষ মুখোপাধ্যায় সুচারূভাবে পরিচালনা করেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

 ৪ প্রেমিককে নিয়ে পালালো তরুণী, অত:পর লটারির মাধ্যমে বিয়ে!


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
সোমবার, ২৯ মার্চ, ২০২১, ০৯:২৮
 ৪ প্রেমিককে নিয়ে পালালো তরুণী, অত:পর লটারির মাধ্যমে বিয়ে!

সংগৃহীত ছবি

চার প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে পালিয়েছিল ভারতের এক তরুণী। এরপর খোঁজাখুজির পর ধরাও পড়ে। শাস্তি হিসেবে লটারির মাধ্যমে চার প্রেমিকের মধ্যে একজনকে বিয়ে করতে হয় সেই তরুণীকে। ভারতের উত্তরপ্রদেশের অম্বেডকরনগরের একটি গ্রামে অদ্ভূত এ ঘটনা ঘটে। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার

খবরে বলা হয়, অম্বেডকরনগরের টান্ডা থানা এলাকার এক তরুণী চলতি মাসের শুরুতে চার যুবকের সঙ্গে পালিয়ে যান। ওই যুবকরা সবাই পার্শ্ববর্তী আজিমনগর থানা এলাকার বাসিন্দা। এই চার যুবকের সঙ্গেই প্রেম করতেন তরুণী। প্রথমে নিজের বাড়ি থেকে পালিয়ে এক যুবকের আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেন ওই তরুণী। তবে বেশিদিন পালিয়ে থাকতে পারেননি। পরে চার যুবকসহ গ্রামে ফিরতে বাধ্য হন তরুণী।

বাবা-মা থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নিলে গ্রামবাসীর বাধায় তা আর হয়ে ওঠেনি। গ্রাম্য পঞ্চায়েতের বিচার ও সমাধানের আশ্বস্ত করা হয় তাদের। পরে পঞ্চায়েত সভায় এই সিদ্ধান্ত হয় যে, সঙ্গে পালিয়ে যাওয়া চার যুবকের মধ্যে কোনো একজনকে বর হিসেবে বেছে নিতে হবে তরুণীকে। তার সঙ্গেই বিয়ে হবে তরুণীর। এমন সিদ্ধান্তে তরুণীর পরিবার সম্মতি দিলেও সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগতে থাকেন তরুণী। 

কারণ চার প্রেমিককেই পছন্দ তার। কাকে বিয়ে করবেন তরুণী? এ নিয়ে জটিলতা তৈরি হলে ফের পঞ্চায়েত সভা এগিয়ে আসে। লটারির মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধান করে দেন পঞ্চায়েতের কর্তারা।

সভার কর্তাদের কথা মতো একটি পাত্রে চার যুবকের নাম লেখা কাগজ রাখা হয়। এরপর গ্রামের একটি শিশুকে সেখান থেকে কাগজ তুলতে বলা হয়। সেই কাগজে যে যুবকের নাম ওঠে তাকেই বিয়ে করেন তরুণী।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - বিনোদন