a যে ঘটনায় কলকাতা ছেড়ে পালিয়েছিল উত্তম কুমার
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯ মাঘ ১৪৩২, ১২ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

যে ঘটনায় কলকাতা ছেড়ে পালিয়েছিল উত্তম কুমার


বিনোদন ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৫:০০
যে ঘটনায় কলকাতা ছেড়ে পালিয়েছিল উত্তম কুমার

ফাইল ছবি

উত্তম কুমার নায়ক তো নয়, ছিলেন তিনি মহানায়ক। সুদর্শন চেহারা আর অভিনয় নৈপুণ্যের মাধ্যমে জয় করেছিলেন কোটি কোটি মানুষের হৃদয়। তাইতো যুগ যুগ পেরিয়েও এখনো তিনি সবার স্বপ্নের নায়ক হয়েই আছেন।

আজ ৩ সেপ্টেম্বর উত্তম কুমারের জন্মদিন। বিশেষ এই দিনটিতে তার সম্পর্কে একটি অজানা ঘটনা জানাতে চাই।

উত্তম কুমারের ক্যারিয়ারের শুরুটা মোটেও সুখকর ছিলোনা। বলা হতো ফ্লপ মাস্টার। টানা ৭টি ফ্লপ সিনেমার পর তার উত্থান হয়। এরপর রচিত হয় এক ইতিহাস। ষাটের দশকের শেষ ভাগে তার একের পর এক সিনেমা সফল হয়। সত্তরের দশকেই তিনি মহানায়ক খ্যাতি পেয়ে যান।

সত্তর দশকের শুরুতে কলকাতায় শুরু হয় নকশাল আন্দোলন। একদিন নিউ থিয়েটারস স্টুডিওর মেকআপ রুমে বসে ছিলেন উত্তম কুমার। তখনই কয়েকজন ব্যক্তি অস্ত্রসহ হানা দেয় সেখানে। তার কপালে বন্দুক ঠেকিয়ে জোরালো হুমকি। মুহূর্তেই ভয়ে কুপোকাত উত্তম। প্রাণনাশের হুমকি দিয়েই তারা চলে যায়।

কিন্তু ওই ঘটনায় উত্তম কুমার এতোটাই ভয় পেয়েছিলেন যে, কলকাতা ছেড়েই পালিয়ে যান। দ্রুত নিজের চুল ছোট করে উঠে পড়েন মুম্বাইয়ের ট্রেনে। যাতে কেউ চিনতে না পারে। চলে যান মুম্বাই। সেখানে গিয়ে ওঠেন অভিনেতা অভি ভট্টাচার্যের বাড়িতে। মাস খানেক ওই বাড়িতে থাকার পর উত্তম যান অভিনেতা বিশ্বজিত্‍ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে।
 
উত্তম প্রায় ঠিক করে ফেলেছিলেন, আর কলকাতায় ফিরবেন না। একদিন তো বিশ্বজিতকে বলেই ফেলেন, ‘চল, তুই আর আমি মিলে এখান থেকেই বাংলা সিনেমা বানাব।’ অবশ্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর বন্ধু-সহকর্মীদের আশ্বাসে ফিরে যান কলকাতায়।

১৯৮০ সালে উত্তম কুমার শুটিং করছিলেন ‘ওগো বধূ সুন্দরী’ সিনেমার। শুটিং চলাকালীন স্ট্রোক করেন। তাকে ভেলভিউ ক্লিনিকে ভর্তি করানো হয়। চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন। কিন্তু ১৬ ঘণ্টা চিকিৎসাধীন থাকার পর ২৪ জুলাই না ফেরার দেশে চলে যান উত্তম কুমার।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

রীতিমত সার্কাস  চলছে পরীমনিকে নিয়ে: সিটি ব্যাংকের এমডি


এমএস. প্রতিদিন ডেস্ক::
বুধবার, ১১ আগষ্ট, ২০২১, ০৫:৫১
রীতিমত সার্কাস  চলছে পরীমনিকে নিয়ে: সিটি ব্যাংকের এমডি

ফাইল ছবি

মাদক মামলায় গ্রেফতার চিত্রনায়িকা পরীমনিকে নিয়ে সারা দেশে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। গত এক সপ্তাহ ধরে সংবাদমাধ্যমে খবরের শিরোনামে ঠাঁই পেয়েছে তার নাম। এক কথায় টক অব দ্য কান্ট্রি। এদিকে পরীমনি ইস্যুতে আরো বেশ কিছু নাম জড়িয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তালিকায়।

গ্রেফতার হয়েছেন রাজ মাল্টিমিডিয়া প্রযোজনা কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা নজরুল ইসলাম রাজ। এদিকে পরীমনিকে বিলাসবহুল গাড়ি উপহার দিয়েছেন সিটি ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসরুর আরেফিন— সম্প্রতি গণমাধ্যমে এমন একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

এ সংবাদকে মিথ্যাচার বলে দাবি করেন সিটি ব্যাংকের এমডি মন্তব্য করেছেন, পরীমনিকে নিয়ে যা চলছে তা একটা রীতিমত সার্কাস।

মঙ্গলবার রাতে এমন মন্তব্য লিখে নিজের ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন মাসরুর আরেফিন।

তার দীর্ঘ স্ট্যাটাসের একটি অংশে লেখা রয়েছে, ‘আগস্ট আবছায়া’ ও ‘আন্ডারগ্রাউন্ড’ উপন্যাসের প্রধান কথা এই যে, নির্বিচার নৃশংসতা কারও ওপরেই না চলুক—দেশ নির্মাতার ওপরেও না, কোনো কবি ও কার্টুনিস্টের ওপরেও না। পরীমনিকে নিয়ে যা চলছে তা একটা রীতিমত সার্কাস, যা কিনা এভাবে চলতে থাকলে আমরা শিগগির ভাল্লুকের ডাক শিখে ফেলতে যাচ্ছি নিশ্চিত। ওই ডাকেরই ভদ্রস্থ নাম—সহিংসতা। সহিংস হয়েন না। মায়া রাখুন মানুষের প্রতি। এক নিৎশের ‘ডাক’ শুনে হিটলার হিটলার হয়েছিলেন। 

পরীমনি কাণ্ডে যা দেখছি তাতে মনে হচ্ছে সবার হাতে একটা করে জীবনানন্দ দাশের ‘রূপসী বাংলা’ তুলে দিই, যাতে করে নিস্তব্ধ দুপুরে চালতে গাছের ছায়ায় দাঁড়িয়ে চিলের ‘ডাক’ শোনার কল্পনা করে আপনি মাথা ঠাণ্ডা রাখতে পারেন। ভালবাসা সবার জন্য, ব্যক্তিমানুষ পরীমনিসহ। ন্যায়বিচারই প্রাপ্য তার, আর প্রাপ্য—বিচারের আগেই ছিন্নভিন্ন না হয়ে যাওয়া। আইনের বিচারের আগেই কেউ যেন সমাজের বিচারের হাতে টুকরো না হয়ে যায়। কারণ এইটা ট্রাইবাল-নৃশংস-খুনি এক হায়েনা-গোত্রের, দাঁত ও জিভ বের করে বিকৃত নৃশংসতার প্রেমে পড়ে থাকা, ‘গ্রাম্য’ সমাজ।’

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

পুতিন পূর্ব ইউক্রেনে সৈন্য পাঠানোর নির্দেশ দিলেন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ২২ ফেরুয়ারী, ২০২২, ০৫:২৭
পুতিন পূর্ব ইউক্রেনে সৈন্য পাঠানোর নির্দেশ দিলেন

ফাইল ছবি

স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি দেয়ার পর পূর্ব ইউক্রেনের বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত দুইটি অঞ্চলে সৈন্য পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্টি ভ্লাদিমির পুতিন।

রাশিয়া বলেছে, আলাদা হয়ে যাওয়া অঞ্চল দুইটিতে 'শান্তি রক্ষার' কাজ করবে তাদের সৈন্যরা। ২০১৪ সাল থেকেই এসব এলাকার বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সহায়তা করছে রাশিয়া। যদিও 'শান্তি রক্ষার' এই ঘোষণাকে 'ফালতু কথা' বলে বর্ণনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তাদের অভিযোগ, রাশিয়া যুদ্ধের প্রেক্ষাপট তৈরি করছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, তার দেশ কাউকে বা কোন কিছুর জন্যই ভীত নয়।

রাশিয়ার এই পদক্ষেপের জের ধরে যুক্তরাজ্যসহ একাধিক দেশ নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা ভাবতে শুরু করেছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - বিনোদন