a
ফাইল ছবি
গত বছর প্রেক্ষাগৃহে এসেছিল কাজী হায়াতের ৫০তম চলচ্চিত্র ‘বীর’। শাকিব খান ও শবনম বুবলী অভিনীত ছবিটি নিয়ে বেশ আলোড়ন হয়েছিল। বছর ঘুরতে না ঘুরতে সিনেমাটি এবার দেখা যাবে বিনামূল্যে।
অর্থাৎ টেলিভিশনে ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হতে যাচ্ছে এটির। যা করছে দীপ্ত টিভি। এসকে ফিল্মসের ব্যানারে যৌথভাবে ছবিটি প্রযোজনা করেছেন শাকিব খান ও মোহাম্মদ ইকবাল। ইকবাল বলেন, ‘‘বীর’ নানা কারণে আলোচিত চলচ্চিত্র। ছবিটি দর্শকের কাছেও প্রশংসিত হয়েছে।’’
চলচ্চিত্রটি নিয়ে শাকিব খান জানিয়েছিলেন, ছবির গল্পটাই এমন যে তাকে নতুনভাবে প্রস্তুত হতে বাধ্য করেছে। কারণ, ‘বীর’ হলো দেশ ও প্রেমের ছবি।
সিনেমাটিতে আরও আছেন মিশা সওদাগর, নাদিম প্রমুখ।
এদিকে দীপ্ত টিভি জানায়, শাকিব ও বুবলী অভিনীত দর্শকপ্রিয় এই সিনেমা চলবে দীপ্ত টিভির ৭ দিনের ঈদ অনুষ্ঠানমালার প্রথমদিনে। এবারই প্রথম টেলিভিশনে প্রচার হতে যাচ্ছে ‘বীর’ ছবিটি।
ফাইল ছবি
ঢাকাই চলচ্চিত্রের শীর্ষ নায়ক শাকিব খানের সাথে জুটি বাধছেন পোড়ামন-২ চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পূজা চেরী। বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ অনুদানের ভিত্তিতে নির্মিত হতে যাচ্ছে চলচ্চিত্র ‘গলুই’। এই চলচ্চিত্রে প্রথমবারের মতো জুটি হয়ে কাজ করার বেশ জোড়ালো গুঞ্জন উঠেছে শাকিব খান ও পূজা চেরী। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করছেন এসএ হক অলিক। যদিও বিষয়টি নিয়ে ছবির পরিচালক কিছুই পরিস্কার করেননি।
খোরশেদ আলম খসরু প্রযোজিত চলচ্চিত্রটিতে এরইমধ্যে নায়ক হিসেবে শাকিব খানের সঙ্গে প্রাথমিকভাবে সবকিছু চূড়ান্ত হয়েছে। এ ছবির জন্য শাকিব খান তার পারিশ্রমিক অনেকটা কমিয়ে এনেছেন বলেও শোনা যাচ্ছে। এবার ছবিটিতে নায়িকা হিসেবে পূজা চেরীর নাম আলোচনায় এসেছে।
গত শুক্রবার (২০ আগস্ট) ছিল পূজা চেরীর জন্মদিন। সেদিন রাতে ‘গলুই’ লেখা একটি কেক নিয়ে পূজার বাসায় হাজির হয়েছিলেন পরিচালক অলিক। কেকের সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ‘গলুই’ ছবিতে তার নায়িকার হওয়ার গুঞ্জনটি দর্শকদের মাঝে আরো পরিস্কার হয়।
এ প্রসঙ্গে পূজার কাছে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে পরিচালক অলিক জানিয়েছেন ‘সময় হলেই ছবির সবকিছু জানাতে পারবে দর্শকরা’ এদিকে ‘গলুই’ চলচ্চিত্রের প্রযোজক খসরু বলেন, ‘আমরা চারজন অভিনেত্রীর সঙ্গে কথা বলছি। চারজনের সংক্ষিপ্ত তালিকায় পূজাও রয়েছে। কাউকেই এখনও চূড়ান্ত করিনি।
আশা করছি কয়েকদিনের মধ্যে আপানাদের খুশির খবর দিতে পারবো- কে নায়িকা হিসেবে আমাদের টিমে যোগ দেবেন।’
ফাইল ছবি
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ্য বইসমূহ পড়ে পরীক্ষায় অংশ নিলেন শিক্ষকরা। কুমিল্লার দেবিদ্বারে প্রাথমিক শিক্ষকরা এমন পরীক্ষা নিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। সোমবার উপজেলার ১৩০০ শিক্ষক আটটি ক্লাস্টারে বিভক্ত করে আটটি কেন্দ্রে পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়।
পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষক ও শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, করোনাকালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষকদের পাঠদানে ছেদ পড়েছে। তাই শিক্ষার মান যাতে বজায় থাকে শিক্ষকদের মাঝে সে লক্ষ্যে শিক্ষকদের সকল বিষয়ের বই পড়ে পরীক্ষা দেওয়ার আয়োজন করা হয়। যুক্তি প্রদান করা হয়, এতে শিক্ষকরা তাদের নির্দিষ্ট বিষয়ের বাইরে স্কুলে পাঠ্য অন্যান্য বইও পড়ে নিজকে সমৃদ্ধ করার সুযোগ পেয়েছে।
সহকারী শিক্ষা অফিসার মো. হায়াতুন নবী জানান, জেলা শিক্ষা অফিসারের নির্দেশনায় শিক্ষকদের পাঠদানের মান উন্নয়নে এ বই পড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে উৎসবমুখর পরিবেশে উপজেলার সকল শিক্ষক এতে অংশ নিয়েছেন।