a
ফাইল ছবি
নুসরাত জাহান টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও সাংসদ। তিনি অন্তর্বাস না পরেই বোল্ড ফটো শুট করেছেন। তার সেসব ছবি প্রকাশ্যে আসতেই নেটজনতার আশালীন আক্রমণ করেন।
নুসরাতের ছবিতে চোখ বুলালে দেখা যাচ্ছে যে, আকাশি রঙের ডিজাইনার লং স্কার্ট ও হলুদ জ্যাকেটে আকর্ষণীয় পোজ দিয়েছেন। খোলা চুলে তাকে উদাসীন লাগছে। ছবিগুলো দেখে সমালোচনায় মেতে উঠেন নেটাগরিকরা। তবে প্রিয় নায়িকার এমন সাহসী ফটোশুটে প্রশংসাও করেছেন তার অনেক অনুরাগীরা।
তবে কোন ধরণের ট্রোলডকে পাত্তা দেন না নুসরাত। তাই এ ধরণের আক্রমণের কোন জবাব দেননি তিনি। বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন নুসরাত। সূত্র- জি নিউজ
ফাইল ছবি
গৃহকর্মী নির্যাতন ও মাদকদ্রব্য আইনে করা পৃথক দুই মামলায় চিত্রনায়িকা একার রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল রবিবার (১ আগস্ট) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসিমের আদালত শুনানি শেষে নায়িকা একাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আদালতের সংশ্লিষ্ট সাধারণ নিবন্ধন শাখা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
এর আগে শনিবার (৩১ জুলাই) গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগে ঢাকাই সিনেমার অভিনেত্রী একাকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার বিকেলে তাকে আটক করার পর রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় নেওয়া হয়। গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন হাতিরঝিল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মহিউদ্দিন। তিনি জানান, ‘গৃহকর্মী হাজেরা বেগমকে (৩০) নির্যাতনের অভিযোগে চিত্রনায়িকা একাকে আটকের সময় রামপুরার বন্ধুনিবাসে অবস্থিত তার বাসা থেকে বিদেশি মদ ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। একার বিরুদ্ধে মাদক ও গৃহকর্মী নির্যাতন আইনে দু’টি মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
এর আগে, নায়িকা একা তার গৃহকর্মীকে নির্যাতন করেছেন বলে ৯৯৯-এ অভিযোগ যায়। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পুলিশ তাকে বাসা থেকে হাতিরঝিল থানায় নিয়ে যায়। সেখানে বেশকিছু সময় জিজ্ঞাসাবাদের পর একাকে আটক করে পুলিশ।
হাতিরঝিল থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর নায়িকা একার বাসার গৃহকর্মী হাজেরা বেগমকে (৩৫) ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে হাজেরা বেগম থানায় গিয়ে অভিযোগ করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালে ‘রঙিন রাখাল রাজা’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে চিত্রনায়িকা একার। তিনি ১৯৯৯ সালে কাজী হায়াতের ‘ধর’ ও ‘তেজি’ সিনেমা দু’টির মাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান। দুটিতেই তার নায়ক ছিলেন প্রয়াত মান্না।
এরপর রুবেল, আমিন খান, আলেকজান্ডার বো ও অমিত হাসানের সঙ্গে জুটি বেঁধেও সফলতা পান একা। সর্বশেষ ২০০৮ সালে তাকে ‘বাহাদুর সন্তান’ সিনেমায় দেখা গেছে। এরপর অনেক দিন ধরে নতুন কোনো সিনেমায় দেখা যায়নি নায়িকা একাকে।
সংগৃহীত ছবি
রাজধানী কাবুল দখল করলে তালেবান যাতে মার্কিন দূতাবাসে হামলা না করে সেজন্য এই গোষ্ঠীকে বোঝানোর চেষ্টা করছে মার্কিন আলোচক দল। একাধিক মার্কিন কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে ‘দৈনিক নিউ ইয়র্ক টাইমস’ শুক্রবার এ খবর প্রকাশ করে।
পত্রিকাটি বলেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের আফগানিস্তান বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি জালমাই খলিলজাদের নেতৃত্বে একটি আলোচক দল তালেবানকে বিষয়টি বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করছে যে তালেবান কাবুলের দখল নিলে সেখানকার মার্কিন দূতাবাস যাতে পুরোপুরি খালি করে দিতে না হয় সেজন্য এই পদক্ষেপ নিয়েছে ওয়াশিংটন।
গত ৩ন দিন ধরে কাতারের রাজধানী দোহায় আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতায় তালেবানের সঙ্গে আলোচনা করেছে আফগান সরকার। ওই আলোচনায় খলিলজাদের নেতৃত্বে একটি মার্কিন প্রতিনিধিদল অংশ নিয়েছে।
আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের মার্কিন দূতাবাসে বর্তমানে প্রায় ১,৪০০ কূটনীতিক ও কর্মী রয়েছে এবং তাদেরকে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য আমেরিকা বিশেষ বাহিনী পাঠিয়েছে। তবে কাবুলের মার্কিন দূতাবাস যাতে পুরোপুরি খালি করে দিতে না হয় বরং কূটনীতিকদের একটি দল যাতে মার্কিন স্বার্থ দেখাশোনা করতে পারে সেজন্য তালেবানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে মার্কিন আলোচক দল।
এছাড়া, সেসব মার্কিন নাগরিক দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে আফগানিস্তানে কাজ করছে না তাদেরকে অবিলম্বে বাণিজ্যিক ফ্লাইট ব্যবহার করে আফগানিস্তান ত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছে ওয়াশিংটন।
আফগানিস্তানের বিভিন্ন প্রদেশে তালেবানের আকস্মিক অগ্রাভিযানের পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন পশ্চিমা দেশ তাদের দূতাবাস ও ত্রাণ সংস্থাগুলোর কর্মীদের আফগানিস্তান থেকে সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করেছে বলে খবর এসেছে। জাতিসংঘ সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, তালেবান রাজধানী কাবুল দখল করলে সেখানকার বেসামরিক নাগরিকরা ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হবে।
গত ২০ বছর ধরে আমেরিকা ও তার মিত্ররা আফগানিস্তানে বন্দি নির্যাতন, রাত্রিকালীন অভিযান, বেসামরিক নাগরিকদের ওপর গণহত্যা, মাদকদ্রব্যের আবাদ ও চোরাচালান বৃদ্ধিসহ এরকম আরও বহু জঘন্য অপরাধ করে আসছিল।
আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতিকে বিশ্লেষকরা আমেরিকার ওই অপরাধযজ্ঞের পরিণতি বলেই মনে করছেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন