a
সংগৃহীত ছবি
আঙ্গ বাড়ি মেলান্দহে
---- আশরাফুল মান্নান
আঙ্গ বাড়ি মেলান্দহে
ফুলকোচাতে ঘর
চাকরি আছিল পত্রিকাতে
এহন অবসর ।
বাপ-মাও আছিল, মইরা গেছে
ফাফুর করে মন
বাড়িত গেলে বাল্লাগে না
কমছে মানুষ জন।
চুয়ান্নতে নানার বাড়িত
জম্ম আমার অয়
দিনে দিনে লুপ পাইতাছে
আঙ্গ পরিচয়।
ফুলকোচাতে করছি কত
আনন্দে হই চই
আমার হঙ্গে পড়ছে যারা
এহন তারা কই ?
অয় না দেহা কারোর হঙ্গে
চিন্ত্যা করি তাই;
আছে কেডা, মরছে কেডা
খবরডা না পাই।
আগের কতা বইয়্যা বইয়্যা
চিন্ত্যা করি খুব
ঘাইম্যা গেলে ডাঙ্গার বিলে
দেইন্যা এহন ডুব ।
ছবি সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক: জনগণ চেয়েছিল ছাত্ররা সংস্কার ও বিচার বাস্তবায়নের জন্য প্রেসার গ্রুপ হিসেবে কাজ করবে কিন্তু সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে তাদেরকে মন্ত্রণালয় বা সচিবালয় ও অফিস আদালতে অর্থ আয়ের সুযোগ করে দিয়েছে।
গত ৮ মাস ধরে সংস্কার বা নতুন সংবিধান বা বিধিমালা পরিবর্তনের কোন অগ্রগতি নেই বরং গণহত্যার বিচার যাতে বিলম্বিত হয় সেই চেষ্টা করা হচ্ছে,অর্থ লেনদেনের খবর প্রকাশিত। তাই সংস্কার ও বিচার প্রক্রিয়া জনমনে সন্দেহ সৃষ্টি করছে, আদৌ কি সংস্কার বা বিচার হবে?
অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর নিয়োগকর্তা ছাত্রদের রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপিকে সুবিধা করে দেওয়ার জন্য নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে কালক্ষেপণ করছেন। জামাত শিবির এই ক্ষেত্রে সরকারকে সহযোগিতা করছেন বা করবে। সূত্র: ফেরদৌস খান, ফেসবুক
ফাইল ছবি
একজন ইরানি জেনারেলের নাম সম্প্রতি ইসরাইলি সেনাবাহিনীতে বারবার উচ্চারিত হচ্ছে। তিনি হচ্ছেন জেনারেল আমির আলি হাজিজাদেহ। তাকে নয়া ‘কাসেম সোলাইমানি’ বলা হচ্ছে। কিন্তু কেন তাকে নিয়ে বর্বর ইহুদিবাদী রাষ্ট্রটির সেনাবাহিনী এত চিন্তিত।
লন্ডনভিত্তিক গণমাধ্যম মিডল ইস্ট আই এর কারণ জানিয়েছে।
সম্প্রতি ইসরাইল সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং ক্রমাগত ইরানি ড্রোনের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইসলামিক রেভ্যুলশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার হাজিজাদেহকে ব্যক্তিগতভাবে দায়ী বলে মনে করা হয়।
ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেনি গান্টজ বলেন, এ অঞ্চলে ড্রোন ও মিসাইল ব্যবহার করে কয়েক ডজন সন্ত্রাসী হামলার পেছনে আইআরজিসির এয়ারফোর্সের কমান্ডার আমির আলি হাজিজাদেহের হাত রয়েছে।
ইসরাইলের নিরাপত্তা কর্মকর্তা, বিশ্লেষক ও পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, আমির আলি হাজিজাদেহ ‘নতুন কাসেম সোলাইমানি’।
কাসেম সোলাইমানিকে যুক্তরাষ্ট্র মোসাদের সহায়তায় ২০২০ সালে বাগদাদে ড্রোন হামলায় হত্যা করে। যদিও এখনও আমির আলি হাজিজাদেহ সোলাইমানির মতো উচ্চতায় পৌঁছাতে পারেননি। কিন্তু দেশে ও বিদেশে তার জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে ইরান এবং তার মিত্ররা ক্রমবর্ধমানভাবে ড্রোনের ব্যবহার বাড়িয়েছে। আর মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির ড্রোনের সক্ষমতা বৃদ্ধির এ কারিগর অন্যদের চেয়ে ইরানের শত্রুদের জন্য ‘ভয়ঙ্কর শত্রু’হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছেন বলে মনে করছে ইহুদিবাদী রাষ্ট্রটির সমরবিদরা। সূত্র: যুগান্তর