a নীল যখন যন্ত্রণার সুখ, মুক্তা দাশ
ঢাকা সোমবার, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৬ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

নীল যখন যন্ত্রণার সুখ, মুক্তা দাশ


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
সোমবার, ২৮ মার্চ, ২০২২, ০৭:৩৮
নীল যখন যন্ত্রণার সুখ মুক্তা দাশ

ছবি: মুক্তা দাশ

নীল যখন যন্ত্রণার সুখ
ভেঙেচুরে শেষ হয়ে গেছি!  
রক্তস্রোত বয়ে যাওয়া কঙ্কালে, জীবন মৃত্যুঝুঁকি নেয় সেচ্ছায় ভালোবেসে ।
তাই বলে, তোমাকে দায়ী করবো না ;
করবো না কোন অভিযোগ ।
এই যে পড়ন্ত বিকেলে তুমি রঙে রঙ্গিন করলে মন !
সেই ই বা কম কিসে !
অনেক কাল পরে মরা গাঙে জোয়ার এলো,,, এ তো অকল্পনীয় !
ধূ-ধূ বালুর চড়ে বেড়ে উঠা ক্যাকটাসেও ফুল ফোটে !
তুমি না এলে বুঝতাম ই  না !!
কি দুর্দান্ত মধ্যাকর্ষণে টেনে নিলে নিজের কাছে ,,, এক লহমায় !!!
নিজেকে সৌভাগ্যবতী মনে করাটাই ছিলো চরম দুর্ভাগ্যের ইঙ্গিত !!!
বুঝিনি প্রিয়,
এভাবেও বেলাশেষে ছেলেখেলা খেলা যায় !?
বুঝিনি ...!
তুমি শুধু রাধার প্রেমে পাগল নও
তুমি গোপিদের ও প্রেমে মত্ত।
সময় কাটানো সময়...আহা !
তোমার প্রেম প্রেম খেলার কৌশলী খেলা !!!
কোন অভিযোগ নেই।
অভিমান ?  নাহ্ !
সবটাই সকাল-সন্ধ্যা চোখের নোনা জলে নীল!
 সমুদ্রে অঞ্জলি দিই।
পাহাড়ের কাছ থেকে কঠিন হওয়ার ব্রত শিখছি।
ক্ষয়ে যাওয়া দেহে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকার শক্তি !!  পরীক্ষায় পাশ করা কঠিন !
চেষ্টা করছি, ধাতস্থ হয়ে হাসিমুখেই মৃত্যুর স্বাদ আত্মস্থ করছি ।
কম করেও কম দাওনি আমায়!
কিভাবে ভুলি.....!?
তোমার ছলেই আমি মন বাঁধি,
অলখে !!  তোমাকেই ভালোবাসি ।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

জিয়াকে নিয়ে শিশু কনক চাঁপার এক অন্যরকম অনুভূতি!


ফেসবুক ডেস্ক:
রবিবার, ৩০ মে, ২০২১, ১১:৫৫
জিয়াকে নিয়ে শিশু কনক চাঁপার এক অন্যরকম অনুভূতি

ফাইল ছবি। জিয়াউর রহমান

 

খুব ছোট বেলার কথা। ৭৮ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট কর্তৃক প্রবর্তিত বাংলাদেশ টেলিভিশন আয়োজিত শিশুদের সুকুমার বৃত্তির প্রতিযোগিতা নতুন কুঁড়ির প্রতিযোগী এবং পুরস্কার বিজয়ী ছিলাম। তখনও আমি আমাদের প্রেসিডেন্টকে সরাসরি দেখিনি। এরপর বাংলাদেশ বেতার আয়োজিত একটি মঞ্চানুষ্ঠান হয়। রেডিওতে তো শুধু গান হয়,দেখা যায়না। কিন্তু প্রেসিডেন্ট সাহেব আদেশ দিলেন ঢাকার শাহবাগের রেডিও বাংলাদেশের হোম সার্ভিস এর ভেতরে পেছন দিকের উন্মুক্ত বাগানে  একটা মঞ্চানুষ্ঠান করার জন্য। যেখানে উনি উপস্থিত থেকে পুরো অনুষ্ঠান উপভোগ করবেন।
 
আমরা যারা নিয়মিত রেডিও কলকাকলীতে অংশগ্রহণ করতাম তারাই সে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করলাম।প্রায় এক মাস ধরে রিহার্সাল হলো। গ্রামবাংলার মানুষের জীবন যাত্রা নিয়ে একটি নৃত্যনাট্য। অনেক কোরাস ভয়েজ ছিল, বলাই বাহুল্য সেখানে বড় বড় একক  গান আমার ভাগে পড়লো এবং অনুষ্ঠানের শুরুতেই  নৃত্যনাট্যের অংশ হিসেবে, যেন কেবল ভোর হলো এটা বোঝানোর জন্য ছিল ফজরের আজান।সেই আজান আমাকে দেয়া হলো। আজানের পরেই নাটকের ভেতরে বিবেক এসে গাইতে থাকে "মনরে পথে পথে পথ বাঁধিতে একতারা বাজাই"।সবই আমাকে গাইতে হয়েছে। এরপর পুরো একটা গ্রামীণ গল্প নাচেগানে উপস্থাপিত হলো।
 
আমাকে অনুষ্ঠানের বড় কেউ একজন  ডেকে নিয়ে গিয়ে একদম প্রেসিডেন্ট সাহেব এর সামনে দাঁড় করালেন। আমি বুঝতে পারছিলাম না কি করা উচিত। উনি আমাকে এক হাতে টেনে নিয়ে একদম কাছে দাঁড় করিয়ে সেই বিখ্যাত সুমিষ্ট হাসি দিয়ে বললেন তোমার নাম? এতো সুন্দর নাম কে রাখলেন?  তারপর বললেন এতো সুন্দর করে আজান কিভাবে দিলে তুমি! তারপর অনেক দোয়া করলেন। আমার বাবা-মা পাশেই দাঁড়ানো ছিলেন, উনি তাঁদের দিকে তাকিয়ে হেসে হেসে  বললেন বাচ্চার যত্ন নেবেন। ও একটা রত্ন। যাইহোক। 

এরপর একসময় আমাদের "মাদারটেক আব্দুল আজিজ উচ্চ বিদ্যালয়" এ তিনি  এলেন স্কুল পরিদর্শনে। তখনকার দিনেই তিনি আমাদের স্কুলে অনুদান সহ পুরো স্কুলে যাতে এক জায়গা থেকে ক্লাসে ক্লাসে ঘোষণা বা লেকচার শোনা যায় এমন সাউন্ড সিস্টেম মাইক্রোফোন সেট কিনে দিলেন। উনি আসার সাথে সাথে  আমার রিহার্সাল করা গান "প্রথম বাংলা আমার শেষ বাংলাদেশ" গাচ্ছিলাম।উনি আমাদের সামনে দিয়ে সহাস্যে ধীরে ধীরে যাচ্ছিলেন স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা এবং শিক্ষকদের সাথে শেইকহ্যান্ড করতে করতে। আমার দিকে চোখ পড়তেই উনি চেনা একটা হাসি দিলেন, মানে উনি আমাকে দেখেই চিনেছেন এই মেয়েটিই সেই কনকচাঁপা এবং আমাদের প্রধান শিক্ষক কে জিজ্ঞেস করলেন যে কনকচাঁপা আপনার স্কুলে পড়ে? ভাবা যায়! একজন দেশের প্রেসিডেন্ট! তাঁর এতো তুচ্ছ বিষয় মনে রাখার ব্যাপারটা আজও  বিস্মিত করে আমাকে। ওনার নির্দেশে "পেন পলস" ক্লাব নামক একটি এনজিও শুধু বাচ্চাদের নিয়ে কাজ করতো। সেখানেও আমি জিয়া শিশু পুরস্কার কয়েকবার পেয়েছি।

পেনপলস ক্লাবের পুরস্কার গুলো অপূর্ব ছিলো। নানান গুনীজনের জীবনীগ্রন্থ  শিশুতোষ ভাষায় লেখা বই,একশোটা কাঠপেন্সিল, বিশ দিস্তা কাগজ! এগুলো পুরস্কার এর আইডিয়া ওনারই ছিলো। ওনার নামে "জিয়া পরিষদ" এর নানা কর্মকাণ্ডেও  আমি অংশগ্রহণ করেছি।
সোজা কথায় তিনি ছিলেন অসম্ভব শিশুপ্রিয় মানুষ। শিশু-কিশোররা ঠিক ঠাক গড়ে ওঠে কিনা এনিয়ে তাঁর কঠিন নজরদারি ছিল। বিটিভিতে আমাদের অনেক শিল্পীর সাথে জনাব  তারেক রহমান ও কোকো রহমান বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন। কিন্তু প্রেসিডেন্ট সাহেবের  কড়া নির্দেশ ছিলো তাঁর সন্তানদের যেন বিশেষ দৃষ্টিতে না দেখা হয়! তাদের বেশভুষা, তাদের যাতায়াতের যানবাহন খুবই সাধারণ ছিল। তারা দুই ভাই কোন প্রোটোকল ছাড়া বিটিভির গাড়িতে রিহার্সাল এ যাতায়াত করতো।

এই ছিলেন আমাদের শহীদ প্রেসিডেন্ট সমুখভাগের মুক্তিযোদ্ধা শ্রদ্ধার ও ভালোবাসার জিয়াউর রহমান।

মনে পড়ে তাঁর মৃত্যুতে অনেক কেঁদেছিলাম। টিভিতে লাখো মানুষের ঢল আর হৃদয়বিদারক করুণ ধারাবিবরণীতে কেঁদে কেঁদে অস্থির হয়ে গেছিলাম এই কিশোরী আমি! 
আমার সেই অনুভূতি আজও তেমনি আছে,থাকবে।

স্রষ্টা, তুমি বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান সাহেবকে জান্নাতুল ফেরদৌসের স্থায়ী বাসিন্দা করে নেয়ার অনুগ্রহ করো।

ফেসবুক থেকে সংগৃহীত.../কন্ঠশিল্পী: কনক চাঁপা

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বাস্তবে বাংলাদেশ দেউলিয়া হয়ে গেছে: কাদের


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক:
রবিবার, ১২ মার্চ, ২০২৩, ০৯:১৯
বাস্তবে বাংলাদেশ দেউলিয়া হয়ে গেছে: কাদের

ছবি সংগৃহীত

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জি এম কাদের) এমপি বলেছেন, অত্যন্ত অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে যাচ্ছে দেশ। বাংলাদেশের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ এবং সামনের দিকে আরো অনেক খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এটা আমার আশঙ্কা। যদি না হয় আমি খুশি হব। আমি আশঙ্কা করছি, দেশের মানুষ একটা আগ্নেয়গিরি জ্বালা বুকের মধ্যে নিয়ে বসে আছে। বাংলাদেশ এখন শ্রীলঙ্কার পথে হাঁটছে। গোজামিল দিয়ে দেশ পরিচালনা করা হচ্ছে। বাস্তবে দেশ দেউলিয়া হয়ে গেছে।

জি এম কাদের শনিবার (১১ মার্চ) বিকালে কুমিল্লা নগরীর টাউন হল মাঠে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জাতীয় পার্টির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান  অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি এয়ার আহমেদ সেলিমের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান বক্তা ছিলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু এমপি। এছাড়া দলের কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন।

সম্মেলনে জাপা চেয়ারম্যান আরো বলেন, দেশে এমন অনেক আইন করা হয়েছে, মুখ খুলে কথা বললে দেশদ্রোহী হয়ে যাবেন। এখন আর মনের কথা বলা যায় না। সরকারের বিরুদ্ধে কথা বললে এটা দেশের বিরুদ্ধে চলে যাবে এবং দেশদ্রোহী মামলা হয়। একটা কথা স্পষ্ট করে বলতে পারি—মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে লাঞ্ছিত করা হচ্ছে, দেশে এখন সবচেয়ে বেশি বৈষম্য হচ্ছে। তিনি বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের চেতনা ছিল জনগণের মালিকানাধীন একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ। আজকে বর্তমান সরকারের দল আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলতে বলতে নিজেদের মুখে ফেনা তুলে ফেলেছে। কিন্তু আমি পক্ষে-বিপক্ষে বলব না। বললে তো কালকে আবার ফাঁসিতে নিয়ে যেতে পারে। দেশের একটি শ্রেণির মানুষ সরকারি দল করে তারা বিভিন্নভাবে সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে। তারা লাখ লাখ, কোটি কোটি টাকা উপার্জন করে দেশের বাইরে পাচার করছে। বেশির ভাগ মানুষকে চাকরি-বাকরি ও আইনি সহায়তাসহ সবক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে ফেলা হচ্ছে। তারা দরিদ্র থেকে দরিদ্র হচ্ছে।

সম্মেলনে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জাতীয় পার্টির নতুন কমিটিতে এয়ার আহমেদ সেলিমকে সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা ওবায়দুল কবির মোহনকে সাধারণ সম্পাদক এবং সিনিয়র সহসভাপতি পদে হুমায়ুন কবির মুন্সীর নাম ঘোষণা করা হয়। এদিকে দীর্ঘ আট বছর পর অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে দুপুরের পর থেকে জাতীয় পার্টির কুমিল্লা জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে মুখরিত হয় টাউন হল মাঠ। সূত্র:ইত্তেফাক

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - ফেসবুক পাতা থেকে

সর্বোচ্চ পঠিত - ফেসবুক পাতা থেকে

ফেসবুক পাতা থেকে এর সব খবর