a
ছবি: মুক্তা দাশ
নীল যখন যন্ত্রণার সুখ
ভেঙেচুরে শেষ হয়ে গেছি!
রক্তস্রোত বয়ে যাওয়া কঙ্কালে, জীবন মৃত্যুঝুঁকি নেয় সেচ্ছায় ভালোবেসে ।
তাই বলে, তোমাকে দায়ী করবো না ;
করবো না কোন অভিযোগ ।
এই যে পড়ন্ত বিকেলে তুমি রঙে রঙ্গিন করলে মন !
সেই ই বা কম কিসে !
অনেক কাল পরে মরা গাঙে জোয়ার এলো,,, এ তো অকল্পনীয় !
ধূ-ধূ বালুর চড়ে বেড়ে উঠা ক্যাকটাসেও ফুল ফোটে !
তুমি না এলে বুঝতাম ই না !!
কি দুর্দান্ত মধ্যাকর্ষণে টেনে নিলে নিজের কাছে ,,, এক লহমায় !!!
নিজেকে সৌভাগ্যবতী মনে করাটাই ছিলো চরম দুর্ভাগ্যের ইঙ্গিত !!!
বুঝিনি প্রিয়,
এভাবেও বেলাশেষে ছেলেখেলা খেলা যায় !?
বুঝিনি ...!
তুমি শুধু রাধার প্রেমে পাগল নও
তুমি গোপিদের ও প্রেমে মত্ত।
সময় কাটানো সময়...আহা !
তোমার প্রেম প্রেম খেলার কৌশলী খেলা !!!
কোন অভিযোগ নেই।
অভিমান ? নাহ্ !
সবটাই সকাল-সন্ধ্যা চোখের নোনা জলে নীল!
সমুদ্রে অঞ্জলি দিই।
পাহাড়ের কাছ থেকে কঠিন হওয়ার ব্রত শিখছি।
ক্ষয়ে যাওয়া দেহে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকার শক্তি !! পরীক্ষায় পাশ করা কঠিন !
চেষ্টা করছি, ধাতস্থ হয়ে হাসিমুখেই মৃত্যুর স্বাদ আত্মস্থ করছি ।
কম করেও কম দাওনি আমায়!
কিভাবে ভুলি.....!?
তোমার ছলেই আমি মন বাঁধি,
অলখে !! তোমাকেই ভালোবাসি ।
ফাইল ছবি: গোলাম রাব্বানী
ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর শারীরিক অবস্থার কিছুটা অবনতি হয়েছে। আজ শনিবার (৩ এপ্রিল) সকালে রাব্বানী তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে শারীরিক অবস্থা অবনতির কথা জানিয়ে পোস্ট দেন। তার পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হল-
"জ্বর, সর্দিকাশি আর শারীরিক দুর্বলতার সাথে গত দুদিন যাবৎ শ্বাসকষ্ট আর বুকে চাপ অনুভব করছি। গতরাতে কিছু সময়ের জন্য অক্সিজেন সিলিন্ডারও ব্যবহার করতে হয়েছে।
যদি কিছু হয়ে যায়, যদি অকালে চলে যেতে হয়... এই আফসোস, হতাশা আর মনোকষ্ট নিয়েই যেতে হবে। যে আদর্শ আর দলের জন্য এতো ত্যাগ, জীবন-যৌবন,ক্যারিয়ার, স্বাদ-আহলাদ সব জলাঞ্জলি দিয়ে ইতিবাচক কাজ করতে চাইলাম, সেই দলেরই স্বার্থান্বেষী মহলের কাছ থেকেই মিথ্যা অপবাদ আর বিমাতাসুলভ অন্যায় আচরণের শিকার হলাম! আত্মপক্ষ সমর্থন, সত্য-মিথ্যা যাচাই-বাছাই, তদন্ত এসবের নূন্যতম সুযোগও মিললো না, যা যে কোনো মানুষেরই প্রাপ্য অধিকার।
একজন প্রমাণিত দুর্নীতিবাজ ভিসিকে রক্ষা করতে গিয়ে বিশ্বের বৃহত্তম ছাত্রসংগঠন ও এর শীর্ষ নেতৃত্বকে মিথ্যা অভিযোগে কলঙ্কিত করা হলো। যার বিরুদ্ধে সকল তথ্যপ্রমাণ থাকার পরও কোন তদন্ত হলো না, বিচার হলো না! শিক্ষা মন্ত্রনালয়, ইউজিসি, দুদক সব দেখে জেনে বুঝেও দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেয়া 'জিরো একশন টু করাপশন' নীতি অনুসরণ করলো।
বেঁচে থাকলে নিজেই প্রমাণ করবো ইনশাআল্লাহ। আর যদি মারা যাই, তাহলে শেষ ইচ্ছে ও চাওয়া থাকবে, দেশ ও জনগণের টাকা পুকুর চুরি করে আমাদের উপর মিথ্যা অপবাদ দেয়া জাবি ভিসি যেন কোনভাবেই পার না পায়, জাতির সামনে যেন সত্যটা উন্মোচিত হয়। জোরপূর্বক থামিয়ে দেয়া দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলন যেন ফের শুরু হয়। ইউজিসি আর দুদকের যেন বিবেকবোধ জাগ্রত হয়। প্রাণের প্রতিষ্ঠান ছাত্রলীগ যেন কলঙ্কমুক্ত হয়।"
এর আগে, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন গত ৩১ মার্চ। রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে নমুনা পরীক্ষার পর ফলাফল পজিটিভ আসে। নিজের ফেসবুকেই জানিয়েছিলেন তার করোনার কথা। উল্লেখ্য, বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ২০১৯ সালের ১ অক্টোবর বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে গোলাম রাব্বানীকে বহিস্কার করা হয়।
ফরিদপুর জেলার সালথা উপজেলায় সহকারী কমিশনারের (ভূমি) সাথে থাকা সরকারি কর্মচারীর লাঠিপেটায় এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হওয়াকে কেন্দ্র করে তুলকালাম কাণ্ড ঘটে গেছে। এ রিপোর্ট লেখার সময় সোমবার রাত ১০টার দিকে উত্তেজিত জনতা ঘটনার জন্য দায়ীদের শাস্তির দাবিতে উপজেলা পরিষদ ও থানা ঘেরাও করে রেখেছে। এছাড়া সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ফুকরা বাজারে চা খেয়ে ওই ইউনিয়নের নটাখোলা গ্রামের মৃত মোসলেম মোল্লার ছেলে মো. জাকির হোসেন মোল্লা বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় সেখানে লকডাউনের কার্যকারিতা পরিদর্শনে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মারুফা সুলতানা খান হিরামনি উপস্থিত হন।
জাকির হোসেন অভিযোগ করেন যে, কিছু বুঝে উঠার আগেই এসিল্যান্ডের গাড়ি থেকে নেমে এক ব্যক্তি তার কোমর সজোরে লাঠি দিয়ে বাড়ি দেন। এতে তার কোমর ভেঙে যায়। পরে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
অপরদিকে, জাকির হোসেনকে আহত করার খবরে সেখানে উপস্থিত জনতা উত্তেজিত হয়ে উঠে। কিছুক্ষণের মধ্যে সেখানে আরো গ্রামবাসী জড়ো হয়। এরপর সেখানে সালথা থানার এসআই মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ পৌঁছালে উত্তেজিত জনতা পুলিশের উপরেও হামলা করে। এতে এসআই মিজানুর রহমানের মাথা ফেটে যায়। এরপর বিক্ষুব্ধ জনতা সালথা থানা অভিমুখে রওনা হয়ে থানা ঘেরাও করে।
এ বিষয়ে সালথা থানার ওসি আশিকুজ্জামান বলেন, এসিল্যান্ড মারুফা সুলতানা হিরামনির নিকট হতে খবর পেয়ে ফুকরা বাজারে পুলিশ পৌঁছালে সেখানে পুলিশের উপরে হামলা হয়। এতে এসআই মিজানুর রহমানের মাথা ফেটে যায়।
ওসি আশিকুজ্জামান জানান, উত্তেজিত জনতাকে শান্ত হতে অনুরোধ জানাচ্ছি।
এব্যাপারে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মারুফা সুলতানা খান হিরামনির বক্তব্য জানার জন্য তার মোবাইলে ফোন দিলেও তাকে পাওয়া যায়নি।