a ভাড়াটিয়ারা ছাড়ছেন শহর, বাড়িওয়ালারা উভয় সংকটে
ঢাকা শনিবার, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৪ মার্চ, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ভাড়াটিয়ারা ছাড়ছেন শহর, বাড়িওয়ালারা উভয় সংকটে


আরাফাত, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
শনিবার, ১৪ আগষ্ট, ২০২১, ১০:০৩
ভাড়াটিয়ারা ছাড়ছেন শহর, বাড়িওয়ালারা উভয় সংকটে

সংগৃহীত ছবি

ভালো নেই রাজধানীর বাড়ি-ফ্ল্যাট মালিক ও ভাড়াটিয়ারা। করোনা মহামারিতে গ্রামে চলে গেছেন শতকরা ৪০ ভাগ ভাড়াটিয়া। ফাঁকা পড়ে আছে অনেক ফ্ল্যাট, বাড়ি। রাজধানীর অনেক বাসার গেটে বা দেওয়ালে সাঁটানো হয়েছে ‘টু-লেট’ বা ‘বাড়ি ভাড়া’ বিজ্ঞাপন। 

আবার বড় বাসা ছেড়ে দিয়ে কম ভাড়ার বাড়িতে উঠতে বাধ্য হচ্ছে অনেক পরিবার। করোনার কারণে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যে ধাক্কা লেগেছে, তাতে কর্মহীন হয়ে পড়েছে লাখ লাখ মানুষ। আয় কমে গেছে অগণিত মানুষের।

রাজধানীতে আগে কাজের সুবাদে যারা বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন, তারা এ পরিস্থিতিতে চলে গেছেন গ্রামের বাড়িতে। অনেকে বাসা ছাড়ার সিদ্ধান্ত জানিয়ে রেখেছেন বাড়ির মালিককে। এ কারণে মূলত ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ভাড়াটিয়া সংকট দেখা দিয়েছে। এদিকে করোনা মহামারিতে শুধু যে ভাড়াটিয়ারাই অর্থসংকটে বিপদে পড়েছেন, তা নয়; একই সংকটে পড়েছেন বাড়ির মালিকরাও। বাড়িভাড়ার টাকায় সংসার চালানো বাড়িওয়ালারা ভাড়াটিয়া না পেয়ে মাসের পর মাস অর্থকষ্টে ভুগছেন বলে জানা গেছে ।

কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশনের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ঢাকার ৮০ শতাংশ বাড়িওয়ালা বাড়িভাড়া দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। বাড়িই যেহেতু তাদের ব্যবসা, তাই বিভিন্ন বিল ও করের ঊর্ধ্বগতি সাপেক্ষে তারা বছরে গড়ে ৯ শতাংশ ভাড়া বাড়ান। ৭৫ শতাংশ বাড়িওয়ালা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে কিংবা সারা জীবনের সঞ্চয় দিয়ে বাড়ি বানিয়ে থাকেন। বাড়িভাড়া ছাড়া সাধারণত তাদের অন্য কোনো আয়ের উত্স থাকে না। তাই ঋণের কিস্তি পরিশোধ কিংবা সংসার চালানোর তাগিদে ভাড়া পাওয়া তাদের জন্য জরুরি।

বাংলাদেশ ভাড়াটিয়া পরিষদের তথ্যমতে, ঢাকার মোট ভাড়াটিয়ার ৪০ শতাংশ রাজধানী ছেড়ে গ্রামে চলে গেছেন। করোনা মহামারিতে চাকরি চলে যাওয়া, বেতন কমিয়ে দেওয়া এবং ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ থাকার প্রভাব পড়েছে রাজধানীর ভাড়াটিয়া ও বাড়িওয়ালাদের ওপর। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ ধরনের সমস্যা যে কেবল নিম্নবিত্তের তা নয়, ঢাকায় বাড়িভাড়ার টাকা জোগাড় করতে হিমশিম খাচ্ছে মধ্যবিত্ত অনেক পরিবারও।

ইতালি প্রবাসী সোয়েব হোসেন (ছদ্মনাম) বলেন, ‘করোনায় আমার চাকরি নেই, স্ত্রী-তিন সন্তান, বৃদ্ধ মা ও ভাই রয়েছে ঢাকায়। আমাদের আয়ের উত্স রাজধানীর ফ্ল্যাট ভাড়ার টাকা। অথচ আমার চাকরিও নেই, ঢাকায় বাড়িভাড়ার টাকাও নেই, এখন জমানো টাকা ভেঙে সংসার চালাতে হচ্ছে। সঙ্গে তিন সন্তানের স্কুলের বেতন দিতে হচ্ছে।’

অনেক বাড়িওয়ালা তার বাড়ি ভাড়া বাড়াতে একই ফ্লাটে একাধিক পরিবারকে ঢুকিয়ে তারা বিকল্প পথ খুঁজছে। এসবের ফলে পুরাতন ভাড়াটিয়াদের সাথে নতুন ভাড়াটিয়াদের নানা রকম সমস্যাও সৃষ্টি হচ্ছে। এসব ব্যাপারে কিছু কিছু বাড়িওয়ালা নিজে সেসব বাড়িতে না থাকলে ভাড়াটিয়াদের কোন সুযোগ-সুবিধা না দেখে নানান কৌশলে বাসা ভাড়া বাড়ানোর চেষ্টা করে, যা দেখার কেউ নেই।

এদিকে করোনা ভাইরাসের কারণে মানুষের আয়ে যে প্রভাব পড়েছে তা বিবেচনা করে বাড়িভাড়া কমানোর দাবি জানিয়েছে বেশ কয়েকটি সংগঠন। এরই মধ্যে এক থেকে তিন মাসের বাড়িভাড়া মওকুফের জন্য বাড়ির মালিকদের কাছে আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ভাড়াটিয়া কল্যাণ সমিতি এবং ভাড়াটিয়া পরিষদ।

ভাড়াটিয়া পরিষদের সভাপতি বাহারানে সুলতান বাহার বলেন, আমরা প্রথম থেকেই দাবি জানিয়ে আসছি, নিম্ন-মধ্যম আয়ের মানুষের জন্য কিছুটা হলেও বাড়িভাড়া মওকুফ করার জন্য। কিন্তু আমাদের কথা কেউ শুনছেন না। অনেক মানুষ বেকার এবং আয় কমার কারণে তাদের পরিবারকে গ্রামের বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছেন। আর আয়ের আশায় পরিবারের কর্তা ব্যক্তিটি কোনো মেসে বা কম টাকা ভাড়ার বাসায় উঠেছেন। মানুষকে খুব খারাপ অবস্থার মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, করোনা পরিস্থিতিতেও অনেক বাড়ির মালিক ভাড়াটিয়াদের প্রতি সহানুভূতি না দেখিয়ে ভাড়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করছেন। যে কারণে অনেকেই বাসা ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। ভাড়াটিয়াদের অসহায়ত্বের কথা বিবেচনা করে বাড়ির মালিকদের উচিত কিছুটা ছাড় দেওয়া, কিছুটা ভাড়া মওকুফ করা। অনেক বাড়িওয়ালা উভয় সংকটে পড়েছেন, কি করবেন বুঝে উঠতে পারছেন না।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

জামালপুর ইসলামপুরে বজ্রপাতে ৬ জন নিহত, আহত ৭ জন


জামালপুর জেলা প্রতিনিধি:
বৃহস্পতিবার, ২০ মে, ২০২১, ০৯:৩১
জামালপুর ইসলামপুরে বজ্রপাতে ৬ জন নিহত আহত ৭ জন

প্রতিকী ছবি

 
জামালপুরের ইসলামপুরে এক দিনে বজ্রপাতে ৬ জন নিহত ও ৭ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রচণ্ড ঝড় বৃষ্টির সময় বজ্রপাতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

ইসলামপুর থানার ওসি মুহাম্মদ মাজেদুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার বিকালে প্রচণ্ড ঝড় বৃষ্টির সময় বজ্রপাতে পাথর্শী ইউনিয়নের পশ্চিম গামারিয়া গ্রামের হাছেন আলীর ছেলে কালা মিয়া (৩৫), একই গ্রামের কাইলা শেখের ছেলে শাহ জামাল (৪৫), আব্দুল জব্বারের ছেলে এনামুল হক (৪০), পলবান্ধা ইউনিয়নের বাটিকামারি গ্রামের চন্দু শেখের ছেলে জবেদ আলী (৬০), সাপধরি ইউনিয়নের প্রজাপতিচরের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে বিল্লাল হোসেন (৩৫), চন্দনপুর গ্রামের আখের মাহমুদের ছেলে মহিজল মাহমুদ (৫০) নিহত হয়েছেন।

একইদিনে বজ্রপাতে আরও ৭ জন আহত হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে ইসলামপুর ও দেওয়ানগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার পাথর্শী ইউনিয়নের পশ্চিম গামারিয়া ইউনিয়নের তিনজন কৃষক তারা ক্ষেতে কাজ করা অবস্থায় তাদের উপর আকস্মিক বজ্রপাত হলে তারা সেখানেই মারা যান। বাকি তিনজনের মধ্যে একজন ঘরে এবং অপর দুইজন নৌকায় ছিল বলে জানা যায়।

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

জামালপুরে যমুনার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত


মনিরুজ্জামান, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বুধবার, ৩০ আগষ্ট, ২০২৩, ০১:১২
জামালপুরে যমুনার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত

ফাইল ছবি

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণে জামালপুর জেলা যমুনা নদীর পানি বাড়ছে। এ নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করেছে। আজ বুধবার সকালে মেলান্দহ উপজেলার ঘোষেরপাড়া এলাকায় উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণে জামালপুরে যমুনা নদীর পানি বাড়ছে। এ নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করেছে।

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণে জামালপুরে যমুনা নদীর পানি বেড়ে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নদীর পানি ১৪ সেন্টিমিটার বেড়েছে। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে যমুনার পানি বিপৎসীমার ৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এতে নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। নদীতীরবর্তী অঞ্চলের মানুষের মধ্যে পানিবন্দী হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জামালপুর কার্যালয়ের পানি পরিমাপক আবদুল মান্নান আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গণমাধ্যমকে বলেন, কয়েক দিন ধরেই যমুনার পানি বৃদ্ধি পাচ্ছিল। তবে গতকাল রাত থেকে পানি খুব দ্রুত বাড়ছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনার পানি ১৪ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নদীতীরের নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। আগামী দুই দিন আরও কিছুটা পানি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে নদীতীরবর্তী এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হবে। তবে বড় ধরনের কোনো বন্যার আশঙ্কা নেই বলে তিনি জানান।

ইসলামপুর উপজেলার চিনাডুলী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আবদুস সালাম বলেন, যমুনার একদম তীরবর্তী ইউনিয়ন চিনাডুলী। যমুনার পানি বিপৎসীমার ওপরে উঠলেই সবার আগে এই ইউনিয়নের বেশ কিছু গ্রাম প্লাবিত হয়। ইতিমধ্যে বলিয়াদহ, পশ্চিম বাবনা, হাড়গিলাসহ কয়েকটি গ্রামের ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে। আর কয়েক সেন্টিমিটার পানি বাড়লেই এলাকার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়বেন। সূত্র: প্রথম আলো

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - সারাদেশ