a ওমিক্রনের দাপটে দিশেহারা ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট
ঢাকা বুধবার, ১ মাঘ ১৪৩২, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ওমিক্রনের দাপটে দিশেহারা ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
শনিবার, ০১ জানুয়ারী, ২০২২, ০৫:৫৭
ওমিক্রনের দাপটে দিশেহারা  ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট

ফাইল ছবিঃ এমানুয়েল ম্যাকরন

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের দাপটে দিশেহারা হয়ে পড়েছে  ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাকরন। প্রতিদিনই সংক্রমণের নতুন রেকর্ড হচ্ছে দেশটিতে। শুক্রবারও দেশটিতে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৩২ হাজার।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাকরন বলেছেন, সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। সুতরাং আগামী কয়েক সপ্তাহ তার দেশকে একটি কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হবে।”

ইংরেজি নতুন বছর শুরুর আগে সন্ধ্যায় শুক্রবার দেওয়া এক ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ফ্রান্স এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করে পার পেয়ে যেতে পারবে, তবে সাধারণ মানুষ যদি দায়িত্বশীল আচরণ করেন।

ম্যাকরন বলেন, তার দেশ করোনা মোকাবিলার জন্য গত এক বছর আগের চেয়ে এখন ভালো অবস্থায় রয়েছে। কেননা, ইতোমধ্যে দেশটির জনসাধারণের একটি বড় অংশই এই ভাইরাসের টিকা নিয়েছে।

ফ্রান্সে যারা এখনও করোনাভাইরাসের টিকা নেয়নি তাদের টিকা নেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

এমানুয়েল ম্যাকরন বলেন, নতুন করে বিধিনিষেধ যাতে আরোপ করতে না হয় এজন্য তার সরকার যেকোনও ধরনের পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।

এদিকে ফ্রান্সে গত তিন দিন ধরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দুই লাখের বেশি। পরিস্থিতি সামাল দিতে নতুন বছর বরণের অনেক অনুষ্ঠান কাছ ছাট করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইউরোপের অন্যতম এপিসেন্টারে পরিণত হয়েছে ফ্রান্স। করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের কারণে সেখানে সংক্রমণ দিন দিন বাড়ছে। সূত্র: রয়টার্স, বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

গাজায় দুর্ভিক্ষ সৃষ্টির অর্থ হচ্ছে যুদ্ধাপরাধের শামিল: জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৪, ১০:১১
গাজায় দুর্ভিক্ষ সৃষ্টির অর্থ হচ্ছে যুদ্ধাপরাধের শামিল: জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান

ফাইল ছবি: ভলকার তুর্ক

কয়েক মাস উপর্যুপরি সতর্কতার পর জাতিসংঘ সমর্থিত সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদনের পরিসংখ্যানগত প্রমাণে দেখা গেছে গাজায় মানবিক বিপর্যয় মানবসৃষ্ট দুর্ভিক্ষে পরিণত হচ্ছে। তাই ফিলিস্তিনি নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য আইনি দায়িত্ব পালন করতে ইসরায়েলের ওপর চাপ বাড়িয়েছে জাতিসংঘ। সেইসঙ্গে যাদের প্রয়োজন তাদের কাছে পর্যাপ্ত মানবিক সহায়তা সরবরাহের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

জাতিসংঘের সবচেয়ে ঊর্ধ্বতন মানবাধিকার কর্মকর্তা, ভলকার তুর্ক বিবিসি-র একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ইসরায়েলের উল্লেখযোগ্য দোষ রয়েছে। তারা যে গাজা যুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে অনাহারকে ব্যবহার করছে সেটিরও ‘প্রমাণযোগ্য’ ঘটনা রয়েছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার তুর্ক বলেছেন, অভিপ্রায় প্রমাণিত হলে তা হবে যুদ্ধাপরাধ।

বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টির একজন সিনিয়র রাজনীতিবিদ ও ইসরায়েলের অর্থনীতি মন্ত্রী নির বারকাত তুর্কের সতর্কবার্তাকে ‘সম্পূর্ণ অর্থহীন ও দায়িত্বজ্ঞানহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

তার মন্ত্রিপরিষদের সহকর্মীদের মতো বারকাত জোর দিয়ে বলেছেন, ইসরায়েল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বাকি বিশ্বের পাঠানো সহায়তা গাজায় প্রবেশ করতে দিচ্ছে। তবে ইসরায়েল মিথ্যাচার করে বলছে, হামাস নিজেদের সাহায্য করার পর বাকি যা থাকে সেগুলো বিতরণ করতে ব্যর্থ জাতিসংঘ। কিন্তু গাজা উপত্যকার উদ্দেশ্যে আসা ত্রাণবাহী লরিগুলোর দীর্ঘ সারি দেখা গেছে মিসরের রাফা সীমান্তে। জটিল ও আমলাতান্ত্রিক তল্লাশির পরই এগুলো ইসরায়েলের মধ্য দিয়ে গাজায় প্রবেশ করতে পারে।

পর্যাপ্ত সহায়তা গাজায় না পৌঁছানোয় জর্ডান, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যসহ অন্য দেশগুলো আকাশপথে বাধ্য হচ্ছে সরবরাহ পাঠাতে। আর এই ত্রাণের ভাগ নিতে আসা ফিলিস্তিনিরা সমুদ্রে ডুবে মরছে। অনেকে আবার প্যারাসুট দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে।

মার্কিন নৌবাহিনী সমুদ্রপথে সাহায্যের জন্য একটি অস্থায়ী পিয়ার তৈরি করতে আটলান্টিক জুড়ে একটি ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্লোটিলাও পাঠাচ্ছে।

ইসরায়েল যদি গাজায় সম্পূর্ণ রাস্তার প্রবেশাধিকার দেয় এবং উত্তর গাজার প্রায় আধা ঘণ্টা পথের দূরত্বে আধুনিক কনটেইনার বন্দরের মাধ্যমে ত্রাণ সরবরাহের গতি বাড়ায় তবে এসবের কোনটিরই প্রয়োজন হবে না। জেনেভা থেকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে তুর্ক বলেছেন, প্রমাণ পাওয়া গেছে যে ইসরায়েল সাহায্য সরবরাহের গতি কমিয়ে দিচ্ছে বা আটকে রেখেছে।

৭ অক্টোবর ইসরায়েলি বেসামরিক ও সৈন্যদের ওপর হামাসের হামলারও নিন্দা করেছেন তুর্ক। তবে তিনি এও বলেছিলেন, যুদ্ধের কোনো পক্ষই গাজায় সহায়তা বন্ধ করার যেকোনো প্রচেষ্টাসহ অন্যান্য কর্মকাণ্ডের জন্য জবাবদিহিতার বাইরে থাকবে না। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

পুলিশ দিয়ে পিটিয়ে নৌকায় ভোট নেওয়ার ঘোষণা (ভিডিও)



মঙ্গলবার, ২৩ মার্চ, ২০২১, ১২:৫৮
পুলিশ দিয়ে পিটিয়ে নৌকায় ভোট নেওয়ার ঘোষণা (ভিডিও)

পুলিশ দিয়ে পিটিয়ে নৌকায় ভোট নেওয়ার ঘোষণা (ভিডিও)

কক্সবাজারের এক ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান পুলিশ দিয়ে পিটিয়ে নৌকায় ভোট নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তার এই বক্তব্যে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।  

চেয়ারম্যানের ওই বক্তব্যের ভিডিও সোস্যাল মিডিয়া ফেসবুকে রীতিমতো ভাইরাল।

বর্তমান চেয়ারম্যান শাহ আলম এমন দম্ভোক্তিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ৩নং হলদিয়া পালং ইউনিয়নের।  তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটির সহসভাপতি।

গত ১৬ মার্চ রাত ১১টায় হলদিয়া পালং ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের হাতির ঘোনা এলাকায় আগাম নির্বাচনী প্রস্তুতি সভায় এ বক্তব্য দেন তিনি।

ভিডিওতে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় চেয়ারম্যান শাহ আলমকে বলতে শোনা গেছে— নৌকা প্রতীক তার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে নৌকা প্রতীক দেবেন। তিনি অন্য কোনো মার্কায় কাউকে ভোট দিতে দেবেন না।  পুলিশ এখন সরকারি গুণ্ডাবাহিনী।  এই পুলিশ দিয়ে পিটিয়ে নৌকায় ভোট নেওয়া হবে। 

গত ১৬ মার্চ গভীর রাত থেকেই ভিডিওটি ফেববুকে অনেকের টাইমলাইনে ঘুরপাক খাচ্ছে।

নির্বাচনী প্রস্তুতি সভায় চেয়ারম্যান শাহ আলম সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, আমার ভাই সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম। প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্তরে অনুসারী বসিয়ে গেছেন। আগামী আরও ১০ বছর আমরা ক্ষমতা ভোগ করব। 

চেয়ারম্যানের এমন বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে হলদিয়াপালং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. ইসলাম বলেন, বর্তমান চেয়ারম্যানের বক্তব্য সাধারণ মানুষের মাঝে দলের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে।

উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান হামিদুল হক চৌধুরী বলেন, নৌকার মনোনয়ন কে পাবে তা দলের নির্বাচনী বোর্ড ঠিক করবেন।  বঙ্গবন্ধুকন্যা দলীয় সভানেত্রী তার ঘরে এসে নৌকা দিয়ে যাবে এ ধরনের বক্তব্য শিষ্ঠাচারবহির্ভূত।  এ ধরনের বক্তব্য দিয়ে তিনি দলীয় সভানেত্রীকে হেয় করেছেন।

হামিদুল হক আরও বলেন, উখিয়াতে আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা এখন যে কোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি। জনগণ এমনিতেই নৌকায় ভোট দেবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অবাধ, সুস্থ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে। জনগণের ভোটাধিকার ক্ষুণ্ন করার সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না।

উখিয়া থানার ওসি আহমেদ সঞ্জুর মোরশেদ বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ একটি সুশৃঙ্খল বাহিনী। এই বাহিনী নিয়ে বিরূপ ও অশালীন মন্তব্য না করার জন্য অনুরোধ করছি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক