a
ফাইল ছবি
যে কোনো মুহূর্তে রুশ সেনারা ইউক্রেন আক্রমণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ইউক্রেনে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের অবিলম্বে দেশটি ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন এই নির্দেশনা জারি করে। খবর- রয়টার্স।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী মার্কিন নাগরিকদের উদ্দেশে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর জানায়, ‘রাশিয়ার হামলার ক্রমবর্ধমান হুমকি এবং করোনা মহামারির কারণে ইউক্রেনে এখন কেউ ভ্রমণ করবেন না। আর যারা এখন ইউক্রেনে অবস্থান করছেন তাদের অবিলম্বে বাণিজ্যিক বা ব্যক্তিগত উপায়ে ইউক্রেন ত্যাগ করা উচিত।’
তিনি বলেন, যেকোনো সময় সতর্কতা ছাড়াই রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করতে পারে। সেই সময় ইউক্রেন ত্যাগে মার্কিন নাগরিকদের সহায়তা সহ কনস্যুলার পরিষেবা প্রদান করা মার্কিন দূতাবাসের জন্য কঠিন হতে পারে।
এর আগে জানুয়ারিতে ইউক্রেনে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে নিযুক্ত কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের দেশটি ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। এমনকি ইউক্রেনে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদেরও সেসময় দেশটি ছাড়ার কথা বিবেচনা করার অনুরোধ জানিয়েছিল ওয়াশিংটন।
সেসময় মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর জানিয়েছিল, রাশিয়া ইউক্রেনে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা করছে বলে তাদের নিকট তথ্য রয়েছে। ইউক্রেনের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ‘অনিশ্চিত এবং পূর্বানুমানযোগ্য নয়। আর এ কারণে নিরাপত্তা পরিস্থিতি যে কোনো সময় খারাপ হতে পারে’। সূত্র: যুগান্তর
মার্কিন দম্পতি বিল গেটস ও মেলিন্ডা সাত বছর প্রেম করার পর বিয়ে করেছিলেন। সংসার করেছেন ২৭ বছর। বিল ও মেলিন্ডার সংসারে আছে তিনটি সন্তান। ৩৪ বছর পর সম্পর্কে ইতি টানার ঘোষণা দিয়েছেন মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস ও উদ্যোক্তা মেলিন্ডা।
গত ৩ মে বিল ও মেলিন্ডা যৌথভাবে টুইটারে এ ঘোষণা দিয়েছেন। ২০০০ সালে বিল ও মেলিন্ডা দুজনে মিলে গড়ে তুলেছিলেন বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন। বিচ্ছেদের পরও এই ফাউন্ডেশনের হয়ে একসঙ্গে কাজ করবেন তারা।
বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় দাতব্য প্রতিষ্ঠান। সারা বিশ্বে স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাতে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে এই ফাউন্ডেশন।
ছবি সংগৃহীত: প্রধান উপদেষ্টার সহকারী মো: শফিকুল আলম
নিউজ ডেস্ক: লন্ডন বৈঠকের ঘোষণা অনুযায়ী রোজার আগেই (ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন হতে পারে বলে আভাস পাওয়া গেছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
গতকাল আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয়ে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এ নির্দেশ দেন। নির্বাচন আয়োজন সংশ্লিষ্টদের সব ধরনের প্রশিক্ষণ ও প্রস্তুতির নির্দেশ দেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টার সহকারী জনাব শফিকুল আলম বলেন, বৈঠকের মূল বিষয় ছিল আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রস্তুতি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে। নির্বাচনের ২টা সম্ভাব্য সময় আগেই জানানো হয়েছে। ১টা হলো- প্রধান উপদেষ্টা জাতির উদ্দেশে ভাষণে এপ্রিলের প্রথমার্ধে নির্বাচনের কথা বলেছিলেন। পরবর্তীতে জানানো হয় যদি প্রস্তুতি সম্পন্ন হয় এবং গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারগুলো হয়ে যায়, তাহলে রমজানের আগেই ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হতে পারে।
নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে গতকাল প্রায় দুই ঘণ্টা আলোচনা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা কিছু জরুরি নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রথম নির্দেশনা ছিল নির্বাচন ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক যত প্রস্তুতি, সব আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে। এর মধ্যে অনেক বিষয় আছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে ১৭ হাজার নতুন রিক্রুটমেন্ট করা হচ্ছে নির্বাচনকে সামনে ঘিরে। তাদের নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ যাতে এ সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হয় সেই নির্দেশ দিয়েছেন। নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ করার অনেক পাঁয়তারা চলছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আগামী মাসগুলোতে কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
বৈঠকে জানানো হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আট লাখের মতো সদস্য নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবে। প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশ দিয়েছেন শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করতে পুরো আট লাখ সদস্যকেই প্রশিক্ষণ দিতে হবে এবং তা ডিসেম্বরের মধ্যে।
এবার অনেক নতুন ভোটার ভোট দেবেন। বিগত কয়েকটি নির্বাচনে তরুণ ভোটাররা ভোট দিতে পারেননি। প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশ দিয়েছেন ১৮ থেকে ৩৩ বছর বয়সিদের একটা পৃথক ভোটার তালিকা করা যায় কিনা তা খতিয়ে দেখতে। তাদের জন্য কেন্দ্রগুলোতে আলাদা ভোটিং বুথ রাখার বিষয়টা দেখতে বলেছেন।
প্রেস সচিব বলেন, নির্বাচনকালীন সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নিয়োজিত করা একটা ইস্যু। কোথায় কোথায় নিয়োজিত করা হবে, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে কীভাবে নিয়োজিত করা হবে, কতজন আনসার থাকবে, কতজন পুলিশ থাকবে, বিজিবি বা সেনাবাহিনী কীভাবে থাকবে সেগুলো নিয়ে মিটিংয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। নির্বাচনের আগে ডিসি, এসপি, ওসি, টিএনও- এসব পদে রদবদল করতে বলা হয়েছে।
নির্বাচনকালীন প্রশাসনে রদবদল প্রসঙ্গে ডেপুটি প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, লটারির মাধ্যমে রদবদল করা যায় কিনা তা দেখতে বলা হয়েছে। গত সরকারের আমলে একটা উপনির্বাচনে নির্বাচন কমিশন সিসি টিভি ক্যামেরায় পর্যবেক্ষণ করে পুরো একটা আসনে নির্বাচন বাতিল করে দিয়েছিল।
পরবর্তীতে আইন সংশোধন করে নির্বাচন কমিশনের এ ক্ষমতাটা খর্ব করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এ ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়া যায় কিনা তা খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
এবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের তো প্রশিক্ষণ দেওয়া হবেই, ভোটারদেরও প্রশিক্ষণ দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। নারী ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। বিগত তিনটি জাতীয় নির্বাচনে যেসব পোলিং অফিসার ও প্রিসাইডিং অফিসার দায়িত্ব পালন করেছেন, তাদের বাদ দিয়ে এবার নির্বাচনি কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া যায় কিনা সে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন