a
ফাইল ছবিঃ মমতা- মানবাধিকার কর্মী
বাস্তবতা- মমতা
জীবন ভেবে মানুষ যাকে করে নেয় অতি আপন
সময়ের ব্যবধানে সে হয়ে যায় সবচেয়ে বড় বেঈমান দুশমন।
আঙ্গুল ধরে কাউকে শিখিয়েছেন হাঁটা
ইতিহাস স্বাক্ষী সেই আপনার সরল পথে
মারবে কাটা ভালবেসে যাকে নিয়ে বেধেছেন অতি যত্নে সুখের ঘর
স্বার্থের জন্য সেই একদিন আপনাকে করবে পর।
সরল মনে কাওকে বিপদে দিয়েছেন টাকা ধার
সুযোগ বুঝে সে শোধ না করে উল্টো আপনার সন্মান করবে ছারখার।
মানুষ নামের অমানুষে আজ দেশটা গেছে ভরে
তাই শেষ বয়সে বাবা-মা ঘরে নয় থাকে পরে বৃদ্ধাশ্রমে।
আইন কানুন শিক্ষা নীতি সবই রয়েছে দেশে
তবে কেন আজ সত্য ন্যায় ডুবে আছে অন্ধকারে।
এসো সবে হই সচেতন বিবেক বুদ্ধি জ্ঞান মন্যুষত্বে
আমার, আপনার ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি এসব বদলাতে পারে।
ফাইল ছবি
ঢালিউডের জনপ্রিয় নায়িকা মাহিয়া মাহি স্বামী মাহমুদ পারভেজ অপুর সঙ্গে পাঁচ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানলেন। এবার বিচ্ছেদ হওয়ার খবর মাহি নিজেই জানিয়েছেন। বিচ্ছেদ নিয়ে নিজের অনুভূতি ও অবস্থান ব্যক্ত করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন পারভেজ মাহমুদ অপু।
রোববার রাতে অপুর স্ট্যাটাস হুবহু তুলে ধরা হলা— একটি সম্পর্ক গড়তে গেলে যেসব গুণ থাকে, সেগুলো হলো— সততা, ওয়াদা, বিশ্বস্ততা, বন্ধুত্ব, দায়িত্ব নেওয়ার ক্ষমতা, বোঝার ক্ষমতা, স্বচ্ছতা ও ভালোবাসা এবং নিজস্ব বিশ্বাস ইত্যাদি।
আর সম্পর্ক হওয়ার পর সেটি পরিবর্তিত হতেই পারে, আমরা বেঁচে আছি সম্পর্ক নিয়ে সম্পর্কের বন্ধনে বন্দি হয়ে। আবার সম্পর্ক কখনও শেষও হয় না, শুধু পরিবর্তিত হয়।
বিচ্ছেদ যে কোনো সম্পর্কে যে কোনো সময় আসতে পারে। যে কোনো বিচ্ছেদই কষ্টদায়ক। কিন্তু প্রত্যেক মানুষের নিজের মতো করে বাঁচার স্বাধীনতা রয়েছে। আর এতে করে তিনি/তারা নিজের মতো করে ভালো থাকতেই পারেন।
সম্পর্কগুলো স্থায়ী হোক এমনটিই সবাই চায়, কিন্তু বাস্তবে তা হয় না। দেখা যায়, সারাজীবন দুজন পাশাপাশি থাকার পরও মৃত্যু এসে একজনকে নিয়ে যায়। বা দুজনের মতের মিল ও বিশ্বাস আলাদা হলে তখন একসঙ্গে থাকার চেয়ে আলাদা থাকতে চাই, এতে দোষের কিছু তো নয়ই; বরং এটা উভয়ের জন্য ভালো।
আমাদের বাঙালি সমাজ এখনও সেভাবে প্রাপ্তবয়স্ক হয়নি। তাই তো ডিভোর্স কথাটা শুনলেই অনেকেরই কান ভোঁ-ভোঁ করে ওঠে। এ কারণেই ডিভোর্সির দিকে কপাল কুঁচকে তাকানোটাই এই সমাজের একটা অভ্যেস হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সম্পর্ক তৈরি করার মতন, সম্পর্ক থেকে বের হয়ে আসাও খুব স্বাভাবিক। মানুষের জীবনে অনুভূতির সংকোচন, সম্প্রসারণ হতেই পারে। একসঙ্গে থাকতে না চাওয়ার কারণ জন্মাতে পারে। ভালো না লাগতে পারে। বিশেষ কোনো কারণে আলাদা হওয়ার ইচ্ছা হতে পারে। আবার কেউ কেউ মানিয়ে নিয়েও বেঁচে থাকে।
দুজন মানুষের ভেতর অভ্যন্তরীণ বনিবনা না হলে, একসঙ্গে থেকে তিক্ততা বাড়ানোর কোনো মানেই হয় না। তার চেয়ে দুজন মানুষ আলাদা হয়ে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের জায়গাটুকু বাঁচিয়ে রাখার দৃশ্যই সুন্দর। যে কোনো বিচ্ছেদই কষ্টদায়ক। কিন্তু কোনো সম্পর্কই হয়তো পুরোপুরি শেষ হয় না, সময়ের সঙ্গে বদল আসে দুজনের বোঝাপড়ায়।
আসলে ডিভোর্সের পর সম্পর্কের নাম বদলে যায় শুধু। একে অপরের কথা শেষ হয়ে যায় না, কেউ কারও শত্রু হয়ে যায় না, বন্ধুত্বও শেষ হয়ে যায় না। অনেক চাওয়া-পাওয়া অনেক ভালোবাসা, আকাঙ্ক্ষা ফসলে বৈবাহিক সমন্ধ গড়ে ওঠে। তার ভাঙনকালে যন্ত্রণা হওয়া অবশ্যম্ভাবী। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, আপনার জীবন সেখানেই শেষ হয়ে গেল। এমনও নয় প্রাক্তনের প্রতি থাকবেই তীব্র বিদ্বেষ!
ডিভোর্স সত্ত্বেও প্রাক্তনের প্রতি সম্মান ধরে রাখা সম্ভব। আর এই সম্মানটা মনের মধ্যে পোষণ করেই নিজেদের মর্যাদা অটুট রেখে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাব।
আর আশা করছি, আমাদের পরিচিত পরিজন-শুভাকাঙ্ক্ষীরা আমাদের এই সিদ্ধান্তকে পজিটিভভাবে গ্রহণ করে আমাদের সঙ্গে থাকবেন।
আর একটা অনুরোধ করতে চাই— আদর্শিক পার্থক্য বা নিজের ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের কারণে গালাগাল তথা নেতিবাচক মানসিকতা থেকে নিজেকে মুক্ত রাখুন। এখনও কিছু মানুষ আছে, যারা মূল্যবোধ, দায়বদ্ধতা, শ্রদ্ধা এবং বিশ্বাস এই শব্দগুলোর মানে বোঝে।
তাই সবার প্রতি অনুরোধ-নিজের আপত্তি বা ক্ষোভ যৌক্তিক ও শোভনীয় ভাষায় তুলে ধরুন।’
ফাইল ছবি
আবারো পদ্মা সেতুর স্প্যানে ফেরি ‘বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরের’ ধাক্কা লাগার ঘটনা ঘটেছে। আজ মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) সকালে মুন্সিগঞ্জের লৌহজং এলাকায় ২ ও ৩ নম্বর খুঁটির মাঝখানে ১-বি স্প্যানে এ ধাক্কা লাগে। এতে ফেরির মাস্তুল ভেঙে গেছে। যায়। তবে সেতুর কোনো ক্ষতি হয়েছে কিনা তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা জায়নি।
বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বিআইডিব্লউটিসির মেরিন অফিসার আহম্মদ আলী। তিনি বলেন, "সকালে নারায়ণগঞ্জ থেকে পাটুরিয়া যাচ্ছিল ফেরি ‘বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর’। এসময় পদ্মা সেতুর ২ ও ৩ নম্বর খুঁটির মাঝখানে ১-বি স্প্যানের সঙ্গে ওই ফেরির মাস্তুলের ধাক্কা লাগে। এতে ফেরির মাস্তুল ভেঙে গেছে।"
এর আগে গত ১৩ আগস্ট মাদারীপুরের বাংলাবাজার ঘাট থেকে আসছিল ফেরি কাকলি। সকাল ৮টার দিকে প্রবল স্রোতের কারণে ফেরিটি সেতুর ১০ নং পিলারে আঘাত হানে। এতে তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি। ৯ আগস্ট সন্ধ্যায় ১০ নম্বর পিলারে আঘাত হানে ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর। এ সময় ২০ যাত্রী আহত হন। ২৩ জুলাই সকাল ১০টার দিকে পদ্মা সেতুর ৭ নম্বর পিলারের সঙ্গে ধাক্কা খায় রো রো ফেরি শাহ জালাল। এতে ২০ জন যাত্রী আহত হন।
এসব ঘটনায় থানায় জিডি, তদন্ত কমিটি গঠন ও ফেরি চালকদের সাময়িক বরখাস্তও করা হয়েছে। ঘটনা তদন্তে ওই দিনই চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে বিআইডব্লিউটিসি। তাদের দাখিল করা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পিলারের সঙ্গে সংঘর্ষের পেছনে রো রো ফেরিটির ইনচার্জ মাস্টার আব্দুর রহমান খান ও সুকানির সাইফুল ইসলামের দায়িত্বহীনতা রয়েছে। ফেরি বা অন্য কোনো জলযানের সংঘর্ষ থেকে নিরাপদে রাখতে পদ্মা সেতুর পিলারগুলো রাবার দিয়ে মোড়ানোর পরামর্শও দিয়েছে ওই কমিটি।