a
ফাইল ছবিঃ মমতা- মানবাধিকার কর্মী
বাস্তবতা- মমতা
জীবন ভেবে মানুষ যাকে করে নেয় অতি আপন
সময়ের ব্যবধানে সে হয়ে যায় সবচেয়ে বড় বেঈমান দুশমন।
আঙ্গুল ধরে কাউকে শিখিয়েছেন হাঁটা
ইতিহাস স্বাক্ষী সেই আপনার সরল পথে
মারবে কাটা ভালবেসে যাকে নিয়ে বেধেছেন অতি যত্নে সুখের ঘর
স্বার্থের জন্য সেই একদিন আপনাকে করবে পর।
সরল মনে কাওকে বিপদে দিয়েছেন টাকা ধার
সুযোগ বুঝে সে শোধ না করে উল্টো আপনার সন্মান করবে ছারখার।
মানুষ নামের অমানুষে আজ দেশটা গেছে ভরে
তাই শেষ বয়সে বাবা-মা ঘরে নয় থাকে পরে বৃদ্ধাশ্রমে।
আইন কানুন শিক্ষা নীতি সবই রয়েছে দেশে
তবে কেন আজ সত্য ন্যায় ডুবে আছে অন্ধকারে।
এসো সবে হই সচেতন বিবেক বুদ্ধি জ্ঞান মন্যুষত্বে
আমার, আপনার ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি এসব বদলাতে পারে।
ফাইল ছবি। মুক্তা দাশ
বিষন্ন অবসর
মুক্তা দাশ
ভাদ্র এখনো অনেক দুর।
সবে জৈষ্ঠ্যমাস ...
আম, কাঠাল আর তাল পাঁকা গরমে অস্হির চারিধার।
ধান নেয়া হয়ে গেছে, খড়ের গাদাগুলো পিরামিডের দেয়াল দিয়ে দাড়িয়ে আছে বাড়ির এককোণে
নিকোনো উঠোন তাপে তাতিয়ে উঠেছে !
মাটি পোড়া মিহি আগুনের আঁচে
পা রাখা দায়।
জামগাছতলায় বাতাসের হা হুতাশে
আমি একা!
তাতিয়ে উঠছে ক্রমশঃ শরীর
ডাসা ডাসা জামের টইটম্বুর রস যেনো ঘাম হয়ে ঝরে পড়ছে নিস্প্রভ অবহেলায় !!
নিঁখুত হাতে বোনা তালপাতার পাখাটাই সম্বল।
সেটাও বড্ড নড়বড়ে
যতই হাত চালাই না কেনো
ঘোরে তো ঘোরে না
যেনো নুয়ে পড়া দেহ , ভাবলেশহীন ।
পুকুরপাড়ে কুকুরটা একনাগারে ডেকেই যাচ্ছে...
ভাদ্র মাস এখনো অনেক দুর...!
জৈষ্ঠ্যের অসহ্য তাপে
বারবার নেয়ে উঠছি
ফোঁটা ফোঁটা ঘামে !!
সেও সুখের ছোঁয়া দিয়ে যায়
নিঃসংকোচে অবলীলায় ।।
ছবি: অনিন্দ চক্রবর্তী
স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বিশিষ্ট সমাজকর্মী, কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী ও সার্ক কালচারাল সোসাইটি(ভারত)-এর কার্যকরী কমিটির সাধারন সম্পাদক এ্যাড. অনিন্দ কুমার চক্রবর্তী সম্প্রতি দিল্লীতে ওয়ার্ল্ড পিস অব ইউনাইটেড নেশনস ইউনিভার্সিটি থেকে অনারারী ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেছেন। সামাজিক ও মানবাধিকার বিষয়ক কর্মকান্ডে বিশেষ অবদানের জন্য তাকে এ সম্মাননা দেওয়াহয়।
উল্লেখ্য যে, এ্যাড.অনিন্দ কুমারচক্রবর্তী ১৯৬৯ সালের ৬ অক্টোবর দক্ষিন ২৪ পরগনার সুন্দর বন অঞ্চলের এক নিভৃত পল্লীতে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতার নাম স্বর্গীয় ননী গোপাল চক্রবর্তী। তিনি স্থানীয় স্কুল- কলেজ থেকে উত্তীর্ণ হওয়ার পর উড়িষ্যার উৎকল ইউনিভার্সিটি থেকে বিএসসি ও পরে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ডিগ্রী লাভ করেন।
এরপরে তিনি ইন্ডিয়া বার কাউন্সিল থেকে সনদ লাভ করে আইন পেশায় মনোনিবেশ করেন। এর মাঝেই তিনি স্থানীয় কিছু সামাজিক সংস্থার সাথে জড়িত হয়ে নানা সামাজিক কর্মকান্ডে যুক্ত হন। এরই অংশ হিসাবে পশ্চিম বঙ্গের সুন্দরবন এলাকায় অসহায় দরিদ্রদের মাঝে ত্রান কার্যক্রম, চক্ষুশিবির ও ফ্রি বস্ত্র দান ক্যাম্প পরিচালনা করেন। তিনি ২০০৯ সালে ও ২০২০ সালে ঘূর্ণিঝড় কবলিত সুন্দরবন এলাকায় ত্রান কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তিনি ২০২১৪-১৫ সালে রোটারী ক্লাব অব পুরবøক, কলকাতা- এর সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০১৫ সালেসার্ক কালচারাল সোসাইটি (ভারত)’র কার্যকরী কমিটির সাধারন সম্পাদক, ২০১৭ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত কলকাতার নতুন পল্লী উন্নয়ন সমিতির সাধারন সম্পাদক, ২০২২-২৪ সালে অল ইন্ডিয়া আইনজীবী ঐক্য পরিষদের আলীপূর ইউনিটের সেক্রেটারী নির্বাচিত হন।
এছাড়াও তিনি ভারতের মাতৃসেবা মিশন ও শেফালী পেস্ট কন্ট্রোল’র আইন উপদেষ্টা। সামাজিক কর্মকান্ডের স্বীকৃতি স্বরুপ বাংলাদেশ ও ভারতের নানা জায়গা থেকে অনেক পদক ও সম্মাননা লাভ করেছেন।