a
ফাইল ছবিঃ মমতা- মানবাধিকার কর্মী
বাস্তবতা- মমতা
জীবন ভেবে মানুষ যাকে করে নেয় অতি আপন
সময়ের ব্যবধানে সে হয়ে যায় সবচেয়ে বড় বেঈমান দুশমন।
আঙ্গুল ধরে কাউকে শিখিয়েছেন হাঁটা
ইতিহাস স্বাক্ষী সেই আপনার সরল পথে
মারবে কাটা ভালবেসে যাকে নিয়ে বেধেছেন অতি যত্নে সুখের ঘর
স্বার্থের জন্য সেই একদিন আপনাকে করবে পর।
সরল মনে কাওকে বিপদে দিয়েছেন টাকা ধার
সুযোগ বুঝে সে শোধ না করে উল্টো আপনার সন্মান করবে ছারখার।
মানুষ নামের অমানুষে আজ দেশটা গেছে ভরে
তাই শেষ বয়সে বাবা-মা ঘরে নয় থাকে পরে বৃদ্ধাশ্রমে।
আইন কানুন শিক্ষা নীতি সবই রয়েছে দেশে
তবে কেন আজ সত্য ন্যায় ডুবে আছে অন্ধকারে।
এসো সবে হই সচেতন বিবেক বুদ্ধি জ্ঞান মন্যুষত্বে
আমার, আপনার ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি এসব বদলাতে পারে।
ফাইল ছবি
হাফেজ শহিদুল ইসলাম আমার ঘনিষ্ঠ সহকর্মীদের একজন। সাংগঠনিক কাজে আমার দু-চারজন সহযোগীর অন্যতম। বেশ পুরোনো আমাদের সম্পর্ক। সম্পর্কের গভীরতা পারিবারিক পরিধি পর্যন্ত। পরিবারসহ একে অপরের বাসায় যাতায়াত আমাদের দীর্ঘদিনের। সেই সূত্রে তার পারিবারিক অভিভাবকত্ব করতাম আমি। পারিবারিকভাবে খুঁটিনাটি বিষয়ে পরামর্শের জন্য তারা আমার দ্বারস্থ হত। দুই সন্তানের ছোট সংসার নিয়ে চলছিল তাদের জীবন।
একটাপর্যায়ে এসে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে নানা বিষয় নিয়ে শুরু হয় মনোমালিন্য। মনোমালিন্য থেকে বাদানুবাদ এবং সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু। আজ থেকে তিন বছর আগের কথা। তখন তাদের সংসার টিকিয়ে রাখার জন্য অনেক চেষ্টা করেছি আমি। তাদের উভয়ের সাথে কথা বলি। কিন্তু কোনোভাবেই আর সেটি সম্ভব হয়নি। ছাড়াছাড়ি হয়ে যায় তাদের। ছাড়াছাড়ির পর দ্বিতীয় সংসার শুরু করেন হাফেজ শহিদুল ইসলাম। সেই বিবাহ আমি পড়াই। তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে সুখে শান্তিতে দিনাতিপাত করছেন। সেই ঘরে জন্ম নিয়েছে ফুটফুটে আরেকটি সন্তান।
অপরদিকে হাফেজ শহিদ ভাইয়ের স্ত্রী হয়ে যায় অনেকটা অসহায়। এক রকমের কূলকিনারাহীন। রাগের মাথায় সংসার ভেঙে গভীর সংকটে পড়ে যান তিনি। ওই পরিস্থিতিতে তার জীবিকা নির্বাহ করা কঠিন হয়ে পড়ে। স্বাভাবিকভাবেই তিনি আমার শরণাপন্ন হন।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে করণীয় বিষয়ে পরামর্শ নেন। আর সেই দুঃসময়ে সহযোগিতা করার মতো আমি ছাড়া আর কেউ ছিল না তার। ইসলামী দৃষ্টিকোণ এবং অভিভাবকত্বের জায়গা থেকে আমি তার অর্থনৈতিক দায়িত্ব গ্রহণ করি। জীবনের করণীয় বিষয়ে দিক-নির্দেশনার জন্য নিয়মিতই আমার সাথে যোগাযোগ রাখতে হয় তাকে।
এমতাবস্থায় একজন বেগানা নারীর সাথে এভাবে সম্পর্ক রাখাকে শরিয়তের দৃষ্টিকোণ থেকে আমার কাছে ঝুঁকিপূর্ণ মনে হয়। তখন আমি সিদ্ধান্ত নেই, যত দিন তার অভিভাবকত্বের প্রয়োজন হবে আমার, তাকে বেগানা হিসেবে রেখে অভিভাবকত্ব করবনা, বরং ইসলামী শরিয়তের আলোকে বৈধ একটা সম্পর্ক তৈরি করে নেব। বিষয়টি নিয়ে ঘনিষ্টজনদের সাথে কথা বলি এবং এ বিষয়ে তাদের জানিয়ে শরিয়তের বিধান অনুযায়ী বিবাহের কালেমা পড়ে বিবাহ করে নেই।
দু বছর যাবত এভাবেই মানবিক ও ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে আমি তার অভিভাবকত্ব করছি এবং একজন অসহায় নারীর দায়িত্ব গ্রহণ করে একটি পুণ্যের কাজ করেছি বলে বিশ্বাস করি। আমি যা বললাম, এটা আল্লাহর নামের হাজার বার শপথ করে বলতে পারব। বিষয়টি বিশ্বাসযোগ্য করার জন্য কুল্লামার শপথও করতে পারি।
বিষয়টি খোলাসা করার পরেও যুবলীগ, আওয়ামী লীগের গুন্ডারা আমার সাথে যে অমানবিক আচরণ করেছে এবং হামলা করেছে, গায়ে হাত তুলেছে, আমি এর বিচার চাই আল্লাহর কাছে, প্রশাসনের কাছে এবং জনগণের কাছে। পুলিশের উপস্থিতিতে তাদের এই হামলা ও আচরণ প্রমাণ করে বর্তমানে বাংলাদেশে মান-সম্মান কিংবা জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে চলাফেরা করা সম্ভব না।
(মামুনুল হকের ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)/সূত্র:বিডিপ্রতিদিন
ফাইল ছবি
আর্মেনিয়ার দখল থেকে ২৮ বছর পর নাগোরনো কারাবাখ মুক্ত করেছে আজারবাইজান। যুদ্ধে কীভাবে আর্মেনিয়ার বিপক্ষে লড়াই করেছে আজারবাইজান, সেকথা নিজেই জানালেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ।
রাশিয়ার একটি ম্যাগাজিনকে সাক্ষৎকারে তিনি জানান, কারাবাখ যুদ্ধে তিনি তুর্কি ড্রোন ব্যবহার করে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন। ১০ বছর আগ থেকেই তিনি তুর্কি ড্রোন কিনে সংগ্রহ করতে থাকেন। তিনি বলেন, দ্বিতীয় কারাবাখ যুদ্ধের আগে মনুষ্যবিহীন বিমান (ড্রোন) ব্যবহার করিনি। অনেকদিন আগ থেকেই আমরা ড্রোন সংগ্রহ করতে থাকি, ১০ বছরের বেশি সময় ধরে, যদি আমার স্মৃতি ভুল না করে।
তিনি জানান, সেই সময়ে তুরস্কের সামরিক প্রতিষ্ঠান এটি (ড্রোন) তৈরি শুরু করেনি। আমি প্রথম বায়রাকতার টিবি-২ ড্রোনের বিদেশি ক্রেতা ছিলাম। এটি খুবই কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে এবং এটি সঠিকভাবে হামলা চালাতে পেরেছে।
বায়রাকতার টিবি২ সশস্ত্র ড্রোন তুরস্কের প্রতিরক্ষা কোম্পানি বায়কার টেকনোলজিস তৈরি করছে। এই ড্রোনটি তুরস্কের সামরিক বাহিনী ২০১৫ সাল থেকে দেশের নিরাপত্তার জন্য সামরিক বাহিনীতে সংযুক্ত করে। সম্প্রতি আজারবাইজানের সেনাবাহিনী সেসব ড্রোন ব্যবহার করে কারাবাখ যুদ্ধে ব্যাপকভাবে সফলতা অর্জন করে।