a
ফাইল ছবি: মুক্তা দাশ
তোমাকে খুব মনে পড়ে..!!
কুয়াশা আলগোছে সরিয়ে শিশির ঝরে , মৃতপ্রায়
লাউ গাছটায় গজানো লকলকে নতুন ডগায় ।
খাচায় বন্দী শালিকটা ডেকেই যাচ্ছে একমনে... !
ভাপা পিঠার গরম ভাপ নাক মুখ ছাপিয়ে সবার হাতে হাতে পেটে চালান হচ্ছে ম্যারাথন দৌড়ে।
ঘোমটা মাথায় উনুনে পাটকাঠি জ্বলছে দাউ দাউ...! সংসারে চাকা ঘুরছে সময়ের নিয়ম মেনে।
এলোমেলো ভাবনাগুলো এখন গুছিয়ে আনার আপ্রাণ চেষ্টা করছি...
পারছি কি?
হয়তো হ্যাঁ ! হয়তো না !!
বুমেরাং হয়ে স্মৃতিগুলো সব ফিরতি ট্রেনে শেষ স্টেশন ধরে আমাকেই।
ধ্যানমগ্ন ঋষির মতো অতীতটাকে মাটিচাপা দিচ্ছি....তুষের ছাই দিয়ে।
ধর্মের ফাঁদে নতুন ছাঁচে জীবনকে সাজানোর চেষ্টা..... বৃথাই বাল্মিকী মুনিনামা !
সেও তো এক রকমের প্রতারণা
নিজের সাথে নিজের ছলনা,
তবুও যদি পরিত্রাণ পাওয়া যায়।
তোকে মনে না করার বাহানায় আটপৌরে আমি
ক্ষণে ক্ষণে তোকেই খুঁজি!
' তুমি থেকে তুই
তুই থেকে তুমি '...!
স্পর্শে তোকে মনে রাখা যতটা সহজ
স্পর্শহীন তোকে ভুলে থাকা ততটাই কঠিন ।
তোমাকে খুব মনে পড়ে ...!!
প্রতিটি নতুন ভোরে.... নিশুতি রাতের গভীরে
খুব মনে পড়ে ।।
ছবি সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক: ‘বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় না এলে ভাত খাব না’ বলা— অসুস্থ নিজাম উদ্দিনের পাশে তারেক রহমান।
উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল থেকে আনা হলো পিজি হাসপাতালে।বি এনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় না আসা পর্যন্ত ভাত খাওয়া থেকে বিরত থাকার প্রতিজ্ঞায় অটল গুরুতর অসুস্থ সেই নিজাম উদ্দিনের পাশে দাঁড়িয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে তাকে আনা হয়েছে ঢাকার পিজি হাসপাতালে।
আজ বুধবার, বেলা ১২টায় (৩০ এপ্রিল ২০২৫) নিজাম উদ্দিনের শারিরীক অবস্থার খোঁজ-খবর নিতে বিএনপি’র স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ রফিকুল ইসলাম এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহবায়ক ও বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ফরিদপুরে যান।
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নিজাম উদ্দিন এবং তার স্বজনদের প্রতি— তারেক রহমানের সহমর্মিতার বার্তা পৌঁছে দেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহবায়ক আতিকুর রহমান রুমন। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য একটি এ্যাম্বুলেন্সে করে নিজাম উদ্দিনকে নিয়ে রাজধানী ঢাকার পিজি হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা হয় প্রতিনিধি দলটি।
প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন— বিএনপি’র কেন্দ্রীয় সহ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আমিরুজ্জামান খান শিমুল, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর উপদেষ্টা আলমগীর কবির ও জাতীয় প্রেসক্লাবের স্থায়ী সদস্য জাহিদুল ইসলাম রনি।
এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন— ফরিদপুর জেলা ড্যাবের সাবেক সভাপতি প্রফেসর ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান শামীম, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ডাঃ খান মোঃ আরিফ, সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ এম এম শাহিনুর ইসলাম, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আর পি ডাঃ মোঃ মিজানুর রহমান এবং ফরিদপুর জেলা বিএনপি’র অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন না খেয়ে থাকা, আর নিয়মিত ধূমপান করায় শারীরিক অবস্থা ভালো নেই নিজাম উদ্দিনের। ডাক্তাররা সন্দেহ করেছেন, তার সম্ভবত ক্যান্সার-এর লক্ষণ হতে পারে। এরমধ্যে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার কিছু টেস্ট করানো হয়েছে।
অসুস্থ নিজাম উদ্দিন সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মৃধা মোঃ শাহিনুজ্জামান-এর আন্ডারে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং প্রথম থেকে আজকে পর্যন্ত তাকে চিকিৎসা সেবা দেন ইন্টার্নী ডাঃ রুফাইদা ইসলাম।
এদিকে, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গুরুতর অসুস্থ নিজাম উদ্দিনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় এনে পিজি হাসপাতালে ভর্তি করার তাৎক্ষণিক নির্দেশ দেন প্রতিনিধি দলকে। অতঃপর আজ বুধবার ঢাকার পিজি হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডাঃ সোহেল মাহমুদ আরাফাত-এর তত্ত্বাবধানে নিজাম উদ্দিনকে ভর্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে।
পারিবারিক সূত্র জানায়, ২০১৪ সালে বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষীকিতে রান্না করা খাবার মাটিতে ফেলে নষ্ট করে দিয়েছিল স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। তাই রাগ করে এক দুই দিন না, টানা এগারো বছরের বেশি সময় ধরে ভাত খান না নিজাম উদ্দিন।
দীর্ঘদিন প্রতিজ্ঞা করে থাকা নিজাম উদ্দিনের গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বাঁশবাড়িয়া গ্রামে।▫️
... ফেসবুক থেকে সংগৃহীত
ফাইল ছবি
বিখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী ও সুরকার বাপ্পি লাহিড়ির মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক শোক বার্তায় তার আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
বাপ্পি লাহিড়ি গত এক মাস ধরে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এবং সোমবার তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু মঙ্গলবার ফের তার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে। এরপর হাসপাতালে নেওয়া হলে মধ্যরাতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
গত বছর এপ্রিলে করোনা আক্রান্ত হয়ে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। কিছুদিন পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন তিনি।
১৯৭০ থেকে ৮০-এর দশকে হিন্দি ছায়াছবির জগতে আলোড়ন সৃষ্টি করেন নাম বাপ্পি লাহিড়ির। হিন্দিতে ‘ডিস্কো ডান্সার’, ‘চলতে চলতে’, ‘শরাবি’, বাংলায় অমর সঙ্গী, আশা ও ভালবাসা, আমার তুমি, অমর প্রেম প্রভৃতি ছবিতে সুর দিয়েছেন। গেয়েছেন একাধিক গান। ২০২০ সালে তার শেষ গান ‘বাগি- ৩’ সিনেমার জন্য।
বাপ্পি লাহিড়ি রাজনীতিতেও নেমেছিলেন। বিজেপি-তে যোগ দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের শ্রীরামপুর কেন্দ্র থেকে ভোটেও লড়েছিলেন। কিন্তু রাজনীতিতে কখনওই স্বচ্ছন্দ বোধ করেননি তিনি।