a তোমাকে ভালোবাসার জন্য
ঢাকা শনিবার, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২, ৩০ আগষ্ট, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

তোমাকে ভালোবাসার জন্য


নিউজ ডেস্ক:
শনিবার, ০৩ এপ্রিল, ২০২১, ০১:৫৪
তোমাকে ভালোবাসার জন্য

প্রতিকী ছবি

তোমাকে ভালোবাসার জন্য, 
আমি রঞ্জিত কোন দিবস খুঁজি না,
কারনে-অকারনেই তোমাকে ভালোবাসি,
লাগে  না কোন কারণ তোমাকে ভালোবাসতে
ভালোবাসাকে আমি নিলামে তুলি না,
দিবসের দোহাই দিয়ে। 
আমার প্রতিটা স্পন্দনেই যেনো তুমি, তুমিই। 
কারন আমি ৯০ এর দশকের প্রেমিকা
আধুনিকার নামে কোন নোংরামি  ছিলো না...
মাসে দুটো চিঠি,
তোমার  নিজের হাতে তৈরি সবুজ খামে
আমার বাবার ঠিকানায়, খামের কোনে বিশেষ চিহ্নে,
ডাকপিয়নকে ঘুষ দিয়ে নিজের চিঠি চেয়ে নেয়া 
খামটা হাতে নিয়ে বুকের মাঝে চেপে ধরা, নাকে নিয়ে গন্ধ নেয়া,
এর পর উওর দেয়ার পালা, কি লিখবো ভাবনায় কাটে বেলা
লেখায় বানান ভুল হলে সাজা অবধারিত 
মাসে দুটো চিঠি, ছয় মাস অপেক্ষার পর তোমার দেখা  
বছরে একবার, সবার চোঁখ ফাঁকি দিয়ে হলে গিয়ে  ছবি দেখা, নায়িকার বিরহে চোঁখের জলে ভাসা। 
এর পর লজ্জায় তোমার  চোঁখে  চোঁখ মেলাতে না পারা
কারন আমি ৯০ এর দশকের প্রেমিকা 
চায়ের কাপের উষ্ণতায় প্রতিটি চুমুকে তোমাকে অনুভব  করি
তোমাকে ভালোবাসার জন্য রঞ্জিত আয়োজনের
অপেক্ষা কখনও করিনি,
আমার বিশ্বাসটা ছিলো ইন্দ্রিয় আখিঁতে 
তোমাতে নয়!
ছিলো না কোন অঢেল চাওয়া  পাওয়া 
এক মুঠো রেশমি চুড়িঁতেই ছিলাম খুশি, 
তাতেই খুঁজে  পেতাম বিশুদ্ধ  ভালোবাসা 
চুড়ির রিনিঝিনি শব্দে খুঁজে  পেতাম  তোমাকে
কারন আমি ৯০ এর দশকের প্রেমিকা 
আধুনিকতার নামে নোংরামি থেকে দূরে থেকে-ই
ভালোবেসেছি তোমায়।
৯০ এর দশকের প্রেমিকা,
  গুল বাহার

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বিভ্রান্ত পথিক


ফেসবুক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ১৭ জুলাই, ২০২১, ০৬:১৩
বিভ্রান্ত পথিক

ফাইল ছবি । মফিদা আকবর

বিভ্রান্ত পথিক
মফিদা আকবর

চলেছি অদ্ভুত এক শব্দহীন শহরে।
মনে হয় ডুবে যাচ্ছি অতল গহ্বরে,
উদ্দেশ্যহীন যাত্রায় একাকী যাত্রী আমি
ট্রেনের নির্জন কামরায় বসে থাকি।
গহীন আঁধারে ট্রেন ছুটে চলে - - -
অন্যরকম ট্রেনটি শাপের মতো হিস হিস করে
 এঁকেবেঁকে চলতে থাকে আপন নিয়মে
একের পর এক অচেনা স্টেশন এলে
ট্রেন থেমে যায় ধীরে ধীরে - - -
কোলাহলহীন স্টেশনগুলো আবছা আলোর
আবরণে চাপা দীর্ঘশ্বাস নিয়ে জেগে থাকে।
বিকল বোধের কেমন করা এক প্রশ্ন?
বুকের ভেতর খামচে ধরে থাকে
আমি কি কখনো কারো ছিলাম? 
অথবা কেউ ছিলো কি অামার?
অদ্ভুত সব প্রশ্নগুলো মনের মাঝে
জোঁকের মত কামড়ে থাকে।
অবশেষে অচেনা এক পৃথিবীতে এসে
ট্রেনটি অাবারো থেমে যায় ধীরে ধীরে - - -
অচেনা যবুথবু লোকগুলো নেমে যায়
সাদা কাফনের মতো সেলাইবিহীন বস্ত্রগুলো
ওঁদের শরীরে আবরণ হয়ে লেপ্টে থাকে।
এ সময় যে যার মত মাথা নীচু করে
ধীর পায়ে হেঁটে যায় ওঁরা কেমন করে।
অবাক হয়ে চেয়ে থাকি ওঁদের পানে।
ওঁদের সাথে দলভুক্ত হলাম কেমন করে? 
মনে হয় ওঁরা বোধহীন, উদ্ভ্রান্ত।
এ কোথায় এলাম? নিজেই বিভ্রান্ত।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

দ্যা হান্ড্রেড বলের প্রথম চ্যাম্পিয়ন সাউদার্ন ব্রেভ


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ২২ আগষ্ট, ২০২১, ১১:২২
দ্যা হান্ড্রেড বলের প্রথম চ্যাম্পিয়ন সাউদার্ন ব্রেভ

ফাইল ছবি

ক্রিকেট দুনিয়ায় নতুন সংযোজন ‘দ্য হান্ড্রেডে’বলের টুর্নামেন্ট। প্রথম আসরে পুরুষদের ফাইনাল ম্যাচে মইন আলির বার্মিংহাম ফোনিক্সকে ৩২ রানে হারিয়ে প্রথম আসরের শিরোপা ঘরে তুলেছে সাউদার্ন ব্রেভ। ৩৬ বলে ৬১ রান করে ফাইনালে ম্যাচসেরা আইরিশ তারকা পল স্টার্লিং।

পুরো টুর্নামেন্টেই দুর্দান্ত ছন্দে থাকা লিয়াম লিভিংস্টন হয়েছেন ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট। দলকে বিপর্যয় থেকে বাঁচিয়ে ইনিংসটাকে এগিয়ে নিয়েছেন পল স্টার্লিং টসে জিতে সাউদার্ন ব্রেভকে ব্যাটিংয়ে পাঠান বার্মিংহাম অধিনায়ক মইন আলি। ব্যক্তিগত ৭ রান করেই প্যাভিলিয়নে ফিরে যান সাউথ আফ্রিকান তারকা কুইন্টন ডি কক; ৪ রান করেন দলীয় অধিনায়ক জেমস ভিনস। কিন্তু একপ্রান্ত আগলে রেখে ইনিংসকে এগিয়ে নিতে থাকেন স্টার্লিং; অ্যালেক্স ডেভিসকে নিয়ে গড়েন ৫০ রানের জুঁটি। ৩৬ বলে ৬১ রান করে স্টার্লিং যখন ড্রেসিং রুমে ফিরে যাচ্ছেন দলের রান তখন মাত্র ৮৫।

এই রানটাকেই ১৬৮ পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার পেছনে পুরো অবদান রস হোয়াইটলির; খেলেছেন ১৯ বলে ৪৪ রানের টর্নেডো একটি ইনিংস। সিংগাপুরের প্লেয়ার টিম ডেভিডের ব্যাট থেকে এসেছে ৬ বলে ১৫ রান। বার্মিংহাম ফোনিক্সের হয়ে দুর্দান্ত বল করেছেন কিউই পেসার এডাম মিলনে; ২০ বল করে মাত্র ৮ রান দিয়ে নিয়েছেন ২টি উইকেট। ১৯ বলে ৪৬ রান করে রান আউট হন লিভিংস্টন ১৬৯ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ২ উইকেট হারায় মইন আলির দল।

এরপর পুরো টুর্নামেন্টেই দুর্দান্ত ছন্দে থাকা লিভিংস্টনকে নিয়ে ইনিংসের হাল ধরেন মইন। তৃতীয় উইকেট জুঁটিতে তাদের দুজনের ব্যাট থেকে আসে ৫৬ রান; ৪ চার এবং ৪ ছয়ে মাত্র ১৯ বলে লিভিংস্টন করেন ৪৬ রান। লিভিংস্টন ছাড়া প্রতিরোধ গড়তে পারেনি আর কেউই, বার্মিংহাম ফোনিক্সের ইনিংস থামে ১৩৬ রানে। ইংলিশ অলরাউন্ডার মইন ৩৬ রান করলেও খেলেছেন ৩০টি বল; যা ম্যাচে হারের ব্যবধানটাই কমাতে পেরেছে মাত্র। ২০ বলে ১৩ রান দিয়ে ১টি উইকেট নিয়েছেন ইংলিশ পেসার টাইমাল মিলস।

সাউদার্ন ব্রেভ: ১৬৮/৫(১০০ বল),

বার্মিংহামঃ ১৩৬/৫(১০০ বল)

প্লেয়ার অব দ্যা ম্যাচ: পল স্ট্রার্লিং

প্লেয়ার অব দ্যা টুর্নামেন্টঃ লিয়াম লিভিংস্টোন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়