a
ফাইল ছবি
সরবরাহ কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়ায় কমেছে কাঁচা মরিচের ঝাচ। পাইকারি ৩০০’শ থেকে সাড়ে ৩৫০’শ ও খুচরা পর্যায়ে ৪০০’শ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ।
রবিবার সকালে শহরের নতুন হাটখালা, পুরাতন হাটখোলা ও ডাক বাংলা বাজারসহ বিভিন্ন উপজেলায় একই দামে মরিচ বিক্রি হচ্ছে। গত শনিবার শৈলকুপা ও কালীগঞ্জ উপজেলার বাজারে পাইকারি ৬০০শত ও খুচরা ৭০০ টাকা কেজি দরে কাঁচা মরিচ বিক্রি হলেও আজ দাম কম হওয়ার পরও নাভিশ্বাস ক্রেতাদের। দ্রুত বাজার নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সরকারের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেন ভোক্তারা।
আর ব্যবসায়ী ও কৃষকরা বলছেন, বাজারে কাঁচা মরিচের সরবরাহ কম আর মাঠে উৎপাদন কম হওয়ার কারণে দাম নাগালের বাইরে চলে যায়। তবে আমদানী বেশি হলে আরও স্বাভাবিক হবে বাজার। এরই মধ্যে ৬ ভারতীয় মরিচের ট্রাক বাংলাদেশ প্রবেশ করায় এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মুন্না শেখ, জবি প্রতিনিধি : " আমরা পাঁচ বন্ধু, একটাই গল্প - সপ্ন, সংগ্রহ আর সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহ। একসাথে ক্লাস, টিউশন, রাত জাগা প্রস্তুতি সব মিলিয়ে ছিল একেকটা যুদ্ধ। আজ সেই যুদ্ধের ফলাফল হাতে পেলাম.... " - এভাবেই নিজের অনূভুতি ব্যক্ত করছিলেন সুপারিশ প্রাপ্ত পাঁচ বন্ধুর একজন ইব্রাহিম হোসাইন।
সাম্প্রতিক ৪৪তম বিসিএস এ ক্যাডার হিসেবে সুপারিশ প্রাপ্ত হয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টটিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস (এআইএস) বিভাগের ১১ ব্যাচের ( ২০১৫ - ২০১৬ সেশনের ) পাঁচ শিক্ষার্থী। তারা একই সাথে জবির এই বিভাগ থেকে অনার্স, মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন, এবার পেলেন বিসিএস ক্যাডারের গৌরবময় পরিচয়ও।
তাদের মধ্যে চারজন শিক্ষা ক্যাডার ও একজন পোস্টাল ক্যাডার হিসেবে সুপারিশ প্রাপ্ত হয়েছেন।
এই সফল পাঁচ বন্ধু হলেন
• এম রাকিবুল ইসলাম ( পোস্টাল ক্যাডার)
• ইব্রাহিম হোসাইন ( শিক্ষা ক্যাডার)
• কাজল সরকার ( শিক্ষা ক্যাডার)
• রাকিব হাসান ( শিক্ষা ক্যাডার)
• কৌশিক গৌপি ( শিক্ষা ক্যাডার)
সুপারিশ প্রাপ্ত হওয়ার অনূভুতি জানিয়ে রাকিবুল ইসলাম বলেন, ❝সত্যি স্বপ্নের রেশটা আমার এখনো কাটেনি। সৃষ্টিকর্তার প্রতি চির কৃতজ্ঞ কারণ তিনি হাজারো পরিশ্রমের মাঝে আমার পরিশ্রমকে বেছে নিয়েছেন। ৪৪ বিসিএস এ ১৬৯০ জন এর হতে ৫ জন ই একটি ডিপার্টমেন্টের একটি ব্যাচ থেকে। রয়েল এই ডিপার্টমেন্টের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। কৃতজ্ঞ আমাদের পূর্বসূরিদের প্রতি। উত্তরসূরীদের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা আপনারা ভবিষ্যতে আমাদের শূন্যস্থানগুলো পূরণ করে আমাদের এই ডিপার্টমেন্টকে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা একটি ডিপার্টমেন্টে পরিণত করবেন। ❞
ইব্রাহিম আরও বলেন, ❝ জীবনের প্রথম বিসিএস, ৪১তম-এ আমি এডুকেশন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলাম। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকে সহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় তখন যোগদান করা হয়নি। এবার ৪৪তম বিসিএসেও আবার একই ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছি। শুরুতে কিছুটা খারাপ লাগলেও আমার চারজন প্রিয় বন্ধুর সাফল্যে সত্যিই মন ভরে গেছে। তাদের আনন্দটাই আমার আনন্দ—এই অনুভূতি সত্যিই অমূল্য। আল্লাহ যা দিয়েছেন, তার জন্যই শুকরিয়া। আজ আমরা গর্বিত—নিজেদের জন্য, পরিবারের জন্য, আর আমাদের প্রিয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও আমার একাউন্টিং পরিবারের জন্য। ❞
আনন্দে উচ্ছাসিত হয়ে কাজল সরকার বলেন,
❝ শিক্ষকতার মতো একটি মহান পেশায় যুক্ত হতে যাচ্ছি সত্যই খু্ব ভালো লাগছে আরও ভালো লাগছে আমরা ৫ বন্ধু একসাথে ক্যাডার হয়েছি । আলাদাভাবে সাইফুল ইসলাম রাজু (প্রভাষক, দালাল বাজার ডিগ্রি কলেজ) ভাই এর কথা উল্লেখ করতে চাই । বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া থেকে শুরু করে বিসিএস ক্যাডার হওয়া পর্যন্ত এই মানুষটি আমাকে সবধরনের সহযোগিতা করেছেন তার কাছে আজীবন কৃতজ্ঞ। এছাড়া আমি আমার বন্ধু বান্ধব, সহপাঠী ও আমার বিভাগের শিক্ষকদের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।❞
জবির এআইএস বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড.শামসুন নাহার বলেন,
❝প্রথমেই সবার প্রতি শুভেচ্ছা জানাই, আমাদের ডিপার্টমেন্টের কোনো একক ব্যাচ থেকে এটাই মনে হয় সর্বোচ্চ সংখ্যক সুপারিশপ্রাপ্ত ক্যাডার এটা তাদের পরিশ্রমের ফসল এবং আমাদের জন্য বড় প্রাপ্তি। তাদের এই অর্জন আগামী শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা যোগাবে। তারা কাজের মাধ্যমে সপ্নের বাস্তবায়ন করতে পারে এই দোয়া থাকবে। যারা সুপারিশ প্রাপ্ত হয়নি তাদের হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই, আপনাদের জন্য অনেক অপশন আছে আপনারা চেষ্টা চালিয়ে যান। সর্বোপরি এআইএস এর সকল গ্রাজুয়েট দের জন্য শুভকামনা রইলো। ❞
এই পাঁচ বন্ধুর সাফল্য শুধু ব্যক্তিগত নয়, বরং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও একাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের জন্যও এক অনন্য প্রাপ্তি।
ফাইল ছবি
যে কোনো মুহূর্তে রুশ সেনারা ইউক্রেন আক্রমণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ইউক্রেনে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের অবিলম্বে দেশটি ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন এই নির্দেশনা জারি করে। খবর- রয়টার্স।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী মার্কিন নাগরিকদের উদ্দেশে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর জানায়, ‘রাশিয়ার হামলার ক্রমবর্ধমান হুমকি এবং করোনা মহামারির কারণে ইউক্রেনে এখন কেউ ভ্রমণ করবেন না। আর যারা এখন ইউক্রেনে অবস্থান করছেন তাদের অবিলম্বে বাণিজ্যিক বা ব্যক্তিগত উপায়ে ইউক্রেন ত্যাগ করা উচিত।’
তিনি বলেন, যেকোনো সময় সতর্কতা ছাড়াই রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করতে পারে। সেই সময় ইউক্রেন ত্যাগে মার্কিন নাগরিকদের সহায়তা সহ কনস্যুলার পরিষেবা প্রদান করা মার্কিন দূতাবাসের জন্য কঠিন হতে পারে।
এর আগে জানুয়ারিতে ইউক্রেনে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে নিযুক্ত কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের দেশটি ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। এমনকি ইউক্রেনে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদেরও সেসময় দেশটি ছাড়ার কথা বিবেচনা করার অনুরোধ জানিয়েছিল ওয়াশিংটন।
সেসময় মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর জানিয়েছিল, রাশিয়া ইউক্রেনে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা করছে বলে তাদের নিকট তথ্য রয়েছে। ইউক্রেনের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ‘অনিশ্চিত এবং পূর্বানুমানযোগ্য নয়। আর এ কারণে নিরাপত্তা পরিস্থিতি যে কোনো সময় খারাপ হতে পারে’। সূত্র: যুগান্তর