a সর্দি-কাশির সমস্যা দূর করবে কিছু আয়ুর্বেদিক প্রতিকারের মাধ্যমে
ঢাকা বুধবার, ২১ মাঘ ১৪৩২, ০৪ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

সর্দি-কাশির সমস্যা দূর করবে কিছু আয়ুর্বেদিক প্রতিকারের মাধ্যমে


স্বাস্থ্য ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১১:০১
সর্দি-কাশির সমস্যা দূর করবে কিছু আয়ুর্বেদিক প্রতিকারের মাধ্যমে

ফাইল ছবি

ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে বর্তমানে শরীরে লেগেই আছে জ্বর, সর্দি, কাশির মত সমস্যা। করোনা ভাইরাসের প্রকোপের কারণে এখন অনেকেই জ্বর, সর্দির নাম শুনলেই ভয় পায়। কিন্তু এই বর্ষা মৌসুমে বা ঘন ঘন আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে শরীরে সাধারনত জ্বর, সর্দির সমস্যা দেখা দিতেই পারে। এই সর্দি-কাশির সমস্যা থেকে রেহাই পেতে কিছু আয়ুর্বেদিক প্রতিকার নিম্নে আলোচনা করা হলো:

১) তুলসী:
আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রে তুলসীকে বলা হয় ‘মাদার মেডিসিন অফ নেচার’ এবং ‘কুইন অফ হার্ব‌স’। এই তুলসী সর্দি ও কাশির সমস্যা থেকে রেহাই দিতে সহায়ক। এজন্য কাঁচা তুলসীর পাতা চিবিয়ে খেতে পারেন। অথবা চায়ের সঙ্গে তুলসীর পাতা ফুটিয়ে তুলসীর চা বানিয়ে খাওয়া যেতে পারে।

২) আদা:
আদার মধ্যে দ্বারা প্রদাহ বিরোধী বৈশিষ্ট্য গলার সংক্রমণ থেকে শুরু করে সর্দি, কাশির সমস্যা থেকে রেহাই দিতে সহায়ক। এজন্য আপনি শুকনো আদা চিবিয়ে খেতে পারেন। আবার চা পাতার সঙ্গে আদা ফুটিয়ে আদা চা খেতে পারেন। অথবা কাঁচা আদার সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে এই সব সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে পারেন।

৩) মধু:
মধুর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল উপাদান যা কাশির সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে অত্যন্ত  সহায়ক। আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রে এই উপাদানের ব্যবহার অপরিহার্য। গলার সংক্রমণকে দূর করতে এবং কাশি হতে রক্ষা পেতে মধু খেতে পারেন।

৪) রসুন:
আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রে রসুনের ব্যবহার অতি পরিচিত নাম। রসুনের মধ্যে থাকে অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল এবং অ্যান্টি ভাইরাল উপাদান জ্বর, সর্দি, কাশির সমস্যা থেকে রেহাই দিতে সাহায্য করে। 

এছাড়াও শরীরে গড়ে তোলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। এর জন্য আপনি প্রতিদিন এক কোয়া করে কাঁচা রসুন খেতে পারেন অথবা কোনও খাবারের সঙ্গে মিশিয়েও খেতে পারেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

জবির একাউন্টিং বিভাগের পাঁচ বন্ধু  একসাথে বিসিএস ক্যাডার


মুন্না শেখ, জবি প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ০৪ জুলাই, ২০২৫, ০৩:৪২
জবির একাউন্টিং বিভাগের পাঁচ বন্ধু  একসাথে বিসিএস ক্যাডার

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

মুন্না শেখ, জবি প্রতিনিধি : " আমরা পাঁচ বন্ধু,  একটাই গল্প - সপ্ন, সংগ্রহ আর সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহ।  একসাথে ক্লাস, টিউশন, রাত জাগা প্রস্তুতি সব মিলিয়ে ছিল একেকটা যুদ্ধ। আজ সেই যুদ্ধের ফলাফল হাতে পেলাম.... " - এভাবেই নিজের অনূভুতি ব্যক্ত করছিলেন সুপারিশ প্রাপ্ত পাঁচ বন্ধুর একজন ইব্রাহিম হোসাইন। 

সাম্প্রতিক ৪৪তম বিসিএস এ ক্যাডার হিসেবে সুপারিশ প্রাপ্ত হয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টটিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস  (এআইএস) বিভাগের ১১ ব্যাচের ( ২০১৫ - ২০১৬ সেশনের ) পাঁচ  শিক্ষার্থী।  তারা একই সাথে জবির এই বিভাগ থেকে অনার্স, মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন, এবার পেলেন বিসিএস ক্যাডারের গৌরবময় পরিচয়ও। 

তাদের মধ্যে চারজন শিক্ষা ক্যাডার ও একজন পোস্টাল ক্যাডার হিসেবে সুপারিশ প্রাপ্ত হয়েছেন। 

এই সফল পাঁচ বন্ধু হলেন 
• এম রাকিবুল ইসলাম ( পোস্টাল ক্যাডার) 
• ইব্রাহিম হোসাইন ( শিক্ষা ক্যাডার)  
• কাজল সরকার ( শিক্ষা ক্যাডার) 
• রাকিব হাসান ( শিক্ষা ক্যাডার)  
• কৌশিক গৌপি ( শিক্ষা ক্যাডার)  

সুপারিশ প্রাপ্ত হওয়ার অনূভুতি জানিয়ে রাকিবুল ইসলাম বলেন, ❝সত্যি স্বপ্নের রেশটা আমার এখনো কাটেনি। সৃষ্টিকর্তার প্রতি চির কৃতজ্ঞ কারণ তিনি হাজারো পরিশ্রমের মাঝে আমার পরিশ্রমকে বেছে নিয়েছেন। ৪৪ বিসিএস এ ১৬৯০ জন এর হতে ৫ জন ই একটি ডিপার্টমেন্টের একটি ব্যাচ থেকে। রয়েল এই ডিপার্টমেন্টের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। কৃতজ্ঞ আমাদের পূর্বসূরিদের প্রতি। উত্তরসূরীদের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা আপনারা ভবিষ্যতে আমাদের শূন্যস্থানগুলো পূরণ করে আমাদের এই ডিপার্টমেন্টকে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা একটি ডিপার্টমেন্টে পরিণত করবেন। ❞

 ইব্রাহিম আরও বলেন, ❝ জীবনের প্রথম বিসিএস, ৪১তম-এ আমি এডুকেশন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলাম। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকে সহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় তখন যোগদান করা হয়নি। এবার ৪৪তম বিসিএসেও আবার একই ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছি। শুরুতে কিছুটা খারাপ লাগলেও আমার চারজন প্রিয় বন্ধুর সাফল্যে সত্যিই মন ভরে গেছে। তাদের আনন্দটাই আমার আনন্দ—এই অনুভূতি সত্যিই অমূল্য। আল্লাহ যা দিয়েছেন, তার জন্যই শুকরিয়া। আজ আমরা গর্বিত—নিজেদের জন্য, পরিবারের জন্য, আর আমাদের প্রিয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও আমার একাউন্টিং পরিবারের জন্য। ❞

আনন্দে উচ্ছাসিত হয়ে কাজল সরকার বলেন,  
❝ শিক্ষকতার মতো একটি মহান পেশায় যুক্ত হতে যাচ্ছি সত্যই খু্ব ভালো লাগছে আরও ভালো লাগছে আমরা ৫ বন্ধু একসাথে ক্যাডার হয়েছি । আলাদাভাবে সাইফুল ইসলাম রাজু (প্রভাষক,  দালাল বাজার ডিগ্রি কলেজ) ভাই এর কথা উল্লেখ করতে চাই । বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া থেকে শুরু করে বিসিএস ক্যাডার হওয়া পর্যন্ত এই মানুষটি আমাকে সবধরনের সহযোগিতা করেছেন তার কাছে আজীবন কৃতজ্ঞ।  এছাড়া আমি আমার বন্ধু বান্ধব, সহপাঠী ও আমার বিভাগের শিক্ষকদের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।❞

জবির এআইএস বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড.শামসুন নাহার বলেন, 
❝প্রথমেই সবার প্রতি শুভেচ্ছা জানাই, আমাদের ডিপার্টমেন্টের কোনো একক ব্যাচ থেকে এটাই মনে হয় সর্বোচ্চ সংখ্যক সুপারিশপ্রাপ্ত ক্যাডার এটা তাদের পরিশ্রমের ফসল এবং আমাদের জন্য বড় প্রাপ্তি। তাদের এই অর্জন আগামী শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা যোগাবে। তারা কাজের মাধ্যমে সপ্নের বাস্তবায়ন করতে পারে এই দোয়া থাকবে। যারা সুপারিশ প্রাপ্ত হয়নি তাদের হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই, আপনাদের জন্য অনেক অপশন আছে আপনারা চেষ্টা চালিয়ে যান। সর্বোপরি এআইএস এর সকল গ্রাজুয়েট দের জন্য শুভকামনা রইলো। ❞

এই পাঁচ বন্ধুর সাফল্য শুধু ব্যক্তিগত নয়, বরং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও একাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের জন্যও এক অনন্য প্রাপ্তি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

যেসব কারণে অভিনয় ছাড়েন প্রয়াত নায়ক শাহীন আলম 


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
মঙ্গলবার, ০৯ মার্চ, ২০২১, ০৯:১১
যেসব কারণে অভিনয় ছাড়েন প্রয়াত নায়ক শাহীন আলম 

ফাইল ফটো:

গতকাল সোমবার রাত ১০টা ৫ মিনিটে রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে নায়ক শাহীন আলম ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। কিডনিজনিত জটিলতা নিয়ে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। গত ৬ মার্চ থেকে তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। সোমবার রাত ১০টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

চলচ্চিত্রের এক সময়ের জনপ্রিয় এই নায়ক ১৯৮৬ সালে এফডিসির নতুন মুখের সন্ধানের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে আসেন। ফিল্ম ক্যারিয়ারে অনেক উল্লেখযোগ্য সিনেমা রয়েছে তার। তবে মৃত্যুর আগে অনেক বছর ধরেই তিনি ছিলেন সিনেমা জগতের বাইরে ছিলেন। মৃত্যুর আগে কয়েক মাস আগে এক সাক্ষাৎকারে ইসলামকে ভালোবেসে অভিনয় ছেড়ে দেন বলে জানিয়েছিলেন তিনি।

শাহীন আলম বলেছিলেন, ‘আমি তো মুসলমান। পরকালে বিশ্বাসী। আমাকে একদিন না একদিন ওই সর্বশক্তিমানের কাছে ফিরতেই হবে। তখন কী জবাব দেব? একটা মানুষ কত দিন বাঁচে? ধরুন খুব বেশি হলে ১০০ বছর। এরপর তো আল্লাহর কাছে গিয়ে জবাবদিহি করতে হবে। তাই আমি বলব, আগে পরকালের হিসাবের খাতাটা ঠিক রাখতে হবে। এসব বিবেচনা করেই সিনেমা থেকে সরে এসেছি। আস্তে আস্তে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছি।’

সিনেমাজগৎ থেকে সরে আসার আরো কয়েকটি কারণ জানিয়েছিলেন এক কালের রূপালী পর্দা কাঁপানো জনপ্রিয় নায়ক শাহীন আলম।

উল্লেখ্য, মঞ্চনাটকের মাধ্যমে অভিনয়ের শুরু করেন শাহীন আলম। ১৯৮৬ সালের এফডিসির নতুন মুখের সন্ধানের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন। তার প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র ‘মায়ের কান্না’, যেটি ১৯৯১ সালে মুক্তি পায়। যদিও গোয়েন্দা কাহিনি 'মাসুদ রানা' দিয়ে অভিনয় জগতে পা রাখার কথা ছিল তার। অর্থ সংকটে পড়ে বিগবাজেটের ছবিটি ৩০ শতাংশ কাজ হওয়ার পর বন্ধ হয়ে যায়। তবে 'নয়া বাইদানি' ছবিতে অভিনয়ের পর শাহীন আলমকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। 

তবে 'স্বপ্নের নায়ক’ ছবিতে অমর নায়ক সালমান শাহর সঙ্গে অভিনয় করে বেশি আলোচনায় আসেন জনপ্রিয় এই চিত্রনায়ক। 

ক্যারিয়ারে দেড়শ’র বেশি ছবিতে অভিনয় করা এ চিত্রনায়কের অন্যতম ছবিগুলো হচ্ছে -  ঘাটের মাঝি, এক পলকে, গরিবের সংসার, তেজী, চাঁদাবাজ, প্রেম প্রতিশোধ, টাইগার, রাগ-অনুরাগ, দাগী সন্তান, বাঘা-বাঘিনী, আলিফ লায়লা, স্বপ্নের নায়ক, আঞ্জুমান, অজানা শত্রু, দেশদ্রোহী, প্রেম দিওয়ানা, আমার মা, পাগলা বাবুল, শক্তির লড়াই, দলপতি, পাপী সন্তান, ঢাকাইয়া মাস্তান, বিগবস, বাবা ও বাঘের বাচ্চা।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / এম কে আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বোচ্চ পঠিত - ফিচার

ফিচার এর সব খবর