a
ফাইল ছবি
এফএ কাপের ফাইনালে চেলসিকে ১-০ গোলে হারিয়ে ২০১৫-১৬ সাল প্রিমিয়ার লীগে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর এবার এফএ কাপের শিরোপার দেখা পেলো চ্যাম্পিয়ন লেস্টার সিটি। করোনা মহামারীতেও ফুটবল প্রিয় লন্ডনবাসী ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে জড়ো হয়েছিল কিছু দর্শক। প্রধান অতিথি হিসেবে মাঠে উপস্থিত ছিলেন রাজ পরিবারের সদস্য প্রিন্স উইলিয়ামস। চেলসির বিপক্ষে মাঠে নেমে নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবার এফ এ কাপের শিরোপা জিতলো লেস্টার সিটি। চ্যাম্পিয়ন দলটির সদস্য ছিলেন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত হামজা চৌধুরী। শিরোপা উৎসবের সময় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এই মিডফিল্ডারেএ সাথে ফ্রেঞ্চ ডিফেন্ডার ওয়েসেলে ফোফান ও ফিলিস্তিনি পতাকা হাতে জয় উদযাপন করেছেন।
বর্তমােন বিশ্ব ফুটবলের মুসলিম তারকারা এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়ে অত্যাচারের শিকার ফিলিস্তিনে পক্ষ নিয়েছেন। ইউরোপিয়ান লিগে খেলা পল পগবা, মোহাম্মদ সালাহ, রিয়াদ মাহরেজ থেকে আচরাফ হাকিমিরা প্রতিবাদ করে যাচ্ছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
১-০ গোলে জয় পেয়ে এমন উদযাপনের পর চোখ এড়ায়নি কিছু বিখ্যাত গণমাধ্যমের ডেইলি মেইল, দ্য মিরর, ফার্স্টপোস্ট, আইরিশ টাইমস থেকে আল জাজিরা, মিডল ইস্ট মনিটরের মতো গণমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ পায়। এমনকি খবর প্রকাশ করেছে দ্য টাইমস অব ইসরায়েলও।
এই ঘটনার পর ইংল্যান্ডে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত হুসাম জমলট দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে হামজাদের আনুষ্ঠানিক চিঠি দিয়ে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রদূত জমলট হামজাদ বলেন, ‘শিরোপা জেতায় আপনাদের অভিনন্দন জানাই। আশাকরি একদিন লেস্টার সিটি ক্লাব স্বাধীন ফিলিস্তিনের রাজধানী জেরুজালেমে খেলবে।’
উল্লেখ্য চেলসি মূলত ইসরায়েল সমর্থিত একটি দল। এর মালিক রোমান আব্রাহমভিচ একজন রুশ বংশোদ্ভূত ইসরায়েলি ধনকুবের। তিনি একজন ইহুদি।
ফাইল ছবি
ক্লাব ফুটবলে মেসি আর বার্সা ছিলো যেন এক সুতায় গাথা এক সম্পর্ক। সে সম্পর্ক ছিন্ন করে মেসি এখন পিএসজি প্লেয়ার, এতদিন বার্সেলোনার স্কোয়াডে লিওনেল মেসি ছিলেন অন্যতম আকর্ষণ। মেসি মানে বার্সা, বার্সা মানে মেসি। ভক্তদের রাত জাগার অন্যতম কারণ ছিল ফুটবল জাদুকরের বাঁ-পায়ের কারুকার্যে একটি চোখধাঁধানো গোল উপভোগ করা। সেটিতো গত হয়ে গেছে। লিওনেল মেসি এখন বার্সেলোনার নন। তিনি এখন প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ের।
লিওনেল মেসিকে ঘিরেই তৈরি হতো বার্সেলোনার সব পরিকল্পনা। তার উপস্থিতিতে সতীর্থদের কাজটাও হতো সহজ। কিন্তু মেসি নেই তাই বলে কি সবকিছু থেমে থাকবে? অবশ্যই না! গত শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে স্প্যানিশ লা লিগার ২০২১-২২ মৌসুম।
নিজেদের প্রথম ম্যাচে আজ রবিবার রাতে মাঠে নামছে কাতালানরা। বাংলাদেশ সময় আজ রাত ১২টায় ক্যাম্প ন্যুতে রিয়াল সোসিয়াদাদ বার্সার প্রতিপক্ষ। কিন্তু ন্যু ক্যাম্পে আর্ম ব্যান্ড পড়ে নামবেন না মেসি। দীর্ঘ ১৮ বছর পর মেসিহীন মৌসুম শুরু করছে বার্সেলোনা। আর্জেন্টাইন তারকা ছাড়া সাফল্য পেতে বার্সার ফুটবলারদের পরিশ্রম করতে হবে অনেক বেশি। এটি মনে করেন দলটির তরুণ ডিফেন্ডার সের্জিনো ডেস্টও।
অন্যদিকে রিয়াল সোসিয়াদ কোচ ইমানুয়েল আলগুয়াছি বলেন " বার্সোলোনা মেসিকে ছাড়া আরো শক্তিশালী এক দল তাই আমাদের আরো গোছানো ফুটবল খেলতে হবে"।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার সমর্থনে আন্দোলন করেছিলেন মোদি
মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে বাংলাদেশের জনগণের মতো ভারতের জনগণের মধ্যেও স্বাধীনতার আকুলতা ছিল মন্তব্য করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, আমাদের যারা শত্রু তারাও বাংলাদেশের শত্রু। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সমর্থনে আমি ও আমার বন্ধুরা সত্যাগ্রহ (আন্দোলন) করেছিলাম। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী অনেকেই আমার সঙ্গে এখানে আছেন। আমার জীবনের প্রথম আন্দোলন মুক্তিযুদ্ধ। তখন আমার বয়স ছিল ২০-২২ বছর।
আজ শুক্রবার বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধান অতিথি ছিলেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
অনুষ্ঠানে নরেন্দ্র মোদি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গান্ধী শান্তি পুরস্কার দিতে পারা ভারতের জন্য গর্বের ব্যাপার। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তিতে উপস্থিত থাকা এবং এমন একটি পুরস্কার তুলে দিতে পারা আমার জীবনের সেরা মুহূর্তগুলোর একটি।
অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ, 'এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ জোরালো কণ্ঠস্বরে উচ্চারণ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও বক্তব্য রাখেন স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী। এর পর শুভেচ্ছা বার্তা দেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়িপ এরদোয়ান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনাকে সঙ্গে নিয়ে নরেন্দ্র মোদির হাত থেকে গান্ধী শান্তি পুরস্কার গ্রহণ করেন শেখ রেহানা।
প্রসঙ্গত, নরেন্দ্র মোদি পৌঁছার পর বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠান শুরু হয়।