a
ফাইল ছবি
স্প্যানিশ লা লিগার ২০২১-২২ মৌসুমে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচেই হোঁচট খেয়েছে বার্সেলোনা। অ্যাথলেটিক বিলবাও’র বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও ড্র করেছে ১-১ গোলে। যদিও ম্যাচে বলের দখল বেশি ছিল কাতালানদের। কিন্তু আক্রমণ ও গোলের সুযোগ বেশি তৈরি করেছিল বিলবাও। শেষ পর্যন্ত পয়েন্ট ভাগাভাগি করে মাঠ ছাড়ে উভয় দল।
চলতি বছর সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে দুই দলের এটি পঞ্চম দেখা। কোপা দেল রের ফাইনালসহ আগের তিন ম্যাচে জিতেছে বার্সেলোনা। সুপার কাপের ম্যাচে জিতেছিল বিলবাও। এবার হলো ড্র।
ঘরের মাঠে প্রথমার্ধে বেশ কিছু গোলের সুযোগ তৈরি করলেও জালের নাগাল পায়নি বিলবাও। তবে বিরতির পর ঠিকই জালের নাগাল পায় তারা। ম্যাচের ৫০ মিনিটের মাথায় ইকের মুনিয়ানের কর্নার থেকে হেডে বল জালে জড়ান মার্টিনেস। ম্যাচের ৭৫ মিনিটের মাথায় সমতা ফেরায় বার্সেলোনা। এ সময় রবের্তোর পাস থেকে বল পেয়ে ডি বক্সে ঢুকে জোড়ালো শট নেন মেমফিস ডিপেই। বিলবাওয়ের গোলরক্ষকের হাত ছুঁয়ে বল জালে আশ্রয় নেয়। কাতালানদের হয়ে লা লিগায় এটা ছিল ডাচ তারকা মেমফিসের আনুষ্ঠানিক প্রথম গোল।
অবশ্য ম্যাচের শেষ দিকে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল বার্সেলোনা। কিন্তু সেটি কাজে লাগাতে পারেননি ডেনিশ তারকা ব্রাথওয়েট।মেমফিসের পা থেকে বল পেয়ে গোল পোস্টের সামনে থেকেও গোল করতে পারতে ব্যর্থ হয়েছেন,তার নেওয়া শট গোল পোস্টের উপর দিয়ে চলে যায়। উল্টো যোগ করা সময়ে বিলবাও এর উইলিয়ামসকে ফাউল করে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন বার্সার এরিক গার্সিয়া। শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলের সমতা নিয়েই শেষ হয় ম্যাচ
ছবি: সংগৃহীত
রোববার ফাইনালে টাইব্রেকারে ফ্রান্সকে ৪-২ গোলে হারিয়ে ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপের শিরোপা ঘরে তুলল আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসি পেলেন তার অধরা বিশ্বকাপ ট্রফি।
সেই বিশ্বকাপের সোনালী ট্রফি নিয়ে দেশে ফিরেছেন মেসি-মার্তিনেজরা। উৎসবমুখর পরিবেশে তাদেরকে বীরের মতো স্বাগত জানিয়েছে লাখো আর্জেন্টিনাবাসী। দোহা থেকে রোম হয়ে আর্জেন্টিনা পৌঁছায় মেসির দল। এর আগে থেকেই দেশটির রাজধানী বুয়েনস এইরেসে অপেক্ষা করেছে হাজার হাজার সমর্থক।
মঙ্গলবার ভোরের আগে আগে রাজধানী বুয়েন্স এইরেসের বিমানবন্দরে অবতরণ করে মেসিদের বহনকারী বিমানটি। এরপর ছাদখোলা বাসে চড়ে আর্জেন্টিনা দল সমর্থকদের ভিড়ের মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে যায়। তাদের সবার গলায় সোনার মেডেল। একটু পরপর বিশ্বকাপ ট্রফিটা উঁচিয়ে ধরেন খেলোয়াড়রা, উল্লাসে ফেটে পড়ে চারপাশ।
শুধু তাই নয়, আতশবাজির আলোয় চারদিক রঙিন আলোয় আলোকিত হচ্ছিল। ড্রামের তালেতালে গান গেয়ে পরিবেশ মুখরিত করে রাখে সমর্থকরা।
বিমানবন্দরের পাশেই আর্জেন্টিনার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনে কয়েক ঘণ্টা কাটাবে মেসি-ডি মারিয়াদের দল। এরপর দুপুরের দিকে শহরের কেন্দ্রে বিশাল ওবেলিসো স্মৃতিস্তম্ভে যাবেন তারা, যেখানে লাখো মানুষের জড়ো হওয়ার সম্ভাবনা আছে। দল চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় মঙ্গলবার দেশটিতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ছবি সংগৃহীত
রাজধানীসহ দেশের সর্বত্রই প্রতারক চক্রে ভরপুর। অনেক ধরনের প্রতারণার মাঝে এখন যোগ হয়েছে বিবাহের মত একটি বিষয় নিয়ে। আবার মেয়ে মানুষের নেশায় পরে নিত্য- নুতন মেয়ে মানুষের স্বাদ পেতে ধনাঢ্য পুরুষেরা একের পর এক বিবাহ করেই চলছে। আর এতে সাহায্য করছে একশ্রণীর ঘটকালী প্রতিষ্ঠান। তারা নিজেরাই অনেকসময় এ ধরনের মেয়ে সাপ্লাই করে থাকে বলে জানা যায়। তেমনি এক ঘটনা ঘটে উত্তরার একটি ম্যারেজ মিডিয়া সেন্টারে।
গত ক'বছর আগে এমনি এক সেন্টারের মাধ্যমে পটুয়াখালীর হেলেনা বেগমের সঙ্গে মুন্সিগঞ্জের লৌহজং থানার এক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোয়াজ্জেম হোসেনের শুভ পরিনয় ঘটে। আর মোয়াজ্জেম হোসেনের নেশাই হলো নিত্য নুতন মেয়েকে নিয়ে বিয়ের নামে ৫/৬ মাস ফুর্তি করা। তিনি এসব বউকে আলাদা আলাদা ভাড়া বাসায় রেখে বাই রোটেশন তাদের সাথে থাকতেন।পরবর্তীতে তিনি সেসব মেয়েদের কিছু টাকা দিয়ে তাড়িয়ে দেন। তিনি এভাবে এ পর্যন্ত ২০ টির বেশি বিবাহ করেছেন বলে জানা যায়।
সম্প্রতি রাজধানীর খিলগাঁও এ গত ৬/৬/২০২৫ ইং তারিখে ১২৫, উত্তর বাসাবোর মেট্রো মেডিক্যালে মোঃ হেদায়েত উল্লার ফার্মেসিতে এ ধরনের একটি বিবাহ হয়। স্থানীয় এক প্রভাবশালী নেতা হেদায়েত উল্লার মাধ্যমে তার এক আত্বীয়া জোস্না বেগম, পিতা আব্দুল খালেক,মাতা রহিমা খাতুন, গ্রাম- দিঘলীয়া, ছোটতুলাগাও, থানা- বরুড়া, জেলা- কুমিল্লার সাথে জনৈক সাংবাদিক বিপত্নিক সানাউল্লাহ র দ্বিতীয় বিবাহ হয় দেড় লাখ টাকা কাবিনে। এরমধ্যে নগদ ৫০ হাজার টাকা গহনা বাবদ দেয়া হয়। কিন্তু কনে যে উদ্দেশ্যে এ বিবাহ করে সে উদ্দেশ্য সফল না হওয়ায় ঐ রাতেই কনে চুপিসারে পালিয়ে যায়। আজ পর্যন্ত কেউ আর কোন খোঁজ পায়নি।
এসব ঘটনা থেকে বোঝা যায় এভাবে বিবাহ বিবাহ খেলার নামে অনেকে অনেক কিছু হারাচ্ছেন। ফলে আজকাল মানুষ আর পেশাদার ম্যারেজ মিডিয়া সেন্টার বা কোন ঘটককে বিশ্বাস করতে পারছে না। বর্তমানে তাই এসব পেশাদার ঘটককে আগের মতো কেউ বিশ্বাস করছেনা।