a
ফাইল ছবি
পর্তুগিজ ফুটবলের যুবরাজ ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো নতুন চ্যালেঞ্জের নেশায় জুভেন্টাস ছাড়তে পুরোদমে প্রস্তুত।
জুভেন্টাসের সবশেষ ম্যাচে উদিনেসের বিপক্ষে শুরুর একাদশে ছিলেন না তিনি। জানা গেছে, একাদশে না রাখার জন্য কোচ কার্লো অ্যানচেলত্তিকে নিজেই অনুরোধ জানিয়েছিলেন রোনাল্ডো।
জুভেন্টাসের ভাইস প্রেসিডেন্ট পাভেল নেদভেদ জানালেন, আপাতত দলবদলের বাজারে সমাধান খুঁজতে চাইছেন রোনাল্ডো। কোন ক্লাবে কিনতে পারে রোনাল্ডোকে সেই খোঁজে বেরিয়ে পড়েছেন তার এজেন্ট হোর্হে মেন্দেজ।
রোনাল্ডোর সম্ভাব্য গন্তব্য হিসেবে শোনা যাচ্ছিল, পিএসজি, রিয়াল মাদ্রিদ ও ম্যানচেস্টার সিটির নাম।
এবার শোনা গেল, দুই বছরের চুক্তিতে ম্যানচেস্টার সিটিতে যাচ্ছেন সিআর সেভেন। ইংলিশ দৈনিক দ্য ইনডিপেনডেন্টের প্রধান ফুটবল প্রতিবেদক মিগেল ডেলানি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানিয়েছেন, রোনাল্ডোর জুভেন্টাস ছেড়ে ম্যানচেস্টার সিটিতে যাওয়া এখন শুধু সময়ের ব্যাপার। দলবদল ফি কত হতে পারে, সেটি নিয়ে জুভেন্টাসের সঙ্গে ম্যান সিটির বোঝাপড়া হয়ে গেলেই ইংলিশ ফুটবলে নাম লেখাবেন রোনাল্ডো।
ফাইল ছবি
ইংলিশ লিগের আট ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড়কে নিষিদ্ধ করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (ফিফা)।
চলতি আন্তর্জাতিক বিরতিতে ব্রাজিলের হয়ে খেলতে যাননি ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলা মূল দলের ৯ ফুটবলার। কেননা ক্লাবের হয়ে ফের খেলতে হলে আগে ১০ দিনের আইসোলেশনে থাকতে হবে। সেই ৯ ফুটবলারের আটজনকে নিষিদ্ধ করেছে ফিফা।
ফলে ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, ৫ দিন ক্লাবগুলোর হয়ে মাঠে নামতে পারবেন না। আগামী ১০ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর কোনো ম্যাচ খেলতে পারবেন না তারা।
নিষিদ্ধ হওয়া আট খেলোয়াড় হলেন- রবার্তো ফিরমিনো, ফ্যাবিনিও, আলিসন বেকার, এডেরসন, গ্যাব্রিয়েল জেসুস, ফ্রেড, থিয়াগো সিলভা, রাফিনিয়া। নিষেধাজ্ঞা না পাওয়া একমাত্র ফুটবলার হলেন এভারটনের রিচার্লিসন। টোকিও অলিম্পিক ফুটবলে খেলায় তার প্রতি নমনীয়তা দেখিয়েছে ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশন (সিবিএফ)।
লাল তালিকার অন্তর্ভুক্ত দেশের খেলোয়াড়দের শর্ত জুড়ে দিয়েছিল ক্লাবগুলো। তা উপেক্ষা করেই জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন চার আর্জেন্টাইন ফুটবলার। তবে নিজেদের ফুটবলাররা না আসায় ক্ষুব্ধ হয়েছে সিবিএফ। তাই ফিফার কাছে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে তারা আপিল করেছে।
ফিফা ব্রাজিলের ফুটবল ফেডারেশনের আবেদনের প্রেক্ষিতে এমন সিদ্ধান্তের কথা ক্লাবগুলোকে জানিয়ে দিয়েছে।
সংগৃহীত ছবি
‘জিনের আছরে’ রাতের অন্ধকারে নারিকেল গাছের মাথায় উঠে বসে আছে তাহমিনা (২২) নামের এক নারী। এ ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা গাছে উঠে কৌশলে নামিয়ে আনেন ঐ নারীকে।
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বেগমপুর গ্রামে বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) রাত ৯টার দিকে এধরণের ঘটনা ঘটে। তাহমিনা ওই গ্রামের মো. হাসানের স্ত্রী।
মো. হাসান এ বিষয়ে বলেন, আমার স্ত্রীর জিনের সমস্যা আছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আমি বাজারে যাই। রাত ৮টার দিকে বাড়ি থেকে ফোন করে জানানো হয়, তাহমিনাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বাড়িতে এসে আশেপাশে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।
হাসান বলেন, রাত সাড়ে ৮টার দিকে শুনি আমার স্ত্রী মেয়ের নাম ধরে ডাকছে। আর বলছে আমাকে নামাও, ওরা আমাকে নিয়ে গেল। তার এ কথা শুনে বাড়ির পাশে নারকেল গাছে টর্চলাইট মেরে দেখা যায়, সে গাছের মাথায় বসে আছে। তখন তাকে গাছ থেকে নামানোর চেষ্টা করেও পারা যায়নি। উপায় না পেয়ে মহেশপুর ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা এসে নামিয়ে দেয়।
মো. হাসান বলেন, স্ত্রীর এ সমস্যার জন্য অনেক কবিরাজ দেখিয়েছি কিন্তু তাতেও সুস্থ হচ্ছে না।
মহেশপুর ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার রমেশ কুমার সাহা এ ঘটনার বিষয়ে বলেন, বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে একটা ফোন আসে এক নারী নারিকেল গাছের মাথায় উঠে আর নামতে পারছেন না। পরে সেখানে গিয়ে ৪০ মিনিটের চেষ্টায় তাকে গাছ থেকে নামিয়ে আনা হয়।