a সরিষাবাড়ীতে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের ১৬০০ ফুট পতাকা নিয়ে র‌্যালি
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৩ মাঘ ১৪৩২, ০৫ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

সরিষাবাড়ীতে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের ১৬০০ ফুট পতাকা নিয়ে র‌্যালি


সরিষাবাড়ি প্রতিনিধি: ক্রীড়া ডেস্ক
শুক্রবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২২, ০৬:৩৩
সরিষাবাড়ীতে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের ১৬০০ ফুট পতাকা নিয়ে র‌্যালি

ফাইল ছবি

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে এক হাজার ৬০ ফুট দীর্ঘ আর্জেন্টিনার পতাকা নিয়ে র‌্যালি করেছে ফুটবল প্রেমিকরা। শুক্রবার দুপুরে কাতার বিশ্বকাপ উপলক্ষে সরিষাবাড়ী পৌর এলাকার আরামনগর বাজার থেকে পতাকা মিছিলের আয়োজন করে আর্জেন্টিনা দলের স্থানীয় ভক্ত ও সমর্থকরা। পতাকা মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় আরামনগর বাজারে গিয়ে শেষ হয়।

এসময় তরুণ, বৃদ্ধ ও শিশুসহ তিন শতাধিক ফুটবল ভক্তরা প্রিয় দলের জার্সি গায়ে ও হাতে পতাকা নিয়ে মিছিলে অংশ নেয়। মিছিলে বাদ্যের তালে তালে সমর্থকরা মেতে উঠে আনন্দ উচ্ছাসে।

পতাকা মিছিলের উদ্যোক্তা মাসুদুর রহমান জানান, ৫ ফুট প্রস্থ ও এক হাজার ৬০ ফুট দীর্ঘ পতাকাটি তৈরিতে তাদের সময় লেগেছে তিন দিন এবং খরচ হয়েছে ত্রিশ হাজার টাকা। সকল ভক্তদের প্রত্যাশা মেসির নেতৃত্বে এবারের বিশ্বকাপ শিরোপা আর্জেন্টিনার ঘরেই উঠবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

মেসির জন্য আলাদা প্রস্তুতি থাকবে: ফ্রান্স কোচ


ক্রীড়া ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২২, ০৭:৩৬
মেসির জন্য আলাদা প্রস্তুতি থাকবে: ফ্রান্স কোচ

ফাইল ছবি

লিওনেল মেসি যৌথভাবে আসরের সর্বোচ্চ পাঁচ গোল করেছেন। যৌথভাবে সর্বোচ্চ তিন গোলে সহায়তা দিয়েছেন। একমাত্র ফুটবলার হিসেবে একই আসরে সর্বোচ্চ গোল ও সর্বোচ্চ অ্যাসিস্ট দেওয়ার রেকর্ডের সুযোগ তার। পাঁচটি বিশ্বকাপে খেলার অভিজ্ঞতা সম্পন্ন, সাতটি ব্যালন ডি’অর জয়ী সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার মেসিকে ‘আন মার্ক’ রাখবেন না ফ্রান্স কোচ দিদিয়ের দেশম।

ডাচ কোচ ফন গাল বলেছিলেন, মেসি হেঁটে বেড়ান। দলটির ডিফেন্ডাররা বলেছিলেন, মেসিকে নিয়ে আলাদা পরিকল্পনা নেই তাদের। ক্রোয়াটদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, শুধু মেসি নয় পুরো আর্জেন্টিনার দলকে রুখে দেবেন তারা।  তবে পারেননি। ওই চ্যালেঞ্জ এখন ফ্রান্সের সামনে এসে পড়েছে। খেলোয়াড় ও কোচ হিসেবে বিশ্বকাপ জেতা দেশম তাই বলেছেন, তাদের মেসির জন্য আলাদা প্রস্তুতি থাকবে।

মেসির আর্জেন্টিনার বিপক্ষে কাতার বিশ্বকাপের ফাইনাল নিয়ে দেশম আরও বলেছেন, ‘আমরা এরই মধ্যে তার মুখোমুখি হয়েছি। ২০১৮ সালের কথা নিশ্চয় মনে আছে। আমরা তাকে আটকানোর বিষয়ে ভাববো। অবশ্যই, ম্যাচে তার প্রভাব কমাতে প্রস্তুতি নেওয়া হবে।’

আর্জেন্টিনার এই দলে মেসি প্লে মেকার ভূমিকায় খেলছেন। আগের চেয়ে বেশি স্বাধীনতা, জায়গা নিয়ে খেলার সুযোগ পাচ্ছেন তিনি। সেজন্য তাকে আটকানো কঠিন হবে বলেও মন্তব্য করেছেন ফ্রান্সের এই কোচ, ‘চার বছর আগে ভেবেছিলাম তিনি রাইট উইঙ্গ ধরে বেশি খেলবেন। কিন্তু তিনি সেন্ট্রাল ফরোয়ার্ড (স্ট্রাইকার) পজিশনে খেলেছিলেন। এবার খেলছেন প্লে মেকার হিসেবে, স্বাধীনতা বেশি পাচ্ছেন। সুতরাং, তাকে মার্ক করা কঠিন হবে।’  সূত্র: সমকাল

এর আগে মরক্কোর বিপক্ষে জিতে ফাইনালে ওঠার পর ফ্রান্সের কোচ দেশম বলেছিলেন, মানুষ হিসেবে মেসিকে আটকাতে যা যা করা দরকার তারা করবেন। শুধু মেসি নয় দলটির অন্যদের নিয়ে ভাবতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ফ্রান্স স্ট্রাইকার জিরুদে বলেছিলেন, মেসিকে উদযাপন করার রাত উপহার দিতে চান না তারা। সেজন্য মাঠে কঠোর পরিশ্রম করবেন।

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

এক যুগ ধরে ৩৭টি ট্রেনের মধ্যে ৩২টি ট্রেন রিপন-লুনা দম্পতির দখলে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
শনিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ১০:৫৬
এক যুগ ধরে ৩৭টি ট্রেনের মধ্যে ৩২টি ট্রেন রিপন-লুনা দম্পতির দখলে

ফাইল ছবি

 

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালিত ৩২টি ট্রেন নিয়ন্ত্রণ করছেন এক যুগের বেশি সময় ধরে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সালাউদ্দিন রিপন ও তার স্ত্রী মিফতাহুল জান্নাত লুনা। বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালিত ৩৭টি ট্রেনের মধ্যে ৩২টিই নিয়ন্ত্রণ করছেন এই দম্পতি। চার বছরের জন্য ট্রেন পরিচালনার ইজারা নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রীদের আশীর্বাদে বারবার নবায়ন করা হয়েছে চুক্তি। নতুন ইজারা না করে অনিয়মের মাধ্যমে এই নবায়নের ফলে রাজস্ব বঞ্চিত হয়েছে রাষ্ট্রীয় গণপরিবহন সংস্থাটি। সালাউদ্দিন রিপন বরিশাল ৫ সংসদীয় আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে  অংশ নিয়েছিলেন। নামে-বেনামে প্রতিষ্ঠান খুলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে দরপত্রে অংশ নিয়ে ট্রেন পরিচালনার কাজ বাগিয়ে নিয়েছেন তিনি। দেশের বাণিজ্যিক রেলের প্রায় ৯০ শতাংশ কব্জায় নিয়েছেন এই দম্পতি। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, ট্রেন পরিচালনার জন্য দরপত্রে অংশ নেওয়া সব প্রতিষ্ঠানই ছিল রিপনের। ফলে প্রতিযোগিতামূলক পদ্ধতিতে খুব নিম্ন দরে টেন্ডারে অংশ নিয়েও কাজ পেয়েছেন তিনি। এ ক্ষেত্রে কারচুপি বা অনিয়মের বিষয়টি দেখেও না দেখার ভান করেছে রেলপথ মন্ত্রণালয় আর বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

আয়কর সনদে দেওয়া তথ্যমতে, মেসার্স এসআর ট্রেডিং, এলআর ট্রেডিং ও এনএল ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী সালাউদ্দিন রিপন। টিএম ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী হিসেবে রয়েছেন মিফতাহুল জান্নাত লুনা। এই চার কোম্পানির ঠিকানাই রাজধানীর ৭৮ মতিঝিলে। বাংলাদেশ রেলওয়ের তথ্যমতে, ট্রেন ইজারার জন্য খোলা দরপত্রে অংশ নেওয়া মেসার্স শান্তা ট্রেডার্স, এমকে ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস ও রুবায়েত ট্রেড ইন্টারন্যাশনালও রিপনের অফিসের ঠিকানা ৭৮ মতিঝিলে পরিচালিত হচ্ছে। রেলওয়ে কর্মকর্তারা নাম প্রকাশ না করে জানান, নামে-বেনামে তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দরপত্রে অংশ নিয়ে থাকেন।

তথ্যমতে, বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে ৮ জোড়া ট্রেন বাণিজ্যিকভাবে পরিচালনা করছে। এগুলো হচ্ছে বলাকা কমিউটার, মহুয়া কমিউটার, জামালপুর কমিউটার, দেওয়ানগঞ্জ কমিউটার, কর্ণফুলী কমিউটার, তিতাস কমিউটার ও সাগরিকা কমিউটার। এগুলো সবকটিরই ইজারা পেয়েছেন রিপন-লুনা দম্পতি।

রেলওয়ের তথ্যমতে, ৯৯ নম্বর ঢাকা কমিউটার, ৫ নম্বর আপ ও ডাউন কমিউটার এবং ৫৫৪ নম্বর লোকাল ট্রেন ইজারা নিতে দরপত্রে অংশ নেয় ৫টি প্রতিষ্ঠান। এদের মধ্যে চারটি প্রতিষ্ঠানই আওয়ামী লীগ সমর্থিত এই দম্পতির। এসব কোম্পানির ঠিকানা একই। ২৩-২৪ রকেট মেইল ও ২৭-২৮ চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনের দরপত্রে অংশ নিয়েছিল তিনটি প্রতিষ্ঠান। যার সবই রিপন-লুনা দম্পতির মালিকানাধীন। ১৫ নম্বর মহানন্দা, ৫৮৫ লোকাল ও ১৬ নম্বর মহানন্দা এবং ২৫/২৬ নম্বর নকশিকাথা এক্সপ্রেসের দরপত্রে অংশ নিয়েছিল তিনটি প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানগুলোও রিপন-লুনার। এ ছাড়া বিভিন্ন বাণিজ্যিক ট্রেনের দরপত্রে অংশ নিয়ে কাজ বাগিয়ে নিয়েছেন এই দম্পতি। অভিযোগ রয়েছে, এই দম্পতির অধীনে কর্মরত বিভিন্ন কর্মচারীরাও খোলা দরপত্রে অংশ নিয়ে বাণিজ্যিক ট্রেন পরিচালনার কাজ নিয়েছেন। এ ছাড়া অভিযোগ রয়েছে পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি ট্রেনের মধ্যে ১৬টি ট্রেনের পরিচালনার কাজও পেয়েছেন রিপন ও তার স্ত্রী লুনা।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, মহানন্দা এক্সপ্রেস ট্রেনটি প্রতিদিন চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও খুলনার মধ্যে যাতায়াত করে। ২০০৯ সালে এই ট্রেনটি ইজারা দেওয়া হয়েছিল রিপনের এলআর ট্রেডিংকে। তখন প্রতি ট্রিপে একটি কোচের ইজারা মূল্য ধরা হয়েছিল ৪০ হাজার ৭৬০ টাকা। সে সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে খুলনা পর্যন্ত একজন যাত্রীর ভাড়া ছিল ৬০ টাকা। ২০১৩ সালের অক্টোবর মাস থেকে এই ভাড়া ৯৫ টাকা নির্ধারণ করা। অথচ তখন ইজারা মূল্য কমিয়ে ধরা হয়েছে ৩৫ হাজার ২৯ টাকা। অথচ একটি কোচও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। ২০১৩ সালে ট্রেন পরিচালনার কাজ আবার বাগিয়ে নেয় রিপনের আরেক প্রতিষ্ঠান এনএল ট্রেডিং।

তথ্যমতে, চারটি প্রতিষ্ঠান এই দরপত্রে অংশ নিয়েছিল। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো হলো এনএল ট্রেডিং, টিএম ট্রেডিং, মেসার্স শান্তা ট্রেডার্স ও এলআর ট্রেডিং। যার সবই রিপন ও তার স্ত্রী  লুনার মালিকানাধীন। ফলে কারসাজি করে একাধিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দরপত্রে অংশ নিয়ে খুব নিম্নদরে কাজ পেয়েছেন তিনি।

জানা গেছে, রিপনের চাচা ছিলেন ঢাকা রেলওয়ের ঠিকাদার। ২০০৪ সালে চাচার মৃত্যুর পর চাচাতো বোনকে বিয়ে করেন রেলের জগতে প্রবেশ করেন রিপন। এর পর রেলপথ মন্ত্রণালয় আর বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলে রেলের জগতে অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন রিপন। কারসাজির মাধ্যমে ভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে দরপত্রে অংশ নিলেও তা মূল্যায়নের সময় বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্মকর্তারা আমলে নেননি। ফলে একই ব্যক্তিকে বিভিন্ন ট্রেনের পরিচালনার কাজ দিয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে অধিক রাজস্বপ্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।

অনিয়ম আর কারসাজি করে বিভিন্ন ট্রেন পরিচালনার কাজ বাগিয়ে নেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে বক্তব্য জানতে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রিপনের মোবাইলে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রেলওয়ে কর্মকর্তারা বলছেন, নামে-বেনামে এসব কোম্পানিকে টেন্ডার দিতে সরকারের সাবেক দুই মন্ত্রীর পক্ষ থেকে চাপ ছিল। যার কারণে বাধ্য হয়েই কাজ দিতে হয়েছে প্রভাবশালী এ দম্পতিকে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক সরদার সাহাদাত আলী গণমাধ্যমকে বলেন, অনেক আগে থেকে এই দম্পতি বাণিজ্যিক ট্রেনগুলোর পরিচালনার কাজ পেয়েছেন। খোলা দরপত্রের মধ্যেই তারা এই কাজ পেয়েছেন। কিন্তু তাদের কাজ দিতে কোনো চাপ বা সরকারের প্রভাবশালী মহলের নির্দেশ ছিল কিনা তা এখন বলতে পারছি না। এসব খোলা দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সদস্যদের ভূমিকা কী ছিল তা নিয়ে কোনো জবাব দেননি তিনি। অভিযোগ রয়েছে, রেলওয়ের এই মহাপরিচালক পূর্বাঞ্চলের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা থাকাকালে ২০১৭ ও ২০১৮ সালে একাধিক ট্রেনের চুক্তি অবৈধভাবে নবায়ন করে এই দম্পতিকে বিশেষ সুবিধা দিয়েছেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়