a হাড্ডাহাড্ডি লড়াইঃ অবশেষে টাইব্রেকারে জয় পেল আর্জেন্টিনা
ঢাকা রবিবার, ২৬ মাঘ ১৪৩২, ০৮ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

হাড্ডাহাড্ডি লড়াইঃ অবশেষে টাইব্রেকারে জয় পেল আর্জেন্টিনা


ক্রীড়া ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ০৭ জুলাই, ২০২১, ১০:১৩
হাড্ডাহাড্ডি লড়াইঃ অবশেষে টাইব্রেকারে জয় পেল আর্জেন্টিনা

সংগৃহীত ছবি

আর্জেন্টিনা ও কলম্বিয়ার লড়াইটা হলো হাড্ডাহাড্ডি। ম্যাচের শুরুতে আর্জেন্টিনা এগিয়ে গেলেও দ্বিতীয়ার্ধে সমতায় ফেরে কলম্বিয়া।

নির্ধারিত ৯০ মিনিট ১-১ সমতা থাকার পর ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। যেখানে খুবই লাকি বলতে গেলে আর্জেন্টিনা। দলটির গোলরক্ষক ইমিলিয়ানো মার্টিনেজ ঠেকিয়ে দেন তিনটি শট। আর তাতেই জয়ের রাস্তা মসৃণ হয় মেসিদের। টাইব্রেকারে কলম্বিয়াকে ৩-২ গোলে হারিয়ে কোপা আমেরিকা ফুটবলের ফাইনালে উঠে গেছে আর্জেন্টিনা।

তার মানে কোপা আমেরিকায় কাঙ্ক্ষিত ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ফাইনাল হচ্ছে। আগামী ১০ জুলাই রিও ডি জেনিরোর ঐতিহাসিক মারাকানা স্টেডিয়ামে শিরোপা লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী এই দুই দল। ৯ জুলাই তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে কলম্বিয়ার মুখোমুখি হবে পেরুর।

পেরুকে ১-০ গোলে হারিয়ে কোপা আমেরিকার ফাইনাল আগে নিশ্চিত করে ব্রাজিল। বুধবার সকালে কলম্বিয়াকে টাইব্রেকারে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট পায় আর্জেন্টিনা।

দলটির জয়ের নায়ক অবশ্য দুই মার্টিনেজ। ফরোয়ার্ড লতারো মার্টিনেজ ম্যাচে গোল করেন শুরুতে। আর টাইব্রেকারে তিন শট প্রতিহত করে দলকে উচ্ছ্বাসে ভাসান গোলরক্ষক মার্টিনেজ।

টাইব্রেকারে আর্জেন্টিনার হয়ে গোল করেন মেসি, পেরেদেস ও মার্টিনেজ। গোল মিস করেন ডি পল, দ্বিতীয় শটেই। মেসি নেন প্রথম শট। অন্য দিকে কলম্বিয়ার হয়ে প্রথম শটে গোল করেন কুয়াদ্রাদো। কিন্তু দ্বিতীয় শটেই সানচেজকে বা দিকে ঝাপিয়ে প্রতিপহত করেন আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক। তৃতীয় মিনার শটও একই কায়দায় রক্ষা করেন তিনি। চতুর্থ শটে কলম্বিয়ার হয়ে গোল করেন কারদোনো। ব্যবধান তখন ৩-২। পঞ্চম শটে গোল করতে পারলে ব্যবধান হতো ৩-৩। তখন আর্জেন্টিনার প্রয়োজন পড়তো পঞ্চম শট নেয়ার। কিন্তু তার আর দরকার হয়নি। কলম্বিয়ার পঞ্চম শট রুখে দিয়ে আর্জেন্টিনাকে দারুণ জয়ের স্বাদ দেন গোলরক্ষক মার্টিনেজ।

ম্যাচের ৪ মিনিটেই গোলের সুযোগ পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু মার্টিনেজের হেড অল্পের জন্য পোস্ট খুঁজে পায়নি। এর মিনিট তিনেক পরই এগিয়ে যায় স্কালোনি শিবির। ডি বক্সের মধ্যে মেসির সহায়তায় কলম্বিয়ার জাল কাঁপান লতারো মার্টিনেজ। টুর্নামেন্টে মেসির এটি চতুর্থ অ্যাসিস্ট, যা সর্বোচ্চ।

৯ মিনিটে গোলের সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল কলম্বিয়া। কিন্তু আর্জেন্টিনা গোলরক্ষক ইমিলিয়ানো মার্টিনেজের দক্ষতায় বেঁচে যায় মেসিরা।

৪৪ মিনিটে গোল পেতে পারত আর্জেন্টিনা। কিন্তু ভাগ্য সহায় হয়নি। মেসির নেয়া কর্ণারে গঞ্জালেজের দারুণ হেড খুঁজে পায়নি জাল। অথচ সে মনে করেছিল গোল হয়েছে। কিন্তু ওসপিনো দক্ষতায় অক্ষত থাকে কলম্বিয়ার জাল।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে মারাত্মক ফাউলের শিকার হন মেসি। ৫০ মিনিটের দিকে খেলা কিছুক্ষণ বন্ধ থাকে। সেবা নিয়ে আবার খেলতে নামেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। ৬১ মিনিটে ম্যাচে ফেরে কলম্বিয়া। নয়নকাড়া গোলে দলকে সমতায় ফেরান লুইস ডিয়াস।

৭৩ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। মাঝ মাঠ থেকে ডি মারিয়া একাই বল টেনে নিয়ে গিয়েছিলেন প্রতিপক্ষের বক্সে। নিজে শট না নিয়ে পাস দেন সতীর্থকে। কিন্তু পাসে মার্টিনেজ শট নেন কলম্বিয়ার গোলরক্ষক ওসপিনা বরাবর। ফিরতি শটে বল উড়িয়ে মারেন ডি মারিয়া। হতাশ আর্জেন্টিনা শিবিরে।

এর তিন মিনিট পর ফ্রি কিক পায় আর্জেন্টিনা মেসিকে ফাউল করায়। গোলের দারুণ সুযোগ ছিল। কিন্তু পারেননি মেসি। ৮০ মিনিটে বক্সের মধ্যে ডি মারিয়ার নিখুঁত পাসে মেসির শট পোস্টে লেগে ফেরত আসে। ৮৭ মিনিটে ফ্রি কিকে মেসি খুঁজে পাননি কলম্বিয়ার জাল। শেষ অবধি ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। যেখানে আর্জেন্টিনার জয়ের নায়ক বলতে গেলে গোলরক্ষক মার্টিনেজ। তিন শট প্রতিহত করে দলকে উপহার দেন ফাইনালের টিকিট।

ম্যাচে আর্জেন্টিনার সাথে সমানতালে লড়েছে কলম্বিয়া। ১৩ শটের মধ্যে আর্জেন্টিনার চারটি ছিল লক্ষ্যে। সেখানে ১৪ শটের মধ্যে চারটি লক্ষ্যে রাখতে পেরেছিল কলম্বিয়া। বল দখলে আর্জেন্টিনার চেয়ে এগিয়ে ছিল কলম্বিয়া, শতকরা ৫১ ভাগ। আর্জেন্টিনা কর্ণার আদায় করে ৫টি, কলম্বিয়া পায় তিনটি। এই ম্যাচে কলম্বিয়া ফাউল করেছে ২৭টি, আর্জেন্টিনাও কম করেনি, ২০টি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

লিওনেল মেসি ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলার


ক্রীড়া ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ২৮ ফেরুয়ারী, ২০২৩, ০৭:৫৭
লিওনেল মেসি ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলার

ফাইল ছবি: লিওনেল মেসি

লিওনেল মেসিই বর্ষসেরা ফুটবলার হিসেবে এগিয়ে ছিলেন। কাতার বিশ্বকাপে অবিশ্বাস্য পারফর্ম করা কিলিয়ান এমবাপের সম্ভাবনাও দেখছিলেন অনেকে। তাকে এবং আরেক ফরাসি তারকা করিম বেনজেমাকে টপকে ২০২২ সালের ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলারের স্বীকৃতি ‘দা বেস্ট ফিফা মেন’স প্লেয়ার অ্যাওয়ার্ড’ জিতলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি।

সোমবার দিনগত রাতে প্যারিসে ‘দা বেস্ট ফিফা ফুটবল অ্যাওয়ার্ডস’ অনুষ্ঠানে পুরস্কারটির বিজয়ী হিসেবে মেসির নাম ঘোষণা করা হয়। সপ্তমবারের মতো ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার জিতলেন তিনি। বিভিন্ন নামে ১৯৯১ সাল থেকে বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার দিয়ে আসছে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থাটি। শুরু থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ‘ফিফা ওয়ার্ল্ড প্লেয়ার অব দা ইয়ার’ নামের পুরস্কারটি একবার জেতেন মেসি, ২০০৯ সালে। সেই থেকে শুরু সেরার মঞ্চে তার অবস্থান ধরে রেখেছেন।

পরের ছয় বছর ফরাসি ম্যাগাজিন ‘ফ্রান্স ফুটবল’ আর ফিফা মিলে দেয় ফিফা ব্যালন দ’র। এই পুরস্কারটি মেসি জেতেন ২০১০, ২০১১, ২০১২ ও ২০১৫ সালে। এরপর বর্তমানের ‘দা বেস্ট’ নাম দেয় ফিফা।

বিশ্বকাপ অভিযান শুরুর ম্যাচে গোলের দেখা পান মেসি। সৌদি আরবের বিপক্ষে যদিও ওই ম্যাচে অঘটনের শিকার হয়ে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়ার শঙ্কা জাগে আর্জেন্টিনার। পরের সব ম্যাচ তাদের জন্য হয়ে ওঠে নকআউটের লড়াই।

সেই কোণঠাসা অবস্থা থেকেই মেসি ও আর্জেন্টিনার স্বপ্নের পথে যাত্রার শুরু। পরের ম্যাচে মেক্সিকোর বিপক্ষেও অনেকটা সময় আর্জেন্টিনার পারফরম্যান্স ছিল ভীষণ সাদামাটা। দুর্দান্ত এক গোলে দলকে পথ দেখান মেসি। পুরো বিশ্বকাপে একমাত্র গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে পোল্যান্ডের বিপক্ষেই জালের দেখা পাননি তিনি।

ফ্রান্সের বিপক্ষে ফাইনালে করেন জোড়া গোল। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭ গোল ও সর্বোচ্চ ৩টি অ্যাসিস্ট করেন মেসি। দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে আসরের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতে নেন ৩৫ বছর বয়সী তারকা লিওনেল মেসি।

ফিফা ফিফপ্রো বর্ষসেরা একাদশ-
গোলরক্ষক: থিবো কোর্তোয়া (বেলজিয়াম ও রিয়াল মাদ্রিদ)।  
ডিফেন্ডার: আশরাফ হাকিমি (মরক্কো ও পিএসজি), জোয়াও কানসেলো (পর্তুগাল ও বায়ার্ন মিউনিখ), ভার্জিল ফন ডাইক (নেদারল্যান্ডস ও লিভারপুল)।  
মিডফিল্ডার: কেভিন ডি ব্রুইনা (বেলজিয়াম ও ম্যানচেস্টার সিটি), লুকা মদ্রিচ (ক্রোয়েশিয়া ও রিয়াল মাদ্রিদ), কাসেমিরো (ব্রাজিল ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড)।  
ফরোয়ার্ড: লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা ও পিএসজি), কিলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স ও পিএসজি), করিম বেনজেমা (ফ্রান্স ও রিয়াল মাদ্রিদ) ও আরলিং হালান্ড (নরওয়ে ও ম্যানচেস্টার সিটি)। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

সিংগার বিলে সূর্যমুখী ফুল চাষে সম্ভাবনার হাতছানি


জায়দুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়াঃ  
সোমবার, ২২ মার্চ, ২০২১, ০৬:৪৯
সিংগার বিলে সূর্যমুখী ফুল চাষে সম্ভাবনার হাতছানি

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার সিংগারবিল গ্রামের বাউয়ালাবন্দে নয়নাভিরাম সূর্যমুখী ফুল চাষ কৃষিতে যোগ হয়েছে নতুন মাত্রা। নতুন মাত্রা কৃষকদের সূর্যমুখী ফুল চাষে আগ্রহী করছে ও ভবিষ্যতে অপার সম্ভাবনার হাতছানি দিচ্ছে। কৃষিতে সূর্যমুখী ফুল চাষ হবে লাভজনক। এই সূর্যমুখী ফুল দেখতে প্রতিদিন শত শত মানুষ ভীড় জমাচ্ছে সিংগারবিল বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বাবুল এলাহীর বাউয়ালাবন্দের প্রায় সাত বিঘা জমিতে। 

এ অঞ্চলের মাটির গুনাগুন আবহাওয়া ও জলবায়ু সূর্যমুখী ফুল চাষাবাদের জন্য উপযোগী বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষিবিদ। সূর্যমুখীর তেল অন্যান্য সাধারন তেলের চেয়ে আলাদা। কোলোষ্ঠোরেলমুক্ত প্রচুর পরিমাণ প্রাণ শক্তি থাকায় সূর্যমুখী তেল মানুষের শরীরের দূর্বলতা ও কার্যক্ষমতা বাড়ায়। রান্নার জন্য সয়াবিন তেলের চেয়ে সূর্যমুখী তেল দশ গুণ বেশি পুষ্টি সমৃদ্ব হওয়ায় শরীরের হাড় সুস্থ ও মজবুত করে। সূর্যমুখী তেলে থাকা ম্যাগনেসিয়াম আমাদের মানুষিক চাপ দূর করে। এই তেল মানব দেহের মহৌষধ হিসেবে কাজ করে বলে সূত্রে জানা যায়। 

সূর্যমুখী ফুলবীজ বপনের ৯০ থেকে ১০৫ দিনের মধ্যে এই ফসল তোলা যায়। হাইসান ৩৩ জাতের সূর্যমুখী ফুলের চাষ করা হয়েছে বাবুল এলাহীর ৭ বিঘা জমিতে। তিনি জানান ফুল ফোটার পর অনেক দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসছে এই হলুদের সমারোহ নয়নাভিরাম সৌর্ন্দয্য দেখার জন্য। বিজয়নগর কৃষি কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় ও তাদের সহযোগিতায় এই প্রথম আমি সূর্যমুখী  ফুল চাস করলাম। এতে আমার তেমন কোন খরচ নেই বললেই চলে। কৃষি অফিস বীজ সার ও অন্যান্য খরচ বহন করেছে। আমি আশা করছি অন্যান্য ফসলের চেয়ে সূর্যমুখী ফুল চাষ লাভজনক হবে।কিন্তু বর্তমানে টিয়াপাখি ফুলের বীজ নষ্ট করছে। 

এ ব্যাপারে সিংগারবিল ইউনিয়ন কৃষি কর্মকর্তা হাদিউল ইসলাম সৃজনের সাথে কথা বলে জানা যায় বাবুল এলাহীকে কৃষি অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সকল প্রকার সহযোগীতা করা হয়। আগামীতে আমরা আরও বেশি কৃষক সমন্নয় করে সূর্যমুখী ফুলের চাষ বাড়াতে চাই। কিন্তু এই সূর্যমুখী ফুল বীজ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তেল ভাঙানোর তেমন মিলার নাই। সরিষার তেল ভাঙানোর মেশিন দিয়েই আপাতত তেল ভাঙানো হচ্ছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়