a
সংগৃহীত ছবি
কোভ্যাক্সের আওতায় মডার্নার ৩০ লাখ ডোজ কোভিড-১৯ টিকা সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ঢাকায় পৌঁছাবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এ নিয়ে কোভ্যাক্সের মাধ্যমে বাংলাদেশকে মডার্নার ৫০ লাখ ডোজ টিকা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
এই টিকাগুলো আজ সকালে এসে পৌঁছানোর কথা ছিল। তবে ফ্লাইটের শিডিউল পরিবর্তনের কারণে টিকা সন্ধ্যায় আসছে।
২২ জুন হোয়াইট হাউস করোনার টিকার বৈশ্বিক উদ্যোগ কোভ্যাক্সের মাধ্যমে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার ৮টি দেশের পাশাপাশি এশিয়ার ১৮টি দেশকে নতুন করে ১ কোটি ৬০ লাখ ডোজ টিকা দেওয়ার ঘোষণা করেছে।
এ ছাড়া বিশ্বের আরও ৩০টি দেশ ও জোটকে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি যে ১ কোটি ৪০ লাখ ডোজ টিকা দেবে, সেই তালিকায়ও রয়েছে বাংলাদেশের নাম।
গত ৩ জুন হোয়াইট হাউস আড়াই কোটি টিকা বণ্টনের ঘোষণা দিয়েছিল। তাতেও এশিয়ার দেশগুলোর জন্য ৭০ লাখ ডোজ টিকা যেসব দেশে দেওয়া হবে, তার মধ্যে বাংলাদেশকে রাখা হয়।
যুক্তরাষ্ট্র তার মজুত থেকে যে টিকা সরবরাহ করবে, তা হবে ফাইজার, মডার্না ও জনসন অ্যান্ড জনসনের উৎপাদিত। তবে জানা গেছে, মার্কিন খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের (এফডিএ) অনুমোদন পেলে অ্যাস্ট্রাজেনেকার উৎপাদিত করোনাভাইরাসের টিকাও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা আবারও বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ বাতাসের মানের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে।
সোমবার সকাল ৯টা ২০ মিনিটে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোরসহ ঢাকা সবচেয়ে দূষিত বায়ুর শহরগুলোর মধ্যে প্রথম স্থানের তালিকায় রয়েছে। এছাড়া ঢাকার বাতাসকে 'খুব অস্বাস্থ্যকর' হিসেবে শনাক্ত করা হয়।
ভারতের দিল্লি এবং চীনের বেইজিং তালিকার দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থান দখল করেছে। যার একিউআই স্কোর ২২১ এবং ১৮৭।
১৫১ থেকে ২০০ এর মধ্যে একিউআই স্কোরকে 'অস্বাস্থ্যকর' বলে মনে করা হয়। ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে থাকা একিউআই স্কোরকে 'খুব অস্বাস্থ্যকর' বলা হয়।
আর ৩০১ থেকে ৪০০ এর মধ্যে থাকা একিউআইকে 'ঝুঁকিপূর্ণ' বলে বিবেচিত হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করে।
একিউআই, দৈনিক বায়ুর গুণমান প্রতিবেদন করার জন্য একটি সূচক। একটি নির্দিষ্ট শহরের বায়ু কতটা পরিচ্ছন্ন বা দূষিত এবং কী সম্পর্কিত স্বাস্থ্য প্রভাব তাদের জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে তা মানুষকে জানায়।
বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের পাঁচটি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে, সেগুলো হলো- বস্তুকণা (পিএম ১০ ও পিএম ২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুসারে, বায়ু দূষণ বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর আনুমানিক ৭০ লাখ লোককে হত্যা করে। এছাড়া স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে মৃত্যুর হার বৃদ্ধি পায়।সূত্র : ইউএনবি
সংগৃহীত ছবি
মহামারি করোনাভাইরাসের টিকার যৌথ উৎপাদনে চীনা কোম্পানি আর অ্যান্ড ডি ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করবে বলে জানা গেছে।
চীনের ডেপুটি চিফ অব মিশন হুয়ালং ইয়ান মঙ্গলবার (৬ জুলাই) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বার্তায় এ তথ্য জানান।
এ বিষয়ে হুয়ালং ইয়ান লেখেন, চীনা ভ্যাকসিন আর অ্যান্ড ডি সংস্থা ভবিষ্যতে ভ্যাকসিন উৎপাদনে বাংলাদেশি অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করবে। চীন এ পর্যন্ত প্রায় ১০০টি দেশে ভ্যাকসিন সরবরাহ করেছে।
কোভ্যাক্সকে ১০ মিলিয়ন ডোজ ভ্যাকসিনের প্রথম ব্যাচ সরবরাহ করবে। চীন বহু উন্নয়নশীল দেশের সঙ্গে যৌথ গবেষণা ও উন্নয়ন ও সমবায় উৎপাদন পরিচালনা করেছে এবং তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিকাল ট্রায়াল পরিচালনায় বিদেশি দেশগুলোকে সহযোগিতা করার জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সমর্থন করেছে।
তিনি আরো বলেন, চীনা টিকা আন্তর্জাতিক মহলে বেশ সুনাম অর্জন করেছে।
প্রসঙ্গত, গত ২১ মে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপ করেন। সেদিন চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে করোনার টিকার যৌথ উৎপাদনে চীনা কোম্পানিগুলোকে উৎসাহিত করা হবে।