a
করোনাভাইরাস
গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ১৯৮ জন। এ নিয়ে করোনাভাইরাসে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ২৪ হাজার ৫৪৭ জন।
এদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছে ৭,৫৩৫ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনাভাইরাসে শনাক্তের সংখ্যা ১৪ লাখ ৩৩ হাজার ৩৯৬ জন।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে আরও জানানো হয়, গত ১ দিনে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ১২,৯৫০ জন করোনারোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৩ লাখ ১৪ হাজার ৯১৬ জন।
উল্লেখ্য, বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় ৩৮ হাজার ৮৮১ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৯ হাজার ২৭৮টি। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ১৮ শতাংশ।
সংগৃহীত ছবি
সুস্থতার জন্য সুষম খাবার খাওয়াটা জরুরি। অনেকে না বুঝে কম-বেশি খাবার খেয়ে শরীরকে রোগাক্রান্ত করে ফেলেন। সঠিক ডায়েট চার্ট অনুসরণ না করলে শরীর ভেঙে যায় এবং বাসা বাধে নানা রোগ ব্যাধি।
খাবার সঠিকভাবে না খেলে শারীরিক দুর্বলতা দেখা দেয়। সঠিক ঘুম হয় না। অবসাদ ক্লান্তি বাসা বাধে শরীরে। মেজাজ হয়ে উঠে খিটখিটে। এর প্রভাব পড়ে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনে।
শরীরে রোগ-ব্যাধি প্রতিরোধে সঠিক খাবার খাওয়াটা জরুরি। কিছু খাবার আছে যেগুলো নিয়মিত খাদ্য তালিকায় রাখলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
আমরা যা-ই খাই তা যদি শোষিত হয়ে শরীরের ক্ষয় পূরণ, রোগ প্রতিরোধ ও বৃদ্ধি সাধন করে তবেই তাকে খাদ্য বলে। ১০ ধরনের খাদ্য রোগ প্রতিরোধের জন্য যুদ্ধ করে। সে বিষয়ে নিচে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো।
* রুটি, ময়দা, আটা, চাপাতির মধ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন বি-৬ বা পাইরিডক্সিন আছে যা কিনা প্লিহা ও থাইমাস গ্রন্থির কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং অর্গান দুটি রোগ প্রতিরোধের জন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অন্য ‘বি’ ভিটামিনের গুরুত্বও আছে। ফলিক অ্যাসিড টাটকা শাকসবজিতে পাওয়া যায়, ভিটামিন বি-১২, লিভার, মাছ, ডিম, ছত্রাক ও শস্যজাতীয় খাদ্যের মধ্যে পাওয়া যায়।
* ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধ খাবার যা কিনা লালশাক, পুঁইশাক টাটকা শাকসবজিতে পাওয়া যায়। গাজর, আম, কলা, পেঁপে, রঙিন ফলেও ভিটামিন ‘এ’ বেশি থাকে। মলাঢেলা মাছ, গোশত, দুধ, ডিম তো আছেই। ভিটামিন ‘এ’-তে বিটাক্যারোটিন থাকে যা ত্বক ও মিউকাস মেমব্রেনের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে, রোগ প্রতিরোধ তন্ত্রের তীব্রতা বৃদ্ধি করে। অ্যান্টিবডি রেসপন্ডে সাহায্য করে, রাতকানা রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে ইত্যাদি।
* ঘি, দুগ্ধ ও দুগ্ধজাতীয় খাবারে প্রচুর ক্যালসিয়াম থাকে। এছাড়া শাকসবজি, মাছ, চীনাবাদাম ও ডালের মধ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে, যা ম্যাগনেসিয়ামের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ইমিউন কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এটা চর্বি কমাতে সাহায্য করে।
* চকলেট, আইসক্রিম, কোকো গুঁড়া করে তৈরি মন্ড, গোশত, ডিমের কুসুম, শিলমাছ, সুগন্ধী মসলা ইত্যাদি চমৎকারভাবে আয়রনের সঙ্গে যুক্ত হয়। শ্বেত রক্তকণিকার সমতা রক্ষা করে যা ইমিউনিটি সৃষ্টিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
* সামুদ্রিক মাছ, সামুদ্রিক খাদ্য, মুরগি, লিভার, ডিমের কুসুম শস্যজাতীয় খাবার, ইলিশ মাছ, মাছের তেল ইত্যাদির মধ্যে সেলেনিয়াম নামক খনিজ লবণ থাকে যা শ্বেত রক্তকণিকা ও ইমিউন এনজাইমের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে। এ তেলের মধ্যে ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। এরা রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
* ম্যাগনেসিয়াম- টাটকা শাকসবজি, চীনাবাদাম, সামুদ্রিক খাদ্য ও শস্যজাতীয় খাবারে ম্যাগনেসিয়াম থাকে। এগুলো ইমিউনিটির কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে।
* ভিটামিন ‘ই’ উদ্ভিদজাতীয় খাবার, শাকসবজি, ফলমূল, ভেষজ তেলে পাওয়া যায়। শিম, শিমের বিচি, চীনাবাদাম ইত্যাদি। এ ছাড়া প্রাণিজ খাদ্য, ডিম, ডিমের কুসুম, মাছ, গোশত ও দুধে থাকে। এগুলো শ্বেত রক্তকণিকার কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
* আমলকী, হরীতকী, পেঁপে, তরমুজ, বাঁধাকপি, টকজাতীয় লেবু, কমলালেবু, পেয়ারা ইত্যাদি। এগুলো কেমিক্যাল মেসেঞ্জার নাম্বার বৃদ্ধি করে। বিশেষ করে ইন্টারফেরন যা ইনফেকশনের প্রসেস প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
* জিংক: সবুজ শাকসবজি, ফলমূল, ডিম, গোশত, সেরিয়াল, চিংড়ি, সামুদ্রিক খাদ্যে জিংক প্রচুর পরিমাণে রয়েছে-যা ফ্রি রেডিক্যালের কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। জঞ্জাল কোষকে (জীবাণু ধ্বংস করার পর যেগুলোর মৃত্যু ঘটে) মুক্ত করতে সাহায্য করে। জিংক আমাদের শরীরের পুষ্টির জন্য একটি অতি প্রয়োজনীয় উপাদান। জিংক শরীরের বিভিন্ন এনজাইমের একটি অংশ এবং সব টিস্যুতেই এটি আছে।
* গ্রিন টি, শস্যজাতীয় খাদ্য, টাটকা শাকসবজি জাতীয় খাদ্যে মাংগানিজ থাকে, যা কিলার ইমিউন সেলের কার্য বৃদ্ধিতে সহায়তা করে
প্রতিদিন খেতে যা অভ্যাস করতে হবে: আঁশযুক্ত খাবার। টাটকা সবুজ শাকসবজি। কলা, লেবু, টমেটো ও শসা। পেঁয়াজ, রসুন, কালিজিরা। সামুদ্রিক মাছ। তথ্যসূত্র: যুগান্তর
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সাইফুল আলম, ঢাকা: ব্রুনাই শ্রমবাজারের সংকট ও সিন্ডিকেট দুর্নীতির বিরুদ্ধে জরুরী সংবাদ সম্মেলন করে ব্রুনাই রিক্রুটমেন্ট এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন। ব্রুনাই রিক্রুটমেন্ট এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন -এর পক্ষ থেকে আজ ২৪-৬-২৫ ইং তারিখ সকাল ১১:০০ ঘটিকায় রিপোর্টার্স ইউনিটি ঢাকায় এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে লিখিত মূল বক্তব্য পাঠ করেন “ব্রুনাই রিক্রুটমেন্ট এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন” এর সভাপতি জনাব ইকরাম চৌধুরী। উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তর প্রদান করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক জনাব লায়ন দেলোয়ার চৌধুরী, সাংগঠনিক ও আইন সম্পর্কিত সম্পাদক মোঃ নূরুল আলম। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন বায়রা, আটাব ও হাবের অন্যতম নেতা লায়ন্সের প্রাক্তন কাউন্সিল চেয়ারপার্সন ও জেলা গভর্নর লায়ন এম এ রশিদ শাহ সম্রাট ও সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক বিল্লাল হোসেন রনি, অর্থ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম।
উক্ত সম্মেলনের মূল বক্তব্য তারা বলেন, আমরা বায়রা সদস্যরা অতি কষ্টে “ব্রুনাই শ্রমবাজার” এর বাংলাদেশী শ্রমিকদের একটি বাজার সম্প্রসারণ করতে সক্ষম হয়েছিলাম। দুঃখের বিষয় এই যে, হঠাৎ ব্রুনাই এ অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তা ও বাংলাদেশ এর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এর যোগসাজসে দুর্নীতির মাধ্যমে কালো টাকা আত্নসাতের জন্য কৌশলে বায়রা সদস্যদের মৌলিক অধিকার হরণ করে একমাত্র সরকারী প্রতিষ্ঠান “বোয়েসেল” এর মাধ্যমে ব্রুনাই দারুসসালামে কর্মী প্রেরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। যার ফলে আমরা যারা ব্রুনাই দারুসসালামে বাংলাদেশ থেকে কর্মী প্রেরণ করতাম তারা মারাত্মক ক্ষতির সম্মুক্ষীন হই।
আমাদের অফিস কর্মচারীসহ আমরা পরিবার নিয়ে অত্যন্ত মানবেতর জীবন যাপনে বাধ্য হই। এটি বায়রা সদস্যদের মৌলিক অধিকার হরণের সামিল। এই সিদ্ধান্ত বাতিলের জন্য এবং বোয়েসেলের পাশাপাশি আমরা যারা বায়রা সদস্য আছি তাদেরকেও ব্রুনাই দারুসসালামে শ্রমিক প্রেরণের অনুমতি প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা, সচিব, বিএমইটির ডিজি মহোদয়ের সাথে দেখা করে আমাদের দাবী উত্থাপন করেও অদ্যাবদি কোন সুবিচার পাইনি।
এই দিকে ব্রুনাই দারুসালাম এ প্রচুর কর্মীর চাহিদার বিপরীতে “বোয়েসেল” মাত্র ২% শ্রমিক প্রেরণে সক্ষম হয়। এমতাবস্থায়, ব্রুনাই দারুসসালামের সুন্দর বাজারটি বোয়েসেলের গদাই লস্করী সরকারী ব্যবস্থাপনার জন্য হাতছাড়া হয়ে বাংলাদেশ হারাতে যাচ্ছে রেমিটেন্স। দেশ ও জাতির কল্যাণে ও স্বার্থে এই অচলাবস্থা নিরসনে সরকারী আমলাতন্ত্রের বিরুদ্ধে “ব্রুনাই রিক্রুটমেন্ট এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন (BRAA)” এর পক্ষ থেকে দেশ ও জাতিকে বিষয়টি মিডিয়ার মাধ্যমে অবহিত করনের লক্ষ্যে আমাদের এই সংবাদ সম্মেলন। আমাদের জনশক্তি কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যোগসাজসে ব্রুনাই দারুসসালাম এ বোয়েসেল একতরফাভাবে শ্রমশক্তি রপ্তানীতে জড়িত হয়ে আমাদেরকে যে কারনে রিক্রুটিং লাইসেন্স দেয়া হলো তা অস্বীকার করে সরকার নিজেই ব্যবস্থা শুরু করে আমাদের মৌলিক অধিকার হরণ করেছে।
এমতাবস্থায়, বিষয়টি জনগুরুত্ব ও দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্টতার প্রশ্নে বিবেচনা করে দেশবাসীর কাছে তা তুলে ধরার জন্য সকল মিডিয়ার কাছে বিনীত আবেদন করছি।