a করোনা প্রতিরোধে খাবার বড়ি ও স্প্রের দিকে ঝুঁকছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
ঢাকা শনিবার, ১৫ ভাদ্র ১৪৩২, ৩০ আগষ্ট, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

করোনা প্রতিরোধে খাবার বড়ি ও স্প্রের দিকে ঝুঁকছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর, ২০২১, ০৮:৫১
করোনা প্রতিরোধে খাবার বড়ি ও স্প্রের দিকে ঝুঁকছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

ফাইল ছবি: বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথন

করোনাভাইরাসের টিকা যাতে নাকে স্প্রে করার মাধ্যমে ও মুখে খাওয়ার বড়ি হিসেবে ব্যবহার করা যায়, সে দিকেই এখন নজর দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

এমনটিই গত মঙ্গলবার জানিয়েছেন সংস্থাটির প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথন। তাঁর মতে, তাঁর নজর এখন করোনা টিকার ‘দ্বিতীয় প্রজন্ম’-এর দিকে, যা নাকে স্প্রে আকারে এবং মুখে বড়ি হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।

তিনি বলেন, করোনার এই জাতীয় টিকাগুলো সহজে সরবরাহ ও সংরক্ষণ করা যাবে। তিনি আরও বলেন, ইতিমধ্যে ১২৯টি প্রতিষ্ঠানের দ্বিতীয় প্রজন্মের এ টিকা ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল (মানবদেহে পরীক্ষা) রয়েছে। আরও ১৯৪ প্রতিষ্ঠান এ ধরনের টিকার উন্নয়ন ঘটাচ্ছে ও পরীক্ষাগারে ট্রায়াল দিচ্ছে।

সৌম্য স্বামীনাথন আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি নিশ্চিত যে এসবের মধ্যে কিছু প্রতিষ্ঠানের টিকা বেশ নিরাপদ ও কার্যকর হিসেবে প্রমাণিত হবে। ফলে আমরা শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে কার্যকর টিকাটি বেছে নিতে পারব।’

তিনি বলেন, যদি দ্বিতীয় প্রজন্মের টিকা তৈরির প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত প্ল্যাটফর্মগুলো করোনার টিকা তৈরিতে ব্যর্থও হয়, তাতে কোনো সমস্যা নেই। কারণ, এসব প্ল্যাটফর্ম ভবিষ্যতে অন্যান্য সংক্রমণ প্রতিরোধে ব্যবহার করা যেতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ পর্যন্ত ৭টি প্রতিষ্ঠানকে জরুরি ভিত্তিতে করোনার টিকা (ইনজেকশন) ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো ফাইজার-বায়োএনটেক, মডার্না, অ্যাস্ট্রাজেনেকা, জনসন অ্যান্ড জনসন, সিনোফার্ম, সিনোভ্যাক এবং ভারত বায়োটেক।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

"বিনামূল্যে থ‍্যালাসেমিয়া টেস্ট" কর্মসূচি জবি বাঁধন


মুন্না শেখ, জবি প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৫, ১০:১৮
বিনামূল্যে থ‍্যালাসেমিয়া টেস্ট কর্মসূচি জবি বাঁধন

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

মুন্না শেখ, জবি প্রতিনিধি: ২২ এপ্রিল ২০২৫ মঙ্গলবার, "বাঁধন" জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিট এর আতিথেয়তায় বিনামূল্যে ১০০ জনের থ‍্যালাসেমিয়া টেস্ট করালো BioTed, সহযোগিতায় Base Care Foundation Bangladesh এবং GenX Health. 

Thalassamia Awareness & Screening Campaign এ উপস্থিত ছিলেন মাননীয় ভিসি অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম পিএইচডি, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমিন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তাজাম্মুল হক, অন্যান্য শিক্ষক, কর্মকর্তা,  কর্মচারি এবং BioTED এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ড. মোহাম্মদ সওগাতুল ইসলাম। 

উপস্থিত বক্তব্যে মাননীয় ভিসি অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম পিএইচডি বলেন "এটা একটা মহাৎ উদ্যোগ নিয়েছে বাঁধন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিট। তিনি আরও বলেন থ্যালাসেমিয়া রোগ সম্পর্কে মানুষকে আরও সচেতন করা উচিত। বিশেষ করে তরুণ তরুণী এবং যুবকদেরকে"B ioTED এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ড. সওগাতুল ইসলাম বলেন "আমরা এই রোগটা নিয়ে কাজ করছি বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কিন্তু জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের লিস্টে ছিলো না৷ জবির বাঁধন ইউনিটের বর্তমান সভাপতি উম্মে  মাবুদা ও সাধারণ সম্পাদক তাসনিমুল হাসান নিশাদ আমাদের কে বলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে এটা নিয়ে কাজ করার জন্য। তখন আমরা উদ্যোগ নি। এবং আজকে ১০০ জনের ফ্রি টেস্ট করা হবে। 

তিনি বলেন থ্যালাসেমিয়ার কারণে মানবদেহে রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরির ক্ষমতা কমে যায়, রোগী অ্যানিমিয়ায় আক্রান্ত হয়। একসময় রক্তস্বল্পতায় রোগী মারা যায়।
সমীক্ষায় দেখা গেছে বাংল দেশের প্রায় ১১% মানুষ থ‍্যালাসেমিয়ার বাহক। স্বামী-স্ত্রী দু'জনই থ্যালাসেমিয়ার বাহক হলে সন্তান থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বহুগুণে বেড়ে যায়। তাই থ‍্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে বিয়ের আগে স্বামী-স্ত্রীর থ‍্যালাসেমিয়া টেস্ট করা অত‍্যন্ত জরুরি" 'নিজে সচেতন হই, অন‍্যকে সচেতন করি'

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

গুগল-ফেসবুকের বকেয়া আদায়ের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২১, ০৬:৫৭
গুগল-ফেসবুকের বকেয়া আদায়ের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট

ফাইল ছবি

সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগল, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, ইউটিউব, ইয়াহু, অ্যামাজনসহ অন্যান্য ইন্টারনেটভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বকেয়াসহ সব ধরনের রাজস্ব আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি এসব প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

গত বছরের ৮ নভেম্বর দেওয়া হাইকোর্টের এই রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে প্রকাশ করা হয়েছে। রায়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) এ নির্দেশ প্রতিপালন করতে বলা হয়েছে।

বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল এবং বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দিয়েছিলেন।

আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব। তার সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কাওছার, ব্যারিস্টার মো. মাজেদুল কাদের, ব্যারিস্টার মোজাম্মেল হক ও ব্যারিস্টার সাজ্জাদুল ইসলাম।

২০১৮ সালে একটি পত্রিকার প্রতিবেদন সংযুক্ত করে ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়ার বিভিন্ন ঘটনা তুলে ধরেন ব্যারিস্টার মো. হুমায়ন কবির পল্লব, ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কাওছার, ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মাজেদুল কাদের, ব্যারিস্টার মো. সাজ্জাদুল ইসলামসহ ছয় জন আইনজীবী। তারা জনস্বার্থে রিট পিটিশনটি করেছিলেন। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - স্বাস্থ্য