a ফাইজার-অক্সফোর্ডের টিকা ৩ মাসেই অ্যান্টিবডির মাত্রা কমতে পারে: গবেষণা
ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ মাঘ ১৪৩২, ১০ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ফাইজার-অক্সফোর্ডের টিকা ৩ মাসেই অ্যান্টিবডির মাত্রা কমতে পারে: গবেষণা


স্বাস্থ্য ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ২৮ জুলাই, ২০২১, ০৭:১৭
ফাইজার-অক্সফোর্ডের টিকা ৩ মাসেই অ্যান্টিবডির মাত্রা কমতে পারে: গবেষণা

সংগৃহীত ছবি

ফাইজার বায়োএনটেক ও অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার উদ্ভাবিত করোনাভাইরাসের পূর্ণ ডোজ টিকা নেওয়ার দুই থেকে তিন মাস পর থেকে শরীরের অ্যান্টবডির মাত্রা কমে আসতে পারে। এমনকি অ্যান্টিবডির মাত্রা ৫০ শতাংশ কমে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।

সম্প্রতি জনপ্রিয় গবেষণা সাময়িকী দ্য ল্যানসেট জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণার ফলাফলে এসব তথ্য উঠে এসেছে। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে জি নিউজ।

জানা যায়, এ হারে অ্যান্টিবডির মাত্রা কমে যেতে থাকলে টিকার প্রভাব কমে যেতে পারে এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে নতুন ভ্যারিয়েন্টগুলোর বিরুদ্ধে কেমন প্রভাব রাখবে তা নিয়েই উদ্বেগ বেশি। কতো দ্রুত এমনটা হবে তা এখনই আন্দাজ করে বলা কঠিন।

গবেষণাটিতে আরও উঠে এসেছে, দুই ডোজ নেওয়ার পর অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার তুলনায় ফাইজারের টিকায় মানবদেহে অধিক পরিমাণ অ্যান্টিবডির মাত্রা লক্ষ্য করা গেছে।

১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী ৬০০ জন মানুষের থেকে সংগৃহীত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে গবেষণাটি পরিচালনা করা হয়েছে। অংশগ্রহণকারীদের বয়স, গুরুতর অসুস্থতা ও লিঙ্গভেদে গবেষণার ফলাফল একই ছিল বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।

গবেষকরা দাবি করছেন, অ্যান্টিবডির মাত্রা কমে আসা কেমন ভূমিকা রাখতে পারে তা এখনো নিশ্চিত নয়। ফাইজারের টিকার ক্ষেত্রে ২১-৪১ দিনের মধ্যে অ্যাটিবডির মাত্রা প্রতি মিলিলিটারে ৭৫০৬ ইউনিট করে কমতে থাকে, ৭০ দিন বা এর বেশি সময়ের মধ্যে প্রতি মিলিমিটারে ৩৩২০ ইউনিট করে কমে।

অন্যদিকে, অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকায় প্রথম ২০ দিনের মধ্যে অ্যান্টিবডির মাত্রা প্রতি মিলিলিটারে ১২০১ ইউনিট হ্রাস পায়, ৭০ বা তার বেশি দিনের মধ্যে এ পরিমাণ প্রতি মিলিলিটারে ১৯০ ইউনিট। অর্থাৎ প্রায় ৫ গুণ কমে যায়। সূত্র: ইত্তেফাক
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

চীন টিকা উৎপাদনে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করবে


স্বাস্থ্য ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ০৬ জুলাই, ২০২১, ০৫:৪৯
চীন টিকা উৎপাদনে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করবে

সংগৃহীত ছবি

মহামারি করোনাভাইরাসের টিকার যৌথ উৎপাদনে চীনা কোম্পানি আর অ্যান্ড ডি ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করবে বলে জানা গেছে।

চীনের ডেপুটি চিফ অব মিশন হুয়ালং ইয়ান মঙ্গলবার (৬ জুলাই) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বার্তায় এ তথ্য জানান। 
 
এ বিষয়ে হুয়ালং ইয়ান লেখেন, চীনা ভ্যাকসিন আর অ্যান্ড ডি সংস্থা ভবিষ্যতে ভ্যাকসিন উৎপাদনে বাংলাদেশি অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করবে। চীন এ পর্যন্ত প্রায় ১০০টি দেশে ভ্যাকসিন সরবরাহ করেছে। 

কোভ্যাক্সকে ১০ মিলিয়ন ডোজ ভ্যাকসিনের প্রথম ব্যাচ সরবরাহ করবে। চীন বহু উন্নয়নশীল দেশের সঙ্গে যৌথ গবেষণা ও উন্নয়ন ও সমবায় উৎপাদন পরিচালনা করেছে এবং তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিকাল ট্রায়াল পরিচালনায় বিদেশি দেশগুলোকে সহযোগিতা করার জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সমর্থন করেছে।

তিনি আরো বলেন, চীনা টিকা আন্তর্জাতিক মহলে বেশ সুনাম অর্জন করেছে।

প্রসঙ্গত, গত ২১ মে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মো‌মে‌নের স‌ঙ্গে টে‌লি‌ফো‌নে আলাপ করেন। সেদিন চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে করোনার টিকার যৌথ উৎপাদনে চীনা কোম্পানিগুলোকে উৎসাহিত করা হবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ব্রিটেনের সবচেয়ে বড় যুদ্ধজাহাজ বিকল হয়ে গেছে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ২৯ আগষ্ট, ২০২২, ০৭:০২
ব্রিটেনের সবচেয়ে বড় যুদ্ধজাহাজ বিকল হয়ে গেছে

ফাইল ছবি: রয়্যাল নেভি এয়ারক্রাফ্ট ক্যারিয়ার এইচএমএস প্রিন্স অব ওয়েলস

যুক্তরাষ্ট্রের যাওয়ার পথে বিকল হয়ে গেছে যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে বড় যুদ্ধজাহাজ হিসেবে খ্যাত রয়্যাল নেভি এয়ারক্রাফ্ট ক্যারিয়ার এইচএমএস প্রিন্স অব ওয়েলস। সোমবার ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

তিন বিলিয়ন পাউন্ডের যুদ্ধজাহাজটি পোর্টসমাউথ থেকে ‘ল্যান্ডমার্ক’ এভিয়েশন ট্রায়াল মিশনে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। যাত্রার একদিন পর বিকল হয়ে যায় রয়্যাল নেভি এয়ারক্রাফ্ট ক্যারিয়ার এইচএমএস প্রিন্স অব ওয়েলস।

রয়্যাল নেভির এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, যুদ্ধজাহাজটি আইল অব উইটের কাছে দক্ষিণ উপকূল অনুশীলন এলাকায় রয়ে গেছে। কারণ রয়্যাল নেভি ‘হঠাৎ সৃষ্টি হওয়া যান্ত্রিক ত্রুটির বিষয়টি তদন্ত’ করছে। পূর্বের প্রযুক্তিগত সমস্যাটি যান্ত্রিক সমস্যার সাথে সম্পর্কিত ছিল কিনা তা নিশ্চিত করতে পারেনি।

ব্রিটেনের সবচেয়ে বড় যুদ্ধজাহাজ ও ন্যাটোর ফ্ল্যাগশিপ ক্যারিয়ার এইচএমএস প্রিন্স অব ওয়েলসের এর আগেও কয়েকবার সমস্যায় পতিত হওয়ার ইতিহাস আছে। এর আগে ২০২০ সালের শেষের দিকে পোর্টসমাউথের ইঞ্জিন রুমে পানি ঢুকে বৈদ্যুতিক সমস্যার কারণে বিকল হয়ে পড়ে জাহাজটি। সূত্র: বিবিসি/বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - স্বাস্থ্য