a
ছবি সংগৃহীত
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা শহরসহ দেশের অনেক জায়গায় বৃষ্টির পরও বিশ্বের ১০০ শহরের মধ্যে আজ সকাল ৯টায় বায়ুদূষণে ঢাকার অবস্থান শীর্ষে। আইকিউএয়ারের (এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স) বাতাসের মানসূচকে ঢাকার স্কোর ৩২৩। এ স্কোরকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ধরা হয়।
গতকাল বুধবার সকালে ঢাকার অবস্থান দ্বিতীয় ছিল, স্কোর ছিল ২২১। আজ বিশ্বে বায়ুদূষণে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ঘানার আক্রা। এ শহরের স্কোর ১৯৭। আর ১৭৬ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে নেপালের কাঠমান্ডু।
আইকিউএয়ারের দেওয়া আজকের তালিকায় বলা হয়েছে, ঢাকার বাতাসে অতিক্ষুদ্র বস্তুকণাই (পিএম ২.৫) দূষণের প্রধান উৎস। আজ ঢাকার বাতাসে যতটা এই বস্তুকণা আছে, তা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মানদণ্ডের চেয়ে ৩৪ গুণের বেশি। সূত্র: প্রথম আলো
ফাইল ছবি
ডেঙ্গু এখন নীরব ঘাতক। উপসর্গ ও লক্ষণ আছে, কিন্তু পরীক্ষায় নেগেটিভ রিপোর্ট আসছে। এরপর দেখা যায় অবহেলা করে আর চিকিৎসকের কাছে যায় না রোগী। কিন্তু ধীরে ধীরে প্লাটিলেট কমে যাওয়ায় নানা জটিলতা শুরু হয়। এক পর্যায়ে রোগী হাঁটতে পারে না, বিছানায় পড়ে যায়। তখন তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু ততক্ষণে তার শরীরে ডেঙ্গু নীরব ঘাতকের মতো সিংহভাগ ক্ষতি করে ফেলে। বিলম্বে আসার কারণে চিকিৎসক শত চেষ্টা করেও অনেক রোগীকে বাঁচাতে পারে না।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলেন, রিপোর্ট নেগেটিভ হলেও ডেঙ্গুর লক্ষণ ও উপসর্গ থাকলে অবশ্যই চিকিৎসাসেবা নিতে হবে। উপসর্গ দেখে বাসায় থেকেই চিকিৎসা ব্যবস্থা নেওয়া যায়, হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন নেই।
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা শিশু হাসপাতাল, ডেঙ্গু ডেডিকেটেড হাসপাতাল ও মুগদা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলেছেন, ডেঙ্গু রোগী মৃত্যুর অন্যতম কারণ বিলম্বে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা। হাসপাতালের চিকিৎসকরাও একই অভিমত প্রকাশ করেছেন। শিশু ও নারীরা ডেঙ্গুতে বেশি মারা যাচ্ছে। কারণ তারা চিকিৎসাসেবা নিতে অবহেলা করছে, বিলম্বে হাসপাতালে আসছে।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলেন, রিপোর্ট যাই আসুক, লক্ষণ ও উপসর্গ থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
ভয়ংকর হয়ে ওঠা ডেঙ্গুর প্রকোপের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মোট সংখ্যায় অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। গত একদিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ২ হাজার ১৯৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাতে দেশে মোট ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ১৯১ জনে। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর এই সংখ্যা এযাবতকালে সর্বোচ্চ। সূত্র: ইত্তেফাক
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার চূড়ান্ত আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। চূড়ান্ত আবেদন প্রক্রিয়ায় জমা পড়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার ৬৪৬টি আবেদনপত্র। এবারের ভর্তি পরীক্ষায় ৪ হাজার ১৭৩ সিটের বিপরীতে প্রতি আসনে লড়বেন প্রায় ৩১ জন ভর্তিচ্ছু।
আজ বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য ও প্রযুক্তি সেন্টারের পরিচালক ড. বাবুল ইসলাম। তিনি জানান, গত ৩১ মার্চ রাত ১২টা পর্যন্ত মোট তিনটি ইউনিটে চূড়ান্ত আবেদন পড়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার ৬৪৬টি। এর মধ্যে এ-ইউনিটে ৪৩ হাজার ৫৫৮, বি-ইউনিটে ৩৯ হাজার ৮৯৫ এবং সি-ইউনিটে ৪৪ হাজার ১৯৪টি আবেদন পড়েছে। যা নির্ধারিত মোট আবেদন সংখ্যা থেকে ৭ হাজার ৩৫৪টি কম। কেননা এবার রাবিতে তিন ইউনিটে ৪৫ হাজার করে মোট ১ লাখ ৩৫ হাজার ভর্তিচ্ছুর আবেদনের সুযোগ ছিল।
তথ্য ও প্রযুক্তি সেন্টারের পরিচালক আরও জানান, চূড়ান্ত আবেদন করা ভর্তিচ্ছুদের নতুন করে আর কোনো আবেদনের সুযোগ থাকছে না। সকল ভর্তিচ্ছুকে অবশ্যই ২ এপ্রিলের মধ্যে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে হবে।
এই ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ১৪ জুন। তিন শিফটে চলা এই পরীক্ষা শেষ হবে ১৬ জুন। বহুনির্বাচনি পদ্ধতিতে হওয়া এবারের ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্ন থাকবে মোট ৮০টি। প্রতিটি প্রশ্নের মান ১.২৫ করে মোট ১০০ নম্বর নির্ধারিত হবে। প্রতি পাঁচটি ভুল উত্তরের জন্য কাটা যাবে ১ নম্বর। তাছাড়া ভর্তি পরীক্ষায় থাকছে না কোনো জিপিএ নম্বর।