a
ফাইল ছবি: শাহ মাহমুদ কুরেশি
ইমরান খানের পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) দলের ভাইস চেয়ারম্যান এবং দেশটির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশিকে ইসলামাবাদে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের খবর পিটিআই-এর টুইটার অ্যাকাউন্টে নিশ্চিত করা হয়।
পিটিআইয়ের টুইটারে বলা হয়, ‘পিটিআই ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মাহমুদ কুরেশিকে আবারও অবৈধভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে ইসলামাবাদের বাসভবন থেকে পুলিশের একটি বড় দল এসে হেফাজতে নিয়ে যায়।’
পিটিআই জানিয়েছে, কুরেশিকে ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
পিটিআইয়ের সাধারণ সম্পাদক ওমর আইয়ুবের মতে, কুরেশি একটি সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য শেষে যখন বাড়ি পৌঁছান তখনই তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়। বক্তৃতায় তিনি দলের মধ্যে বিভক্তির খবর অস্বীকার করে ঘোষণা করেছিলেন যে তারা সাধারণ নির্বাচন দেরি হওয়ার কারণে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করবেন।
এর আগে ১১ মে ইসলামাবাদ পুলিশ তাকে হিংসাত্মক বিক্ষোভে উসকানি দেওয়াসহ একাধিক অভিযোগে হেফাজতে নিয়েছিল। পরে ১৮ মে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মুক্তির নির্দেশ দেয়।
এরপর ২৩ মে তারিখে কুরেশিকে মুক্ত করা হলে রাওয়ালপিন্ডির ডেপুটি কমিশনার তার আটকের আদেশ জারি করে। তখন তাকে আবার আদিয়ালা জেলের বাইরে থেকে পাঞ্জাব পুলিশ হেফাজতে নিয়ে যায়।
লাহোর হাইকোর্টের রাওয়ালপিন্ডি বেঞ্চ তার অবিলম্বে মুক্তির আদেশ দেওয়ার পর এবং তার আটকের আদেশ বাতিল করার পর অবশেষে ৬ জুন তাকে মুক্তি দিয়েছিল। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ফটো:
দখলদার ইসরাইল ফিলিস্তিনের জেরুজালেম ও পশ্চিমতীরে বেপরোয়া আগ্রাসন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে জাতিসংঘ। ফিলিস্তিনে কর্মরত জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক সংস্থা কো-অর্ডিনেশন অব হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ারস আন দ্যা প্যালেস্টাইন টেরিটরিসের (ওসিএইচএ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করে।
এতে বলা হয়, ২০০৯ সাল থেকে ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর থেকে উচ্ছেদ করে তাদের ভিটেমাটি দখল করার আগ্রাসন শুরুর পর থেকে শুধু এ বছর তাদের জবরদখল বেড়েছে ৬৫ শতাংশ।
পশ্চিমতীর ও জেরুজালেমে এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে ১৫৩ ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর ও স্থাপনা ধ্বংস করে ফেলে ইসরাইল। পাশাপাশি ফিলিস্তিনিদের তাদের বাড়িঘর থেকে জোর করে রাস্তায় বের করে দিচ্ছে। তাদের পক্ষে কোন বাধা দিলে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা হত্যা করা হয়।
এসব এলাকায় নারী ও শিশুদের নিয়ে প্রচণ্ড শীতে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি পরিবারগুলো।
দখলদার ইসরাইল আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি উপেক্ষা করে এসব জায়গাগুলোতে বাড়িঘর থেকে গত মাসে ১২৭ শিশুসহ ৩০৫ ফিলিস্তিনিকে বাস্তুচ্যুত করেছে।
ফাইল ছবি । বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
জাতীয় শোক দিবস ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে তার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর কিছুক্ষণ নিরবে দাঁড়িয়ে থাকেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় বিউগলে বাজানো হয় করুণ সুর। এরপর বঙ্গবন্ধুসহ ১৫ আগস্টের নিহতদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু ভবনের ভেতরে যান। সেখানে বেশ কিছুক্ষণ অবস্থান করেন। পরে প্রধানমন্ত্রী বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্টে নিহত বঙ্গবন্ধুর পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
১৯৭৫ সালের এই দিনে ঘাতকরা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
জাতির পিতার সহধর্মিণী বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিব, তিন পুত্র- বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন শেখ কামাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা লেফটেন্যান্ট শেখ জামাল, দশ বছরের শিশুপুত্র শেখ রাসেল, পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল, বঙ্গবন্ধুর সহোদর শেখ আবু নাসের, কৃষকনেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, যুবনেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ ফজলুল হক মণি ও তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মণি, বেবী সেরনিয়াবাত, আরিফ সেরনিয়াবাত, সাংবাদিক শহিদ সেরনিয়াবাত, সুকান্ত বাবু, আব্দুল নঈম খান রিন্টুসহ পরিবারের ১৮ জন সদস্যকে হত্যা করে ঘাতকরা।
রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিল, কর্তব্যরত পুলিশের বিশেষ শাখার এএসআই সিদ্দিকুর রহমান, সেনা সদস্য সৈয়দ মাহবুবুল হকও এদিন নিহত হন। ঘাতকদের কামানের গোলার আঘাতে মোহাম্মদপুরে একটি পরিবারের বেশ কয়েক ব্যক্তি হতাহত হয়েছিলেন।