a
ফাইল ছবি
সরকারি ও বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর মহাখালীতে পুরাতন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষ এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।
মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির জন্য ৪ হাজার ২৩০ জন ভর্তিচ্ছু নির্বাচিত হন। মােট ৭৯ হাজার ৩৩৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। পাসের হার ৫৫ দশমিক ১৩ শতাংশ। সরকারি মেডিকেলে ভর্তির যোগ্যতায় মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় বেশি এগিয়ে আছে।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোশিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) সভাপতি অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হাসান।
মেডিক্যাল ভর্তি ফলাফল যেভাবে জানা যাবে:
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট https://result.dghs.gov.bd/mbbs ব্রাউজ করে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মেধাতালিকার পিডিএফ কপি সংগ্রহ করা যাবে। মেডিক্যাল ভর্তি ফলাফল প্রকাশের পর ভর্তি আবেদনে দেওয়া মোবাইল নম্বরে এসএমএস এর মাধ্যমে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হবে।
২০২২ সালের মেডিক্যাল ভর্তিতে সারাদেশে ১৯টি কেন্দ্রের ৫৭টি ভেন্যুতে একযোগে ১ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে ১১টা ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
এবার ভর্তি পরীক্ষায় ১ লাখ ৩৯ হাজার ৭৪০ জন অংশগ্রহণ করে। যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশী। বরাবরে মত এবারও ১০০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নপত্রে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়। এমবিবিএস পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪০। পাসকৃতদের মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সূত্র: ইত্তেফাক
করোনাভাইরাস
গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ১০১ জন। এ নিয়ে করোনাভাইরাসে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ১১ হাজার ৫৩ জন।
এদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছে ২৯২২ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনাভাইরাসে শনাক্তের সংখ্যা ৭ লাখ ৪৫ হাজার ৩২২ জন।
আজ রবিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে আরও জানানো হয়, গত ১ দিনে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ৪৩০১ জন করোনারোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ৬ লাখ ৫৭ হাজার ৪৫২ জন করোনারোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন।
ফাইল ছবি
মিয়ানমারে ক্ষমতাসীন জান্তা সরকার বিরোধী বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে গতকাল শুক্রবার রাতভর অভিযান পরিচালনা করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। এসময় নির্বিচারে গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৬০ জন। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা।
জানা যায়, ভুক্তভোগী পরিবার বা স্থানীয়রা নিহত সব মরদেহ সংগ্রহ করার সংগ্রহ করতে পারেননি। মরদেহগুলো বেশিরভাগ নিরাপত্তা বাহিনী সদস্যরা নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিক্ষোভকারীদের দমন করতে জান্তা বাহিনী বন্দুকের পাশাপাশি মেশিনগানের গুলি, গ্রেনেড এবং মর্টার ব্যবহার করেছে।
এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, আমাদের এলাকার লোকজন জানত তাদের লোকজন আসবে এবং এর জন্য রাতভর অপেক্ষা করছিল কিন্তু তাদের অনেকে ফিরে আসেননি। সেনারা ভারী অস্ত্র ব্যবহার করেছে। আমরা মর্টার শেলও পেয়েছি। মেশিরগান থেকে প্রচুর গুলি করা হয়েছে। তাজা গুলির পাশাপাশি জান্তা বাহিনী গ্রেনেড লঞ্চার ব্যবহার করছিল বলে জানা যায়।
আরেক প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, রাস্তা ফাঁকা করতে সাধারণ পথচারীদের দিকেও গুলি করেছে জান্তা বাহিনী।
অপর আরেক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, তারা রাত ৮টা পর্যন্ত মাত্র তিনটি মরদেহ সংগ্রহ করতে পেরেছেন। বাকিগুলো সেনারা নিয়ে গিয়ে জেয়ামুনি প্যাগোডা এবং কাছাকাছি একটি স্কুলে স্তুুপ করেছে।