a
ফাইল ছবি
দেশে এক দিনে ডেঙ্গুতে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে রেকর্ড ৭১২ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম এ তথ্য জানিয়েছে।
শনিবার বিকেলে পাঠানো কন্ট্রোল রুমের সর্বশেষ তথ্যে বলা হয়েছে, গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৭১২ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ বছর একদিনে এত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হতে দেখা যায়নি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুয়াযী, এ বছর ২০ হাজার ২৩৫ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং ডেঙ্গুতে ৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ১৪০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনা শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৫ লাখ ৮৯ হাজার ৯৪৭ জন। গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে মারা গেছেন ৭ জন। এ নিয়ে দেশে করোনায় ২৮ হাজার ৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনা বিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা পরীক্ষা হয় ২৩ হাজার ৪৩৫ জনের। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৪ দশমিক ৮৬ শতাংশ।
গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১৯৬ জন। এ নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৫০ হাজার ৩৬৪ জন।
গতকাল বুধবার দেশে করোনায় ৩ জনের মৃত্যু হয় এবং শনাক্ত হন ৮৯২ জন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় টেউ মোকাবিলায় জনগণকে সম্পৃক্ত করতে ‘সর্বদলীয় কমিটি’ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ প্রস্তাব করেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমরা আবারও প্রস্তাব রাখছি, এখনও সময়ে আছে সর্বদলীয় কমিটি গঠন করে জনগণকে সম্পৃক্ত করুন। তাহলেই শুধুমাত্র এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হবে। একটা কথা আমরা জোর দিয়ে বলতে চাই, বিশাল চ্যালেঞ্জ তা জনগণের সম্পৃক্ততা ছাড়া মোকাবিলা করা সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, আমরা আগেও বলেছি জনগণকে সম্পৃক্ত করতে হলে রাজনৈতিক দল, সংগঠন, ব্যক্তি সব স্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। মানুষকে করোনার ভয়াবহতা সম্পর্কে ধারণা দিতে হবে। আসুন আমরা জাতীয় ঐক্যমতের ভিত্তিতে এই সঙ্কট মোকাবিলায় উদ্যোগ গ্রহণ করি। মানুষ বাঁচাই, দেশ বাঁচাই।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, এখন সবচেয়ে বড় প্রয়োজন মানুষের জীবন ও জীবিকা রক্ষা করা। সরকারের প্রতি আমাদের আহ্বান প্রতিটি ইনফরম্যাল সেক্টরের সঙ্গে যারা উদ্যোক্তা আছেন, তাদেরকে যথেষ্ট পরিমাণ প্রণোদনা দিতে হবে।
শপিংমল, দোকান ও শিল্প কলকারখানার শ্রমিকদের ভাতা প্রদান করতে হবে। যতো দিন করোনা পরিস্থিতি থাকবে বিশেষ করে লকডাউন থাকবে, ততদিন তাদেরকে ভাতা দিতে হবে। যারা একেবারে দিন আনে দিন খায়, তাদেরকে ব্যাপক হারে ত্রাণসামগ্রী আওতায় আনতে হবে।