a
ফাইল ছবি
নিজেদের তৈরি ‘এয়ার টু এয়ার’ গকদোয়ান ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালানোর দাবি করেছে তুরস্ক। দেশটির প্রতিরক্ষা শিল্পের প্রতিরক্ষা বিভাগের প্রধান ইসমাইল দেমির এই তথ্য জানিয়েছেন। দেমির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
তুরস্কের ডেইলি সাবাহর খবর অনুসারে, তুরস্কের বৈজ্ঞানিক ও গবেষণা কাউন্সিল এবং ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রি রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট ইনস্টিটিউট এই ক্ষেপণাস্ত্র আবিস্কার করেছে।
দেমির বলেন, গকদোয়ান অগোচরে আঘাত হানবে। এয়ার টু এয়ার এই মিসাইল রাডার সিস্টেম দ্বারা ফায়ার করা হবে। চলতি বছরেই তুরস্কের সশস্ত্র বাহিনীর কাছে এই ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করা হবে বলে জানান তিনি। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরও একটি সুখবর পেল বাংলাদেশ, এখন থেকে বাংলাদেশের মানুষ সকল ধরনের মিটিং, আলাপ-আলোচনা, অনলাইন ক্লাসসহ যাবতীয় কাজ দেশি অ্যাপের মাধ্যমে করতে পারবেন। যাকে জুম অ্যাপ এর বিকল্প হিসেবে ভাবা হচ্ছে। করোনার কারনের প্রায় ৯০ ভাগ কাজকর্মই জুম বা গুগল মিট দিয়ে আয়োজন করা হচ্ছে কিন্তু এখন থেকে বাংলাদেশ নির্মিত বৈঠক অ্যাপ ব্যবহার করা যাবে।
গত রোববার ২৫ এপ্রিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন ‘বৈঠক’ অ্যাপে অনুষ্ঠিত এক আয়োজনে এ প্ল্যাটফর্মের শুভ উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যবহারের জন্য বৈঠক অ্যাপের প্রথম ১০টি ক্রেডেনশিয়াল হস্তান্তর করা হয়।
আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক অনুষ্ঠানে জানান, প্রাথমিকভাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৈঠক অ্যাপ ব্যবহার করবে। এরপর সরকারি অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এবং পরে সর্বসাধারণের জন্য অ্যাপটি উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
‘বৈঠক’ এর উদ্বোধন করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশি সফটওয়্যার শিল্পের জন্য উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে এই অ্যাপ। এই অ্যাপের দ্বারা আমরা জুমসহ অন্যান্য অ্যাপের ওপর নির্ভশীলতা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবো। এই অ্যাপের ডাটা সংরক্ষণ করা অনেকটা সহজ হবে কারন সমস্ত ডাটা দেশীয় সার্ভারে সংরক্ষিত থাকবে।
এ সময় মন্ত্রী বলেন, “তথ্যের নিরাপত্তার বিষয়ে আমরা যেন আপস না করি। কারণ চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সময় তথ্যই হয়ে উঠেছে প্রধান চালিকাশক্তি। ডেটার সুরক্ষা নিয়ে আমাদের সকলকে সচেতন থাকতে হবে।”
প্রাথমিক পর্যায়ে ১০ জন প্রোগ্রামার দিয়ে এর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। খুব দ্রুতই ৫০-১০০ জন প্রোগ্রামারের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক। এই অ্যাপ ব্যবহারের পাশাপাশি দেশের বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রাও সাশ্রয় হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “অর্থ মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ইতোমধ্যে বৈঠক অ্যাপ নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। সরকারের অভ্যন্তরীণ ব্যবহারের পাশাপাশি খুব দ্রুতই এটা জনগণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।”
পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন অনুষ্ঠানে বলেন, “প্রাথমিকভাবে আমরা অভ্যন্তরীণ সভাগুলো করতে পারব। ভবিষ্যতে আন্তঃরাষ্ট্রীয় সভাও করতে পারব, যার মাধ্যমে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বৃদ্ধি পাবে।”
ফাইল ছবি
বাংলাদেশ অন্যান্য দেশ থেকে তুলনামূলক পিছিয়ে থাকার অন্যতম কারণ বাংলাদেশে বিশ্বমানের শিক্ষার তীব্র অভাব। যার ফলে শিক্ষার্থীরা চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সময়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশের শিক্ষার্থীদের সাথে পাল্লা দিয়ে এগিয়ে যেতে পারছেনা এবং বেকারত্বের আগুনে পুড়ে ছাই হচ্ছে লাখ লাখ স্বপ্নবাজ শিক্ষার্থীর স্বপ্ন ও গ্রন্থগত বিদ্যার সার্টিফিকেট।
এমন করুণ পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি করে প্রতিযোগিতাময় বিশ্বে সমান গতিতে এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে তরুণ কলামিস্ট ও সমাজকর্মী মুহম্মদ সজীব প্রধান এর হাত ধরে ২০২০ সালে এডুকেশন এন্ড ক্যারিয়ার প্লানেট ( ইসিপি) এর সূচনা হলেও চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের একঝাক শিক্ষার্থী নিয়ে সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।
বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীসহ দেশের সর্বস্তরের শিক্ষার্থীদের বিশ্বমানের শিক্ষা ও স্মার্ট ক্যারিয়ার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সংগঠনটির অগ্রগতি অবাক করার মতো। শিক্ষা ক্ষেত্রে ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য গতকাল ১৭ মে রাত সাড়ে নয়টায় একটি ভার্চুয়াল সভার আয়োজন করা হয়। যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্কুল অব হিডেন ট্যালেন্টস এর সভাপতি সাব্বির খান সায়েম। বিশেষ অতিথি স্বরবর্ণ ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট হাসিবুল হাসান শান্ত।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, জুরানপুর আদর্শ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক নাঈমা ফেরদৌস ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাকিল হোসেন এবং জাফর আলী সহ আরো অনেকে। ভার্চুয়াল এ সভায় সভাপতিত্ব করেন এডুকেশন এন্ড ক্যারিয়ার প্লানেটের প্রতিষ্ঠাতা মুহম্মদ সজীব প্রধান এবং পুরো সভায় নান্দনিক উপস্থাপনায় ছিলেন সাংবাদিক ও সংগঠক সিফাত রাকা।
সভায় অতিথিরা সোনার বাংলাদেশ গড়ায় বিশ্বমানের শিক্ষা এবং বেকারত্বের অভিশাপ থেকে তরুণ প্রজন্মকে বের করে সুন্দর ক্যারিয়ার নিশ্চিত করতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংগঠনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। অতিথিরা এডুকেশন এন্ড ক্যারিয়ার প্লানেটের অনন্য উদ্যেগের প্রশংসা করেন এবং তারা আশা করেন টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত সংগঠনটি নিরন্তর কাজ করে যাবে।
উক্ত মিটিংয়ে সাব্বির খান সায়েম আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রতিষ্ঠাকালীন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব অর্পণ করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাঈমা আক্তার রিতার ওপর। সানন্দে দায়িত্ব গ্রহনের পর রিতা বলেন, “দায়িত্ব বড়ই ভয়ংকর রকমের সুন্দর আকাঙ্খিত বস্তু। আজ থেকে আমি আপনাদের সেবক। দেশ ও দশের কল্যাণে নিঃস্বার্থভাবে দূর্দান্ত কিছু করাই আমার অঙ্গীকার। আমার এ যাত্রায় আপনাদের সকলের আন্তরিক সহযোগিতা একান্ত কাম্য।” ইসিপি এর অন্যান্য সদস্যরাও সবার জন্য মানসম্পন্ন শিক্ষা এবং সুন্দর ক্যারিয়ার গড়ায় অবদান রাখতে নিজেদের সর্বোচ্চ দিয়ে কাজ করার প্রতিশ্রতি ব্যক্ত করেন।