a
ফাইল ছবি
প্রথমবার নিজেদের উদ্ভাবিত রকেট উৎক্ষেপণে সফলতা অর্জন করলেও দক্ষিণ কোরিয়া এবার কক্ষপথে স্যাটেলাইট স্থাপনে ব্যর্থ হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইন এমনটাই জানিয়েছেন। খবর বিবিসির।
তিনি বলেন, আমাদের দুর্ভাগ্য নির্ভুলভাবে লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারিনি, তবে প্রথম পরীক্ষায় এটি অসাধারণ অর্জন। আমাদের এখনও অপূরণীয় লক্ষ্য রয়েছে, তা হলো কক্ষপথে নিরাপদে একটি ডামমি স্যাটেলাইট স্থাপন করা।
বিবিসি জানায়, নুরি নামের এই স্যাটেলাইটি ভেহিক্যাল-২ এ করে উপক্ষেপণের পর তা নির্ধারিত স্থানে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়। ২০২৭ সাল নাগাদ নুরি রকেট আরও পাঁচ বার উৎক্ষেপণ করা হবে বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।
পরবর্তী উৎক্ষেপণ হবে আগামী মে মাসে। উল্লেখ্য, নুরি তৈরিতে দক্ষিণ কোরিয়া প্রায় দুই লাখ কোটি ওন (স্থানীয় মুদ্রা) ব্যয় হয়েছে। ৪৭.২ মিটার দীর্ঘ এবং দুইশ’ টন ওজনের রকেটটিতে ছয়টি তরল জ্বালানি চালিত ইঞ্জিন রয়েছে।
ফাইল ছবি
৪৪টি প্রযুক্তির মধ্যে ৩৭টিতেই চীনের আধিপত্য। জটিল প্রযুক্তিতে এখন নেতৃত্ব দিচ্ছে চীন। চীনের তুলনায় পশ্চিমারা বৈজ্ঞানিক ও গবেষণা অগ্রগতির দৌড়ে পিছিয়ে পড়েছে। অস্ট্রেলিয়া-ভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাংকের প্রতিবেদনে এমন চিত্র উঠে এসেছে।
অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটিজিক পলিসি ইনস্টিটিউটের প্রতিবেদন বলছে, বিস্তৃত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, মহাকাশ, রোবোটিক্স, শক্তি, পরিবেশ, জৈবপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), অ্যাডভান্সড ম্যাটেরিয়াল ও কোয়ান্টাম প্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রগুলোতে শীর্ষে থাকার মধ্য দিয়ে চীন বিশ্বের টেকনোলজি সুপারপাওয়ারে পরিণত হয়েছে।
ড্রোন, যান্ত্রিক শিখন, ইলেকট্রিক ব্যাটারি, পারমাণবিক শক্তি, ফটোভোল্টাইকস, কোয়ান্টাম সেন্সর ও জটিল খনিজ নিষ্কাশন সংক্রান্ত প্রযুক্তিতে চীন রাজত্ব করছে। বৃহস্পতিবার এমনটি জানিয়েছে ক্রিটিক্যাল টেকনোলজি ট্র্যাকার।
কয়েকটি নির্দিষ্ট প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বিশ্বের শীর্ষ ১০টি গবেষণা প্রতিষ্ঠান চীনেই অবস্থিত। অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটিজিক পলিসি ইনস্টিটিউট এমনটিই বলছে।
তুলনা করলে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্র জটিল প্রযুক্তির মাত্র সাতটি ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে। এসব ক্ষেত্রের মধ্যে রয়েছে মহাকাশ উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং।
অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটিজিক পলিসি ইনস্টিটিউটের অর্থায়ন করে থাকে অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র। বেসরকারি প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানও এর অর্থায়ন করে থাকে। সূত্র : আলজাজিরা/
ফাইল ফটো: সাবরিনা ইসলাম নীড়
নারী পুরুষ ভেদাভেদ নয়,
মানুষ রূপেই হোক সকলের পরিচয়।
নারী কারো ভোগ্যপণ্য নয়,
নারী কারো সেবাদাসী নয়।
নারী কারো করুণার পাত্র নয়,
নারী কারো খেলনা পুতুল নয়,
নারীও মানুষ
নারীরাও ঘুরে দাঁড়াতে পারে।
থাকবেনা আর বোঝা হয়ে ঘাড়ে।
নারী মানে কুদৃষ্টির ঝলক নয়,
কু- ভাবনার শিহরণ নয়,
লোভাতুর মনোবৃত্তির শিকার নয়,
সদা নারীকে সম্মান দিতে হয়,
নারী সম্মান যেন সুরক্ষিত রয়।
নারী মানে আপনার মা, আপনার বোন, নয়তো কন্যা।
নারী মানে মমতা আর সরলতার বন্যা।
আর নয় ধর্ষণ
আর নয় নির্যাতন,
নারী সম্মান রক্ষার্থে এগিয়ে আসুন।
নারীকে শ্রদ্ধার চোখে দেখুন।
নারী বলে অবহেলা নয়,
নিশ্চয়ই হবে মানবতার জয়।
(বিশ্ব নারী দিবসে সকল নারীদের প্রতি রইলো আন্তরিক শুভেচ্ছা, ভালোবাসা ও অভিনন্দন।)
সাবরিনা ইসলাম নীড় /৮-৩-২০২১
....... ফেসবুক থেকে সংগৃহীত