a
ফাইল ছবি
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান চালাচ্ছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পরাশক্তি রাশিয়া। এরই মধ্যে ৬৫ দিনে গড়িয়েছে রুশ বাহিনীর এই অভিযান।
বেশ কিছু লক্ষ্য নিয়ে এই সামরিক অভিযান চালাচ্ছে রাশিয়া। এর মধ্যে অন্যতম হল- ডোনেটস্ক ও লুহানস্ক (যা একত্রে ডোনবাস নামে পরিচিত) অঞ্চলকে বেসামরিকীকরণ ও স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা, ইউক্রেনকে নিরস্ত্রীকরণ ও নাৎসিবাদমুক্ত করা।
ইউক্রেনকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করে যাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ পশ্চিমা দেশগুলো। এসব দেশ ইউক্রেনকে অস্ত্র ও অর্থনৈতিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে ইউক্রেন যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করতে আমেরিকার ওপর দোষা চাপালো চীন। চীনের অভিযোগ, আমেরিকা ইউক্রেন যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করার মাধ্যমে রাশিয়াকে দুর্বল করে ফেলতে চায়।
চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান শুক্রবার বেইজিং-এ সাংবাদিকদের ডেইলি ব্রিফিং-এর সময় এ অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, যখন ইউরোপসহ বিশ্ব সমাজ এ যুদ্ধ বন্ধ করতে আগ্রহী তখন আমেরিকা এ যুদ্ধের আগুন দাউ দাউ করে জ্বালিয়ে দেওয়ার পাঁয়তারা করছে। ওয়াশিংটন চায় ইউক্রেনের শেষ ব্যক্তি জীবিত থাকা পর্যন্ত এ যুদ্ধ চলতে থাকুক।
ঝাও বলেন, মার্কিন সরকার ইউক্রেনে অর্থ ও অস্ত্র পাঠানো অব্যাহত রেখেছে। আমেরিকা নিজেই বলেছে, সে রাশিয়াকে দুর্বল করে ফেলতে চায়।
চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ইউরোপীয় দেশগুলোকে একথা উপলব্ধি করতে হবে যে, ইউক্রেন যুদ্ধ কিয়েভ ও মস্কোর মধ্যকার কোনো সমস্যা নয় বরং এই যুদ্ধ ওয়াশিংটন ও মস্কোর মধ্যে চলছে যার নেতৃত্ব দিচ্ছে ন্যাটো জোট। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
ইরান নিরাপত্তা বাহিনী ইসরাইলের একজন গুপ্তচরকে আটক করেছে। একই সঙ্গে আরও কয়েক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। এসব ব্যক্তি বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। ইরানের পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশ থেকে এসব গুপ্তচরকে আটক করা হয় বলে জানান।
আজ সোমবার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশের গোয়েন্দা বিভাগের মহা-পরিচালক এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তবে, এ প্রদেশে উগ্র তাকফিরি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দায়েশের কোনো উপস্থিতি নেই বলে জানান।
ইরানের এ কর্মকর্তা গুপ্তচর আটকের কথা বললেও কতজনকে আটক করা হয়েছে তা জানাননি। এছাড়া আটক ব্যক্তিরা কোন দেশের নাগরিক তাও জানাননি। সূত্র: পার্সটুডে
ছবি সংগৃহীত: প্রধান উপদেষ্টার সাথে বিএনপির ৩ নেতার বৈঠক
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে বৈঠক করেছেন বিএনপির তিন নেতা। বৈঠকের আলোচ্য বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাহউদ্দিন আহমেদ।
আজ বুধবার (২৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায়।
রাষ্ট্রপতির অপসারণের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নজরুল ইসলাম খান বলেন, দেশে যাতে নতুন করে সাংবিধানিক সংকট না সৃষ্টি হয় সে ব্যাপারে আমরা খেয়াল রাখতে বলেছি।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, পতিত স্বৈরাচারের দোসররা যদি দেশে আবার নতুন করে সংবিধানিক ও রাজনৈতিক সংকট তৈরির পাঁয়তারা করে তাহলে অন্তর্বর্তী সরকারকে সাথে নিয়ে তা প্রতিহত করা হবে।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন লড়াই করে বহু সাথীর রক্তের বিনিময়ে আমরা যে পরিবর্তন অর্জন করেছি, এই পরিবর্তন সুরক্ষায় ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য আমাদের জাতীয় ঐক্য আরও সুদৃঢ় রাখা দরকার।
অপরদিকে, বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের অংশ হিসেবেই বিএনপির সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। রাষ্ট্রপতির অপসারণের বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলেও তিনি জানান। সূত্র: যুগান্তর