a
ফাইল ছবি
ইউক্রেনের প্রায় প্রতিটি অঞ্চলে স্থানীয় সময় শনিবার বিমান হামলার সতর্কসংকেত বাজতে শোনা গেছে। খবর বিবিসি। খারকিভ, চেহেরনিভ, সুমি ও মারিউপোলের মতো শহরগুলো ঘিরে ফেলেছে রুশ বাহিনী। তারা শহরগুলোতে ব্যাপকহারে বোমা হামলা চালাচ্ছে।
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের কাছে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র লড়াই চলছে। কিয়েভে রাশিয়ার সর্বাত্মক হামলার আশঙ্কা করা হচ্ছে। কিয়েভ অঞ্চলের ভাসিলকিভ শহরের কাছে রাশিয়ার রকেট হামলায় ইউক্রেনের একটি বিমানঘাঁটি ধ্বংস করা হয়েছে। এ ছাড়া ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর গোলাবারুদ মজুত করে রাখার একটি স্থাপনায় (ডিপো) রুশ সেনা হামলা করেছে। শহরটির মেয়রকে উদ্ধৃত করে রুশ সংবাদ সংস্থা ইন্টারফ্যাক্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করে।
রুশ সেনারা কিয়েভের চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন। তাঁরা মূলত: কিয়েভ দখল করতে লড়াইয়ের জন্য এমন অবস্থান নিচ্ছেন। কিয়েভ দখলের ক্ষেত্রে তাঁরা ইউক্রেনীয় বাহিনীর তীব্র প্রতিরোধের মুখে পড়তে পারেন।
উপগ্রহ থেকে তোলা ছবিতে রাজধানী কিয়েভ থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার উত্তরের শহর মশচুনের বাড়িঘর গোলার আগুনে জ্বলতে দেখা গেছে। কিয়েভের উপকণ্ঠে রাশিয়ার গোলাবর্ষণের পর আবাসিক ভবন থেকে ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়। কিয়েভের উপকণ্ঠে রাশিয়ার গোলাবর্ষণের পর আবাসিক ভবন থেকে ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়ছবি: রয়টার্স
ইউক্রেনের জাতীয় জরুরি সেবা বিভাগ বলছে, লুহানস্ক অঞ্চলের সেভেরোদনেৎস্ক ও রুবিজন শহরে রাশিয়ার গোলায় কয়েক ডজন আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শহর দুটিতে গোলাবর্ষণে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
জাতীয় জরুরি সেবা বিভাগের তথ্যমতে, রুশ সেনারা রাতভর গোলাবর্ষণ করেছেন। এতে শহর দুটির প্রায় ৬০টি ব্যক্তি মালিকানাধীন বাড়ি ও আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। টেলিগ্রাম চ্যানেলে জাতীয় জরুরি সেবা বিভাগের এক বার্তায় বলা হয়, শত্রুরা লুহানস্ক অঞ্চলকে বিচ্ছিন্ন করতে পারবে না। সবকিছু ইউক্রেনেরই থাকবে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম কিয়েভ ইনডিপেনডেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউক্রেনের প্রায় প্রতিটি অঞ্চলে বিমান হামলার সতর্কসংকেত বাজার মধ্যেই গোলাবর্ষণের এ খবর এল। কিয়েভ ইনডিপেনডেন্ট এক অনলাইন পোস্টে জানায়, ‘ইউক্রেনের প্রায় প্রতিটি অঞ্চলেই এখন বিমান হামলার সতর্কসংকেত শোনা যাচ্ছে।’
বিবিসি বলেছে, বিমান হামলার সতর্ক সংকেতের পর পশ্চিম ইউক্রেনের লিভিভ ও পোলটাভা শহরের বাসিন্দাদের তাৎক্ষণিকভাবে নিরাপদে আশ্রয় নিতে বলা হয়।
জন কেরি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ দূত ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি ঢাকায় পৌঁছেছেন।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টায় দিল্লি থেকে বিশেষ ফ্লাইটে তিনি ঢাকায় আসেন। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে জন কেরিকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। এ সময় ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা সফরকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করবেন জন কেরি। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করবেন জন কেরি।
জো বাইডেনের জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ দূত জন কেরি আগামী ২২-২৩ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রে ক্লাইমেট ইস্যুতে একটি সম্মেলনের দাওয়াত দিতে ঢাকায় এসেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তিনি জো বাইডেনের পক্ষ থেকে এই সম্মেলনে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানাবেন।
আজ শুক্রবার বিকাল ৫টায় তিনি ঢাকা ত্যাগ করবেন বলে জানা গেছে।
ফাইল ছবি: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
বন্যা পরবর্তী প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেছেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বন্যা পরবর্তী প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায়ও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বুধবার বেলা ১১টায় দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, বন্যার পর কৃষকরা যেন কৃষিকাজ করতে পারেন সেজন্য বীজ, সারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর যেন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার আন্তরিকতার সাথে কাজ করছে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন