a একের পর এক ইউক্রেনীয় শহর পতন এবং রুশ বাহিনীর জয়
ঢাকা মঙ্গলবার, ৩০ পৌষ ১৪৩২, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

একের পর এক ইউক্রেনীয় শহর পতন এবং রুশ বাহিনীর জয়


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ২৬ জুন, ২০২২, ১২:৫৬
একের পর এক ইউক্রেনীয় শহর পতন এবং রুশ বাহিনীর জয়

ফাইল ছবি

পাঁচ মাসে গড়িয়েছে ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ। এসময়ের মধ্যে একাধিক ইউক্রেনীয় শহর দখল করেছে রুশ বাহিনী। সবশেষ সেভেরোদোনেটস্কের পতন ঘটলো। শহরের মেয়র অলেক্সান্ডার স্ট্রিউক দাবি করেছেন, ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের এই শহরটি রুশ সেনারা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন। খবর আল জাজিরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দীর্ঘ সময় ধরে চলা যুদ্ধে রাশিয়ান সেনারা ইউক্রেনের মারিউপোলের পর এবার আরেকটি শহর পুরোপুরি দখলে নিয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে বড় ভূমি সংঘাতের কারণে শনিবারও ইউক্রেনের পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণ অংশে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সেভেরোদোনেটস্কে এক সময় এক লাখের বেশি মানুষ বসবাস ছিল। সেটি এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। গত মাসে মারিউপোল বন্দর দখল করার পর থেকে এই শহর দখলে মস্কোর সবচেয়ে বড় বিজয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জাতীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে সেভেরোদোনেটস্কের মেয়র অলেক্সান্ডার স্ট্রিউক বলেন, শহরটি এখন রাশিয়ার দখলে। তারা এখন সেখানে তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নের চেষ্টা চালাচ্ছে। সেভেরোদোনেস্কে কর্তৃপক্ষও নিয়োগ দিয়েছে রাশিয়া।

লুহানস্ক ও দোনেস্ক এই দুই মিলে ডনবাস। লুহানস্কে অবস্থিত সেভেরোদোনেস্ক শহরে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে রুশ ও ইউক্রেনীয় বাহিনীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী লড়াই চলছিল। শহরটি দখলে নিতে সর্বশক্তি নিয়ে হামলা চালায় রাশিয়া।

ডনবাসের নিয়ন্ত্রণ মস্কোর জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটির নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের ফলে ২০১৪ সালে রাশিয়ার দখলকৃত ক্রিমিয়া উপদ্বীপের সঙ্গে করিডর তৈরি করা সম্ভব হবে। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বিমানের পাইলটের মাঝ আকাশে হার্ট অ্যাটাক করেছিল


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ২৭ আগষ্ট, ২০২১, ০৪:০০
বিমানের পাইলটের মাঝ আকাশে হার্ট অ্যাটাক করেছিল

ফাইল ছবি

বড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটের যাত্রীরা। মাস্কাট থেকে ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করা ফ্লাইটটি শুক্রবার ১১টা ৪০ মিনিটে ভারতের নাগপুরে জরুরীভাবে অবতরণ করে।  

ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, মাস্কাট থেকে উড্ডয়ন করা বিমানটির পাইলট ১১টার দিকে রায়পুরের কাছাকাছি হালকা অসুস্থতা বোধ করেন। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। 

এসময় দ্রুতই পরিস্থিতির গুরুত্ব আঁচ করে সহকারী পাইলট কলকাতা এটিসির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। 

এরপর ১১টা ৪০ মিনিট নাগাদ কলকাতা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় ওই বিমান থেকে। 

পরে নাগপুর বিমানবন্দরে জরুরিভিত্তিতে ওই বিমানটিকে অবতরণ করানো হয়। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, নাগপুরেই পাইলটের প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।  আপাতত তার অবস্থা স্থিতিশীল।

ফ্লাইটে কতজন যাত্রী ছিলেন তা এখনো জানা যায়নি, তবে সবাই অক্ষত ও নিরাপদ আছেন।

বিমান সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার বিমানের ফ্লাইটটি ওমান যায়।  সেখান থেকে স্থানীয় সময় মধ্যরাত ২টা ৩০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসার কথা থাকলেও ফ্লাইটটি ভোর সাড়ে ৬টায় ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করে।

তবে ভারতের স্থানীয় সময় শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় ফ্লাইটটি ঢাকার দিকে না এসে নাগপুর বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে। 

মাস্কাট থেকে বিজি-২২ ফ্লাইটের একজন যাত্রী জানান, মাস্কাট থেকে আমাদের ফ্লাইটে তোলা হয়।  আমাদের মাস্কাটে ৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করিয়ে সাড়ে ৬টায় বিমানে তোলা হয়।  তবে বিমানটি পুশ ব্যাক করার সময় ইঞ্জিনে ত্রুটি ধরা পড়ে। পরে নাগপুরে এটি জরুরি অবতরণ করে।

বর্তমানে বিমানের যাত্রীরা নাগপুর বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছেন।  যাত্রীদের আনতে নতুন ফ্লাইট পাঠানো হবে কিনা, এই ফ্লাইটেই আনা হবে তা নিশ্চিত করেনি বিমান কর্তৃপক্ষ। 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

একটি জাতিকে তার সংস্কৃতি ধ্বংসের মাধ্যমেই দমন করা সম্ভব


কর্নেল(অব.) আকরাম, অধ্যাপক ও কলাম লেখক
বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৫, ১২:২২
একটি জাতিকে তার সংস্কৃতি ধ্বংসের মাধ্যমেই দমন করা সম্ভব

ছবি সংগৃহীত

 

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা: একটি জাতির জন্য সংস্কৃতি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি। এটি দীর্ঘকাল ধরে সমাজে চর্চার ফলাফল হিসেবে গড়ে ওঠে। কোনো একটি নির্দিষ্ট সমাজের জীবনধারার প্রতিফলনই হলো সংস্কৃতি, যা সময়ের ব্যবধানে গড়ে ওঠে। একটি জাতির সংস্কৃতি রাতারাতি গড়ে ওঠে না—বরং এটি দীর্ঘ সময় ধরে চর্চা ও অভ্যাসের মধ্য দিয়ে রূপ নেয়। আধুনিক সভ্যতার শুরু থেকে সমাজের যেমন, তেমনি জাতির মেরুদণ্ড হিসেবে সংস্কৃতি বিবেচিত হয়ে এসেছে। একটি জাতিকে তার সংস্কৃতি ধ্বংসের মাধ্যমে সহজেই দমন করা সম্ভব।

বাংলাদেশ সমাজ বহুদিন ধরেই ভারতের সাংস্কৃতিক আধিপত্যের লক্ষ্যে পরিণত হয়ে এসেছে এবং ভারত এতে অনেকাংশে সফল হয়েছে। তারা আমাদের ইসলামি বিশ্বাস ও মূল্যবোধভিত্তিক পুরোনো সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ধ্বংস করতে পেরেছে। ফলে আমরা আজ এমন একটি জাতিতে পরিণত হয়েছি যার দৃঢ় নিজস্ব মূল্যবোধ নেই, বরং তথাকথিত বাঙালি সংস্কৃতির অনুসারী, যার ভিত্তি মূলত হিন্দু চর্চায় প্রোথিত। এর ফলস্বরূপ, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশের সমাজ বিভাজনের শিকার হয়েছে। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী মুসলমান, যারা কখনও এই তথাকথিত বাঙালি সংস্কৃতি—যেটিকে আওয়ামী লীগ সরকার শুরু থেকেই পৃষ্ঠপোষকতা করেছে—গ্রহণ করতে পারেনি।

যদি আমরা মধ্যযুগীয় ভারতের ইতিহাসের দিকে তাকাই, তাহলে দেখি ইসলাম সেই সময় সমাজে প্রভাব বিস্তার করেছিল এবং একটি নতুন জীবনধারার জন্ম দিয়েছিল। মুসলিম শাসনামলে সমাজে সাংস্কৃতিক বিভাজন থাকলেও শাসকদের পক্ষ থেকে কোনো হুমকি ছিল না। বরং সেই সময় হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতি বজায় ছিল। ইসলাম হিন্দু সমাজে শান্তিপূর্ণভাবে প্রবেশ করেছিল এবং কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছাড়াই সমাজে প্রভাব বিস্তার করেছিল—হিন্দুধর্ম ধ্বংসের কোনো উদ্দেশ্য ইসলামি প্রবর্তকদের ছিল না।

কিন্তু মুসলিম শাসনের পতন, যা শুরু হয় ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে এবং শেষ হয় ১৮৫৭ সালে বাহাদুর শাহ জাফরের পতনের মাধ্যমে, সেই সময় ভারতীয় সমাজে দীর্ঘস্থায়ী সম্প্রীতির অবসান ঘটে। ব্রিটিশরা সহজে শাসন করার লক্ষ্যে বিভাজন ও শাসন নীতি গ্রহণ করে। এর ফলে ভারতীয় সমাজে বিভেদ সৃষ্টি হয়।

এই বিভাজনের সুযোগে হিন্দু সমাজ শাসকদের সমর্থন ও সুবিধা পায়, আর মুসলিম সমাজ অবহেলিত ও বঞ্চিত হয়ে পড়ে। রাজা রামমোহন রায় ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মতো হিন্দু সমাজ সংস্কারকরা হিন্দুদের জাগরণে ভূমিকা রাখেন। অপরদিকে, মুসলিম সমাজ তখন নানা দিক থেকে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

মুসলিম সমাজকে রক্ষার লক্ষ্যে শাহ ওলিউল্লাহ, সৈয়দ আহমদ বেরেলভী, স্যার সৈয়দ আহমদ খান প্রভৃতি ব্যক্তিত্ব অবদান রাখেন। বাংলার মাটিতে হাজী শরিয়তুল্লাহ, পীর দুধু মিয়া ও তিতুমীর ইসলামি আদর্শের পথে মুসলমানদের ফিরিয়ে আনতে আন্দোলন করেন। সৈয়দ আমীর আলী ও ড. আল্লামা ইকবালের অবদান মুসলিম উম্মাহর জাগরণে স্মরণীয়। স্যার সলিমুল্লাহ ও মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ভারতের মুসলিম সমাজকে জাগ্রত করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।

শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক, মাওলানা আকরাম খান, আবদুল মনসুর আহমদের নিরলস প্রচেষ্টায় বাঙালি মুসলমানদের মাঝে হিন্দু বাঙালি সংস্কৃতি থেকে পৃথক এক নিজস্ব সংস্কৃতির চেতনা গড়ে ওঠে।

পাকিস্তান আমলে মুসলিম বাঙালি সংস্কৃতি বিকশিত হতে পারেনি, বরং ধর্মনিরপেক্ষ বাঙালি সংস্কৃতির উত্থান ঘটে এবং ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে তা তীব্র রূপ পায়। ভাষা আন্দোলনের ছদ্মাবরণে বাঙালি জাতীয়তাবাদের উত্থান ঘটে, যার মধ্য দিয়েই ভারতের সাংস্কৃতিক আধিপত্য আক্রমণাত্মক রূপ ধারণ করে।

সংস্কৃতি উন্নয়নের নামে ভারতের সাংস্কৃতিক আধিপত্য তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে সহজেই প্রবেশ করে তাদের নিজস্ব এজেন্টদের মাধ্যমে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা—বিশেষ করে বাংলা বিভাগের শিক্ষকগণ—বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূল পথপ্রদর্শক হয়ে ওঠেন। আওয়ামী লীগ ও ন্যাপ (মোজাফফর) এর মাধ্যমে তারা ভারতের সহায়তায় বাংলাদেশ সৃষ্টিতে সফল হন। স্বাধীনতার পর তারা পূর্ণ স্বাধীনতা পায় ধর্মনিরপেক্ষ বাঙালি সংস্কৃতি প্রচারে। উদীচী ও ছায়ানট হয় তাদের প্রধান কর্মক্ষেত্র, যেখান থেকে তারা বাংলাদেশে এই সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠায় কাজ করে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউট “মঙ্গল শোভাযাত্রা”-র মাধ্যমে পহেলা বৈশাখ উদযাপনকে উৎসব হিসেবে সমাজে প্রচলন করে, যা আওয়ামী লীগ সরকারের সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতায় সমাজে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এটি ইসলামী মূল্যবোধের বিরুদ্ধে এক উন্মুক্ত হুমকি হিসেবে দেখা দিয়েছে, যা বাংলাদেশের ইসলামপ্রিয় মানুষের ভাবনাকে উপেক্ষা করে। হেফাজতে ইসলাম ও আরও ২/১টি দল ছাড়া কেউ এর বিরুদ্ধে কার্যকর অবস্থান নেয়নি এবং তারাও সফল হতে পারেনি।

ভারতের সাংস্কৃতিক আগ্রাসন শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনামলে চূড়ান্ত রূপ নেয়। ভারত তাদের অর্থায়িত এজেন্টদের মাধ্যমে বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও শিক্ষা ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করে। বাংলাদেশের মুসলমানরা এই সাংস্কৃতিক আধিপত্যের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে গিয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ থেকে মুক্তি পাওয়ার আশা প্রায় হারিয়ে ফেলেছিল।

ঠিক তখনই, যখন জনগণ সব আশা ছেড়ে দিয়ে আল্লাহর রহমতের আশায় দিন গুনছিল, হঠাৎ এক ছাত্র-জনতার নেতৃত্বে গণ-অভ্যুত্থান ঘটে, যা এক বিপ্লবের রূপ নেয়। ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন এনে দেয় এবং শেখ হাসিনাকে দেশত্যাগে বাধ্য করে।

এইভাবে বাংলাদেশ জাতি মুক্ত হয় শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী শাসন ও ভারতের রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক আধিপত্য থেকে। এখন বাংলাদেশের মানুষ এক নতুন স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে—এক নতুন বাংলাদেশের। আমরা এবারের নববর্ষ উদযাপন দেখে আশান্বিত। এর কৃতিত্ব বর্তমান সরকার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের।

আমরা আশাবাদী যে, নিকট ভবিষ্যতে আরও ইতিবাচক পদক্ষেপ আমরা দেখতে পাব। সরকারের উচিত হবে মাটির সংস্কৃতিকে সযত্নে রক্ষা ও লালন করা।

জুলাই বিপ্লব ও পরবর্তী রাজনীতি রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। জনগণ এখন পরিণত ও দূরদর্শী নেতৃত্ব প্রত্যাশা করছে। দলগুলো যেন বর্তমান সরকারকে প্রয়োজনীয় সংস্কার করতে সাহায্য করে এবং একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সহায়তা করে—এটাই জাতির প্রত্যাশা।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক