a করোনা হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে মৃত ২৩ রোগী
ঢাকা মঙ্গলবার, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৭ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

করোনা হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে মৃত ২৩ রোগী


নাঈম: আন্তর্জাতিক ডেস্ক
রবিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২১, ০২:২০
করোনা হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে মৃত ২৩ রোগী

ফাইল ছবি

করোনা ভাইরাস সংকটের মধ্যেই অক্সিজেন সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে গেল ইরাকের (iraq) ইবন আল-খাতিব হাসপাতালে। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ায় আতঙ্কে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায় রোগী এবং তাদের পরিজনরা।

জানা গিয়েছে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় আহত ৫০ জন এবং মারা গিয়েছেন ২৩ জন রোগী।শনিবার মধ্য রাতে ইরাকের ইবন আল-খাতিব হাসপাতালে হঠাৎই আগুন লেগে যায়। দ্রুত আগুন লেগে যাওয়ায় তৎক্ষণাৎ সেখান থেকে ভয়ে বেরিয়ে আসেন রোগী ও স্বজনরা। আগুন নিয়ন্ত্রণ ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়ায় দীর্ঘক্ষণের প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

অভিযোগ উঠেছে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। বাগদাদের গভর্নর মুহাম্মেদ জাবের দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে এই ঘটনার তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসান আল-তামিমিকে পদচ্যুত ও তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তির দাবিতে প্রধানমন্ত্রী মুস্তাফা আল-কাধেমিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। করোনা সংকট দেখা দেওয়ায় আরও বিপাকে পড়েছে ইরাক সরকার। জানা গিয়েছে, এই দুর্ঘটনার সময় ১২০ জন রোগী ও তাদের পরিজনেরা হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন। উদ্ধারকারী দল ৯০ জনকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

জো বাইডেন করোনায় আক্রান্ত


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ২১ জুলাই, ২০২২, ১০:১৬
জো বাইডেন করোনায় আক্রান্ত

ফাইল ছবি: জো বাইডেন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

বিবৃতিতে হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারিন জিন-পিয়া বলেছেন, বৃহস্পতিবার করোনা শনাক্ত হওয়া বাইডেনের মধ্যে মৃদু লক্ষণ ছিল এবং তিনি প্যাক্সলোভিড নামে একটি অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ খাচ্ছেন।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্য সফর থেকে ফিরে আসার ৪দিন পর প্রেসিডেন্ট বাইডেনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে তিনি ইসরাইল, ফিলিস্তিন এবং সৌদি আরবের নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সফরে সর্বশেষ কয়েকটি আরব দেশের নেতাদের সঙ্গে একটি সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।

জো বাইডেন ২০২০ সালের ডিসেম্বরে এবং ২০২১ সালের জানুয়ারীতে ফাইজার-বাইয়োনটেকের কোভিড ভ্যাকসিন নেন এবং ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে এবং ২০২২ সালের মার্চে ফাইজারের বুস্টার ডোজ নেন।

পুরোপুরি ভ্যাকসিন নেওয়া সাধারণ মানুষের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি স্বাভাবিক। কারণ এরই মধ্যে ভাইরাসটির বিভিন্ন ধরণের জন্ম হয়েছে।

তবে ভ্যাকসিন নেওয়ার কারণে করোনায় আক্রান্ত হলেও হাসপাতালে ভর্তি হওয়া বা মৃত্যুহার অনেকটা কমে গেছে। সূত্র: ব্লুমবার্গ

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

রাজনীতির মধ্যে রাজনীতি, অপরাজনীতিরই নামান্তর!


কর্নেল (অব.) আকরাম, কলাম লেখক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০৬:০৭
রাজনীতির মধ্যে রাজনীতি অপরাজনীতিরই নামান্তর

ছবি সংগৃহীত

 

নিউজ ডেস্ক: একটি জাতির জন্য রাজনীতি ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ভুল রাজনীতি একটি জাতিকে নিঃসন্দেহে বিপর্যয়ের দিকে নিয়ে যায়। ইতিহাসে এমন অনেক উদাহরণ রয়েছে এবং পাকিস্তান আমাদের সামনে একটি স্পষ্ট দৃষ্টান্ত। শুধুমাত্র ভুল রাজনীতির কারণে পাকিস্তান তার জন্মের মাত্র চব্বিশ বছরের মাথায় দেশভাগের সবচেয়ে দুঃখজনক অধ্যায় প্রত্যক্ষ করে। এটি পাকিস্তানের জনগণের প্রত্যাশার বাইরের একটি ঘটনা ছিল। কিন্তু অপবিত্র রাজনীতিই এটি ঘটিয়েছিল।  

সম্প্রতি আমরা মিয়ানমারে অপবিত্র রাজনীতির উদাহরণ দেখেছি, যেখানে দেশটি এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে গৃহযুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে। এর সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হচ্ছে সাধারণ মানুষ।  

অন্যদিকে, সঠিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির জন্য ভারত জন্মের পর থেকেই একটি স্থিতিশীল দেশ হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। ভারতীয় নেতারা তাদের দেশকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে স্থান দিয়েছে।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে বিজেপি এবং কংগ্রেস একত্রিতভাবে একক সুরে কাজ করেছে, যা একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সংস্কৃতি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে এবং ভারতকে একটি ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসেবে ধরে রেখেছে।  

এবার আমরা বাংলাদেশের গত পঁঞ্চাশ বছরের রাজনৈতিক সংস্কৃতির দিকে ফিরে তাকাই। স্বাধীনতার পর শেখ মুজিবুর রহমান গণতন্ত্র চর্চার পরিবর্তে সেই গণতন্ত্রকে হত্যা করেন এবং রাজনীতি শূন্য করার চেষ্টা করেন। তিনি তার শাসন স্থায়ী করতে "রাজনীতির মধ্যে রাজনীতি" এর সূচনা করেন। তার জনপ্রিয়তার সুযোগ নিয়ে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা ঘোষণা করে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের বীজ বপন করেন। তিনি তার সমস্ত রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে নির্মূল করেন। এটি একটি সফল প্রকল্প হিসেবে গণ্য হলেও, এই "মুজিববাদ" সমাজে একটি অপসংস্কৃতির জন্ম দেয়। এর ফলস্বরূপ, তার নিকট বন্ধু মোশতাক আহমেদের নেতৃত্বে, যিনি দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন, একটি ষড়যন্ত্রমূলক "রাজনীতির মধ্যে রাজনীতি" এর বিকাশ ঘটে। এর পরিণতিতে শেখ মুজিবের মর্মান্তিক পতন ঘটে।  

শেখ মুজিবের পতনের পর রাজনৈতিক পরিবর্তন এলেও দেশ আবারও "রাজনীতির মধ্যে রাজনীতি" এর শিকার হয় এবং মোশতাকও পতিত হন। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ যখন অনিশ্চিত হয়ে পড়ে এবং ভারতীয় হস্তক্ষেপ প্রকাশ্যে আসে, তখন ৭ই নভেম্বর ১৯৭৫ সালে সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসেন।  

একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয় এবং বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি নতুন আলোর আবির্ভাব ঘটে। ভারতীয় আধিপত্যবাদ থেকে মুক্ত হয়ে জাতি এবং দেশ স্বাধীন রাজনীতির স্বাদ পেতে শুরু করে। জিয়াউর রহমান সৎ প্রচেষ্টায় সঠিক রাজনীতির সূচনা করার চেষ্টা করেছিলেন। তবে "রাজনীতির মধ্যে রাজনীতি" তাকে ছাড়েনি, এবং শেষ পর্যন্ত দেশপ্রেমের জন্য তাকে নিজের জীবন উৎসর্গ করতে হয়।  

এরপর বাংলাদেশে সৎ রাজনীতির সমাপ্তি ঘটে, এবং আমরা বহুবার "রাজনীতির মধ্যে রাজনীতি" প্রত্যক্ষ করেছি। এটি চলতে থাকে ফ্যাসিবাদী হাসিনা শাসনের ঐতিহাসিক পতন পর্যন্ত।  

তবে, জুলাই-আগস্ট ২০২৪ এর বিপ্লবের পর মানুষ নতুন করে সৎ রাজনীতির আশা দেখতে শুরু করেছে। কিন্তু সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রবণতা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করলে এই আশা পুরোপুরি দৃঢ় মনে হয় না। দেশের সবচেয়ে বড় এবং জনপ্রিয় দল বিএনপিকে উপেক্ষা করার চেষ্টা স্পষ্ট, যা জাতির জন্য একটি ভালো বার্তা দেয় না। আমরা ভুলে যেতে পারি না, গত পনেরো বছরে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী যে ত্যাগ ও ভোগান্তির শিকার হয়েছে। তাদের ত্যাগের ফলেই সাম্প্রতিক বিপ্লবের মাটি প্রস্তুত হয়েছে।  

বিপ্লবের পরবর্তী পরিস্থিতি সৎ রাজনীতির সুযোগ সৃষ্টি করেছে। যদি আমরা এই সুযোগকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে ব্যর্থ হই, জাতি ভীষণ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। রাজনীতিতে কোনো ষড়যন্ত্র মানুষ মেনে নেবে না এবং "রাজনীতির মধ্যে রাজনীতি" কে কোনোভাবেই উৎসাহ দেওয়া উচিত নয়। এধরণের ষড়যন্ত্র সাধারণ জনগন কঠোরভাবে দমন করবে, তাতে সন্দেহ নেই। তবে অনেক রক্ষপাত ঘটার সম্ভাবনা তো থেকেই যায়।  

জাতীয়তাবাদী এবং ইসলামী শক্তির ঐক্য একটি নতুন বাংলাদেশের সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার জন্য অপরিহার্য। তাই যেকোনো বিচ্যুতি আবারও "রাজনীতির মধ্যে রাজনীতি" জন্ম দেবে এবং অভ্যন্তরীণ ও বহিরাগত শক্তিগুলি তাদের স্বার্থে এটি ব্যবহার করার সুযোগ পাবে। আমাদের নিজেদের ভুলের মাধ্যমে শত্রুদের এমন সুযোগ দেওয়া যাবে না।  

লেখক: সম্পাদক, মিলিটারি হিস্ট্রি জার্নাল এবং আইন ও ইতিহাসের অধ্যাপক।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক