a
ফাইল ছবি
করোনা ভাইরাস সংকটের মধ্যেই অক্সিজেন সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে গেল ইরাকের (iraq) ইবন আল-খাতিব হাসপাতালে। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ায় আতঙ্কে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায় রোগী এবং তাদের পরিজনরা।
জানা গিয়েছে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় আহত ৫০ জন এবং মারা গিয়েছেন ২৩ জন রোগী।শনিবার মধ্য রাতে ইরাকের ইবন আল-খাতিব হাসপাতালে হঠাৎই আগুন লেগে যায়। দ্রুত আগুন লেগে যাওয়ায় তৎক্ষণাৎ সেখান থেকে ভয়ে বেরিয়ে আসেন রোগী ও স্বজনরা। আগুন নিয়ন্ত্রণ ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়ায় দীর্ঘক্ষণের প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
অভিযোগ উঠেছে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। বাগদাদের গভর্নর মুহাম্মেদ জাবের দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে এই ঘটনার তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসান আল-তামিমিকে পদচ্যুত ও তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তির দাবিতে প্রধানমন্ত্রী মুস্তাফা আল-কাধেমিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। করোনা সংকট দেখা দেওয়ায় আরও বিপাকে পড়েছে ইরাক সরকার। জানা গিয়েছে, এই দুর্ঘটনার সময় ১২০ জন রোগী ও তাদের পরিজনেরা হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন। উদ্ধারকারী দল ৯০ জনকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
ছবি: সংগৃহীত
তুরস্ক ও সিরিয়ার সরকার ও চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ভূমিকম্পে তুরস্কে ১৭ হাজার ৬৭৪ জন এবং সিরিয়ায় ৩ হাজার ৩৭৭ জন মারা গেছে। ফলে দুই দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ৫১ জন।
গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উদ্ধারকর্মীরা এখনো ধ্বংসস্তূপে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন। তবে, সময় যত পেরিয়ে যাচ্ছে ততই জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা কমছে। তীব্র শীত হাজার হাজার বেঁচে থাকা মানুষকে হুমকির মুখে ফেলেছে। তারা এখন আশ্রয়, খাদ্য ও পানীয় ছাড়াই দিনাতিপাত করছেন।
বৃষ্টি, যোগাযোগ বিপর্যয়সহ নানা সমস্যার কারণে অনেকের মৃত্যু হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও)। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এই ভূমিকম্পকে 'শতাব্দীর বিপর্যয়' বলে অভিহিত করেছেন। সূত্র: ই্ত্তেফাক
ছবি সংগৃহীত
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আগামীকাল শপথ নিতে যাচ্ছে নতুন মন্ত্রিসভা। ইতোমধ্যে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে মন্ত্রিসভা থেকে ফোন পেয়েছেন অনেকে। আগামীকাল বঙ্গভবনে প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন নতুন মন্ত্রীদের শপথ পড়াবেন।
আজ মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোঃ মাহবুব হোসেন নতুন মন্ত্রিসভায় ডাক পাওয়া ব্যক্তিদের নাম ঘোষণা করেন বঙ্গভবনে আমন্ত্রণ পাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন-
মন্ত্রী: ১। আ. ক. ম. মোজাম্মেল হক (গাজীপুর-১), ২। ওবায়দুল কাদের (নোয়াখালী-৫), ৩। নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন। (নরসিংদী-৪), 8। আসাদুজ্জামান খান (ঢাকা-১২), ৫। ডা: দীপু মনি (চাঁদপুর-৩), ৬। মোঃ তাজুল ইসলাম (কুমিল্লা-৯), ৭। মুহাম্মদ ফারুক খান (গোপালগঞ্জ-১), ৮। আবুল হাসান মাহমুদ আলী (দিনাজপুর-৪), ৯। আনিসুল হক (বাক্ষণবাড়িয়া-৪), ১০। মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ (চট্টগ্রাম-৭), ১১। মোঃ আব্দুস শহীদ (মৌলভীবাজার-৪) , ১২। সাধন চন্দ্র মজুমদার (নওগাঁ-১), ১৩। র, আ, ম, উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩), ১৪। মোঃ আব্দুর রহমান (ফরিদপুর-১), ১৫। নারায়ন চন্দ্র চন্দ (খুলনা-৫), ১৬। আব্দুস সালাম (ময়মনসিংহ)-৯৮, ১৭। মহিবুল হাসান চৌধুরী (চট্টগ্রাম-৯০), ১৮। ফরহাদ হোসেন (মেহেরপুর-১), ১৯। মোঃ ফরিদুল হক খান (জামালপুর-২), ২০। মোঃ জিল্লুল হাকিম (রাজবাড়ী-২), ২১। সাবের হোসেন চৌধুরী (ঢাকা-৯), ২২। জাহাঙ্গীর কবির নানক (ঢাকা-১৩), ২৩। নাজমুল হাসান (কিশোরগঞ্জ-৬),
২৪। স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, ২৫। সামন্ত লাল সেন
প্রতিমন্ত্রী: ১। সিমিন হোমেন (রিমি) (গাজীপুর-৪), ২। নসরুল হামিদ (ঢাকা-৩), ৩। জুনাইদ আহমেদ পলক (নাটোর-৩), 8। মোহাম্মদ আলী আরাফাত (ঢাকা-১৭), ৫। মোঃ মহিববুর রহমান (পটুয়াখালী-৪), ৬। খালিদ মাহমুদ চৌধুরী (দিনাজপুর-২), ৭। জাহিদ ফারুক (বরিশাল-৫), ৮। কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা (খাগড়াছড়ি), ৯। রুমানা আলী (গাজীপুর-৩), ১০। শফিকুর রহমান চৌধুরী (সিলেট-২), ১১। আহসানুল ইসলাম (টিটু) (টাঙ্গাইল-৬)
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২২২টিতে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ। একাদশ সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টিকে পেছনে ফেলে স্বতন্ত্র হয়ে নির্বাচিত হয়েছেন ৬২ জন; যাদের মধ্যে ৫৯ জন আওয়ামী লীগেরই নেতা। সূত্র: মানবজমিন