a
ফাইল ছবি
আগামী ৭ আগস্ট থেকে শুরু হচ্ছে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকাদান কর্মসূচি। এদিন থেকে শুরু করে পরবর্তী ছয়দিনে এক কোটি মানুষকে এ টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। আজ রবিবার (১ আগস্ট) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
মন্ত্রণালয় জানায়, আগামী ৭ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে টিকাদান ক্যাম্পেইন চলবে ১২ আগস্ট পর্যন্ত। এই সময়জুড়ে এক কোটি মানুষকে টিকা দেওয়া হবে। তবে ঢাকার সব জেলাসহ রাজধানীতে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজ টিকা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে আগামীকাল (সোমবার)।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, যাদের দ্বিতীয় ডোজের টিকা বাকি আছে টিকাদান ক্যাম্পেইন চলাকালে এসএমএস না এলেও তারা দ্বিতীয় ডোজের টিকা দিতে পারবেন। এছাড়াও বয়ষ্কদের টিকা নিতে নিবন্ধন লাগবে না।
উল্লেখ্য, দেশে গত ৭ ফেব্রুয়ারি করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। শুরুতে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা উদ্ভাবিত ও ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি কোভিশিল্ড দিয়ে এ কর্মসূচি শুরু হলেও ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞায় পরে এ টিকার সংকট পড়ে দেশে। সেই থেকে ২৭ জুলাই পর্যন্ত এ টিকার প্রথম ডোজ নিয়ে দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রায় সাড়ে ১৪ লাখ মানুষ। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
জাপান থেকে কোভ্যাক্সের আওতায় ৭ লাখ ৮১ হাজার লাখ টিকার চতুর্থ চালান দেশে পৌঁছেছে।
আজ শনিবার বিকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জাপানের এ অ্যাস্ট্রেজেনেকার টিকা পৌঁছে।
এর আগে গত ২ আগস্ট জাপান থেকে কোভ্যাক্সের আওতায় ৬ লাখ ১৬ হাজার ৭৮০ টিকার তৃতীয় চালান আসে। ৩১ জুলাই ৭ লাখ ৮১ হাজার ৩২০ টিকার দ্বিতীয় চালান আসে।
আর গত ২৪ জুলাই জাপান থেকে ২ লাখ ৪৫ হাজার ২০০ টিকার প্রথম চালান ঢাকায় আসে। ইতিপূর্বে, জাপান বাংলাদেশকে ৩০ লাখ টিকা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
ফাইল ছবি
মেট্রোরেলের আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশের উদ্বোধন করা হবে আগামী ২৩ অক্টোবর। এই দিনটিকে উদযাপন করতে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ঢাকা বিভাগীয় মহাসমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লীগ।
সোমবার আওয়ামী লীগের ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়। চিঠিতে বলা হয়, মহাসমাবেশকে সফল করতে কেন্দ্রীয় নেতাদের সমন্বয়ে ৫টি দল গঠন করেছে। প্রতিনিধি দলের সদস্যরা ঢাকার আশপাশের ১৫টি জেলা ও মহানগর শাখায় গিয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে বিশেষ বর্ধিত সভা করবেন।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সাংগঠনিক প্রতিনিধি দলের সদস্যবৃন্দ আগামী ১৫ অক্টোবরের আগেই জেলাসমূহে বর্ধিত সভায় অংশ নেবেন।
এতে আরও বলা হয়, সকল বিশেষ বর্ধিত সভায় সংশ্লিষ্ট জেলা/মহানগরের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যবৃন্দ, মন্ত্রী, দলীয় সংসদ সদস্য, জেলা পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের দলীয় চেয়ারম্যানগণ, সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার দলীয় মেয়রগণ, ইউনিয়ন পরিষদের দলীয় চেয়ারম্যানবৃন্দ, জেলা/মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যনির্বাহী সংসদের সকল নেতৃবৃন্দ ও উপদেষ্টা পরিষদ সদস্যবৃন্দ, উপজেলা/থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক, পৌরসভা/ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এবং জেলার সকল সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকগণ উপস্থিত থাকবেন।
বিশেষ বর্ধিত সভাসমূহে আগামী ২৩ অক্টোবর মেট্রোরেলের উদ্বোধন উপলক্ষ্যে মতিঝিল শাপলা চত্বরে অনুষ্ঠিতব্য ঢাকা বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করার জন্য প্রত্যেক উপজেলা/থানা/পৌরসভা/ইউনিয়ন/ওয়ার্ড থেকে বিপুল পরিমাণ নেতাকর্মী নিয়ে উপস্থিত হওয়ার জন্য সাংগঠনিক নির্দেশনা প্রদান করা হবে বলে জানা গেছে।
এছাড়া গত রোববার ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও উত্তর আওয়ামী লীগের সঙ্গে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের এক বৈঠকে মতিঝিলে সমাবেশ করার কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেল উদ্বোধনের দিন আমরা মতিঝিল প্রান্তে একটি সমাবেশ করব। সূত্র: বিডি প্রতিদিন