a চুক্তি করলেও অ্যান্টার্কটিকা বর্তমানে হুমকির মুখে
ঢাকা রবিবার, ৪ মাঘ ১৪৩২, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

চুক্তি করলেও অ্যান্টার্কটিকা বর্তমানে হুমকির মুখে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন, ২০২১, ১১:১৪
চুক্তি করলেও অ্যান্টার্কটিকা বর্তমানে হুমকির মুখে

সংগৃহীত ছবি

১৯৫৯ সালে অ্যান্টার্কটিকা চুক্তি সই হয়েছিল। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মহাদেশটি হুমকির মুখে পড়েছে। চুক্তিতে ঐ মহাদেশকে যুদ্ধ, অস্ত্র ও পরমাণু বর্জ্য থেকে মুক্ত রাখতে একমত হয়েছিলেন বিশ্বের নেতৃবৃন্দ।

এই চুক্তিতে বলা হয়েছিল, ঐ অঞ্চলে কোনো একক দেশের নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। সব দেশের বিজ্ঞানীরা মিলেমিশে সেখানে বৈজ্ঞানিক গবেষণা করবেন। ঐ অঞ্চলকে ‘শান্তি ও বিজ্ঞানের জন্য নিয়োজিত একটি প্রাকৃতিক সংরক্ষিত এলাকা’ হিসেবে ধরে রাখতে একমত হয়েছিলেন নেতারা।

পরে ১৯৭৬ সালে ঐ চুক্তির মাধ্যমে অ্যান্টার্কটিকায় প্রাকৃতিক সম্পদের খোঁজ চালানোর ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

ওই কারণে অনেক দিন পর্যন্ত অ্যান্টার্কটিকা তার নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ধরে রাখতে পেরেছে। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অ্যান্টার্কটিকার বরফ গলা শুরু করেছে।

এই শতাব্দীতে তাপমাত্রা বৃদ্ধি দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখার অঙ্গীকার করেছেন বিশ্বনেতারা। যে নীতি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে তাতে তাপমাত্রা প্রায় তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে জার্মানির গবেষণা সংস্থা ক্লাইমেট অ্যাকশন ট্র্যাকার।

গত মাসে ‘নেচার’ জার্নালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন জানা গেছে, বিশ্বের তাপমাত্রা যদি তিন ডিগ্রি বাড়ে তাহলে অ্যান্টার্কটিকার বরফ গলার হার অনেক বেড়ে যাবে এবং সে হারে সমুদ্রের পানির উচ্চতাও বাড়বে।

অস্ট্রেলিয়ার ফ্লিন্ডার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসবিদ আলেসান্দ্রো আন্তোনেল্লা অ্যান্টার্কটিকার পরিবেশগত রাজনীতি নিয়ে বই লিখেছেন। তিনি বলছেন, অ্যান্টার্কটিকা চুক্তি সই করা দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির মতো বিশ্বের সবচেয়ে বড় দূষণকারী দেশ রয়েছে।

নতুন করে দূষণকারী দেশের তালিকায় যুক্ত হওয়া চীন, ভারত এবং ব্রাজিলও ঐ চুক্তির সঙ্গে আছে। এটা এক ধরনের ভণ্ডামি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

হামলা করে ইরানের পরমাণু স্থাপনা ধ্বংস করা কঠিন কাজ: ইসরাইল


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
সোমবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২১, ১০:৩৭
হামলা করে ইরানের পরমাণু স্থাপনা ধ্বংস করা কঠিন কাজ: ইসরাইল

ফাইল ছবি

ইসরাইলের সেনা গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল আমোস ইয়াদলিন বলেছেন, সামরিক হামলা চালিয়ে ইরানের পরমাণু স্থাপনা ধ্বংস করা অত্যন্ত কঠিন কাজ।

তিনি মার্কিন একটি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন। এতে তিনি আরও বলেন, ইসরাইল যেভাবে ১৯৮১ সালে ইরাকের এবং ২০০৭ সালে সিরিয়ার পরমাণু স্থাপনা মাত্র একবার হামলা চালিয়ে ধ্বংস করেছিল, ইরানের পরমাণু স্থাপনা সেভাবে ধ্বংস করা যাবেনা।  খবর সিএনবিসির।

ইসরাইলের এই সাবেক জেনারেল ও তেলআবিব ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টাডিজ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ইরানের পরমাণু কর্মসূচির সঙ্গে ইরাক ও সিরিয়ার পরমাণু কর্মসূচির পার্থক্যসমূহ তুলে ধরেন।

তিনি আরও বলেন, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি অনেক বেশি সমৃদ্ধশালী ও বিভিন্ন স্থানে ছড়ানো-ছিটানো কিন্তু ইরাক ও সিরিয়ার পরমাণু কর্মসূচি নির্দিষ্ট স্থানে সীমাবদ্ধ।

ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলো বহু স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এগুলোর বেশিরভাগ পাহাড়ের নিচে ভূগর্ভে স্থাপন করা হয়েছে। ইসরাইলের বা পশ্চিমা দেশগুলোর পক্ষে ইরানের পরমাণু কর্মসূচির সার্বিক চিত্র সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পেরেছে কিনা তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেন।

জেনারেল ইয়াদলিন বলেন, ইসরাইল আকস্মিক হামলা চালিয়ে ১৯৮১ সালে ইরাকের সাদ্দাম সরকারকে এবং ২০০৭ সালে সিরিয়ার বাশার আসাদ সরকারকে হতভম্ভ করে দিয়েছিল। কিন্তু ইরানের ক্ষেত্রে অনুরূপ ঘটনা ঘটানো সম্ভব নয়। কারণ ইরান গত ২০ বছর যাবত এ রকম হামলা মোকাবিলায় নিজেদের সক্ষম করে তুলেছে।

ইসরাইল বহুবার ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলো বোমা মেরে ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিল। ইরানের ভূগর্ভস্থ পরমাণু স্থাপনাগুলো কীভাবে বাঙ্কার ব্লাস্টার বোমা দিয়ে ধ্বংস করা যায় সে সংক্রান্ত বহু বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলোতে প্রকাশ করা  হয়েছিল।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

না ফেরার দেশে চলে গেলেন সাবেক বায়ার্ন লিজেন্ড গার্ড মুলার


ক্রীড়া ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ১৫ আগষ্ট, ২০২১, ০৭:৫০
না ফেরার দেশে চলে গেলেন সাবেক বায়ার্ন লিজেন্ড গার্ড মুলার

ফাইল ছবি

জার্মান ফুটবল ইতিহাসের কিংবদন্তি খেলোয়াড়, ১৯৭৪ বিশ্বকাপজয়ী তারকা গার্ড মুলার না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৭৫ বছর। ১৯৪৫ সালের ৩ নভেম্বর পশ্চিম জার্মানিতে জন্ম মুলারের। জার্মান জাতীয় দলের হয়ে ৬২টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে অংশ নিয়ে গোল করেছেব ৬৮টি। ৭৪টি ইউরোপিয়ান ম্যাচে ৬৬ গোল আর ৪২৭টি বুন্দেসলিগা ম্যাচে ৩৬৫ গোলের কীর্তি গড়েন সাবেক এই স্ট্রাইকার।

বায়ার্ন মিউনিখ এক টু্ইটারবার্তায় জানিয়েছে, `আজ জার্মান ফুটবল, বায়ার্ন মিউনিখ আর গোটা দুনিয়া স্তব্ধ হয়ে গেছে। জার্মানির কিংবদন্তি ফুটবলার গার্ড মুলার ৭৫ বছর বয়সে মারা গেছেন। জার্মান জাতীয় ফুটবল দল ও বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে বহু ইতিহাস গড়েছেন সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এই ফুটবলার।’ বিশ্বকাপ ও ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন সাবেক এই স্ট্রাইকার ২০১৫ সালে আলজেইমার রোগে আক্রান্ত হন। এরপর বিশেষায়িত কেয়ার হোমে বসবাস করছিলেন তিনি।

১৯৭২ সালে এক মৌসুমে ৮৫টি গোল করে বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন মুলার। সেই রেকর্ডটি অক্ষত ছিল ৪০ বছর। যা ২০১২ সালে ভেঙে ফেলেন লিওনেল মেসি। দুটি বিশ্বকাপ খেলে ১৪টি গোল করেন তিনি। যে রেকর্ড গড়েন তা অক্ষত ছিল দীর্ঘ ৩২ বছর। ২০০৬ বিশ্বকাপে তাকে ছাড়িয়ে যান রোনালদো।

গার্ড মুলার জার্মানিকে জিতিয়েছেন ১৯৭৪ বিশ্বকাপ, ফুটবল বিশ্বমাতানো ইয়োহান ক্রুইফের নেদারল্যান্ডস তার গোলেই  হেরে যায়। ১৯৭০ সালে নিখুত পারফরম্যান্সের জন্য ব্যালন ডি’অর জিতেন মুলার। খেলার মাঠে তার উপস্থিতি মানেই ছিল গোল। প্রতিপক্ষকে নিজের অতুলনীয় পজিশনিং ও দৈহিক শক্তি দিয়ে ঘায়েল করে একের পর এক গোল করতেন গার্ড মুলার। তার বিদায়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বিশ্ব ফুটবলে।

এদিকে, বায়ার্ন মিউনিখকে বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্লাবে পরিণত করার পেছনে তার অবদানকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেন বায়ার্নের প্রধান নির্বাহী অলিভার কান। এক বিবৃতিতে কান বলেন, ‘মুলারের মৃত্যুতে আমরা শোকাহত। বায়ার্নের ইতিহাসে তিনি অন্যতম সেরা ফুটবলার ছিলেন। এখন পর্যন্ত তার অর্জন অতুলনীয়। বায়ার্ন মিউনিখ ও জার্মান ফুটবলের ইতিহাসে তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।’

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক