a
ফাইল ছবি
তাইওয়ান ঘিরে দ্বিতীয় দিনের মতো সামরিক মহড়া চালিয়ে যাচ্ছে চীন। মহড়ার অংশ হিসেবে রোববারও এ অঞ্চলে যুদ্ধবিমান ও যুদ্ধজাহাজের সমাবেশ ঘটিয়েছে বেইজিং।
চীনের কঠোর হুশিয়ারি উপেক্ষা করে গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় দেশটির প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থির সঙ্গে বৈঠক করেছেন তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েন। এর জবাবে শনিবার থেকে এই সামরিক মহড়া শুরু করেছে চীন। ৩ দিনের এই মহড়ার নাম দেওয়া হয়েছে ‘জয়েন্ট সোর্ড’ বা যৌথ তরবারি। চলবে সোমবার পর্যন্ত।
চীনা পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) ইস্টার্ন থিয়েটার কমান্ড বিবৃতিতে জানায়, তাইওয়ান প্রণালিতে ৮-১০ এপ্রিল ‘যুদ্ধ প্রস্তুতির টহল’ বা মহড়া চলবে। কমান্ড মুখপাত্র সিনিয়র কর্নেল শি ইয়ি বলেন, ইউনাইটেড শার্প সোর্ড তাইওয়ানের উত্তর-দক্ষিণে এবং পূর্বে সমুদ্র ও আকাশপথে এ সামরিক মহড়ায় সম্পৃক্ত থাকবে।
তাইওয়ানের উত্তর, দক্ষিণ ও পূর্ব সীমান্তের জলরাশির আকাশসীমায় চীনের যুদ্ধবিমানগুলো মহড়ায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে বলে জানান তিনি।
চীনের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তাইওয়ানের উত্তর ও দক্ষিণ উপকূল এবং পূর্বে তাইওয়ান প্রণালির সমুদ্রসীমা ও আকাশসীমায় মহড়ার জন্য যুদ্ধবিমান, জাহাজ ও সেনাদের মোতায়েন করা হয়েছে।
চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভির এক প্রতিবেদনে রোববার বলা হয়েছে, তাইওয়ান ও এর আশপাশের জলসীমায় প্রধান লক্ষ্যবস্তুগুলোয় হামলার মহড়া চালানো হয়েছে। মহড়ার অংশ হিসেবে তাইওয়ানের চারপাশ খুব কাছ থেকে ঘিরে রেখেছে চীনা সামরিক বাহিনী।
এদিকে সামরিক মহড়ার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তাইপে। চীনের এই কর্মকাণ্ড রুখে দিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তারা। আর যুক্তরাষ্ট্র বলছে, বেইজিংয়ের পদক্ষেপগুলো ঘনিষ্ঠভাবে নজরদারি করা হচ্ছে। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি
স্বাধীনতাকামী সংগঠন ফিলিস্তিনের হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। ১১ দিনের বিমান হামলার অবসান ঘটিয়ে শুক্রবার যুদ্ধবিরতিতে উভয় পক্ষ সম্মত হয়। এরপরই গাজার রাস্তায় নেমে আসে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি।
ফিলিস্তিনিরা ‘আল্লাহু আকবর’, ‘আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া’ জানিয়ে স্লোগান দেয়। এই সংঘাতে হামাস এবং ইসরায়েল উভয়ে বিজয় দাবি করেছে বলে জানায় ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
গত ১০ মে পূর্ব জেরুজালেম নিয়ে উত্তেজনায় গাজায় বিমান হামলা শুরু করে ইসরায়েল।আল আকসা মসজিদে ইসরায়েলি পুলিশের অভিযানের জেরে হামাস রকেট ছোড়া শুরু করলে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল।
এই সংঘাতে নারী ও শিশুসহ ২৩২ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। আবার গাজা থেকে রকেট হামলায় ইসরায়েলের ১২ জন নাগরিক নিহত হয়েছে। শুক্রবার যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, এটা উন্নতির চরম সুযোগ সামনে এনেছে।
এর আগে ইসরায়েলের রাজনৈতিক নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রিসভা জানায় তারা যুদ্ধবিরতির সুপারিশ সর্বসম্মতিক্রমে গ্রহণ করেছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেনি গান্তজ বলেছেন গাজায় হামলার মাধ্যমে অভূতপূর্ব সামরিক অর্জন হয়েছে।
হামাসের এক কর্মকর্তা বলেছেন ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়া ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য বিজয় এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জন্য পরাজয়।
এই যুদ্ধবিরতি টিকবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ পোষণ করেছেন হামাসের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক কাউন্সিলের কর্মকর্তা বাসিম নাইম। বাসিম নাইম বলেন ‘ফিলিস্তিনিদের জন্য ন্যায়বিচার, ইসরায়েলের আগ্রাসন বন্ধ এবং জেরুজালেমে আমাদের জনগণের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি সহিংসতা ব্যতিত এই যুদ্ধবিরতি ভঙ্গুর হয়ে পড়তে পারে।
সংগৃহীত ছবি
দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী এসডি রুবেল পরিমণিকে নিয়ে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘হ্যালো বিবেক, বিচার আদালতে হোক, মিডিয়া তে নয়। হয়তো তিনি যথার্থই বলেছেন, তার মতো অন্ধ কিছু ভক্ত পরিমণিকে নিয়ে মাতামাতি করছেন তাদের কাছে রুবেলের এই মন্তব্য যথার্থই মনে হবে।
কিন্তু আজ সমাজে পরিমণির মতো ব্যক্তিরা সমাজ সংসারকে (পুরুষ/মহিলা) কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে। পরিমণির মতো এসব নায়িকারা যখন চলচ্চিত্র প্রাঙ্গণ কলুষিত করছে, তখন ভাল ইমেজের নায়ক-নায়িকারা বা অভিনেতারা বিব্রতবোধ করেন এবং পরিমণির এসব কর্মকান্ডে বিব্রত হয়েছেন অনেকেই। সাধারণ মানুষ মনে করেন চলচ্চিত্র প্রাঙ্গণ এমনই। আসলে কি তাই?
বিচারালয়ে বিচার হবে, তবে নষ্ট মানুষগুলো কষ্ট দেবে সমাজের ভাল মানুষকে তা হতে পারে না। একজন পরিমণি ৫/৬ বছরে সমাজে এরকম দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে, তা হতে দেয়া যায় না। আর সমাজে এসব ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া সম্ভবও হয়ে উঠে না।
তাই বিচারালয়ে বিচার হয়তোবা যথোপযুক্তভাবেই হবে। পাশাপাশি জনসম্মুখে এসব ব্যক্তিদের কার্যকলাপ প্রকাশ পেলে অন্য সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা ও ঘৃণা জন্মাবে। ফলে ভবিষ্যতে এসব পরিমণরা গড়ে উঠার সুযোগ নেবে না।
সমাজে নষ্ট ব্যক্তিদের অঙ্কুরেই বিনষ্ট করতে সকলকেই সচেতন থাকতে হবে। আমাদের সমাজে প্রত্যেক সেক্টরে এসব পরিমণি খুঁজে পাওয়া যাবে। এদের ঘৃণিত কাজগুলো অঙ্গুলি দিয়ে প্রকাশ করার সুযোগ থাকলে ভবিষ্যতে এরকম ঘটনাগুলো কম ঘটবে বৈকি।
সমাজে নষ্ট বা বিতর্কিত মানুষের পক্ষ নিয়ে স্বনামধন্য ব্যক্তিরা মন্তব্য করতে আরও যত্নশীল হবেন, এমনটাই মনে করেন সচেতন মহল। প্রসঙ্গত, পরিমণের বিষয়টি নিয়ে এস ডি রুবেল ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন এভাবে-
‘হ্যালো বিবেক, বিচার আদালতে হোক, মিডিয়া তে নয়। জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমণিকে প্রথমত মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করানো উচিত ছিল? একান্ত ব্যক্তিগত জীবনে পরীমণি যদি ভুল করে থাকে, একজন শিল্পীকে বৃহত্তর স্বার্থে শুধরানোর জন্য সামাজিক সুযোগ রাখা উচিত ছিল কি! পর্দার আড়ালে সে যদি ভুল করে থাকে, সেটা বিচ্ছিন্নভাবে জনগণের সামনে এনে কার স্বার্থ হাসিল করা হল! সম্ভাবনাময় একজন শিল্পীর এমন পতনে হৃদয় ব্যথিত!’