a তালেবান ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়তে চায় তুরস্কের সাথে
ঢাকা রবিবার, ১১ মাঘ ১৪৩২, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

তালেবান ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়তে চায় তুরস্কের সাথে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ২২ আগষ্ট, ২০২১, ০৯:৩৮
তালেবান ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়তে চায় তুরস্কের সাথে

ফাইল ছবি

তালেবান মুখপাত্র সোহাইল শাহিন বলেছেন, আফগানিস্তানের পুনর্গঠনের জন্য তাদের তুরস্ককে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। তিনি তুরস্কের সরকারপন্থি দৈনিক ‘তুর্কিয়া’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “আমাদের সব অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে। আমরা আফগানিস্তানের প্রতিটি অঞ্চলের পুনর্গঠন করব। এ ব্যাপারে আমাদের তুরস্কের সহযোগিতা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।”

তালেবানের এই মুখপাত্র আরও বলেন, “তুরস্ক আমাদের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ। বিশ্বের একটি নির্ভরযোগ্য ও শক্তিশালী দেশ তুরস্ক। মুসলিম বিশ্বেও তুরস্কের উঁচু মানের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।… আফগানিস্তানের সঙ্গে তুরস্কের সম্পর্ককে অন্য কোনো দেশের সঙ্গে তুলনা করা চলে না।”

এর আগে কাবুল দখলের একদিন পর গত ১৬ আগস্ট তুরস্কের ক্ষমতাসীন সরকারের নিউজ চ্যানেল ‘তুর্ক খবর’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সোহাইল শাহিন বলেছিলেন, “তুরস্ক আমাদের কাছে একটি ভ্রাতৃপ্রতীম ইসলামি দেশ হিসেবে বিবেচিত।” তিনি আরও বলেন, “তুরস্কের সঙ্গে আমরা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্থাপন করতে চাই।”

এরপর তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান ১৯ আগস্ট তালেবানের সঙ্গে সংলাপে বসার আগ্রহ প্রকাশ করে বলেন, তিনি হয়তো অচিরেই তালেবান নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

এর আগে ন্যাটোর সদস্য দেশ হিসেবে গত ২০ বছরে আফগানিস্তানে তুর্কি সেনা মোতায়েন ছিল। কিছুদিন আগে এরদোগান বলেছিলেন, তার দেশের সেনারা কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা রক্ষা করার দায়িত্ব গ্রহণ করবে। সেসময় তালেবান কাবুল দখল না করলেও আফগানিস্তানের বিশাল অঞ্চলের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছিল। 

তুরস্কের পক্ষ থেকে কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্ব গ্রহণ করার প্রস্তাব সম্পর্কে তালেবান তখন আঙ্কারাকে উদ্দেশ করে বলেছিল, আফগানিস্তানে যেকোনো বিদেশি সেনাকে ‘শত্রুসেনা’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। অবশ্য পরবর্তীতে পানি অনেক দূর এগিয়েছে এবং দুই দেশের কৌশলগত দিকও পরিবর্তন হয়েছে।  সূত্র: পার্সটুডে/বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের সাথে যে আচরণ করছে তা বর্ণবাদী: দ. আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ২০ মে, ২০২১, ১০:৪৬
ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের সাথে যে আচরণ করছে তা বর্ণবাদী দ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট

 

দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা বলেছেন, ফিলিস্তিনিদের সাথে ইসরায়েলিদের যে আচরণ করছে তা বর্ণবাদী যুগের দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে মিল রয়েছে। ফ্রান্স ২৪ টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেছেন বলে জানায় আল জাজিরা।

রামাফোসা বলেন, ফিলিস্তিনিরা তাদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার চায়। তারা চায় তাদের নিজস্ব রাষ্ট্র। তারা তাদের নিজস্ব বিষয়গুলি পরিচালনা করতে এবং স্বাধীনতা অর্জন করতে সক্ষম হতে চায়। প্যালেস্টাইনিরা আর সীমাবদ্ধ থাকতে চায় না।

তিনি আরো বলেন, ইসরায়েলিরা যেভাবে ফিলিস্তিনিদের অধিকার অস্বীকার করে আসছে, যেভাবে তারা ফিলিস্তিনিদের এলাকায় বোমাবাজি করে যাচ্ছে- তাতে একে সহজেই কেউ বর্ণবাদী রাষ্ট্র হিসেবে চিহ্নিত করতে পারবে। ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলিরা কী আচরণ করছে তা বর্ণনা করার মতো আমার আর কোনও রেফারেন্স পয়েন্ট নেই।

অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট গাজায় দ্রুত যুদ্ধবিরতির পথে হাঁটার জন্য ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানালেও দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হামলা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেছে। যদিও দাবি করা হয় বাইডেন নেতানিয়াহুর ওপর চাপ প্রয়োগ করেছেন বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে হোয়াইট হাউজ।

এর আগে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ আন্তর্জাতিক প্রভাবশালী নেতৃবৃন্দ গাজায় যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছিলেন। কিন্তু ইসরাইল হামাস নেতাদের হত্যার চেষ্টায় যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ ভেস্তে যাচ্ছে। গাজায় ইসরাইল হামলা অব্যাহত রেখেছে। শিশু, নারী, সাংবাদিকসহ ২২০ জন নিহত হয়েছেন। এদিকে ফিলিস্তিনি-ইসরায়েল প্রসঙ্গে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন একে অপরকে সমালোচনা করেছে। খবর বিবিসি ও আলজাজিরার

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বিএনপির সমাবেশের ওপরে ড্রোন, আতঙ্কে অনেকে সমাবেশস্থল ছেড়ে যান


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
শুক্রবার, ১২ আগষ্ট, ২০২২, ০৪:১৫
বিএনপির সমাবেশের ওপরে ড্রোন, আতঙ্কে অনেকে সমাবেশস্থল ছেড়ে যান

ফাইল ছবি

রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সড়কে সমাবেশ করেছে বিএনপি।এই সমাবেশের ওপরে একাধিক ড্রোন উড়তে দেখা গেছে। এতে অনেকের মাঝে সন্দেহ আর আতঙ্ক দেখা দেয়। ড্রোন উড়তে দেখে অনেকেই সমাবেশস্থল ছেড়ে চলে যান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সমাবেশের ঠিক ওপরে পল্টন পলওয়েল ও চায়না টাউন মার্কেট বরাবর কয়েকটি ড্রোন উড়তে দেখা যায়। এগুলো নির্দিষ্ট স্থানে স্থির হয়ে থাকে। তবে এসব ড্রোনে ক্যামেরা ছিল কি না- তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির যৌথ উদ্যোগে ‘জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, বিদ্যুতের লোডশেডিং, গণপরিবহণের ভাড়া বৃদ্ধি, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং ভোলায় পুলিশের গুলিতে নুরে আলম ও আব্দুর রহিমের হত্যার প্রতিবাদে’ এই সমাবেশ ডাকা হয়।

সমাবেশের জন্য দলীয় কার্যালয়ের সামনে অস্থায়ী মঞ্চ তৈরি করা হয়। সকাল থেকে বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাজারো নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে সমাবেশ জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

নাইটিংগেল মোড় থেকে ফকিরাপুল মোড় পর্যন্ত দুই পাশের সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত রাখতে জাসাসের আয়োজনে গান, দলীয় সংগীত, কবিতা আবৃত্তির আয়োজন করা হয়। দুপুর ২টায় আনুষ্ঠানিকভাবে সমাবেশ শুরু হয়।

এই সমাবেশকে কেন্দ্র করে নয়াপল্টন ও এর আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়। সূত্র: যুগান্তর

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক