a
প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি । ফাইল ছবি
পার্লামেন্টে আস্থা ভোটে হেরে গেছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। ওলির পক্ষে ভোট দিয়েছেন ৯৩ জন সদস্য। বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন ১২৪ জন সদস্য। আর ভোটদানে বিরত ছিলেন ১৫ জন সংসদ সদস্য। খবর আলজাজিরার
খবরে বলা হয়, দেশটির প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভান্ডারি ওলি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নেতৃত্বে নতুন নির্বাচন দিয়ে নতুন সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন। তবে ওলির কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ভারতের সংবাদসংস্থা এএনআই জানিয়েছে, আস্থা ভোটে জয়ের জন্য ওলির কমপক্ষে ১৩৬টি ভোটের দরকার ছিল। কিন্তু ৯৩ জন সেই প্রস্তাবের সমর্থনে ভোট দেন। অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন জোগাড় করতে পারেননি ওলি।
গত মার্চে সরকার থেকে জোটসঙ্গী ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি সমর্থন তুলে নেওয়ায় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছিলেন ওলি। ফলে আস্থা ভোটের আগে হুইপ জারি করেছিল সিপিএম-ইউএমএল (কমিউনিস্ট পার্টি অফ নেপাল-ইউনিফায়েড মার্ক্সিট লেনিনিস্ট)।
হিমালয়ান টাইমসের প্রতিবেদন উদ্ধৃত করে এএনআই জানিয়েছে, আস্থা ভোটপর্ব শুরু আগে সংসদে নিজের সরকারের ‘কৃতিত্ব’ তুলে ধরেছিলেন। কিন্তু তাতেও কোনও ফল হয়নি।হিন্দুস্তান টাইমসর খবরে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরেই দলের অভ্যন্তরে বিরোধিতার মুখে পড়ে আসছেন ওলি। বিরোধী গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে বারবার দাবি করা হয় যে, সাধারণ আহ্বায়ক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ওলি, তা যেন প্রত্যাহার করা হয়। দলের অভ্যন্তরে যে সমস্যাগুলো মাথাচাড়া দিচ্ছিল, তা সমাধানের জন্য একসঙ্গে কাজের বার্তা দেওয়া হয়েছিল।
এরই মধ্যে পুষ্পকুমার দাহাল ওরফে প্রচণ্ডের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠীর চালে আরও চাপে পড়ে যান ওলি। তাছাড়া করোনা ভাইরাস মহামারী সামলানো নিয়ে দেশের অভ্যন্তরে তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন ওলি। বিশেষত গত কয়েকদিনে যেভাবে দেশে আক্রান্ত এবং মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে, তাতে সেই সমালোচনার মাত্রা আরও বাড়তে থাকে। বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে ওষুধ, অক্সিজেন শেষ হয়ে যাওয়ার খবরও মিলতে থাকে। সেই পরিস্থিতিতে আরও কঠিন হয়ে ওঠে ওলির কাজ। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস, আলজাজিরা ও এএনআই
ফাইল ছবি
ইউক্রেনের বিচ্ছিন্ন অঞ্চল লুহানস্ক ‘সম্পূর্ণ মুক্ত’ বলে ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শইগু।
এর আগে লুহানস্কের শেষ বড় ঘাঁটি লিসিচানস্ক শহরের পতন ঘটতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির উপদেষ্টা ওলেক্সি আরেস্টোভিচ। তিনি বলেন, গত কয়েকদিন ধরে দোনবাসের কৌশলগত শহরটি দখল নিতে সর্বশক্তি প্রয়োগ করেছে রুশ বাহিনী।
ওলেক্সি আরেস্টোভিচ আরও বলেন, তারা সিভারস্কি দোনেতস্ক নদী অতিক্রম করেছে এবং উত্তর দিক থেকে শহরের দিকে আসছে। এটা বড় ধরনের একটা হুমকি। আগামী এক অথবা দুই দিনের মধ্যে বিষয়গুলো আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
অধ্যাপক আসিফ নজরুল
এই ফেসবুক পাতায় বিজ্ঞাপন দিলে লক্ষ লক্ষ টাকা কামাতে পারতাম। যে সময় নিয়ে বই লিখি তা দিয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে লেকচার দিলে বা কন্সালটেন্সি করলে কমপক্ষে ১০ গুণ টাকা উপার্জন করতে পারতাম।
কাজেই গল্প-উপন্যাস টাকার জন্য লিখি এটা ভাবার কোন কারণ নেই। লিখি আপনাদের পড়ার জন্য। নিজের সৃষ্টি কে না শেয়ার করতে চায়! আর সেটা করছি নিজেরই পাতায়।
এতে গা জ্বলে কেন কিছু মানুষের?
(ফেসবুক পাতা থেকে)