a
ফাইল ছবি
আত্মসমর্পণ না করলে পানশিরে হামলার ঘোষণা দিয়েছে তালেবান। স্থানীয় বিদ্রোহী মাসুদ বাহিনীকে আত্মসমর্পণের জন্য ৪ ঘণ্টা সময় দিয়েছে তালেবান।
রবিবার এক টুইটার বার্তায় তালেবান জানায়, “সংগঠনটির হাজার হাজার যোদ্ধা ইতোমধ্যে পানশিরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে।”
তবে তালেবানের এই হুঁশিয়ারির পর সেখানকার আহমেদ মাসুদ বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
১৫ আগস্ট কাবুলের পতনের পর আফগানিস্তানের কিছু এলাকা, বিশেষত উত্তরে হিন্দুকুশ পর্বতের পাদদেশে পানশির উপত্যকা তালেবান দখলের বাইরে থেকে যায়।
এবার এত দিনের অজেয় পানশির উপত্যকা দখলের লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে তালেবান যোদ্ধারা।
পানশিরে আহমেদ মাসুদের সঙ্গে রয়েছেন গনি জমানার ভাইস প্রেসিডেন্ট আমরুল্লাহ সালেহ। আফগান সেনার একটি অংশও মাসুদের বাহিনীতে যোগ দিয়েছে বলে স্থানীয় সংবাদ সূত্রে জানা যায়। মাসুদ বাহিনী কয়েকটি দেশের সমর্থন পেলেও কতদিন তালেবান যোদ্ধাদের প্রতিরোধ চালিয়ে নিজেদের রক্ষা করতে পারবে সেটাই প্রশ্ন।
ফাইল ছবি
সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণা নেটওয়ার্কের অর্থনীতিবিদেরা এমন আশঙ্কা ব্যক্ত করার পর ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তারা সুদের হার আরেক দফা বাড়ানোর কথা ভাবছেন।
গতকাল রবিবার এ নিয়ে ফেডারেল রিজার্ভের সঙ্গে নীতি-নির্ধারকরা অনির্ধারিত এক বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন বলে গণমাধ্যমে খবর এসেছে।
অর্থনীতিবিদদের ধারণা, পতনের ঝুঁকি ত্বরান্বিত হতে পারে সুদের হার বাড়ালেই। কারণ, তার ফলে সরকারি বন্ড এবং মর্টগেজ-বন্দকীর নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট সম্পদের মূল্য কমে যাবে। এতে আমানতকারিদের পক্ষে স্বাভাবিক লেন-দেন চালিয়ে নেওয়া কষ্টকর হয়ে পড়তে পারে। এসব কারণেই সিলিকন ভ্যালি ব্যাংক সংকটে পড়ে দেউলিয়া ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছে।
সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণা নেটওয়ার্কের অর্থনীতিবিদদের মতে, ব্যাংকের সম্পদের দাম একেবারে তলানিতে যাওয়ার ফলেই বীমাহীন আমানতকারিরা গচ্ছিত অর্থ দ্রুত সরিয়ে ফেলেন এবং ব্যাংকিং সিস্টেমকে লন্ডভন্ড হয়ে যায়। ১৮৬টি ব্যাংকও অনুরূপ পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে, যা ঠেকাতে সঠিক নীতিমালার কোন বিকল্প নেই। অর্থাৎ এসব ব্যাংকের পতন ঠেকাতে বেল আউটের মতো প্রক্রিয়া অবলম্বন তথা ফেডারেল সরকারের হস্তক্ষেপ জরুরি হয়ে পড়েছে।
অর্থনীতি নিয়ে যারা গবেষণা করেন তারা বলেছেন, ‘কোনো ব্যাংকের আমানতকারিরা যদি খুব দ্রুত তাদের জমানো অর্ধেক অর্থ উইথড্র করেন, তাহলেই সংশ্লিষ্ট ব্যাংক পতনের ঝুঁকিতে পড়ে।’
রবিবার প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংকিং জায়েন্ট ইউবিএস বিশ্বব্যাপী ব্যাংকিং ব্যবস্থায় টালমাটাল অবস্থার অবসানের অভিপ্রায়ে নীতি-নির্ধারকদের সমন্বয়ে একটি চুক্তির আওতায় প্রায় ৩.২৫ বিলিয়ন ডলারে কঠিন সংকটে পতিত ‘ক্রেডিট সুইস ব্যাংক’ কিনে নিচ্ছে। এটি ছিল ইউবিএসের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী একটি ব্যাংক। ফেডারেল রিজার্ভ এবং আরো ৫টি কেন্দ্রীয় ব্যাংক সোমবার থেকে শুরু হওয়া তাদের ডলারের ‘অদলবদল’ ব্যবস্থায় তারল্য বাড়ানোর জন্যে সমন্বিত পদক্ষেপের ঘোষণা দেয়।
ফেডারেল ব্যাংক অব কানাডা, ব্যাংক অব ইংল্যান্ড, ব্যাংক অব জাপান, ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংক এবং সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের সঙ্গে এই পন্থা অবলম্বন করা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ফেডারেল রিজার্ভ চেয়ারপারসন জেরমি পাওয়েল বুধবার সুদের হার বৃদ্ধির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত জানাতে পারেন। গত বছরের ৮ বার সুদের হার বৃদ্ধির মতো আরেক দফা পদক্ষেপ নেবেন কি না সে সিদ্ধান্ত দেবেন।
জেরমি পাওয়েল ইতোমধ্যেই ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, প্রত্যাশিত ত্রৈমাসিক শতাংশের চেয়ে বেশি হার বাড়াতে পারেন। কারণ, মুদ্রাস্ফীতি প্রত্যাশা অনুযায়ী হ্রাস পাচ্ছে না। অপরদিকে শ্রমবাজার শক্তিশালী রয়ে গেছে। তিনি সে ধারণা পোষণ করেছিলেন সিলিকন ভ্যালি এবং সিগন্যাচার ব্যাংক পতনের আগে।
গত সপ্তাহে ক্যালিফোর্নিয়ার ফার্স্ট রিপাবলিকান ব্যাংক যুক্তরাষ্ট্রের বড় ধরনের ১১টি ব্যাংক থেকে ৩০ বিলিয়ন ডলারের জরুরি ঋণ নিয়েছে, আর এটি করা হয়েছে বাইডেন প্রশাসনের মধ্যস্থতায়।
ফার্স্ট রিপাবলিকান ব্যাংক কর্তপক্ষ দাবি করেছে যে, ঘনঘন সুদের হার বৃদ্ধি করায় ব্যাংকের সম্পদের মূল্য কমেছে। এতে করে আমানতকারিরা ভয় পেয়ে যায় এবং একাউন্ট থেকে অর্থ সরিয়ে নেওয়ায় ব্যাংক পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়ে।
এদিকে, বাইডেনের অর্থমন্ত্রী জ্যানেট ইয়েলেন বারবার দাবি করছেন যে, ব্যাংকিং সেক্টর নিয়ে দুশ্চিন্তার কারণ নেই কিন্তু অর্থনীতিবিদেরা দাবি করেন বাস্তবতা ভিন্ন। এর ফলে ছোট ও মাঝারি ধরনের সকল ব্যাংক থেকে গ্রাহকেরা আমানত উঠিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
করোনার থাবায় শেষ পর্যন্ত স্থগিত করতে হলো আইপিএল ২০২১। বেশ কয়েকটি ফ্রাঞ্চাইজির স্টাফ খেলোয়াড় করোনায় আক্রান্ত হওয়াতে শেষে আর কোন উপায় খুজে না পেয়ে সাময়িকভাবে আইপিএল বন্ধ করা হয়েছে।
গতকাল সোমবারের পর মঙ্গলবারও চেন্নাই বনাম হায়দরাবাদ ম্যাচ স্থগিত করে দেওয়া হয়েছিল। বিশ্বস্ত এক সূত্রে জানা গেছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ঋদ্ধিমান সাহা এবং দিল্লি ক্যাপিটালসের অমিত মিশ্র-র করোনা রিপোর্ট মঙ্গলবারই পজিটিভ আসে। তারপরেই অনির্দিষ্টকালের জন্য আইপিএল বন্ধ করতে বাধ্য হয় বিসিসিআই। একের পর এক ক্রিকেটার কোভিড পজিটিভ ধরা পড়তেই দিল্লির ম্যাচ বাতিল করার দাবি উঠেছিল।
স্টার স্পোর্টসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মে মাসের ৭ তারিখ থেকে ফ্র্যাঞ্চাইজি, ব্রডকাস্ট এবং ওপারেশন টিম মুম্বইয়ে স্থানান্তর করার জোর দাবি ছিল। নতুন সূচি অনুযায়ী ফের খেলা আরম্ভের কথা ছিল ১০ মে'র পর।
বিসিসিআই বোর্ডের সহ-সভাপতি রাজীব শুক্লা আইপিএলে বন্ধ হওয়ার খবর নিশ্চিত করে জানান, আপাতত আইপিএল বন্ধ করা হলো। সমস্ত দল, ব্রডকাস্টার এবং টুর্নামেন্টের সঙ্গে জড়িত সকলের সঙ্গে আলোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দেশের বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই টুর্নামেন্ট বন্ধ করা হলো। পরের অবস্থা এবং সুযোগ বুঝে নতুন সূচি প্রকাশ করা হবে।
উল্লেখ্য গত এপ্রিল মাসের ৯ তারিখ থেকে করোনার কারনেই গ্যালারি ফাঁকা রেখে আইপিএলের ১৪তম শুরু করে বিসিসিআই। এর আগে আইপিএলের মাঝপথে করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় কিছু অজি তারকা আইপিএল ছেড়ে দেশে পাড়ি জমান। এবারের আইপিএলে বাংলাদেশ থেকে কলকাতার হয়ে খেলছেন সাকিব আল হাসান ও রাজাস্থান রয়েলসের হয়ে খেলছেন মুস্তাফিজুর রহমান।